স্বাতন্ত্র্য ও মৌলিকত্ব বজায় রাখায় সচেষ্ট। সর্ব সত্ব সংরক্ষিত।

বাংলা কম্পিউটিং এর পুনর্জন্ম এবং এর খল নায়কেরা। কিছু বিষয়ে জবাব সংযুক্ত।

২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:১১

শেয়ারঃ
0 35 0

বাংলা ভাষার প্রযুক্তি নিয়ে তুমুল বিতর্ক চলছে। এই বিতর্ককে বুঝতে নীচের লেখাটি আমাদের সাহায্য করবে। আমাদের অনেকের অযাচিত আবেগ প্রশমিত হয়ে ভাষার প্রতি সত্যিকারের ভালোবাসা এতে বাড়বে বলে আমি মনে করি। চলুন দেখি এ বিষয়ে শাব্দিক নামের বাংলা সফটওয়্যারের একজন উদ্ভাবকের বক্তব্য।

লিখেছেন জিয়াউর রহমান (শাব্দিকের একজন উদ্ভাবক)

মুল লেখা ফেস বুকেও পড়তে পারেন

রবীন্দ্রনাথ অনেক আগেই একটা কথা বলে গিয়েছিলেন “সহজ কথা যায় না বলা সহজে” । আজকে আমরা যত উদ্ভাবনই দেখি তা এক পর্যায়ে আমাদের কাছে মনে হবে নিতান্তই বালখিল্য ব্যাপার যদিও শুরুর দিকে কোন সামান্য ব্যাপারই খুব সামান্য থাকে না ।আমাদের বাংলায় প্রচলিত ভাবে একটা গল্প আমরা সবাই জানি - জুতা আবিষ্কারের গল্প - এটি আমাদের নিতান্তই হাসির খোরাক জুটালেও একটা বাস্তবতাও ফুটিয়ে তুলে । পা ঢাকতে হবে চামড়া দিয়ে, এই সহজ বিষয় নিয়ে কত তুলকালাম । এই উদাহরণটি যদি অনেকের কাছে মনে হয় বাস্তবতাবর্জিত তাহলে আসুন কিছু আধুনিক উদাহরণ দিই । বিদ্যুৎ আবিষ্কারের পরপর কোন পদ্ধতিতে তা সঞ্চালন করা হবে DC না AC তা নিয়ে তুলকালাম হয় । বিজ্ঞানী এডিসনও ছিলেন DC পদ্ধতিতে সঞ্চালনের পক্ষে । কিন্তু প্রয়োগিক বিবেচনায় অবশেষে ACই বিবেচিত হয় । এক্ষেত্রে অবশ্যই আমরা এডিসনের উপর ক্ষিপ্ত হতে পারি এই সহজ ব্যাপারটার বিরোধিতা করার দরুণ তাইনা? উনি বাংগালী হলে হয়ত আজকে ওনার বাসায় আমরা ককটেল ছুড়ে আসতাম ।:D

একটা আবিষ্কার বা উদ্ভাবন হঠাৎ করে আসেনা বা হঠাৎ করেই মিলিয়েও যায়না । যে উদ্ভাবক তারই মাথায় থাকে আরো কোন কোন ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হতে পারে । যারা প্রকৃত উদ্ভাবক নন তারা শুধুই কপি করেন এবং অনেক ক্ষেত্রেই নিজেদের স্বাতন্ত্র্য জাহির করার জন্য হয়ত প্রকৃত উদ্ভাবনের একটা অপভ্রংশ তৈরি করেন যা কিনা উদ্ভাবনের মূল সৌন্দর্য কেই ব্যাহত করে ।

বাংলা ফোনেটিক লে আউট প্রথম জনপ্রিয় করার প্রয়াস নেয় “অক্ষর” বাংলা সফটওয়্যার । উল্লেখ্য অক্ষর ২০০৪ সালে বুয়েটের সিএসই ডে তে অংশগ্রহন করে বিশেষ পুরস্কার পায় । তবে ফোনেটিকের যে মূল সমস্যা তা থেকে সহজ সমাধান অক্ষর দিতে পারেনি । ফোনেটিক নিয়ে মূল সমস্যা হচেছ একই শব্দের অনেকগুলো ফোনেটিক রূপ থাকতে পারে তাই এটি কখনই একটি টাচ টাইপ লে আউটের বিকল্প হতে পারে না । এই প্রতিপাদ্যের যথার্থতা নিষ্প্রমাণ করতে অক্ষর ব্যর্থ হয় । প্রকৃতপক্ষে অক্ষর-সফটওয়্যার-এ কোনও সাজেশনই দেখানোর সুবিধা ছিল না । তাই বাংলা ফোনেটিক এর জগতে অক্ষর প্রথমে এসেও প্রয়োগিকভাবে খুব সফল হতে পারে নি ।

মুনিরুল আবেদিন (বিজয় এর কোন একটি সংস্করনের ডেভেলপার, ও বর্তমানে মাইক্রোসফটে কর্মরত) Information Engineers and Consultants Bangladesh (iecb) তে কাজ করার সময়ই (২০০১ - ২০০২) আমাদের জন্য একটি ফোনেটিক সমাধান তৈরি করে । সেখানে সাজেশন দেখানোর ব্যাপারটি ছিল । কিন্তু ওটা ছিল অক্ষর ভিত্তিক । এক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে এক অক্ষরের সাথে আরেক অক্ষর যুক্ত হবে না আলাদা হবে সেটা নিশ্চিত হওয়া যায় না । অভ্রতে এখনো এই সমস্যা আছে । কাজেই সবসময় সঠিক সাজেশন পাওয়া সম্ভব না । এরপর অনেকদিন iecb আর বাংলা নিয়ে কাজ করেনি । এর একটি কারণ অবশ্যই এর অর্থনৈতিক যথার্থতা । আমাদের বাংলা নিয়ে কাজ করার প্রতিজ্ঞা থাকলেও প্রতিষ্ঠান হিসেবে টিকে থাকাটাই প্রথমতঃ দেখতে হয় । এরপর ২০০৫ সালে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)জাতীয় বাংলা ডেভলপ করার উদ্যোগ নেয় এবং iecb কাজটি করার জন্য মনোনীত হয় । iecb এর তখনকার CTO ফয়জুর রহমান (যিনি বর্তমানে UCDavis এ PhD অধ্যয়নরত - বুয়েট৯৭সিএসই) তার নিজের আগ্রহে বিসিসির বাংলা তো করে দেয়ই আরও গবেষণা করে ইনটেলিজেন্ট শব্দ ভিত্তিক সাজেশনসহ শাব্দিক তৈরি করে । তার নিরলস গবেষণা এবং ট্রায়াল এন্ড এরর পদ্ধতিতে প্রতিপন্ন করেন যে disambiguous ফোনেটিক ইনপুট মেথড সম্ভব যদি যথাযথ সাজেশন প্রদর্শন করা যায় । এভাবেই জন্ম হল শাব্দিক বাংলা সফটওয়্যার এর । এটি সফট এক্সপো ২০০৫ এ প্রদর্শিত হয় এবং বিপুল সাড়া পায় ।

সামহোয়্যার এর আরিল্ড এটা দেখেই ব্লগ/ওয়েব ভার্সন এর ব্যাপারে আমাদের সাথে কথা বলেন । যদিও আরিল্ড আমাদের কাছ থেকেই ফোনেটিক বাংলার পপুলারিটি উপলব্ধি করেন দুঃখজনক হল তার ব্লগ এই শাব্দিক এর ফোনেটিক টি দেয়া হয়নি । আরিল্ড অবশ্য নীতিগতভাবে দিতে রাজি হয়েছিল আমার সাথে কথোপকথনে, সম্ভবতঃ এটি ডেভলপারদের অহমে ভাল লাগেনি । যেহেতু iecb একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং এর আয় থেকেই ব্যয় নির্বাহ করতে হবে তাই আমরা এটিকে ন্যূনতম মূল্যে মানুষকে দিতে থাকি । বর্তমানে এটি পুরোপুরি ফ্রি এবং আমরা ইনপুট মেথড হিসেবে শাব্দিক সবসময় ফ্রি রাখতেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ।

