কম্পিউটার কৌশলের ছাত্রছাত্রীরা কোথায়? একটা ভালো টাইপিং সফটওয়্যার কি বানাতে পারে না? তাদের অহম জাগা জরুরী।
২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৫৭
প্রযুক্তির উন্নয়ন যে কারো হাতে হতে পারে। এটি সত্যি। কিন্তু মুল ট্র্যাকের বাইরের কেউ করলে বাংলাদেশের মতো একটা দেশে বিশেষজ্ঞ হিসাবে পরিচিত হওয়ার যে ধুম আর কাঁদা ছোঁড়াছুঁড়ি শুরু হয় তা আমাদের বিজয় বনাম অভ্র ঝগড়া থেকে বুঝা যায়। এর সাথে শুরু হয় রাজনীতি, ভাষা আন্দোলন ইত্যাদি জড়িয়ে আবেগ দিয়ে গুনগতমানের প্রশ্নকে ছাপিয়ে যাওয়ার অপচেষ্টা।
আমার জানামতে বাংলা টাইপ রাইটিং-এ মুনির লে আউট কিছুটা বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে তৈরী। তবে কম্পিউটারের জন্য এরকম কিছু আছে বলে জানিনা। কাজেই বিজয় বা অভ্র সহ আমরা যে সব সফটওয়্যার দেখতে পাচ্ছি সেগুলি পরীক্ষন ও গবেষনা নয় শুধু মাত্র ধারনা ও ব্যক্তিগত পছন্দের ভিত্তিতে তৈরী। সত্যিকারের একটা লে আউট তৈরীতে গবেষনাও দরকার হবে আবার প্রোগ্রামিংএর দক্ষতাও দরকার। হবে। বর্তমানে কম্পিউটার কৌশলের ছাত্র সারাদেশে বুয়েট সহ অন্যান্যা বিশ্ববিদ্যালয় মিলে অনেক। আমি আশা করি তাদের কেউ উৎসাহী হয়ে সত্যিকারের গুনগতমান সম্পন্ন একটি সফটওয়্যার তৈরী করে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেবেন। আমাদের কম্পিউটার কৌশলের ছাত্রছাত্রীদের জন্য দেশের জন্য এ বিষয়ে কিছু করা জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর সময় হিসাবে এটা অতীব উপযোগী সময়।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
হা...হা...হা... বলেছেন:
আমার এই পোষ্টটি প্রথম পাতায় আসেনি। আপনার ব্লগে লিংক দিলাম। জব্বার সাহেবের নামে মানহানির মামলা করুন। প্রয়োজনে আমরা হাজার হাজার ব্লগার চাঁদা দিয়ে মামলা চালাব।
লেখক বলেছেন: অভ্রের ইউনিজয় বা ইউনিবিজয় মোটা দাগে বিজয়ের কপি। আমি বিজয়ে বিরুদ্ধে। আর অভ্র কে নিয়ে এই মাতামাতিরও বিরুদ্ধে।
রবিন০৪ বলেছেন:
কেন সবাই বিজয় আর অভ্র নিয়ে মাতছে আপনে মনে হয় তা বুঝেন নাই। ভবিষ্যতেও যদি অভ্র মত বা তা চেয়ে ভাল আরএকটা বাংলা সফট বের হয় তখনো এই জব্বর কাকা চিল্লাচিল্লি আরম্ভ করবো এইডা আমারটা নকল করছে ...তখন কি করবেন? আর অভ্র হইতাছে পুরা ফ্রি , বিজয় বেটা বহু টাকা কামাইছে বিজয় দিয়া এখন তার বিজনেজ মার খাইতাছে হের লাইগা তার ঘুম হারাম। চিন্তা করেন অভ্রর ডেভলপার কোটি টাকার স্বপ্ন ছাড়তে পারে আর শালার জব্বর কাকু খালি টেকা টেকা করে। পার্থক্য এটাই।
লেখক বলেছেন: আপনি বুঝেছেন তো ঠিক মতো! জব্বার কাকুরে ঠেঙ্গাইতেছেন সেটা ঠেঙ্গান। ঠিক আছে। কিন্তু এর সাথে অপরীক্ষিত কোন সফটওয়্যার নিয়ে মাত্রাতিরিক্ত মাতামাতি ভাল নয়।
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন:
আমাদের কম্পিউটার কৌশলের ছাত্রছাত্রীদের জন্য দেশের জন্য এ বিষয়ে কিছু করা জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর সময় হিসাবে এটা অতীব উপযোগী সময়।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন।
ছায়া-পথ বলেছেন:
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আমাদের কম্পিউটার কৌশলের ছাত্রছাত্রীদের জন্য দেশের জন্য এ বিষয়ে কিছু করা জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর সময় হিসাবে এটা অতীব উপযোগী সময়।--------------------------------------------------------------------------
একমত
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন।
নুভান বলেছেন:
"কিন্তু এর সাথে অপরীক্ষিত কোন সফটওয়্যার নিয়ে মাত্রাতিরিক্ত মাতামাতি ভাল নয়।"অপরীক্ষীত সফটওয়্যার বলতে আপনি কি বুঝাচ্ছেন? জব্বর কাগু বা অর্ধশিক্ষিত আমলাগুলো থেকে একটা সার্টিফিকেট পাইলে তা পরীক্ষীত হয়া যাইবো নাকি? আর যখন অভ্রের মতন একটা উন্নতমানের ফ্রিওয়্যার আছে, তখন নতুন কিছু নিয়ে বিতর্ক না করে এটার আরও উন্নতি সাধন করাটাই বাঞ্চনীয়।
লেখক বলেছেন: অভ্র বিনাপয়সার কিন্তু ফ্রিওয়্যার নয় বলেই জানি। কাজেই আপনি এটার উন্নতি করবেন বলছেন তা ধন্য আশা কুহকিনী বলেই মনে হয়।
জব্বারেরটা ভাল নয় এটাতো ইতিমধ্যে বলা শেষ। কথা হচ্ছে তার পরিবর্তে যেটা নিয়ে কথা হচ্ছে তার গুনগত মান ভাল বলে আমরা জানিনা, বরং গবেষনায় দেখা গেছে এটা অন্যদের চেয়ে গুনগতমানে খারাপ। আমার কাছে জিয়া সিএসই৯২বুয়েট কর্তৃক আই ই ই ই তে প্রকাশিত গবেষনা পত্রের কপি আছে। কাজেই অভ্রের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা যেতে পারে ঠিকই কিন্তু এটা নিয়ে এত হুলস্থুল বা মাতামাতি করার কিছু নাই।
মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেছেন:
মার্কেটিং ইজ মেইন ফ্যাক্ট ফর এ নিউ প্রডাক্ট।
লেখক বলেছেন: হমম, অভ্র সেটাতেই মাত করেছে!
ইন্ঞ্জিনিয়ার বলেছেন:
"অভ্র বিনাপয়সার কিন্তু ফ্রিওয়্যার নয় বলেই জানি"ভাই মাথা ঠান্ডা করে আসেন। কি বলছেন নিজে জানেন তো?
লেখক বলেছেন: আমার জানার ধরণটা নিম্নরূপঃ (আমার বন্ধু শাহ আসাদুজ্জামান কে ধন্যবাদ।)
Open source (free-to copy, open program code, originator is able to restrict modification and may take public contribution to commercial use)
Free-software (free as freedom, Richard Stallman, free to copy, modify and open-source, disallowing commercialization) এবং
Shareware (free to copy, not open source, usually a downsized version of a future full version of a software, used as a tool for advertisement)
যাহোক আমার জানামতে অভ্র বিনা পয়সায় বিতরন করা হয় কিন্তু এর সোর্স কোড উন্মুক্ত নয়, কাজেই যে কারো আরো উন্নয়নের সুযোগ নেই। আপনি যদি অন্য কোন টারমিনোলজী অনুযায়ী জানেন সেটা বলতে পারেন। ধন্যবাদ।
ইন্ঞ্জিনিয়ার বলেছেন:
http://en.wikipedia.org/wiki/Freewarehttp://en.wikipedia.org/wiki/Free_software
এই দুটো পেজ দেখুন। তাহলে বুঝবেন। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: যা হোক দাম দিতে হয় না আর কোড উন্মুক্ত নয় এটা বলাই যথেষ্ট। কনফিউজিং টার্মিনোলজী ব্যবহারে কিছু এসে যায় না।
অজানা এক পথিক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: অভ্রের ইউনিজয় বা ইউনিবিজয় মোটা দাগে বিজয়ের কপি।
জব্বার কাগুর অভিযোগ কিন্তু পাইরেসির, দূটর মধ্যে মিল নিয়ে না। পেটেন্ট এ্যক্ট কোনভাবেই অভ্র ভংগ করে না।
আপনি জুতার সাথে সফটয়্যার কে মিল করলেন। তাহলে আপনার কথা অনুসারে তো কেউ কোন কোড লিখলেই সেটাও আপনি বলবেন কপি।
int i = 5;
Console.Writeln(i);
এখন এই কোড যদি কেউ লিখে তাহলে আপনি নকল বলবেন। তাহলে কি আর কেউ i নামের ভেরিএবল নিতে পারবে না?