আবার আমরা মূল প্রসঙ্গে ফিরে আসি - ফয়জুর এর উদ্ভাবন এর পর আমরা আরও লক্ষ্য করি অনেক ক্ষেত্রেই ব্যবহারকারীরা ফোনেটিক এর একটি ধারায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে । যেমন যে ভ লিখতে bh লিখছে সে সবসময় সেটাই করছে v হয়ত খুব সামান্যই ব্যবহার করছে । এ প্রেক্ষিতে আমরা চিন্তা করি ফোনেটিক টাচ টাইপ কি সম্ভব কিনা এবং তাহলে সেটা অপটিমাম কিবোর্ড এর বিকল্প হতে পারে কিনা । এক্ষেত্রে আমরা একটু আশ্চর্য হয়েই লক্ষ্য করি যে ইংরেজি এবং বাংলা/সংস্কৃত আসলে একই শ্রেণীভুক্ত ভাষা (Indo-European) অর্থাৎ আপনি বলতে পারেন ইংরেজি আর বাংলা হচ্ছে মাসতুত ভাই । তাই আমাদের আরেকটি প্রতিপাদ্য দাঁড়ায় যে ইংরেজি লেটার ফ্রিকোয়েন্সি বাংলার সাথে ফোনেটিকালি মিল থাকবে । এর উপর ভিত্তি করে আমরা একটি ফোনেটিক টাচ টাইপ তৈরি করি যাতে যুক্ত বর্ণের জন্য আলাদা কি চাপার দরকার হয়না এবং যা কিনা এক লেয়ার বিশিষ্ট অর্থাৎ এতে A/a আসলে একই বর্ণকেই নির্দেশ করবে যেমন A/a আসলে ইংরেজি একটি হরফ - শিফট এর ব্যবহার শুধু এর যুক্ত ফর্ম অথবা স্বরবর্ণ এর জন্য মূল ফর্ম অথবা কিছু মূর্ধন্য বর্ণ মূল ফর্ম থেকে আলাদা করার জন্য ব্যবহৃত হয় । আমরা ইংরেজি ২৬টি হরফ ব্যবহার করেই তাই বাংলার ৪৯টি বর্ণ টাইপ করতে পারি । যেমন র চাপতে আপনি r চাপুন আর ড় চাপতে আপনি rr চাপুন ।

এখন এই খুব সাধারণ ব্যাপার গুলোর ধারাবাহিকতা লক্ষ্য করুন । একদিনেই আজকের এই ফোনেটিক বাংলাতে কিন্তু আমরা আসতে পারিনি । এবং এখনও শাব্দিক এর যে আলাদা বৈশিষ্ট্য আছে তা বলতে গেলে কোনও সফটওয়্যার এই নেই । অনেক এপ্লিকেশন এই কসমেটিক মেক আপ হয়ত আছে কিন্তু কোর ফিচার যদি দেখেন তাহলে শাব্দিক কেই এগিয়ে রাখতে হবে । যেমন - ইনটেলিজেন্ট সাজেশন - এটা অভ্র তে কেবল একটি সাজেশন থাকে এবং তাও একটি মেটা কোড ভিত্তিক - মানে আপনাকে আগে থেকেই মেটাটি সেট করে রাখতে হবে । লার্নিং - সাজেশন লিস্ট আপনার ব্যবহার অনুযায়ী অনুক্রমে সাজানো হবে । এক-লেয়ার কিবোর্ড এর কথা আগেই বলেছি - আরও আছে লে আউট চেঞ্জ না করেই ইংরেজি টাইপ করা - আপনি 0 চাপ দিলেই ইংরেজি টাইপ হবে আর শিফট কি ডাবল চাপ দিয়েও আপনি বাংলা থেকে ইংরেজি তে যেতে পারবেন, ইনটেলিজেন্ট মোড এই লেটার মোড এর টাইপ অপশন ইত্যাদি ।

অতঃপর এই আবিষ্কার গুলো দেখে বাংলা কম্পিউটিং এর মহিরথিরা একটু নড়েচড়ে বসেন এবং এত সহজ আবিষ্কার থেকে নিজেদের বঞ্চিত করতে খুবই কুণ্ঠিত হন । অথচ লক্ষ্য করুন এই সহজ সমাধানের জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হল প্রায় দুই যুগের বেশি - ব্যাপারটি আসলে জুতো আবিষ্কারের মতই সহজ তাই নয় কি? আমাদের আজ খুব দুঃখ লাগে যখন দেখি জনপ্রিয়তার জোরে একেকজন পেশিপ্রদর্শণ করেন । বিজয় তার পাবলিশিং এর জনপ্রিয়তা এবং অভ্র তার অনলাইন জনপ্রিয়তা কে তাদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে নিজেদের বাংলা কম্পিউটিং এর জনক হিসেবে প্রতিপন্ন করতে চাচ্ছে । মজার ব্যাপার হচেছ এই দু দলের কাছেই শাব্দিক একটি নিষিদ্ধ শব্দ । আপনি খুব কমই দেখবেন লোকেরা শাব্দিক এর নাম পর্যন্ত উচ্চারণ করছে । অভ্র এর ফোরামে নতুন দুই একজন মাঝেসাঝে শাব্দিক এর প্রসঙ্গ টানলে তাকে বুঝিয়ে দেয়া হয় যে শাব্দিক এর নাম সেখানে নেয়া ঠিক না । আরো মজার আপনি অভ্র ফোরামে shabdik লিখে সার্চ দিতে পারবেন না । ওটি একটি নিষিদ্ধ শব্দ :D । এখন স্বাভাবিক ভাবেই জিজ্ঞেস করতে পারেন এতো নির্দোষ একটি শব্দ কি করে নিষিদ্ধ হল - কারণ অনুমান করা খুব কঠিন কিছু নয় । শাব্দিক প্রথম আসে ২০০৫ সালে এবং এর প্রথম ভার্সন এই যে সুবিধা দেয় তা আজও অভ্র দিতে পারেনি, অভ্র ফোনেটিক প্রথম আসে ২০০৬ সালে ফেব্রুয়ারিতে । অভ্র ২০০১ সালে প্রথম এলেও এটি খুব জনপ্রিয়তা পায়নি । এসময় পর্যন্ত অভ্র তাদের সাইটএ সবসময় ফোনেটিক এর বিপক্ষে বক্তব্য দিয়ে আসছিল । এর পরপরই শাব্দিক এর পপুলারিটি দেখে তারা ফোনেটিক করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং সাজেশন সহ শাব্দিক কে কপি করার চেষ্টা করে । এখনো অবশ্য তারা শাব্দিক এর সকল ফিচার কপি করতে পারেনি । আগ্রহী পাঠক চাইলে শাব্দিক ইন্সটল করে দেখতে পারেন এখান থেকে। তদুপরি তারা নিজেদেরকে শাব্দিক থেকে আলাদা করার জন্য এর ফোনেটিক এ তারা অহেতুক কিছু ওভারহেড যুক্ত করে । যেমন ওখানে ডিফল্ট যুক্তাক্ষর হয়ে যায় - তাই যখনই আলাদা ভাবে স্বতন্ত্র ব্যঞ্জনবর্ণ গুলো পাশাপাশি বসে সেপারাটোর হিসেবে o চাপা লাগে - এগুলো সবই পুরো লে আউট কেই যথেষ্ট কষ্ট সাধ্য করে তুলেছে । অভ্র ফোরামে গেলেও কিছু ইউজার এর কাছে এগুলোর দাবি দেখতে পাবেন। শাব্দিক এর উৎকৃষ্টতার পিছনে শুধুমাত্র পপুলারিটিই একমাত্র পরিমাপ না । এর পিছনের গবেষণা লব্ধ প্রকাশনা। [এখানে পাবেন
এখানে ৪ মিলিয়ন শব্দের করপাস উপাত্ত থেকে এটা প্রতিপন্ন হয়েছে যে ফোনেটিক লে আউট এর মধ্যে শাব্দিক এর প্রস্তাবিত লে আউট টি সর্বোৎকৃষ্ট (এখানে সাজেশন বাদ দিয়ে শুধু ফোনেটিক টাচ টাইপ গণ্য করা হয়েছে, সাজেশন আসলে শাব্দিক আরও যোজন এগিয়ে যাবে এটা সুনিশ্চিত) ।


তাই স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন আসে যারা ফোনেটিককে একদমই অযৌক্তিক মনে করত তারা কেন ফোনেটিক এ আসল । তাহলে কি অভ্র সবসময় পপুলার আইডিয়া কপি করতেই অভ্যস্ত নাকি তারা নিজেরা কোনো আইডিয়া নতুন উপহার দিয়েছে ? না দিলে কেনই বা তারা এখন বাংলা কম্পিউটিং এর সর্বেসর্বা হিসেবে নিজেদের দেখতে চাচেছ ?