সবচেয়ে বড় কথা কী-বোর্ড লেআউটের পেটেন্ট হয় কিভাবে? এটা তো কোন ভাবেই যৌক্তিক না।
আর অভ্রের ইউনিবিজয় বিজয় লেয়াউটের মত করেই করা যেন যারা বিজয় ব্যাবহার করে অভ্যস্ত তারা যেন সহজেই অভ্র ব্যাবহার করতে পারে।
আপনি নতুন লেয়াউটের কথা যা বললেন, একটু ভেবে দেখেন তো যারা কম্পিউটের ব্যাবহার করে তাদের কয়জন টাচ টাইপিস্ট, মানে না দেখে টাইপ করে। সবাই কিন্তু দেখে দেখেই টাইপ করে। বাংলা কী-বোর্ড কিন্তু ছাপিয়ে বিক্রি করা হয় না, বিজয় ছাড়া। ঠিক একই কারনে অনেকেই ফিক্সড লেআউট কী-বোর্ড পারে না। বেশির ভাগই ফোনেটিকে অভ্যস্ত। অভ্রের লক্ষ্য এটাই ছিল যে কিভাবে ব্যাবহার বান্ধব করা যায়। আর তাছাড়া অভ্রতে আরও কী-বোর্ড লেআউটও কিন্তু আছে। কেউ যদি সেরকম সাইন্টিফিকালি প্রুভড কী-বোর্ড বানায় সেটা সংযোজন করা কোন ব্যাপার নয়।
আমি নিজে সারাদিনি কোড লিখি। সেটা ইংরেজিতে তারপরও আমি কিন্তু টাচ টাইপিস্ট না। সেখানে বাংলা একটু বেশী হয়ে যায় না।
আর নতুন সফটওয়্যার বানাতে এবং সেটা স্টেবল হতে সময় লাগবে। আর তাছাড়া আপনি যেহেতু প্রোগ্রামিং পারেন তাহলে অন্যের জন্য বসে না থেকে নিজেই একটা বানিয়ে সবাইকে দিন না?
লেখক বলেছেন: বাংলাদেশে আইপি পেটেন্ট কপিরাইট ইত্যাদি বিষয়ে আইন তেমন নাই বললেই চলে। আর যৎসামান্য কিছু থাকলেও সেগুলো কার্যকর ভাবে বলবৎ নেই। কাজেই আইন দিয়ে অভ্রকে ঠেকানো মুশকিল হবে এটা ধরে নেয়া যায়। তবে সাদা চোখে ইউনিবিজয় নামের মিল রেখে ৯৯% মিল লে-আউট মিল রেখে বাঁকী কিছু পরিবর্তন করে বিজয়ের সাথে টক্কর লাগাতে চেয়েছে এটাতো পরিস্কার। এটুকু বুঝার জন্য কোন বিশেষজ্ঞ হওয়ার দরকার। মেহেদি সাহেব গাঁ বাচানো যুক্তি দেখিয়েছেন। যাইহোক এতে তার সদিচ্ছা প্রশ্নবিদ্ধই হয়েছে। আমি তার ঐ যুক্তিসমুহে সন্তষ্ট নই।
ফোনেটিক গুলোর মধ্যেও ভিন্নতা থাকতে পারে। যেটা সবচেয়ে ভাল সেটা আমাদের দরকার।
ব্যক্তিগতভাবে চ্যালেঞ্জ নিতে বলছেন নাকি। কোন কিছু সম্পর্কে মন্তব্য করলেই সেটা করে দেখাতে হবে!
শেহাব বলেছেন:
সচলায়তনে মেহেদীর পোস্টে আমার কমেন্ট পড়ে দেখতে পারেন।
লেখক বলেছেন: এখানে পেস্ট করুন অথবা লিংক দিন।
রাগিব বলেছেন:
"আমার কাছে জিয়া সিএসই৯২বুয়েট কর্তৃক আই ই ই ই তে প্রকাশিত গবেষনা পত্রের কপি আছে।"এটা কি বাংলাদেশের সেই আইসিসিআইটি কনফারেন্সে প্রকাশিত? বেশ কয়েকবার আইইইইতে প্রকাশিত গবেষণা পত্র বলছেন দেখে আসাদ ভাইয়ের নোটে খুঁজে কেবল আইসিসিআইটির লিংকটাই দেখলাম ... ঐটাই নাকি?
যাহোক, পেপারটা ডাউনলোডের চেষ্টা করে দেখবো, কারণ ব্যাখাটা পড়তে আগ্রহী। তবে পেপারটা না পড়েই যে বিষয়টা মনে আসছে, সেটা হলো এই পেপারের লেখক যেহেতু নিজেই প্রতিদ্বন্দ্বী একটা সফটওয়ারের ডেভেলপার, পেপারটির ব্যাখ্যা নিরপেক্ষ কতটুকু, তা নিয়ে কিন্তু প্রশ্ন উঠতে পারে।
থার্ড পার্টি নিরপেক্ষ কোনো গবেষকের হাতে এই বিশ্লেষণটা হওয়া দরকার। ব্লগার সিউল রায়হান ক'দিন আগে লিখেছিলো, তার থিসিসের বিষয় ছিলো এটা, কিন্তু বিস্তারিত গবেষণা এখনো এই লাইনে হয়নি।
লেখক বলেছেন: আমি যেটা দেখছি এটা আইইইই লিখা। এটা আর আইসিসিআইটি এর টা একই কিনা আমি বলতে পারছি না। হতে পারে আইসিসিআইটিতে প্রকাশিত, আইইইই আরকাইভে আছে বা এইরকম কিছু। পেপারের কপি দেখে বুঝতে পারছিনা। আমি আমার কাছে থাকা কপি বিতরন করতে পারি কি না নিশ্চিত নই। তবে জিয়া কে ইমেইল করলে নিশ্চয় সে পাঠিয়ে দেবে।
লেখক যেহেতু একই ধরনের একটা সফটওয়্যারের মালিক কাজেই সেই প্রশ্ন তোলা যৌক্তিক। আর কোথায় পাবলিশ হয়েছে সেখানকার রিভিউ নিয়ে কথা বলাও অবশ্যই যৌক্তিক। তবে গবেষনা পত্র প্রকাশের নর্মস অনুযায়ী প্রকাশিত প্রবন্ধের একটা গ্রহনযোগ্যতা তৈরী হয়ে যায়। যে কেউ অবশ্যই আরেকটা প্রবন্ধ লিখে তাকে ভ্রান্ত প্রমান করে দিতেই পারে। যাই হোক এ বিষয়ে সত্যি সত্যি গবেষনা হওয়া দরকার। আর তার ভিত্তিতে কাউকে ভাল খারাপ বলে সমর্থন দেয়া দরকার। একসময় বিজয় পপুলার ছিল বলেই যেমন আমরা তার পিছনে যেতে পারি না, তেমনি না জেনে আমি অভ্রের পপুলারিটি দেখেই এর পিছনে যেতে চাইনা। এতে অভ্রের ভক্তবৃন্দ যাহাই মনে করুক
ব্লগার সিউল রায়হান কিছু একটা করার চেষ্টা করার চেষ্টা করছে দেখছি। তবে আমি খুব বেশী অবগত নই এ সম্পর্কে। ব্লগের বিভিন্নভাবে ছড়িয়ে পড়া লিখা থেকে কিছু বুঝা মুশকিল। কোন রিপোর্ট জাতীয় কিছু পেলে বুঝা সুবিধা হবে।
'লেনিন' বলেছেন:
আপনার কথামতো অহমের ফল দাঁড়াবে অভ্র বা বিজয়ের মতোই কোনো নতুন প্রোডাক্ট। অভ্র এতোটা ফিচারসমৃদ্ধ হবার পরও কোনো পয়সা নিচ্ছে না কারো কাছে। বরং মেহেদী হাসান খান এর সোর্সকোড অচীরেই উন্মুক্ত করে দেবে এমন কথাও শোনা যায়।এখন আসি আপনার মূল পয়েন্টে। কীবোর্ড লে-আউট আর সফটওয়্যার কিন্তু এক জিনিস নয়।
ইংরেজিতে যে কীবোর্ড ব্যবহার করেন তা টাইপরাইটারের জন্য QWERTY হিসেবে পরিচিত। এটির কথা বলা হয় যে টাইপরাইটারের টাইপফেস হ্যামারগুলো গায়ে গায়ে লেগে যায় অতি দ্রুত টাইপ করার ফলে তাই এমন ফ্রিকোয়েন্সির অক্ষরগুলো পাশাপাশি দেয়া হয় যাদের টাইপ করার প্রবণতা কম। তার মানে তখন অক্ষর বিন্যাসের উপর পরিসংখ্যান করা হয়েছিলো। আপনি হয়তো জানেন না Dvorak নামে আরেকটি লে-আউট আছে জন সি. ডিভেরাক নামক ব্যাক্তি ব্যাপক গবেষণা করে উদ্ভাবন করেছেন। কিন্তু টাইপরাইটার এতোই জনপ্রিয়ভাবে ছেয়ে যায় বাজারে যে কম্পিউটারে হাতে গোনা কিছু মানুষকে নতুন কীবোর্ড লেআউট দিলে হয়তো কম্পিউটারই কিনবেনা। তখনকার কীবোর্ড তৈরি করতেও ১০/২০হাজার টাকার মতো লাগতো ধরে নিন। তো বিজয় লেআউট সেইরকম জনপ্রিয় হবার দরুন নতুন কোনো লে-আউটও কেউ খাবেনা।
ইতিহাস ঘেঁটে জানবেন, জাতীয় পর্যায়ে বেশ কয়েকবার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা একাডেমি ইত্যাদি সমন্বয়ে কমিটি করা হয়েছিলো নতুন প্রমিত কীবোর্ড করার জন্য। ফল হলো ন্যাশনাল কী-বোর্ডটিও এখন বিজয়ের অনুকরণে তৈরি।
বাংলাভাষার অক্ষর টাইপিং প্রবণতা বিভিন্ন ধরণের লেখালেখিতে কেমন তার উপর একটি পরিসংখ্যান করতে হবে।
১. যতো আছে ছড়া কবিতা
২. উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ
৩. গান
৪. আইন-কানুন ইত্যাদি
৫. পাঠ্যবই
৬. অনলাইনে লেখার ধারা
৭. দৈনিক পত্রিকায় লেখার ধারা
৮. সাহিত্য সাময়িকীতে লেখার ধারা
ইত্যাদি ধরণের লেখালেখির উপর কোন অক্ষর কতোবার এসেছে তার শতকরা নিয়ে ফ্রিকোয়েন্সি মাপা হবে। তারপর তা নির্ভরযোগ্য কতোটা তা মাপা হবে। গ্রহণযোগ্য হলে তাকে অবশেষে কীবোর্ডের লেআউটের রূপ দেয়া হবে।
তো এই ধাপগুলো পেড়িয়ে তার গতি যদি সেই ডিভোরাক কীবোর্ডের মতোই হয় তাহলে যেই লাউ সেই কদু! কে করতে যাবে অমন গবেষণা ব্রাদার?