আসলে আমাদের দেশে কোনটি উদ্ভাবন আর কোনটি নকল এর মাঝে লাইন টানা খুব কঠিন । এজন্যেই আমাদের দেশ থেকে মেধাবীরা সবাই আমেরিকা পাড়ি জমায় যেখানে তাদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন হবে । দুঃখজনক হচেছ এই মূল্যায়নের পুরোটাই তারা পুষিয়ে নেয় বিশ্ব বাণিজ্যে তাদের আধিপত্যবাদি প্রভাবের মাধ্যমে । কাজেই আজকে যে বাংলাদেশে বসে বাংলাকে ফ্রি করার জন্য নিরলস কাজ করছে কাল হয়ত সেই মাইক্রোসফট এর কমল সম্ভারে একটি অবদান রাখতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করবে - যদিও এতে তার আজীবন অর্জিত জ্ঞান বুদ্ধি মাইক্রোসফট এর সম্পত্তি হয়ে যায় । iecb একটি স্বপ্ন থেকে শুরু - আমরা (Intellectual Property)IP তৈরি করব এবং বাংলাদেশে বসেই - এই আমাদের প্রতিজ্ঞা । এতে আমরা জানি যে সঠিক মূল্যায়ন হয়ত হবে না তবে বিশ্ব বেনিয়ার জন্য খুব বিশাল অবদান রাখার চেয়ে আমাদের দরিদ্র দেশের মেহনতি মানুষের - যাদের ঘাম ঝরানো পয়সায় আজ আমরা ইঞ্জিনিয়ার/ডাক্তার/পেশাদার তাদের জন্য খুব সামান্য করলেও নিজের জীবনকে সার্থক মনে করব ।

মেহেদি যে প্রতিবাদি আবেগে বিজয় থেকে বাংলাকে মুক্ত করার প্রতিজ্ঞা নিয়ে অভ্র তৈরি করে তা আইনি ভাবে হয়ত যথাযথ নয় । বিজয় এবং ইউনিজয় আসলে তফাৎ খুব সামান্যই যেমন লাইফবয় এবং লাইফজয় খুব অল্প তফাৎ । এবং আইনি লড়াইয়ে আসলে ইউনিজয় বিজয় এর নকলই প্রতিপন্ন হবে যদি মোস্তফা জব্বার যথাযথ আইনজ্ঞ নিয়োগ করতে পারেন আর প্রযুক্তিবিদদের কাছেও অভ্র নকল হিসেবেই গণ্য হবে । কিন্তু যেটি সত্য তা হচ্ছে দেশের মানুষের জন্য একটি উন্মুক্ত টাইপ অবশ্যই থাকা জরুরী । এবং তাই আইনের চেয়ে আমাদের আবেগ অবশ্যই মেহেদি এর সাথে আছে । কিন্তু ফোনেটিক লে আউট এ মেহেদি এবং অভ্র আজ যে ক্রেডিট এর দাবি করছে তা আসলেই মেহেদিকে আর মোস্তফা জব্বারকে একই কাতারে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে । যে মুক্তির স্লোগান নিয়ে মেহেদির যাত্রা আজকে সে সেই মুক্তিরই মুখবন্ধ করে বসে আছে । যদি ভাষা উন্মুক্ত হতেই হয় তাহলে আমাদেরে প্রত্যেককেই তার প্রাপ্য সম্মান দিতে হবে এবং যেটি আসলেই ভাষাকে সহজ করে তাকে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে । কোন আবেগ এখানে কেবল আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম কেই আরও পিছনে ঠেলে দিবে ঠিক যেমনটি মোস্তফা জব্বার করেছেন তার বিজয় এর মাধ্যমে । বাংলা কম্পিউটিং কেবল আসলে যাত্রা শুরু করেছে - টাইপিং হচ্ছে শুধু শুরু । যদি যথাযথ উদ্ভাবকদের পৃষ্ঠপোষকতা করা যায় তাহলে আমরা খুব শীঘ্রই আরো অনেক সুবিধা পেতে পারব - যেমন স্পেল চেকার, অভিধান, ফন্ট, গ্রামার, স্পীচ রিকগনিশন ইত্যাদি । আর অন্যথায় হয়ত আমাদের আবারও তাকিয়ে থাকতে হবে সাম্রাজ্যবাদি কম্পানিগুলোর দিকেই ।

পুনশ্চঃ আমি এখানে খল নায়ক বলছি এই কারণেই যে আজকে আমরা মোস্তফা জব্বারকে ধিক্কার দিলেও বাংলা কম্পিউটিং এর জগতে তার অবদান অনস্বীকার্য, অবস্থা দৃষ্টে মনে হয় অচিরেই যেই বাংলাদেশের জন্য কাজ করবে তাকেই হয়ত একই পরিণতি বরণ করতে হবে :). তবু আসুন আমরা কাজ করে যাই এই বাস্তবতা টুকু স্বীকার করেই

সাম্প্রতিক কিছু প্রশ্নের প্রেক্ষিতে জিয়াউর রহমানে জবাবঃ

“তাহলে কি অভ্র সবসময় পপুলার আইডিয়া কপি করতেই অভ্যস্ত নাকি তারা নিজেরা কোনো আইডিয়া নতুন উপহার দিয়েছে ?”

শুরু থেকেই অভ্র একটা অনৈতিক অবস্থান এর উপর দাঁড়িয়ে কাজ করেছে যা হচেছ একজন উদ্ভাবককে তার উদ্ভাবনের সাফল্য থেকে বঞ্চিত করা । এক্ষেত্রে আমার ধারনা মেহেদির আসলে Intellectual Property (IP) এর উপযুক্ত ধারণাই নাই - তাই সে একটা কথা বিশ্বাস করে কাজ শুরু করে যে একটু আলাদা হলেই একটা লে আউট আলাদা হয়ে যায় ।

পেটেন্ট এর মূল উদ্দেশ্য উদ্ভাবক কে সুবিধা দেয়া । এখন লাইফযয় যদি লাইফবয় এর বাজার ধবংস করার জন্য নামে তখনই তা অবৈধ - কারণ লাইফবয় এর সাথে লাইফযয় এর মিলকে পুঁজি করে সে মূল প্রোডাক্টকে বঞ্চিত করতে চাচেছ । এর মানে এই নয় যে লাইফযয় নামে আর কিছুই হতে পারে না। যদি তারা লাইফযয় নামে সাবান না বানিয়ে আইসক্রিম বানায় তাহলে এটা হয়ত পেটেন্ট ভায়োলেশন হবে না । এগুলো সবই আইন এবং তার প্রয়োগের ব্যাপার । মূল উদ্দেশ্য একটিই - মূল উদ্ভাবক কে তার আবিষ্কারের মূল্য দেয়া ।

যেহেতু ইউনিবিজয় বিজয় কে তার পেটেন্ট উদ্ভাবন থেকে বঞ্চিত করার জন্য সামান্য কিছু পরিবর্তন করে করা তাই এটা আসলে পেটেন্ট infringement. এখন মেহেদি হয়ত qwerty এবং qwertz লে আউট থেকে ধারনা করেছেন যে একটি কি আলাদা হলেই লে আউট আলাদা হয়ে যায় - এটা ঠিক না । সম্ভবত qwertz এসেছে qwerty এর অনেক পরে (আমি নেট এ qwertz এর সঠিক সময়কাল পাইনি - তবে qwerty এর সমসাময়িক লিস্ট এ এটি নেই ) যখন qwerty এর পেটেন্ট প্রটেকশন পিরিয়ড পার হয়ে গেছে । এখন qwerty কে বেজ করে একটি দুটি কি চেঞ্জ করে আপনিও একটি নতুন লে আউট তৈরি করতে পারেন - কারণ এতে মূল উদ্ভাবককে বঞ্চিত করার কোনও স্বভাবনা নাই । অন্যথায় এটি কখনই গ্রহণযোগ্য হত না । অভ্র সমর্থন করে অনেক বোদ্ধাই নিজেদের বক্তব্য দিয়েছেন - তারা মেহেদিকে এটুকু বুঝিয়ে বললে ব্যাপারটি সুখকর হত ।

এরই ধারাবাহিকতায় তারা আরেকটি পপুলার ধারনাকে নিজেরা কপি করে - যেটি শাব্দিক প্রথমে শুরু করে । তারা নিজেরা এটিকে কষ্ট করে গবেষণা করে তৈরি করলে এবং জনপ্রিয় করলে কোনো আপত্তির কারণ ছিলনা । আপত্তির কারণ এটাই যে আগে এটার জনপ্রিয়তা প্রমাণিত হবার পরই তারা এই সাপোর্ট প্রদান করে । এতে তাদের গবেষণা বাবদ সময় এবং অর্থ দুটোই সাশ্রয় হয় - যেটা আসলে যেকোন নকল জিনিষের জন্যই প্রযোজ্য । এখানেও অভ্র টিম এর মূল উদ্দেশ্য একটি প্রতিষ্ঠিত উদ্ভাবনকে তাদের উদ্ভাবনার সাফল্য থেকে বঞ্চিত করা এটিই প্রমাণিত হয় - অন্যথায় তাদের কাছেই ফোনেটিক এর দাবি অক্ষর-এর সময়েই করা হয় কিন্তু তারা তখন এটি কোন কিবোর্ড হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না বলে সাপোর্ট দিতে অস্বীকার করে ।

“কাজেই সেটা কেবল বাংলাতে আনা কি আদৌ কোনো নতুন novel কাজ? ”

আমাদের এখানে সাজেশন ছাড়াও আরও অনেকগুলো বিষয় এসেছে - এর মধ্যে ইন্টেলিজেন্স, এক মাত্রার লে আউট এবং যুক্তবর্ণের জন্য আলাদা কি না ব্যবহার করা - এগুলো অবশ্যি নভেল হিসেবে গণ্য হতে পারে । আমি pinyin এর ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ না তাই পুরোপুরি তুলনা করতে পারছি না বা শাব্দিক pinyin কে দেখেও শুরু করা হয়নি ।

২) বিতর্কের অন্য দিকে রয়েছে ইউনিজয় লেআউট

আমি মনে হয় আগেই এগুলো যে প্রকারান্তরে বিজয়কে তার উদ্ভাবনি রাইট থেকে বঞ্চিত করার জন্য তা পরিষ্কার করতে পেরেছি - ইউনিবিজয় বা ইউনিজয় দুটোই এক্ষেত্রে একই দাগে অবস্থিত ।

৩) শেষ প্রশ্নটি হলো, জিয়া ভাইয়ের লেখাটিতে দাবী করা হচ্ছে, মেহদী নিজেকে বাংলা কম্পিউটিং এর সর্বেসর্বা বলে দাবী করছে।

আমি বিস্ময়ে লক্ষ্য করলাম একজন উদ্ভাবককে তার উদ্ভাবনা থেকে বঞ্চিত করতে পেরে বাঙালী কীভাবে ফ্যানাটিক আচরণ করছে । যেখানে অভ্র নিজেরা রিসার্চ ও ডেভেলপমেন্ট এর ন্যূনতম পেইনও নেয়নি তাকে সবাই দেবতার আসনে বসিয়েছেন এবং অভ্র ডেভলপাররা তা উপভোগ করছেন । প্রথমত মেহেদির IP বিষয়ক পরিষ্কার জ্ঞান রাখা উচিত ছিল এরকম ঢালাওভাবে মোস্তফা জব্বার এর কিবোর্ড কপি করার আগে - দ্বিতীয়তঃ শুধু জনপ্রিয়তার বিচারে যে নোংরা শব্দ চয়ন হচিছল মোস্তফা জব্বার এর বিরুদ্ধে তার বিরুদ্ধাচরণ করা উচিত ছিল । তিনি তা থেকে পুরো নির্লিপ্ত থেকে এবং ইউনিবিজয় কে আলাদা লে আউট বলে প্রকারান্তরে অপরকে মোস্তফা জব্বারকে গালি দিতেই উৎসাহিত করেছেন এবং পুরো ব্যাপারটিই তিনি অসুস্থভাবে উপভোগ করে চলেছেন । এই প্রেক্ষিতেই আমার এই অনুধাবন ।


 

সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:১২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২. ২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৪৫
মেঘের পরে মেঘ বলেছেন: ধন্যবাদ। তথ্যবহুল পোষ্ট। মোস্তাফা জাব্বার সাহেবের অতিমাত্রার ব্যাবসায়িক মনোবৃত্তি উনাকে শেষ করবে। এদেশের মানুষ মা, মাটি, দেশ, দেশের ভাষার ব্যাপারে ঐতিহ্যগত আবেগপ্রবন। জাব্বার সাহেবের উচিৎ ছিল বাস্তবতাকে মেনে নেয়া।
২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:০৪

লেখক বলেছেন: Dhonnobad

৩. ২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:৩৩
ক্ষতিগ্রস্থ বলেছেন: ধন্যবাদ, +

বাংলা স্পেল চেকার, অভিধান, ফন্ট, গ্রামার, স্পিচ রিকগনিশন চাই.
২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:৪০

লেখক বলেছেন: এ গুলোর জন্য চলুন উদ্ভাবকদের পিছনে থাকি, যারা কপি পেস্ট করে তাদের পিছনে নয়। অযাচিত আবেগ নয়, বিবেচনা বোধ নিয়ে পাশে দাঁড়ায় প্রযুক্তি আসলে যারা বানায় তাদের পাশে।

৪. ২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:৪৮
আইরিন সুলতানা বলেছেন: এরকম বিভিন্ন তথ্যবহুল পোস্টগুলো দরকার। তাতে পরিশেষে কী-বোর্ড লেআউট নিয়ে গবেষণা এগিয়ে যাবে।


ধন্যবাদ আপনাকে।
২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:৫৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:০৪

লেখক বলেছেন: ইননোভেশকে হ্যাঁ বলুন, কপি/পেষ্ট/স্লাইট-মডিফিকেশন কে না বলুন।

৬. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:০৩
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: আপনার সমস্ত ব্লগ গবেষণা করে সামারি পাইলামঃ

১) ইউনিজয় আসলে বিজয়ের কপি, আইনে বাধা না থাক্লেও নৈতিক দিক দিয়ে বর্জনীয়; তাই অভ্র খারাপ ...

২) অভ্র কেন সোর্সকোড উন্মুক্ত করে না? তাই অভ্র খারাপ ...

৩) অভ্র এখনও পর্যন্ত ফ্রী, কিন্তু যদি ভবিষ্যতে টাকা চায়? তাই অভ্র খারাপ ...

৪) অভ্রর লেয়াউট নিয়া কোন গবেষণা হয় নাই, এর চেয়ে ভালো লেআউট থাকা সম্ভব; তাই অভ্র খারাপ ...

৫) অভ্র কেন শাব্দিকের পরে ফনেটিকের আইডিয়া গ্রহণ করলো? অভ্রের ইনোভেশন নাই, তাই অভ্র খারাপ ...

৬) অভ্র কেন জনপ্রিয় হইলো যেখানে শাব্দিক হইলো না? অভ্র খারাপ ...