আবারো বলছি সফটওয়্যার আর কিবোর্ড লেআউটকে মিলিয়ে ফেলবেন না।
লেখক বলেছেন: "মেহেদী হাসান খান এর সোর্সকোড অচীরেই উন্মুক্ত করে দেবে এমন কথাও শোনা যায়।"
মেহেদী সাহেব সেটা করুক। আগাম অভিনন্দন রইল। তারপর সেটাকে দরকার হলে আরো উন্নতকরার চেষ্টা করুক। উত্তেজনা নয় উদ্দীপনা দিয়ে বাংলা ভাষার প্রযুক্তি এগিয়ে যাক।
আমি কম্পিউটার কৌশলের একজন দুর্বল ছাত্র। যা হোক সফটওয়্যার লে-আউট ইত্যাদি বিষয়ে আমার যৎসামান্য জ্ঞান আছে।
এটুকু বিবেচনায় নিয়ে কথা বললে খুশী হই।
তবে টাইপরাইটারের হ্যামার বিষয়ে আপনি গুরুত্বপূর্ণ একটা কথা বলেছেন। আমি হয়তবা আগেই শুনেছিলাম বলে মনে হচ্ছে, যাহোক তবু নতুন করে শুনলাম। এজন্য ধন্যবাদ।
যার আগ্রহ আছে সে ঠিকই করবে। আমাদের কারো কারো কাছে লাউ কদু বলে মনে হলেও। এভাবেই প্রযুক্তি এগিয়ে যাবে।
'লেনিন' বলেছেন:
আপনার পাওয়া গবেষণাপত্রে অভ্রের যে দিকগুলো খারাপ পেয়েছেন তার অধিকাংশই ডিটিপি নির্ভর হবার কথা। ইউনিকোড এখনো ফোটোশপ, ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি সফটওয়্যারে সেভাবে সমর্থন না করাতে পুরাতন ট্রুটাইপ বা এডোবি পোস্টস্ক্রিপ্ট ফন্ট ব্যবহার করতে হয় উন্নত প্রিন্টিংয়ের জন্য।
লেখক বলেছেন: না এরকম কিছু নয়। অনেক শব্দ টাইপ করতে গেলে কোন লে-আউটের কেমন পারফরম্যান্স কেমন হবে এ রকম কিছু তুলনা করা হয়েছে। কি বোর্ড লে-আউট বিষয়ে যেটা গুরুত্ব পূর্ণ। অন্যান্য আনুষাঙ্গিক বিষয়ে ব্যবহার কারীরা অনুপ্রাণিত হতে পারেন, সেগুলো অবশ্যই উপযোগীতা বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু আমি তাতে খুব বেশী আগ্রহী নই। ধন্যবাদ।
'লেনিন' বলেছেন:
টাইপরাইটারের কী সংখ্যা প্রয়োজনে বাড়ানো কমানো যায়। কিন্তু সার্বজনীন কীবোর্ড করতে হলে সবচেয়ে সহজলভ্য ১০১ কী এর স্ট্যান্ডার্ড কোয়ার্টির উপরেই কাজ করতে হবে। বাংলাদেশি হিসেবে একটি হতাশাবাদি মন্তব্য করতে পারি। মুনীর অপটিমা আমাদের মুক্তিযুদ্ধ হবার আগের কাজ। শহীদ মুনীর চৌধুরি এর গবেষক ছিলেন। কোয়ার্টি কীবোর্ড যেমন অপেক্ষাকৃত উন্নত ডিভোরাক কীবোর্ডকে হারিয়ে টিকে আছে সারাবিশ্বময়। তেমনি বিজয় লেআউট বা এর দুতিনটি ভ্যারিয়্যান্ট (ইউনিজয়/ইউনিবিজয়/ন্যাশনাল) হয়তো বাঙালি এভাবে ব্যবহার করেই যাবে।আমি ব্যক্তিগতভাবে ফোনেটিকে লেখার পক্ষপাতি নই। কেননা আমি টাচ-টাইপিস্ট। আমি ইংরেজী বর্ণদিয়ে বানান করে বাংলা লিখতে চাইনা। যদি লিখিও তবে এমন বানানে নয় যা আমি স্বভাবতই লিখতাম। বানান করে লিখলে অনেক ambiguity আসে যা বিরক্তিকর। আরেকটি ভাষার অক্ষরে নির্ভর করে আমার ভাষা লিখতে হবে কেনে? আমার ভাষার নিজের একটি লেআউট থাকবেনা? দুর্বল বর্ণমালা ইংরেজীকে ধার করে? তাহলে আমরা বাহাসা ইন্দেনেশিয়া বা মালেতে লিখি!