একবারও কি চিন্তা করছেন যে শাব্দিক এত ভালো এবং ইনোভেটিভ একটা সফটওয়ার হওয়ার পরও কেন জনপ্রিয় হইলো না? তাদের ভুল বা সীমাবদ্ধতাটা কোথায় ছিল?
২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:১২

লেখক বলেছেন: অভ্র ভাল, আর জনগনকে ভালো সেবা দিয়ে যাচ্ছে। তবে ভক্তরা বেশী মাথায় তোলায় বাংলা প্রযুক্তির জন্য অন্য যারা কাজ করছে তারা নিরুৎসাহিত হচ্ছে। অথচ অভ্র দাঁড়িয়ে আছে অন্যদের উপরে।

৭. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:২০
পারভেজ আলম বলেছেন: আপাতত শুধু প্লাস দিলাম। পরে কিছু কথা বলার ইচ্ছা রাখি।
২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:২৩

লেখক বলেছেন: হমম, ধন্যবাদ। আপনার মন্তব্য উদ্ভাবক ও কারিগরদের উৎসাহিত করবে।

৮. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:২৮
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: ভালো প্রোডাক্টের জনপ্রিয়তা থাকবেই, তেমনি আপনার প্রোডাক্ট যদি ভালো হয় এবং ট্রানজিশন কার্ভটা যদি সহজ হয় [ডিভোরাক কুয়ের্টির চেয়ে একশোগুণ ভালো কীবোর্ড, কিন্তু ট্রানজিশনের ভয়ে মানুষ সেটা নেয় নাই], তাহলে আপনার প্রোডাক্টও মানুষ নিবে ... অন্য প্রোডাক্টের জনপ্রিয়তা দেখে যদি নিরুৎসাহিত হন, তাহলে সরি টু সে, আপনার কাজ করার যোগ্যতাই নাই ...

আপনার আর বন্ধু শাহ আসাদুজ্জামান এবং জিয়াউর রহমানের জ্বলুনি দেখে নিটোল মজা পাচ্ছি ... এত এত বিদ্বান মানুষ হয়েও এইসব তুচ্ছ ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠতে পারলেন না, বড়ই আফসোস ...
২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:২৮

লেখক বলেছেন: অভ্র ও বিজয়ের কামড়া কামড়িতে আপনার ভাষায় যাদের আসল জ্বলুনী শুরু হয়েছিল আমরা তাতে ঠান্ডা মাথায় পানি ঢেলে দিচ্ছি। বাংলা ভাষার প্রযুক্তিকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিজয় বা অভ্র সমর্থকদের মত কোটারি স্বার্থপরদের পরাভুত করে যারা ইননোভেশন করে সেই সব পিছনের কারিগরদের অবদান কে সামনে নিয়ে আসা আমাদের কাজ। যারা সত্যিকার ভাবে প্রযুক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। শুধু কসমেটিকস দিয়ে বাজারমাত করে না। মার্কনি দের নয় আমরা জগদীশ দের প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।

৯. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৯:১৮
একলব্য১৯৭১ বলেছেন: //////ভালো প্রোডাক্টের জনপ্রিয়তা থাকবেই, তেমনি আপনার প্রোডাক্ট যদি ভালো হয় এবং ট্রানজিশন কার্ভটা যদি সহজ হয় [ডিভোরাক কুয়ের্টির চেয়ে একশোগুণ ভালো কীবোর্ড, কিন্তু ট্রানজিশনের ভয়ে মানুষ সেটা নেয় নাই], তাহলে আপনার প্রোডাক্টও মানুষ নিবে ... অন্য প্রোডাক্টের জনপ্রিয়তা দেখে যদি নিরুৎসাহিত হন, তাহলে সরি টু সে, আপনার কাজ করার যোগ্যতাই নাই ...

আপনার আর বন্ধু শাহ আসাদুজ্জামান এবং জিয়াউর রহমানের জ্বলুনি দেখে নিটোল মজা পাচ্ছি ... এত এত বিদ্বান মানুষ হয়েও এইসব তুচ্ছ ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠতে পারলেন না, বড়ই আফসোস ...////

যা কওনের কিংকু ভাই কইয়া দিছে।জ্বলুনির পিছনে সময় নষ্ট না কইরা অভ্রর চেয়ে বেটার কুনো কীবোর্ড বাইর করেন-অভ্র তো আর শেষ কথা না,এর চেয়ে ভালো প্রোডাক্ট আসলে মানুষ সেইটাই ব্যবহার করবে। কেন মানুষ অভ্র নিয়া মাতামাতি করে সেইটাও খিয়াল করেন,তারপর শাব্দিকরে নিয়াও যাতে মানুষ এমনে মাতামাতি করে সেইরকমভাবে প্রোডাক্ট তৈরি করেন।জিনিস ভালো হইলে তা নিজ গুণেই অন্যগুলারে ছাড়ায়া যাইবো-কষ্ট কইরা এইসব বালছাল জ্বলুনি মার্কা পোস্ট দেওন লাগবোনা।

২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:২৮

লেখক বলেছেন: অভ্র ও বিজয়ের কামড়া কামড়িতে আপনার ভাষায় যাদের আসল জ্বলুনী শুরু হয়েছিল আমরা তাতে ঠান্ডা মাথায় পানি ঢেলে দিচ্ছি। বাংলা ভাষার প্রযুক্তিকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিজয় বা অভ্র সমর্থকদের মত কোটারি স্বার্থপরদের পরাভুত করে যারা ইননোভেশন করে সেই সব পিছনের কারিগরদের অবদান কে সামনে নিয়ে আসা আমাদের কাজ। যারা সত্যিকার ভাবে প্রযুক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। শুধু কসমেটিকস দিয়ে বাজারমাত করে না। মার্কনি দের নয় আমরা জগদীশ দের প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।

১০. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৯:২০
একলব্য১৯৭১ বলেছেন: ////অভ্র ভাল, আর জনগনকে ভালো সেবা দিয়ে যাচ্ছে। তবে ভক্তরা বেশী মাথায় তোলায় বাংলা প্রযুক্তির জন্য অন্য যারা কাজ করছে তারা নিরুৎসাহিত হচ্ছে। অথচ অভ্র দাঁড়িয়ে আছে অন্যদের উপরে।///

ইট্টু চিন্তা করেন তো,এই সাপোর্ট অভ্র কেন পাইতেছে? বিদ্বান মানুষ হইয়াও এইরকম গাধার মত মন্তব্য করলে বড়ই আফসুস লাগে ভাইজান।নিরুৎসাহিত না হইয়া "একদিন আমার প্রোডাক্ট আমি এমন ভাবে তৈরি করুম যে এইটা নিয়া অভ্রের চাইতে বেশি মাতামাতি হবে"- এইভাবে চিন্তা করণ যায়না বস?
২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:১৬

লেখক বলেছেন: কারন আমরা হুজুগে। আর উদ্ভাবক ও প্রকৌশলীরা বাজারজাত করনের কসমেটিকস টেকনিক এ সাধারণত পিছিয়ে থাকে। উদ্ভাবকদের কাজ প্রযুক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, কিন্তু বাজারজাতকারীরা যখন পুরো কৃতিত্ব হাইজ্যাক করতে বসে তখন পিছনের কারিগরদের কথাও জানানো জরুরী হয়ে যায়। আমরা উদ্ভাবক ও প্রকৌশলীদের কাজের স্বীকৃতির পথ করে দিয়ে প্রযুক্তি সবার জন্য উন্মুক্ত করার চেষ্টা করে যাব।

১১. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৯:৩১
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: বেশ তথ্যবহুল আর কাজের। বাঙলা কম্পিউটিং এর একটা পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস তৈরি করা যে কোন বাঙলা সফটরে প্রো পিপল বানানোর জন্য জরুরী।

আর এ প্রসঙ্গে আপনার সহ আরো অনেকের মতামত আশা করছি।
২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:১৮

লেখক বলেছেন: হমম, পুর্নাঙ্গ ইতিহাস তৈরী জরুরী। যাতে আমরা সবাইকে তাদের প্রাপ্য টুকু দিতে পারি। কোন একজনের জন্য বুঝে না বুঝে হুজুগ তৈরী না করি।

আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

১২. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৩৯
মেহেদী_হাসান বলেছেন: "মেহেদি যে প্রতিবাদি আবেগে বিজয় থেকে বাংলাকে মুক্ত করার প্রতিজ্ঞা নিয়ে অভ্র তৈরি করে তা আইনি ভাবে হয়ত যথাযথ নয় । বিজয় এবং ইউনিজয় আসলে তফাৎ খুব সামান্যই যেমন লাইফবয় এবং লাইফজয় খুব অল্প তফাৎ । এবং আইনি লড়াইয়ে আসলে ইউনিজয় বিজয় এর নকলই প্রতিপন্ন হবে যদি মোস্তফা জব্বার যথাযথ আইনজ্ঞ নিয়োগ করতে পারেন আর প্রযুক্তিবিদদের কাছেও অভ্র নকল হিসেবেই গণ্য হবে ।"

আপনাদের শাব্দিক কিবোর্ড ইন্সটল করলাম। ওখানেও ইউনিজয় নামে একটি লেয়াউট আছে দেখলাম যা বিজয় কিবোর্ড থেকে ১০০% কপি করা। অভ্রের ইউনিবিজয় আর বিজয়ের মধ্যে কিছু অমিল আছে বলে বলে এটি হয়ত আইনত খুব বেশি সমস্যায় পড়বে না। কিন্তু শাব্দিক কিন্তু পুরা ধরা খাবে। তাই অন্যের গীবত গাওয়ার আগে নিজের দিকেও তাকান।
ফনেটিক এর ব্যাপারে, অভ্র, শাব্দিক, আরো অনেকেই কাজ করেছে; তাদের মধ্যে অভ্র টিকে গেছে এজন্য অভ্রকে দোষ দেয়া যায় না বরং আপনাদের সফটোয়ার কেন জনপ্রিয় হল না তা নিয়ে চিন্তা করে বের করুন এবং চেষ্টা করুন যাতে জনপ্রিয় হয়। এখনো সময় ফুরিয়ে যায়নি।
২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:২০

লেখক বলেছেন: অভ্র জনপ্রিয় হোক তাতে সমস্যা নেই। সমস্যা হল প্রযুক্তির উন্নয়নে সবার অবদানকে চাপা দিয়ে আমরা শুধু কসমেটিকস ও বাজারজাতকারীদের নিয়ে মেতে উঠেছি।

১৩. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:১৬
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: //উদ্ভাবকদের কাজ প্রযুক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, কিন্তু বাজারজাতকারীরা যখন পুরো কৃতিত্ব হাইজ্যাক করতে বসে তখন পিছনের কারিগরদের কথাও জানানো জরুরী হয়ে যায়।//

সোজাসুজি প্রশ্ন করি, অভ্র কি শাব্দিকের কোড চুরি করেছে?
২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪১

লেখক বলেছেন: শেষমেশ একটা বাল্যখিল্য প্রশ্ন করে বসবেন, এটা আমি চিন্তাও করতে পারি নাই। লেখাটি পড়ুন কে কি কোথা থেকে পেয়েছে কিছু ধারনা অন্তত পাবেন। বাঁকীটুকু আপনার বোঝার শক্তির উপরে।

১৪. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:২২
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: //শেষমেশ একটা বাল্যখিল্য প্রশ্ন করে বসবেন, এটা আমি চিন্তাও করতে পারি নাই। লেখাটি পড়ুন কে কি কোথা থেকে পেয়েছে কিছু ধারনা অন্তত পাবেন। বাঁকীটুকু আপনার বোঝার শক্তির উপরে।//

আমার বোঝার শক্তি ভালমতই আছে, আপনার আছে কিনা সেটা বোঝার চেষ্টা করছি ...

আপনি শুরুর থেকে বলে যাচ্ছেন অভ্রের কোন উদ্ভাবন নাই, অভ্র শাব্দিকের কৃতিত্ব হাইজ্যাক করেছে ...

আপনাদের একএকজনের যা প্রোফাইল তাতে মনে হয় না সফটওয়ার শিল্পের ইতিহাস সম্পর্কে কিছুমাত্র কম জানেন, তাও একটু মনে করাই ...

গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেইসের ধারণা প্রথম আনে ম্যাক, কিন্তু সেই ধারণা ব্যবহার করে [বা আপনার ভাষায় হাইজ্যাক করে] উইন্ডোজ দিয়ে বাজার মাত করে মাইক্রোসফট ... আবার মাইক্রোসফট অফিসের রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং করে এখন আস্তে আস্তে মার্কেট দখল করে নিচ্ছে ওপেন অফিস ... কখনো দেখেছেন বিল গেটস বা স্টিভ জবস "আমার আইডিয়া নিয়ে গেল" বলে কান্নাকাটি করছে? কারণ কেউ যদি ডিরেক্টলি কোড চুরি না করে বা কোন গবেষণার ফলাফল সরাসরি মেরে না দেয় তাহলে সেইটা কোনভাবেই অবৈধ না ... পিরিয়ড ...

আরেকটা উদাহরণ ফেইসবুক ... সোশাল নেটওয়ার্কের ধারণা অনেক আগে থেকেই প্রচলিত ছিল, তাই ফেইসবুক যখন পরে লঞ্চ করেও আস্তে আস্তে অর্কূট বা মাইস্পেসের ইউজার ভাগিয়ে নিয়ে গেছে তখন সেগুলির ডেভেলপাররা কান্নাকাটি করে ব্লগ গরম করে ফেলে নাই ... কিন্তু ফেইসবুক মামলা খেয়েছে তখনি যখন অভিযোগ উঠেছে জুকারবার্গ তার সহপাঠির কোড মেরে দিয়েছে ... কোর্টের বাইরে জুকারবার্গ প্রায় ষাট মিলিয়ন ডলার দিয়ে তারপর ব্যপারটা রফা করেছে ...

কাজেই যদি প্রমাণ করতে না পারেন যে অভ্র শাব্দিকের কোড বা গবেষণা ডিরেক্টলি ব্যবহার করে বানানো [প্রশ্নই আসে না] তাহলে অফ যান ... আপনারা আগে শুরু করেও মার্কেটে ঢুকতে ব্যর্থ হয়েছেন, প্লেইন এণ্ড সিম্পল ... খামাখা এইটা নিয়ে আস্ফালন করে আর হাসির পাত্র হয়েন না ... চেষ্টা করেন ভালো কিছু নিয়ে আবার আসতে, মানুষ অবশ্যই গ্রহণ করবে ...
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৪৮

লেখক বলেছেন: ইমপ্লিমেন্টশন নিয়ে কোথাও কোন বিতর্ক উঠে নাই। বিতর্ক উঠেছে লে-আউট ডিজাইন ও সংশ্লিষ্ট টেকনিক নিয়ে। সে বিষয়ে আপনার কোন প্রাংগিক বক্তব্য থাকলে বলতে পারেন।

১৫. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:২৮
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: আর ফনেটিক টাইপিংয়ের ধারণাটা ইউনিক না হতে পারে, কিন্তু মেহদী হাসান অভ্র সফটওয়ারটা হাওয়া থেকে পেয়ে যায় নাই, তাকে সেটার ডিজাইন বা কোডিং নিজ হাতে করতে হয়েছে ... কাজেই তাকে যখন শুধুই বাজারজাতকারী বলে বাতিল করে দেয়ার চেষ্টা করেন তখন তার পেছনে আপনাদের জ্বলুনী খুব ভালোভাবে টের পাওয়া যায় ... এই কাজটা না করে শুধু শাব্দিকের ইতিহাস নিয়ে লিখতেন, মানুষ কিন্তু আপনাদের কাজটাকে শ্রদ্ধাই করতো ... সেটা না করে পুরা নিজের চেষ্টায় পরশ্রীকাতর চেহারাটা বের করে ফেললেন, খুবই দুঃখজনক ...
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৫০

লেখক বলেছেন: ভাইজান ইমপ্লিটেশন নয় লে-আউট আর টেকনোলজি নিয়ে বিতর্ক চলছে। অভ্র টীম তাদের ইননোভেশন কি বলুক। দেখা যাক, তারা কি নতুনত্ব এনেছে।

১৬. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:৪৩
মদন বলেছেন: +++ @ কিংকর্তব্যবিমূঢ়
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৪৮

লেখক বলেছেন: হমম

১৭. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৫৯
'লেনিন' বলেছেন: কিংকর্তব্যবিমূঢ় সবই বলে দিয়েছে। আমি ধৈর্য ধারণ করছিলাম। এবং আপনার বক্তব্য সম্পর্কে ডাটা কালেকশন করছিলাম।

প্রশ্ন হচ্ছে এতোদিন কোথায় ছিলেন? লোভী, চোর, জোচ্চোর, ছ্যাচ্চোর, বাটপার হলে মেহেদী নির্বাচন কমিশন থেকে ৫০টা হাজার টাকা নিয়ে আসতে পারতোনা? কেউ কিছু কইতো? আপনাদের ভাষায় যার ইনোভেশন জানা নাই (আপনারাই সব ইনোভেশনের প‍্যাটেন্টেড ওউনার), সে কি করে লোভ সামলালো?