acu bikara bahasa
যারা কিনা নিজেদের বর্ণমালা বিসর্জন দিয়ে দিয়েছে নিয়েছে ইংরেজদেরটা।
লেখক বলেছেন: হমম, আপনার কথা বুঝতে পারছি।
অপেশাদার ব্যবহারকারীরা সহজে ব্যবহার করতে চায়। আর পেশাদার ব্যবহারকারীরা চায় কত দ্রুত টাইপ করা যায়। অনলাইন ব্যবহার কারী বেড়ে যাওয়ায় আর বাংলাভাষার চিহ্নের সংখ্যা অনেক হওয়ায় ফোনেটিক টাইপিং জনপ্রিয় হয়েছে। অভ্র সফটওয়্যারটি তার প্রাপ্যতা আর কিছু ব্যবহার বান্ধব অনুষঙ্গের কারনে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কিন্তু এর প্রস্তাবিত লে-আউট সমুহের গুনগত মান পরীক্ষিত বলে আমার জানা নেই
অজানা এক পথিক বলেছেন:
বাংলাদেশে আইপি পেটেন্ট কপিরাইট ইত্যাদি বিষয়ে আইন তেমন নাই বললেই চলে। আর যৎসামান্য কিছু থাকলেও সেগুলো কার্যকর ভাবে বলবৎ নেই। কাজেই আইন দিয়ে অভ্রকে ঠেকানো মুশকিল হবে এটা ধরে নেয়া যায়।-- শুধু বাংলাদেশ না, কোথাও আপনি এটাকে আইন দিয়ে ঠেকাতে পারবেন না।
মেহেদি সাহেব গাঁ বাচানো যুক্তি দেখিয়েছেন।
-- মেহেদি ভাই শুধুমাত্র পেটেন্ট ভায়োলেশনের যে অভিযোগ জব্বার সাহেব এনেছেন সেটা যে ধোপে টিকে না তে প্রমাণ করেছেন। বিজয়ের সাথে মিল রেখে ইউনিবিজয় বানানো সেটা সবাই বুঝে। কিন্তু তার জন্য মোটেও আপনি এটাকে চুরি বলতে পারেন না। আপনার কি মনে হয় বিজয়ের কী-বোর্ড কপি করে টক্কর লাগতে গিয়েছেন। বিজয় ইউনিকোড সাপোর্ট করে না, তাছাড়া সেটা ফ্রিও নয়। এর জন্যই আভ্রর আবির্ভাব
আপনাকে চ্যালেঞ্জ নিতে বলি নাই। আপনি যে অন্যদের অহম জাগার কথা বলছেন। তার আগে নিজের অহমটা জাগান
লেখক বলেছেন: আমার অহম জেগেছে বলেই আমার সতীর্থদেরটা জাগানোর চেষ্টা করছি।
আপনিও কম্পিউটার কৌশলের ছাত্র হলে অহম জাগিয়ে তুলুন।
আমি আইনবিদ নই। কাজেই আইনের খুঁটি নাটি যাচাই করে বলা আমার জন্য মুশকিল। আর আইন দিয়েই সব হয় না। ১টা কি বদলে দিলে সেটা *তাৎপর্যপূর্ণ* ভাবে আলাদা কিছু হয়ে যায় না। নীতি নৈতিকতার একটা বিষয়ও আছে। তবে একজন শিক্ষক ও গবেষক হিসাবে আমি মনে করি ইউনিবিজয় নামের মিলরেখে, ৯৯% মিল রেখে ১% কী বদলে দিয়ে বিজয় সফটওয়্যার ব্যবহার কারীদের কাছে যেমন টানতে চেয়েছে তেমনি ক্ষোভ থেকে টক্কর দিতেও চেয়েছে। ব্যবহারকারীদের কাছে এটা সুবিধাজনক হোক বা না হোক এটা তো নকল সেটা পরিস্কার। অভ্রতে তো আরো লে-আউট আছেই। তারপরও বিজয়কে নকল করে ইচ্ছাকৃত ঝামেলা সৃষ্টি একটা প্রশ্নের সৃষ্টি করবেই। মেহেদী সাহেব নির্বিবাদ বলে যা বলা হচ্ছে তাকেও এটা প্রশ্নের সম্মুখীন করবে। এখানে বিজয় আবার কাকে নকল করেছে কিনা বা আসল কিনা সে সম্পর্কে আমি ঠিক মত জানিনা। বিজয় একটা নকল হলে সেক্ষেত্রে অভ্রের ইউনিবিজয় হল নকলের নকল। তবে কী-বোর্ড লে-আউট প্যাটেন্ট করা ঠিক কি ঠিক নয় এটা অবশ্য নির্ধারন জরুরী আর সে অনুযায়ী দেশের আইন দরকার হলে বদলানো দরকার।
আমরা প্রযুক্তির বিকাশকে উন্মুক্ত রাখতে চাই। বিজয় বা অভ্রের কাছে অবরুদ্ধ করতে চাই না।
'লেনিন' বলেছেন:
@অজানা এক পথিক: আগে আমাদের দুটো জিনিষ নিশ্চিত হতে হবে:১. কী-বোর্ড লেআউট প্যাটেন্ট করা বৈধ কিনা?
২. বিজয় কী-বোর্ড সেরা অপটিমাইজড বাংলা লেআউট কিনা?
১. প্যাটেন্ট বৈধ না হলে বাংলার জন্য তার দাবী মতে সেরা লে-আউট করে থাকলে তা অন্যরা গবেষণা করলে কাছাকাছি ধরণের লে-আউটই হবে। আর তা মিলে গেলেই তিনি চোর চোর বলতে থাকবেন। আর যদি অন্যদের গবেষণায় বিস্তর ফারাক থাকার সম্ভাবনা থাকে তাহলে তা তিনি জানেন। আউটপুট আকাশ পাতাল তফাৎ আসলে তার কীবোর্ড ব্যবহার না করে অন্যটিই মানুষ ব্যবহার করবে। তাতে তার কী লাভ?
২. গত ২০/২৫বছরের গবেষণার ফলাফল কী দাঁড়িয়েছে? ন্যাশনাল কীবোর্ড (বিজয়ের সাথে ৯৫% সঙ্গতিপূর্ণ) অনেক সংযুক্তি কী বাড়ানো(অল্ট কী, কন্ট্রোল কী এর ব্যবহার)। ইউনিবিজয়/ইউনিজয় লেআউট(বিজয়ের সাথে ৯৫% সঙ্গতিপূর্ণ এক কথায় কপি)। এতে করে যা পাওয়া যায় যারাই গবেষণা করেছেন তাদের মধ্যে প্রাণ ছিলোনা। মাতৃভাষার জন্য অনন্য কীবোর্ড পাবার কোনো আকাঙ্খা তাদের ছিলোনা।
এখন উপরে এক মন্তব্যে আমি যে উদাহরণ দেখিয়েছি কোয়ার্টি কীবোর্ড যেমন টাইপিংয়ের জন্য তুমুলভাবে ডিঅপটিমাইজড করে তৈরি করা(যাতে টাইপরাইটিরকে জ্যাম লাগিয়ে না দেয়, অথবা খুব দ্রুত TYPEWRITER কথাটা লেখা যায়) সত্ত্বেও তা কম্পিউটারের সবচেয়ে প্রচলিত কীবোর্ড লেআউট হিসেবেই স্থান করে নিবে।
এখন এর সাথে যুক্ত হয়েছে অভ্র এবং সামহোয়ারইনের ফোনেটিক পদ্ধতি। মানুষ ফোনেটিকে লিখতে চাইছে বেশি। লিখুক তারা যদি মাতৃভাষার জন্য অনন্য একটি লেআউটে আলাদা স্বরবর্ণ-ব্যঞ্জনবর্ণ সমৃদ্ধ কীবোর্ড না চান তবে চাইতেই পারেন। তো তাদের জন্য বেশি কিছু করতে হবেনা। তারা ইংরেজী হরফেই লিখতে পারবেন।
কিন্তু একটি প্রমিত কীবোর্ড গত ২০বছরের বেশি গবেষণায় আমরা পাইনি। মোস্তফা জব্বার এক্ষেত্রে প্রমাণ করতে পেরেছেন যাই বানিয়ে থাকুন না কেনো তাকে ছাড়িয়ে যাবার মতো বুদ্ধি বাঙালির নেই। আর চা বা মাইক্রোসফটের নীতিতে প্রথমে ম্যাক কিনলেই বিজয় পাওয়া যেতো ফ্রিতে। তারপর বিজয়ও তাই। ফ্রি ফ্রি বিজয় ব্যবহার করিয়ে তিনি সবার মাঝে অভ্যস্ততা তৈরি করিয়েছেন বিজয় লেআউটের প্রতি। এখন বাণিজ্যিকভাবে তার কীবোর্ডের চেয়ে ভালো কোনো কীবোর্ড ডিভোরাকের মতো ধরা খেতে পারে। তবে এই দেশে তা হবেও না ৭মণ ঘিও ঢালা হবেনা রাধাও নাচবে না।
একারণেই চারআনা করে এক সাথে সম্মিলিত চাঁদা দিয়ে কাগুরে সবাই থামান। বলে দেন বস জব্বার তুমি জব্বর জিনিস বানাইছ এইবার ঝাতিরে ক্ষ্যামা দ্যাও!
লেখক বলেছেন: আপনি খুব ভাল দুটি প্রশ্ন করেছেন। বিজয় যদি অপটিমাইজড বা তার বেশ কাছাকাছি হয়ে থাকে তাহলে আমাদের এ বিষয়ে প্যাটেন্ট সরকারী ভাবে তুলে দেয়া দরকার। অনেক ধন্যবাদ এটি সুন্দর করে তুলে ধরার জন্য।
'লেনিন' বলেছেন:
আপনি আবু মোহাম্মদ ওমর শেহাব ভাইকে লিংক দিতে বলেছেন তার মন্তব্য এবং মেহেদী'র পোস্ট আপনার পড়া উচিৎ বলেই মনে করি।http://www.sachalayatan.com/omicronlab/31599#comment-323787এটা পড়ে আরো জানতে পারবেন:
http://www.sachalayatan.com/guest_writer/31568
দেখেনিন আনন্দ মাল্টিমিডিয়া আর আনন্দ কম্পিউটারস এর বিপুল প্রতিভার নজীর এই মলমের ওয়েবে: http://www.bijoyekushe.net/
লেখক বলেছেন: শেহাব সাহেব কি কি বিষয়ের ভিত্তিতে তফাৎগুলো নন-অবভিয়াস বলেছেন এটা পরিস্কার করেন নাই। তবে তার এই অবভিয়াস নন-অবভিয়াস ধারনার সাথে আমি একমত।
তামীম বলছি বলেছেন:
@লেনিন,বানান করে লিখলে অনেক ambiguity আসে যা বিরক্তিকর। আরেকটি ভাষার অক্ষরে নির্ভর করে আমার ভাষা লিখতে হবে কেনে? আমার ভাষার নিজের একটি লেআউট থাকবেনা? দুর্বল বর্ণমালা ইংরেজীকে ধার করে? তাহলে আমরা বাহাসা ইন্দেনেশিয়া বা মালেতে লিখি! acu bikara bahasa যারা কিনা নিজেদের বর্ণমালা বিসর্জন দিয়ে দিয়েছে নিয়েছে ইংরেজদেরটা।
ভাল বলেছেন। সহমত।
লেখক বলেছেন: হমম
অজানা এক পথিক বলেছেন:
@লেনিন ভাইঃ একমত। এভাবে চলতে থাকলে বিজয়ের অবস্থাও QWERTY এর মত হবে কয়দিন পর। তবে ফোনেটিকের ব্যাপারে বলতে চাই যে, যারা ফোনেটিক ব্যাবহার করে তারা একটি স্ট্যান্ডার্ড কী-বর্ড চায় না আপনার এ কথাটি মানতে পারছি না। ফোনেটিক যারা ব্যাবহার করে তারা সবাই কিন্তু নন-প্রফেশনাল। কোন প্রফেশনাল টাইপিস্ট কিন্ত ফোনেটিক ব্যাবহার করে না, ফিক্সড লেআউট ব্যাবহার করে। যারা সাধারণ ব্যাবহারকারী তারা কিন্তু ইংরেজীতেও টাচ টাইপিস্ট না। দেখে দেখেই তাইপ কর। আর যেহেতু বাংলা কী-বোর্ড ছাপানো পাওয়া যায় না, তাই এদের অনেকেই ফিক্সড লেআউট ব্যাবহারে উৎসাহী নয়। আসলে এদের একটি স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ড সবাই চায়, কিন্তু সেটা প্রফেশনালদের কাজে দিবে। সধারণ ব্যাবহারকারী সবসময়ই সহজটাই শিখতে চাইবে।
কী-বোর্ড পেটেন্ট বৈধ কিনা জানি না। তবে আমার প্রশ্ন হল সেটা কি নৈতিক? যদি বিজয় আসলেই সবচেয়ে ভাল হয় তাহলে তো অন্যান্য কী-বোর্ডও কাছআকাছি হবে। আর তখন উনি চওর বলিয়া চিক্কুর মারবেন।
লেখক বলেছেন: সুন্দর করে বলেছেন। ধন্যবাদ।
অজানা এক পথিক বলেছেন:
কী-বোর্ড লেআউটের পেটেন্ট সবগুলো কীর পজিশনের কম্বিনেশন ধরে দেয়া হয়। প্রতিটা কীর জন্য আলাদা ভাবে দেয়া হয় না। তাহলে ২/৩ টার বেশি লেআউট করা সম্ভব হত না।ইউনিবিজয় যে বিজয়ের কপি তা কেউ আস্বীকার করেনি। আপনি বার বার একই কথা বলে যাচ্ছেন। আর বিজয়ের সাথে তক্কর দেবার তো কোন প্রয়োজন দেখছি না। অভ্র বিজয়ের থেকে বহুগুণে ভাল একটি কী-বোর্ড। শুধু আপনারই মনে হচ্ছে যে তক্কর লাগতে চেয়েছে। অন্য কারও কিন্তু সেরকম মনে হচ্ছে না।
সফটওয়্যারের কথা একটু বলি। আপনি যখন কোন নতুন সফটওয়্যার বানাবেন তখন মার্কেটে সবচেয়ে ভাল যেটা আছে সেটার সাথে মিল করেই বানাবেন। সেটার সব ফিচারও দেবার চেষ্টা করবেন। তা নাহলে কেউ ব্যাবহার করবে না আপনার টা।
MS Word & OpenOffice দেখা যাক। ওপেন অফিস কিন্তু ওয়ার্ডের ফাইল ওপেন করতে পারে, এমনকি এডিটও করতে পারে। তো আপনার মতে কি ওপেন অফিস নকল করেছে? সফটওয়্যারের বেলায় এটা একটা ফিচার। বাজারের অন্য প্রোডাক্টের সাথে সফটয়্যারের তুলনা করবেন না দয়া করে।
এবার আসি নামের বেলায়। বিজয় জব্বার সাহেবের ট্রেডমার্ক। তাই বলে কি যেকোন শব্দের সাথে বিজয় থাকলেই ওনার পেটেন্ট ভংগ হয়?
বিজয় যেমন নতুন প্রযুক্তি আটকে রাখতে পারেনি তেমনি অভ্রও পারবে না। যখন প্রয়জন হবে তখন নতুন উন্নতমানের সফটওয়্যারের আবির্ভাব হবে। এখন পর্যন্ত অভ্র ভালই কাজ করছে।
উপরে লেনিন ভাই লিঙ্ক দিয়েছেন, সেখান থেকে শেহাব ভাইয়ের কমেন্ট টা পড়েন, অনেক কিছু জানতে পারবেন।
আর অভ্র ঠিক কতটা মিল বিজয়ের সাথে সেটা এখান থেকে জেনে আসুন।
Click This Link
লেখক বলেছেন: "অভ্র বিজয়ের থেকে বহুগুণে ভাল একটি কী-বোর্ড।"
অভ্র বিজয় বা অন্য কোন কী-বোর্ড থেকে ভাল এটি বলার পিছনে আপনার ভিত্তি কি? জানালে খুশী হব।
'লেনিন' বলেছেন:
ওহ আপনাকে সচলের লিংকটা আরেকটা বিশেষ কারণে দেয়া হয়েছিলো। ওখানে আসাদ নামে একজন প্রখ্যাত ট্রল কমেন্টারের সাথে আপনার অভ্র সম্পর্কে ধারণার মিল পাওয়া গেলো।আর কী আশ্চর্য! এই মাত্র আমি Click This Link এই কমেন্টে আবিষ্কার করলাম তিনি আপনার বন্ধুও!
লেখক বলেছেন: আমার এখানে এসে আমার বন্ধুকে গালি দিচ্ছেন। আমাকে এখনও দেন নি বলেই মনে হচ্ছে, অন্তত এখানে দেন নি। তবে অন্যখানে গিয়ে দিয়েছেন কিনা বলতে পারছি না? গালাগালি যদি দেয়ার থাকে তাহলে ইচ্ছামত দিয়ে ভিতরের আবেগ বের করে ফেলতে পারেন। তারপরে আমরা ঠান্ডা মাথায় বাংলা ভাষার প্রযুক্তি বিষয়ে কথা বলতে পারি। অনেক ধন্যবাদ।
টেকি মামুন বলেছেন:
যেই গাধারা মোস্তাফা জাব্বাররে কিবোর্ডের প্যাটেন্ট দিছে তারা বড় গাধা।বাংলা ভাষা নিয়ে কাউকে রাইটস দেয়ার সম্পূর্ণ বিপরিতে আমি।আর মিলের কথা বলে লাভ নাই স্যামসাং,এলজি,কনকা সব টিভিই দেখতে একই রকম এখন যদি কেউ বলে পাইরেসি তবে তার মত বোধাই গাধা এই দুনিয়াতে আর নাই।
যাক সব বাদ অভ্র বস ।
লেখক বলেছেন: কোন টেকনলজির স্বত্তাধিকার একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত থাকে। তারপর উন্মুক্ত হয়ে যায়।
আমিও ভাষা বিষয়ক প্রযুক্তির উন্মুক্ত হওয়ার পক্ষে। মোস্তফা জব্বারকে যে এটি দিয়েছে তার জ্ঞান বুদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ রয়েছে বইকি। অভ্র জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, বাংলা ভাষী ব্যবহারকারীরা উপকার পাচ্ছে খুব ভাল কথা। বিজয়ও একসময় বিনাপয়সায় বিতরন হয়েছে, এখন টাকা চায়। আমাদের উদ্বেগ হল অভ্র যেন সেইরকম মনোপলি করে না ফেলে। সে বিষয়ে আমাদের সতর্ক হওয়া দরকার। অভ্রের পরে আরো ভাল কিছুও আসতে পারে (যেমন সিউল ও রাগিব একটা লে-আউট করছে)। কাজেই বিজয় কে ঠেকাতে গিয়ে আমরা অভ্রকে একদম মাথায় তুলে না ফেলি। আরেকটা বিষয় উল্লেখ করতে হয় আমার উদ্বেগ লে-আউট নিয়ে, সফটওয়্যারের কসমেটিকস নিয়ে নয়। ভালো থাকুন।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
ভাইজান, আপনের মেধাবী লুক এই বিষয়টা পড়ে নাই বইলাই আইজকা এই অবস্হা! আপনেরে এমআইটি তে ভর্তি করনের জুর দাবী জানাইলাম! আর একখান মাইনাস দিলাম টাইটেলের লিগা। যদিও আমি সফটুর লুক না!
লেখক বলেছেন: হমম ধন্যবাদ। কিছু বলার চেষ্টা করার জন্য।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
লেখক বলেছেন: হমম ধন্যবাদ। কিছু বলার চেষ্টা করার জন্য।আল্লায় একখান মুখ দিছে, তাই খাইটে আর কইটে কুনো বাধা নাই। তার উপর মেলা কারিগরী কইরা ৭১ এ দেশ স্বাধীন করছি, সেইটার ফল সুদে আসলে লইতে হইবো না!