আপনাদের শাব্দিক তো আগে পয়সা দিয়ে কিনতে হতো। পরে বিনামূলে‍্যর করেছেন। আপনাদেরটির নাম কয়জন জানে? এই সেদিনের ছেলে সিউল রায়হানও নতুন একটি কীবোর্ড তৈরি করে সবাইকে আহ্বান করেছে সেটি পরীক্ষা করে দেখতে। আপনারা অন্তত তার দেখাদেখি ব্লগে একটা পোস্ট দিয়ে আহ্বান করতেন আপনাদের অ‍্যালগরিদম বিশ্বসেরা। সিউল তো দাবী করছে তার অ‍্যালগরিদম গুগলের চেয়েও ফাস্ট।

মূলকথা হচ্ছে আপনারা মুনাফালোভী। তাই আপনার বন্ধু শাহ আসাদুজ্জামান(সচলায়তনে ক্রমাগতভাবে অভব‍্যভাবে মন্তব‍্য রেখে ট্রল হিসেবে ব‍্যানড) এবং আপনি ভাবতেই পারছেন না অভ্র মুনাফা চায়না। অমিক্রনল‍্যাব একটি প্রতিষ্ঠান নয় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংঘ মাত্র। অভ্র কখনোই দাম দিয়ে কাউকে কিনতে হয়নি এটি শুরু থেকেই ফ্রি ছিলো।

আপনার লেখায় শিফট কী দু'বার চাপার বিষয়টি ইনোভেশন উল্লেখ করেছেন কিন্তু ব‍্যাপারটি তো ৯৬/৯৭ সালেই উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের 'এক্সেসিবিলিটি' এর অন্তর্গত ছিলো স্টিকি কী এর আদলে। স্টিকি কী এর আইডিয়াটি শাব্দিক টীম তাহলে মেরে দেয়নি? স্টিকি কী এর সাথে এর কোলিশনও হবার কথা।

দুটো ফিচারের কথা বলেই কাগুর সাথে এক হয়ে অভ্রের উপর চেপে বসতে চাইছেন? এখন বলছেন ইউনিবিজয় বিজয়ের কপি। হ‍্যাঁ কপি এটি বিজয়ের ইউনিকোড রূপান্তর মাত্র। জব্বার কাগু তো ন‍্যাশনাল থেকে শুরু করে অন‍্যান‍্য সফটওয়‍্যারে যুক্ত সরাসরি 'বিজয়' নামের লেআউটের বিরুদ্ধে টু শব্দটি করেননি। কারণ তার ৫কোটি টাকা এবং সেই সাথে ভবিষ‍্যতের আয়ের সম্ভাবনা বন্ধ হবার খলনায়ক 'অভ্র'।

NJ বাটনটি জব্বার কাগু বলেছেন কোনো দরকার নেই বাংলাতে। কিন্তু ওটা নন-জয়েনার হওয়াতে অনেক সময়ই যুক্তাক্ষর দরকার নেই এমন ক্ষেত্রে ওটির দরকার। কাগু তো এমনকি ও-কার এবং ঔ-কার কেও বাংলায় অত‍্যন্ত অল্প ব‍্যবহৃত বলেছেন। কারণ???? কারণ হলো ইউনিজয়ে ওখানেই কিছু ইনোভেশন করা হয়েছে জনাব!!

এ-কার, ক এর বদলে ক, এ-কার = কে
এ-কার, ক, ও-কার এর বদলে ক, ও-কার = কো

অথচ জব্বার কাগু তা অস্বীকার করতে চাইছেন।

জ্ঞানপাপী পরশ্রীকাতর না হয়ে দয়া করে প্রমানসহ কথা বলুন। আমি আগেও বলেছি আমি পক্ষপাতমূলক মন্তব‍্য করিনা। এখানেও আমার সাদাচোখে যা সত‍্য মনে হয়েছে তাই লিখেছি। আপনি প্রমান করতে পারলে আপনার কথা অন‍্যরা মানার আগেই আমি মেনে নিব কথা দিলাম।
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৫৫

লেখক বলেছেন: এখন কি ধৈর্য্য হারিয়ে ব্যক্তিগত আক্রমনে চলে গিয়েছেন! আমিও খেয়াল করছিলাম। ব্যক্তিগত আক্রমন বাদ দিয়ে আবার ধৈর্য্য ফিরিয়ে আনুন। :)

সিউল রায়হান কাজ শেষ করুক, আর গবেষনা করে প্রমান করুন সে অন্য যে কারো চেয়ে ভাল। তাকে আগাম অভিনন্দন। বাংলা প্রযুক্তি এগিয়ে যাক।

পরিশেষে আবারও বলছি, আপনার সাথে আমার অনেক মন্তব্য বিনিময় হয়েছে। আমাদের মতামতে ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমন করে পারস্পারিক সম্পর্ক নষ্ট করবেন না। আর যদি ইতিমধ্য করে থাকেন (পরের একটা পোস্ট দেখলাম করেছেন বলেই মনে হল) তাহলে তো সেটা এখন আবার মুশকিল হয়ে যাবে।

১৮. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৫
মুকুট বলেছেন: দেশে বস্তাপচা সস্তা রাজনৈতিক কৌশল দেখছি শাব্দিকের। এতদিন কোথায় ছিলো এই সফটওয়ার? জীবনে এই প্রথম নাম শুনলাম।

ভাষা উন্মুক্ত হোক, অভ্র-র সাথে আছি।
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৩২

লেখক বলেছেন: অভ্র এর সাথে থাকুন, অভিনন্দন। সেটা আপনার পছন্দ। কিন্তু কাউকে একমাত্র বলে ক্রেডিট দেয়ার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন পিছনে আরো অনেকে কোর ডেভেলপমেন্টটা করে গিয়েছেন।

১৯. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৩
শওকত আহমেদ বলেছেন: এই পোস্টের পর বুঝলাম আপনার অভ্র বিরোধী পোস্টের সিরিজ এর মুল কারন। ভাল ভাল। তবে আপনি iceb এর কি তা বললে সুবিধা হত। আর এই ব্লগে নিয়মিতই দেখি নিম্ন মানের ব্লগস্পটের লিঙ্ক পেস্ট করতে অহরহ। অথচ আপনি আপনার এই হাই কোয়ালিটি সফটওয়্যার এর জন্য কোন পোস্ট দেননি কেন?
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৩৪

লেখক বলেছেন: মানুষ ব্যক্তিগত প্রসংগে যায়, যখন মুল বিষয়ে কথা হারায়। অভ্র নিয়ে যা করলেন তাতে কি আপনাদেরও একই কথা বলা যায় না "আপনারা আসলে অভ্রের কী?

২০. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:২৩
আকাশ_পাগলা বলেছেন: শাব্দিক এত ভাল, এত দিন বললেন না ক্যান??
এতদিন জানাইতেন।
আপনার নিজেরই ত মনে হয় কনফিডেন্সের অভাব।
সামু ব্লগে বেশিরভাগ পাব্লিকই সামুর ফোনেটিক ইউজ করত কয়েকদিন আগেও, অভ্রের না। আস্তে আস্তে অভ্র ছড়িয়ে গেল ব্যাপক হারে। তখন শাব্দিকের নাম শুনলাম না ক্যান?
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৩৫

লেখক বলেছেন: ভাল কি মন্দ সেটার প্রমান রয়েছে। আর জনপ্রিয়তা তো অভ্র উপভোগ করছে, সেটা নিয়ে টো প্রশ্ন নেই। ভালত্ব ও জনপ্রিয়তাকে এক কাতারে ফেলবেন না।

২১. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৩২
অজানা এক পথিক বলেছেন: হাহাহাহা............ভাই তাল গাছ আপনারেই দিলাম।

শাব্দিক ইজ বেস্ট.........বাকী সব নর্দমার কীট।

খুশী হইছেন?