লেখক বলেছেন: ![]()
অজানা এক পথিক বলেছেন:
আমার লিখতে ভূল হয়েছে। কী-বোর্ড না সফটওয়্যার হবে
লেখক বলেছেন: যাইহোক বুঝেছি। কিন্তু কি ভিত্তিতে জানান।
'লেনিন' বলেছেন:
নাহ ব্রাদার, গালি দেওয়ার কোনো ইচ্ছাই আমার নাই এবং একবারের জন্যও মনে হয়নি। তবে আমি আশ্চর্যান্বিত এই জন্য যে আপনি গবেষণা-শিক্ষকতায় থেকেও(আপনার প্রোফাইল মোতাবেক) কুযুক্তিমনস্ক একজনের[শাহ আসাদুজ্জামান আসাদ] কেবল বন্ধুই নন তার কুযুক্তি অনেকটাই ধারণ করেছেন। আমার কথা বুঝতে অসুবিধা হলে আপনার বন্ধুর সাথে ঐ পোস্টে বিভিন্নজনের কথোপকথন দেখে আসুন তাকে আগেও ব্যান করা হয়েছে বলেই ওখানে জানলাম।ওখানেও কেউ একজন নাসিরুদ্দীন হোজ্জার থাপ্পড়ের উদাহরণ বলেছেন আপনার বন্ধুকে। আপনিও একই কায়দায় অভ্র এর স্রষ্টা ওমিক্রনল্যাবের মেহদী হাসান খানকে আক্রমণ করে যাচ্ছেন। যদি ব্যাটা কোনোদিন অভ্রকে ফ্রি'র বদলে দাম নেয়? যদি ব্যাটা ওমিক্রনল্যাবে মাধ্যমে কোনো সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান খোলে? শিক্ষক হয়েও এমন নীচ কেনো ভাবনার পদ্ধতি?
লেখক বলেছেন: কাউকে ব্যান করা হলে কি সে খারাপ হয়ে যায় যেখানে ব্যান করার ক্ষমতা একজনের হাতে। আসাদ তো আর কোন ক্রাইম করে নাই। সে তার মত যুক্তি দিয়েছে। সেটা যে সবার পছন্দ হবে তা তো না।
আমি আসাদকে একজন যুক্তি মনষ্ক মানুষ হিসাবেই জানি। সে কাউকে সমর্থন দিলে আগে বুঝে শুনেই তারপরে দিবে। অন্যেরা থাপ্পড় দিতে চেয়েছে এটা আমার কাছে বড় বিষয় নয়, সেও কি থাপ্পড় বা গালি দিয়েছে। যদি দিয়ে থাকে তবে ভাবার বিষয়। গালি থাপ্পড় দেবার লোক তো আমাদের চারপাশে কম নয়।
দুনিয়াতে হাজারো উদাহরন আছে প্রথমে ফ্রি দিয়ে পরে দাম ধরার। অভ্র যে তা নয় সেটা বুঝতে একটু সময় লাগার কথা।
যা হোক আপনি কিন্তু যুক্তি বাদ দিয়ে ব্যক্তি আক্রমনই করে যাচ্ছেন। গালি দেয়ার ইচ্ছা নাই বলেও ভালরকম কটু কথাই বলে যাচ্ছেন!
'লেনিন' বলেছেন:
ব্রাদার অন্যরা তো থাপ্পড় দিতে চায়নি তাকে। বরং তার আগ বাড়িয়ে খুঁতখুঁতে মনোভাবের জন্যই তাকে মিলিয়েছে নাসিরুদ্দীন হোজ্জার থাপ্পড়ের সাথে। আমার লেখা গল্পটি আপনাকে পেস্ট করে দিচ্ছি তাহলে আরো ভালো বুঝতে পারবেন। ------
নাসিরুদ্দীন হোজ্জাকে চেনেন তো সবাই?
আমার মনে হয় সবাই চেনেন
আজ শ্রদ্ধেয় আনিসুল হক এর মতো একটা নাসিরুদ্দীন হোজ্জার গল্প বলবো আপনাদের। না চুপটি করে বসার দরকার নেই। খুবই ছোট্ট গল্প, আর আমিও ভালো বলতে পারিনা। যাক এবার গল্পটা বলছি শুনুন, ইযে় মানে পডু়ন।
নাসিরুদ্দীন হোজ্জা ছিলেন বেশ চালাক চতুর। এমনকি বলা যায় ধূর্তও
সে খুবই হিসেবী। এবং খুবই সতর্ক। বাডী়তে তার এক চাকর নতুন কাজে যোগ দিযে়ছে। তাই তার মনে কেবলই ঘুরপাক খায় বেটাকে ঠিকঠাক মতো তালিম দিযে় নিতে হবে। তা না হলে কী না কী ক্ষতি করে বসে। মানে ভুল-চুক আরকি।
তো একটা গ্লাস দিযে় নাসিরুদ্দীন তার চাকরকে বললো, “এ্যাই শোন, ওটা কিন্তু কাঁচের। খুব দামী। ভেঙে যায়না যেনো। খুব সাবধান!”
কিন্তু সে এটা বলেও নিজেকে স্থির রাখতে পারছিলেন না। মনে খুঁতখুঁতি কখন ভেঙে ফেলে। এতোকিছু কিন্তু মাত্র কযে়ক সেকেন্ডের চিন্তা। হঠাৎ করেই,
“এ্যাই শিগগীর এদিকে, গ্লাসটা দেতো!” (খুব সাবধানে নিজেই এগিযে় গিযে় গ্লাসটা হাতে নিযে় টেবিলে রাখলেন।)। এরপর চাকরকে কষে একটা চড়! :O
বললেন, “কাঁচের গ্লাস কোনোদিন ধরেছিস? খুব সাবধানে ধরতে হয় বুঝলি? দেখিস খুব সাবধান ভাঙেনা যেন” এটা বলে খুব সাবধানে গ্লাসটা চাকরের হাতে দিলেন। চাকরটি কাচুমাচু-অপ্রস্তুত-কিংকর্তব্যবিমূঢে়র মতো কিন্তু খুব তাডা়তাডি় নিজেকে ঠিক করে নিলো। মনিবরা এমন করতেই পারে।
হোজ্জার বন্ধুরা এমন অবাক কাণ্ডে কিছু না বলে পারলো না। বললো, “সে কী হে হোজ্জা! এ কি করলে? গরীব ছেলেটা কাজ করতে এসেছে। কোনো কারণ ছাডা়ই ওকে মারলে যে!”
হোজ্জার উত্তর, “আরে ভাই, সেটাই তো সমস্যা। যদি ওটা ভেঙে ফেলে তাই আগেই সতর্ক করে দেযা়। ও যে গরীব ওকে তো জরিমানা করলে আমার ঠকা হবে।”
------
ওখানে আসলে আপনার বন্ধুকেই থাপ্পড়দাতা অতি সাবধানী লোক হিসেবে তুলনা করেছেন। আপনি শিক্ষক সুতরাং বোঝার কথা।
লেখক বলেছেন: ভাল গল্প। তবে গল্পের চরিত্র সমুহে আসলে দরকার মত অনেককেই বসানো যায়।
যাইহোক, এই গল্প এই প্রসংগের সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়।
আমি এবং আঁধার বলেছেন:
আমি একটা ব্যাপার কিছুতেই বুঝছিনা। আপনি একটি বৈজ্ঞানিক ভালো লে-আউট সম্বলিত নতুন সফটওয়্যার বানাতে আমাদের উৎসাহিত করছেন, অহমে ঘা দিচ্ছেন! কারণ হিসেবে জানাচ্ছেন যে অভ্রের মনোপলি(!!!) যেন রুখে দেওয়া যায়। ক্যামনে কী???সফটওয়্যার ডেভেলপিং এর যে কেউই এক্সিসটিং জনপ্রিয় সফটওয়্যারে উন্নতি করার সুযোগ রাখলে নতুন সফটওয়্যারের তৈরির ব্যাপারে উৎসাহবোধ করবে না। কারণ এখানে বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষতাজনিত ব্যাপারের পাশাপাশি জনপ্রিয়তা খুবই খুবই খুবই মারাত্মক গুরুত্বপূর্ণ একটা ফ্যাক্টর! যেখানে বারবার (http://www.sachalayatan.com/omicronlab/11251) বলা হচ্ছে যে অভ্রকে ওপেন সোর্স করা হচ্ছে, সেখানে কেন আমরা সম্পুর্ণ নতুন একটা সফটওয়্যার বানাবো; মডিফিকেশনের এত্ত বড় সুযোগ থাকতে!
শুনতে যতই খারাপ লাগুক, পাবলিক সায়েন্টেফিক উৎকর্ষতার ধার খুব কমই ধারে, উইন্ডোজ আর এপল তার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ। কাজেই জনপ্রিয়তাকে হেয় করবেন না। না হলে জব্বর কাগুর মত অবস্থা হয়ে যাবে (জাস্ট কিডিং)।
আমাদের এখন সর্বব্যবহৃত একটি ইউনিভার্সাল বাংলা লেআউট সম্বলিত সফটওয়্যার বানাতে হবে। কাজেই জনপ্রিয়তা কোন দিকে হেলে আছে সেদিকে খুবই তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দিতে হবে।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনার কথা ঠিক আছে। অভ্র উন্মুক্ত করুক না। সেটা তো আগেই বললাম। অভিনন্দন। তারপরেও একই বিষয় আনার মানে কি। আর অভ্র কি নতুন করে গড়ে তুলে বিজয় কে হানা দিচ্ছে না। ইয়াহু তো ছিল। গুগল নতুন করে এসে হানা দেয় নি?
কাজেই আগে থেকে এগুলো ডিসাইড করা তো ঠিক না তাই না।
আর একটু তত্ত্ব ঝাড়ি -- আপনি নিজেও জানেন শুধু মনে করিয়ে দেয়ার জন্য। মডিফিকেশনের মাধ্যমে উন্নতি করা যায়, তবে লোকাল ম্যাক্সিমাতে আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। এজন্যই মাঝে মাঝে সম্পুর্ণ নতুন করে শুরুর দরকার আছে। যাতে আরো ভালো কোন লোকাল ম্যাক্সিমা বা ভাগ্যভালো হলে গ্লোবাল ম্যাক্সিমাই পাওয়া যায়। এগুলো বলার জন্য আবার অন্যরকম মনে করবেন না। শুধু ধারনা দেয়ার চেষ্টা করলাম।
অজানা এক পথিক বলেছেন:
হাহাহা.........যাই হোক না কেন তালগাছ আপনার চাই।অভ্র ইউনিকোড সাপোর্ট করে আর বিজয় আস্কি বেজড......এটাই তো অনেক বড় একটা পয়েন্ট.........অভ্র ব্যাবহার করেন বাকিটা নিজেই বুঝবেন আশা করি.....
লেখক বলেছেন: আপনি বুঝেছেন তো? আপনার মত একজন তো উপকারী হয়েছে। ব্যস আর কি? সবাই তো ধরেন এক জিনিস খায় না। এজন্য বিভিন্ন ব্রান্ড বের হয়।
'লেনিন' বলেছেন:
@আমি এবং আঁধার: সার্বজনীন উপযোগী ইউনিভার্সাল বাংলা কীবোর্ড লেআউট কিন্তু যে কোনো সফটওয়্যারেই যুক্ত করা যায় তার জন্য আলাদা সফটওয়্যার বানাতে হয়না। গবেষণাটা জরুরী আর গবেষণালব্ধ ফলকে যথসম্ভব কার্যকরিরূপে ফলদান জরুরী।আমার গত দু'বছর ধরে অভ্র ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই কেননা আমি উবুন্তু এবং ম্যাক ব্যবহার করি। কিন্তু আমি ইউনিজয় লেআউট সবখানেই ব্যবহার করি। কারণ এটি এখন সব প্লাটফরমেই পোর্ট করা হয়েছে কীবোর্ড লেআউট হিসেবে। ৯৮/৯৯ এর দিকে মাইক্রোসফট বাংলাদেশের বাংলার জন্য এরকম একটি সফটওয়ার ছাড়াই উইন্ডোজ থাকলে কাজ করে এমন লেআউট করে দেবে বলেছিলো। কিন্তু 'কাগু' তখন বাগড়া দিয়ে কু-তর্ক জুড়ে দেয় যে তার লেআউট সেরা এবং অনন্য তারটাই যুক্ত করতে হবে। আর সেই সাথে তাকে টাকা দিতে হবে। কিন্তু মাইক্রোসফট চাইছিলো বিনামূল্যে করে দিতে। তাদের ঠ্যাকাই পড়ে গিয়েছিলো কোথাকার কোন কাগু টাকা চাইলো আর তাকে দিয়ে দিতে হবে। তার বলে গিয়েছিলো তোমাদের ঝগড়া থামলে আমাদের জানিয়ো। তো আমাদের সেই ঝগড়া আর থামেনি। দোর্দণ্ড প্রতাপশালি কাগু একচ্ছত্র আধিপত্যে আমাদের সবার অধিকার গ্রাস করে বসে আছেন প্রায় দুই যুগ হতে চললো।
লেখক বলেছেন: হমম
আমি এবং আঁধার বলেছেন:
মডিফিকেশনের মাধ্যমে উন্নতি করা যায়, তবে লোকাল ম্যাক্সিমাতে আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। এজন্যই মাঝে মাঝে সম্পুর্ণ নতুন করে শুরুর দরকার আছে। যাতে আরো ভালো কোন লোকাল ম্যাক্সিমা বা ভাগ্যভালো হলে গ্লোবাল ম্যাক্সিমাই পাওয়া যায়।শতভাগ একমত আপনার সাথে। এব্যাপারে বলতে গেলে বিশাআআআআল আলোচনার দরকার আছে। আপাতত শুধু এটুকুই জানাই যে, যেকোনো নতুন উদ্যোগের আমি সাপোর্টার। আমি খুবই সাবধানী, তাই এর ড্রব্যাকগুলো বারবার দেখিয়ে দিচ্ছি। শাব্দিকের উদ্যোগটাও অসাধারণ! কাজেই সেটাও এগিয়ে যাক। আপনারা নতুন কিছু বানালে সেটাও পাবলিক দেখবে। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি মডিফিকেশনের পক্ষে।
আপনার সাথে আলোচনা করে ভালো লেগেছে। যদি আলোচনার কোথাও মাত্রালঙ্ঘন করে থাকি তবে সেজন্য দুঃখপ্রকাশ করছি। নতুন করে মনে হয় আর আলোচনার কিছুই নেই। কাজেই এখানেই শেষ করছি। ভালো থাকুন
অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনার সাথে আলোচনা শেষ পর্যন্ত ভালো হয়েছে। প্রযুক্তি এগিয়ে যাক। ভাল থাকুন।
আমি এবং আঁধার বলেছেন:
@লেনিন- সার্বজনীন উপযোগী ইউনিভার্সাল বাংলা কীবোর্ড লেআউট কিন্তু যে কোনো সফটওয়্যারেই যুক্ত করা যায় তার জন্য আলাদা সফটওয়্যার বানাতে হয়না। গবেষণাটা জরুরী আর গবেষণালব্ধ ফলকে যথসম্ভব কার্যকরিরূপে ফলদান জরুরী।আমি একথাটিই বারবার বলার চেষ্টা করছি। আলাদা সফটওয়্যারের মোটাদাগে অপ্রয়োজনীয়তাও আপনার এই কমেন্টে স্পষ্ট। এজন্যই আমি সফটওয়্যারের জনপ্রিয়তার দিকে বারবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আপনাকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অজানা এক পথিক বলেছেন:
শুধু আমার মত একজন নয়, যারা অভ্র ব্যাবহার করে তারা উপকৃত হয়েছে বলেই ব্যাবহার করে। তাই নয় কি?যাই হোক আপনাকে তো একটা গুরত্বপূর্ণ পয়েন্ট দিলাম অভ্র, বিজয় থেকে কেন ভাল তার। তাও তো আপনি মানলেন না।
আপনার মতে হয়ত আসকিই ভাল ইউনিকোড থেকে। তাহলে বিজয় দিয়ে সামু তে কমেন্ট করেন। ইউনিকোড কেন ব্যাবহার করছেন?
যাই হোক। আপনার সাথে আর কথা বলার আগ্রহ পাচ্ছি না। কারন আপনি দেখেও না দেখার ভান করছেন। আমার সাধ্য নেই আপনাকে দেখাব।
ভাল থাকবেন
লেখক বলেছেন: আসল নকলের বিতর্ক টা ইউনিকোড আর আস্কি তে নয়।
আগ্রহ না পেলে কথা বলবেন না।
ধন্যবাদ ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: এই জবাবটি এই জন্যে আমার কাছে গ্রহনযোগ্য নয় যে, অভ্র সোর্সকোডটি ওপেন করে দিয়ে একই সাথে এক্সিকিউট্যাবলও বিতরন করতে পারে। সাধারণ জনগন আগের মতই এক্সিকিউট্যাবলই ব্যবহার করবে। একটা অপারেটিং সিস্টেম পুরোটাই ওপেনসোর্স হয় -- কেউ তো কারনেলে কিছু বসিয়ে এটা করবে সেটা করবে তা বলছে না। লোকজন তো অভ্র সাইট থেকে যেটা ডাউনলোড করবে তা নির্ভরযোগ্যই হবে।
'লেনিন' বলেছেন:
দাদা আপনার কোনোখানে সমস্যা আছে মনে হচ্ছে। কেনোনা ঐ পোস্টে অভ্রের একটি অংশ ইতোমধ্যেই উন্মুক্ত সোর্সকোড প্রকাশ করা হয়েছে তা বলা হয়েছে। আর সেই সোর্সকোডের মূল অংশই হলো অভ্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় তার ফোনেটিক কীবোর্ডের প্রোগ্রামিং কোড।আর দাদা টাইপিং সফটওয়্যারের দরকার নেই তা আমি প্রথম থেকেই বলছি। অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কীবোর্ড লেআউট যোগ করার ব্যবস্থা থাকে। সুতরাং কীবোর্ড লেআউটের ফ্রিকোয়েন্সী মাপার গবেষণা দরকার। সার্বজনীন গ্রহণযোগ্য একটি প্রমিত কীবোর্ড লেআউট দরকার যা প্রফেশনাল সকল কাজে ব্যবহার্য। এক্ষেত্রে ২০ বা তারও অধিক বছর ধরে অন্যান্য লেআউটে অভ্যস্ত টাচ টাইপিস্টদের কথা মনে রাখতে হবে। যারা বছরের পর বছর অভ্যস্ততায় মিনিটে প্রায় ১০০ শব্দের মতো নির্ভুল লিখে চলেন অনবরত।
তারা কেউ শিখেছেন মুনীর, কেউ বিজয়, কেউ রূপালি, কেউ ইউনিজয় তারা কেউ ফোনেটিক ব্যবহার করেন না আর এধরণের প্রফেশনাল কাজে ফোনেটিক কাম্যও নয়।
আমাদের এখন মোদ্দাকথা ভবিষ্যত বাংলা কম্পিউটিংকে এগিয়ে নিতে কি কি করণীয় তা নিরূপন করতে হবে।
তারমধ্যে অন্যতম হচ্ছে একটি কীবোর্ড লেআউট।
লেখক বলেছেন: যাক, শেষপর্যন্ত পক্ষপাতহীন ভাবে আসল কথা গুলো বললেন তাহলে। অনেক ধন্যবাদ।
অজানা এক পথিক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: "অভ্র বিজয়ের থেকে বহুগুণে ভাল একটি কী-বোর্ড।"অভ্র বিজয় বা অন্য কোন কী-বোর্ড থেকে ভাল এটি বলার পিছনে আপনার ভিত্তি কি? জানালে খুশী হব।
অজানা এক পথিক বলেছেন: আমার লিখতে ভূল হয়েছে। কী-বোর্ড না সফটওয়্যার হবে
লেখক বলেছেন: যাইহোক বুঝেছি। কিন্তু কি ভিত্তিতে জানান।
অজানা এক পথিক বলেছেন: হাহাহা.........যাই হোক না কেন তালগাছ আপনার চাই।
অভ্র ইউনিকোড সাপোর্ট করে আর বিজয় আস্কি বেজড......এটাই তো অনেক বড় একটা পয়েন্ট.........অভ্র ব্যাবহার করেন বাকিটা নিজেই বুঝবেন আশা করি.....
লেখক বলেছেন: আপনি বুঝেছেন তো? আপনার মত একজন তো উপকারী হয়েছে। ব্যস আর কি? সবাই তো ধরেন এক জিনিস খায় না। এজন্য বিভিন্ন ব্রান্ড বের হয়।
অজানা এক পথিক বলেছেন: শুধু আমার মত একজন নয়, যারা অভ্র ব্যাবহার করে তারা উপকৃত হয়েছে বলেই ব্যাবহার করে। তাই নয় কি?
যাই হোক আপনাকে তো একটা গুরত্বপূর্ণ পয়েন্ট দিলাম অভ্র, বিজয় থেকে কেন ভাল তার। তাও তো আপনি মানলেন না।
লেখক বলেছেন: আসল নকলের বিতর্ক টা ইউনিকোড আর আস্কি তে নয়।
ভাই একটু চক্ষু খুলিয়া দেখেন এখানে আসল/নকলের কথা কোথা থেকে আসলো? আপনি জিজ্ঞেস করেছিলেন আমি অভ্রকে ভাল সফটওয়্যার কেন বলেছি? সেটার উত্তর ছিল ইউনিকোড আর আসকির ব্যাপারটা।
আপনি কি আসলে বুঝে কথা বলেন?
যাই হোক। খোদা হাফেজ
লেখক বলেছেন: আমিও একই প্রশ্ন করতে চাই। আপনি কি বুঝে কথা বলেন।
অভ্র ইউনিকোড সাপোর্ট করে এতে তার ব্যবহার ক্ষেত্র বেড়েছে। কিন্তু এতে তার আসল গুনের কোন পরিবর্তন হয় নি। এখানে লে-আউটের সাথে কোন কোডিং মেথড তার সম্পর্ক নাই।
'লেনিন' বলেছেন:
দাদা আমি সবসময় পক্ষপাতহীনভাবেই কথা বলি। হয়তো দৃষ্টিভঙ্গির কারণে বা আংশিক প্রকাশে আপনার ক্ষণিকের জন্য পক্ষপাতদুষ্ট মনে হলেও হতে পারে। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে, জেনে রাখলাম।
অজানা এক পথিক বলেছেন:
আপনি যে না বুঝে কথা বলেন তা আমার আগের কমেন্টের রিপ্লাই দেখে শিওর হলাম।আমি বলেছি অভ্র বিজয়ের থেকে বহুগুণ ভাল সফটওয়্যার। সেটার পক্ষে একটি যুক্তিও দেখিয়েছি। লেআউটের কথা বলি নাই। আপনি লেআউট কোথায় পেলেন? সফটওয়্যার এবং কী-বোর্ড লেআউটের মধ্যে পার্থক্য আপনার জানা থাকার কথা একজন কম্পিউটার সায়েন্সের শিক্ষক হিসেবে।
ইউনিকোড অভ্রের ব্যাবহার পরিধি বাড়িয়েছে সেটাও তো একটা ভাল দিক। বিজয়ের ব্যাবহার পরিধি কম। আশা করি পার্থক্য বুঝবেন।
আপনার পরের পোস্ট পড়ে আসল পরিচয় পেলাম আপনার। এতক্ষন হুদাই আপনার সাথে তর্ক করলাম। আগে জানলে সময় নষ্ট করতাম না।
লেখক বলেছেন: আপনার সফটওয়্যার বিষয়ের মন্তব্য নিয়ে কেউ কোন কথা বলে নি।
আর বিষয়ের উপর থাকুন। ব্যক্তিগত বিষয়ে যাবেন না। প্রযুক্তি বিষয়ে বিতর্ক সময় নষ্ট মনে হলে, সেটা করবেন না। আপনার কাছে যেটা গুরুত্বপূর্ণ সেই কাজ করুন। তাতেও দেশ এগিয়ে যাবে।
আবু সালেহ সুমন বলেছেন:
আসুন কম্পিউটারে বাংলা লেখার একটি কমন প্লাটফর্ম তথা জাতীয় কীবোর্ডের জন্য আমরা একাত্ম হই।Click This Link
লেখক বলেছেন: হমম শুরু করুন, সমর্থন থাকবে।
অনাহুত আগন্তুক বলেছেন:
হাস্যকর শিরোনাম এবং হাস্যকর চিন্তা ভাবনা! প্রোগ্রামিং এ ভালো হবার সাথে কম্পিউটার কৌশলের ছাত্র হবার কোন রকমের সম্পর্ক নেই। আর একটা ওয়ার্কিং সফটওয়্যার থাকার পরও কেউ যদি একই কাজ করার জন্য আরেকটা সফটওয়্যার লিখতে চায় শুধু "অহম" বজায় রাখার জন্য - তাহলে তার ভার্সিটির পড়াশুনা ছেড়ে দিয়ে humility শেখার জন্য বাচ্চাদের সাথে নার্সারিতে ক্লাস করা উচিত।
মুনির কিবোর্ডের যে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নিয়ে কথা বলছেন, আপনার কি ধারণা আছে, ওই একই কাজ এই যুগে অটোমেটেডভাবে কত সহজে করা যায়? আমার শুধু কয়েকটা ক্রলার আর স্ক্রিপ্ট লেখা লাগবে ওয়েবে বাংলার কোন অক্ষরগুলো ব্যবহারের ফ্রিকুয়েন্সি রেশিও কত সেটা জানার জন্য। কিন্তু যেই লে আউটে সবাই অভ্যস্ত, সেটা কেন আমি পাল্টাতে যাবো শুধু নিজের জ্ঞান জাহির করতে?
"সময় হিসাবে এটা অতীব উপযোগী সময়"
আর কিছু বললাম না।
লেখক বলেছেন:
প্রোগ্রামিং করা কম্পিউটার কৌশলের ছাত্রছাত্রীদের অন্যতম কাজ।
যেই লে-আউটে সবাই অভ্যস্ত তার চেয়ে আরো ভাল লে-আউট যদি আপনি বানাতে পারেন, তা হলে সেটা আপনার জ্ঞান জাহির করার ব্যাপার হওয়ার চেয়ে আরো অনেক বড় ব্যাপার হবে। অনাগত ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কত সহজ হবে তার ব্যবহার করা আর সেটা তাদের কত মুল্যবান সময়ও বাঁচিয়ে দিতে পারে।
যা হোক। মুড নষ্ট করার জন্য দুঃখিত। ভালো থাকুন
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