(কানে মুখে কই......শাব্দিকের নাম আপনার এই পোস্টেই পুত্তুম শুনলাম)

লেনিন ভাই আর কিংকর্তব্যবিমূঢ় ভাইকে ঝাঝা......আর কিছু বলার নাই......অনারাই বলে ফেলছেন।
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৪৬

লেখক বলেছেন: আমরা ওইরকম শব্দ কোন সফটওয়্যার সম্পর্কেরই উচ্চারন করি না। প্রত্যকেটা সফটওয়্যার বানাতে কি করতে হয় সেটা সংশ্লিষ্ট লোকজন জানে। কাজেই ঐ শব্দ বলার আগে একবার ভাববেন।

আমরা খুব সহজেই একজনকে হিরো আর সবাই কে ভিলেন বানাইয়া ফেলি। এখানে আমরা সব ভিলেনদের কথা জানিয়েছি। আমরা বলতে চাই ভক্তরা যাদের ভিলেন বানিয়েছে, তাদের উপরের হিরো দাঁড়িয়ে আছে।

ধন্যবাদ।

২২. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৪৪
রাগিব বলেছেন: শাব্দিক অমিক্রনল্যাবে নিষিদ্ধ এই ব্যাপারে প্রমাণ কী? আমি সার্চ করে অমিক্রনল্যাবের বেশ কয়েকটি থ্রেডে শাব্দিক নিয়ে আলোচনা পেলাম।

যেমন -
Click This Link

Click This Link

কাজেই এটা নিষিদ্ধ হলো কী ভাবে?
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:২৯

লেখক বলেছেন: জিয়া তো নিজে চেক করে দেখেছেই, আর আমি নিজেও চেক করে দেখেছি। আমাদের পোস্টতো তারা পড়ছে না কি? তারা নিশ্চয় এটা পুনঃস্থাপন করেছে। এক ক্লিকের সময় আর ইতিমধ্যে অতিক্রান্ত সময় বিবেচনা করে দেখা দরকার

বিতর্ক শুরু হওয়ার আগে অভ্র কোড মুক্ত ছিলনা, কিন্তু এখন নাকি মুক্ত করা হয়েছে। কাজেই সময়ের সাথে সংশ্লিষ্ট পক্ষ তাদের অবস্থা পরিবর্তন অভিযোজন করছে, এটা আমাদের মাথায় রাখা দরকার।

২৩. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:০৫
একলব্য১৯৭১ বলেছেন: ////কারন আমরা হুজুগে। আর উদ্ভাবক ও প্রকৌশলীরা বাজারজাত করনের কসমেটিকস টেকনিক এ সাধারণত পিছিয়ে থাকে////


আচ্ছা-সারারাত রামায়ণ পড়ে সীতা কার বাপ??নিচের প্রশ্নগুলার উত্তর দ্যান তো ভাইজানঃ

১) অভ্র নিয়ে মানুষের মাতামাতির কারণ হুজুগ?মানুষ বিনামূল্যে এবং সহজে বাংলা লিখতে পারতেছে এই সত্যটার কোন ভূমিকা নাই?

২) অভ্রের জনক মেহদী একজন বাজারজাতকারী হইলে সে এইটা সবাইরে বিনামূ্ল্যে দিল কেন? এতে তার লাভটা কোথায়?

৩) অভ্র কি আসলে মেহদীর উদ্ভাবন না? ওইটা আসমান থিকা পড়ছে?মেহদী একজন নগন্য বাজারজাতকারী মাত্র যার অভ্র উদ্ভাবনে কোনই ভূমিকা নাই?


দুঃখ পাইলাম ভাইজান-খুব দুঃখ পাইলাম।আমার ছোট বোন বুয়েটে ঢুকছে দেইখা নিশ্চিন্ত হইছিলাম যে দেশের সেরা একটা জায়গা থেকে পড়াশোনা করে মানুষের মত মানুষ হয়ে বের হবে- ক্ষুদ্র ঈর্ষা তার ভেতরে থাকবেনা। আপনাদের দেখে মনে হইতেছে বুয়েটের উপরে পুরাপুরি ভরসা করা যাবেনা-টেকনিকাল জ্ঞান বুয়েট থিকা পাইলেও মানবিকতার জ্ঞান তারে বাসা থিকাই দিতে হবে।
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনি টেকনলজী উদ্ভাবন ও তার কোডিং ইমপ্লিমেন্টশনের তফাৎ নিয়ে আগে জানার চেষ্টা করুন। না হলে আপনার কাছে আমার জবাব অর্থহীন হয়ে যাবে।

২৪. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:০৮
একলব্য১৯৭১ বলেছেন: অফ টপিক- বুয়েটের ভাইবোনেরা আমার উপরে রাগ কইরেন না। বুয়েটের মত সেরা একটা জায়গার(যেইখানে আমার ছোট বোন চান্স পাইছে দেইখা গর্বে আমি আজকাল মাটিতে পা ফেলিনা) প্রাক্তন এই ছাত্রের ঈর্ষা নামক নিম্নমানের রিপুর শিকার হইতে দেইখা অনেক দুঃখে উপরের কথাগুলা বলছি।
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৩৭

লেখক বলেছেন: আপাতত অফটপিক ইগনোরড। পরে কোন একসময় প্রশ্ন করবেন, জবাব দিয়ে দেব।

২৫. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:১১
একলব্য১৯৭১ বলেছেন: লেখককে বলছি- অভ্রের চেয়ে সহজ এবং ভাল সফটঅয়্যার বের করুন- আমি কথা দিচ্ছি তখন আপনাকে নিয়েও এরকমই মাতামাতি করব।আপনারা মেধাবী মানুষ-আপনাদের ভেতরে ক্ষুদ্রতা দেখলে আমার মত সাধারণ মানুষ কষ্ট পায়।আশা করি ক্ষুদ্রতা থেকে বের হয়ে ফাটাফাটি রকমের এমন একটা সফটোয়্যার বানাবেন যার ফলে বাংলায় লেখা আরো সহজ হয়ে যাবে।ভাল থাকবেন।
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৪০

লেখক বলেছেন: ভাই আমরা এটিই বলছি। মাতামাতি করবেন না। অনেকেই কাজ করছে। তাদের সবাইকে উৎসাহ দিন । বাংলা এগিয়ে যাক। কোন একজন কে ভাষা আন্দোলন বানিয়ে ফেলা উচিৎ নয়। তীতুমীর দেরও অবদান থাকে। শুধু সর্বশেষটা দেখে লাফানো উচিৎ নয়। এটা উদ্ভাবকদের ক্ষুদ্রতা নয়, সাধারন জনগনের হুজুগেপনা। যা হোক শেষ পর্যন্ত আপনার ইতিবাচক মন্তব্য আমার ভাল লেগেছে। ভাল থাকবেন।

২৬. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৪৭
রাগিব বলেছেন: "বিতর্ক শুরু হওয়ার আগে অভ্র কোড মুক্ত ছিলনা, কিন্তু এখন নাকি মুক্ত করা হয়েছে। "

এটাও আপনি কই পেলেন? অভ্রর লিনাক্স সংস্করণ গুগল কোডে বহুদিন ধরেই আছে। সেখানে ফোনেটিক এর অংশটুকু আছে। এই লিংকে গেলে দেখবেন ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে অভ্রের লিনাক্স সংস্করণের সোর্স কোড সেখানে দেয়া আছে। Click This Link

কাজেই বিতর্ক শুরুর পরে অভ্র মুক্ত হয়েছে, কথাটা কি ভ্রান্ত আন্দাজ হয়ে গেলো না?
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:০০

লেখক বলেছেন: ঐ অংশটুকু মুক্ত ছিল আমি জানতাম।

আর লেনিন সাহেব বার বার আমাকে বলে দিচ্ছে অভ্র এখন পুরোপুরি মুক্ত করা হয়েছে। কোথায় যেন পোস্টও দেয়া হয়েছে বলছেন। আমি নিজে এখনও চেক করে দেখি নাই।

একজন কে হিরো বানানো আর সবাই ভিলেন এই অভ্যাস আমাদের ছাড়তে হবে। তীতুমীর /ক্ষদিরামরাও প্রান দিয়েছে তবেই স্বাধীনতা এসেছে, শুধু গান্ধী নেহেরু জিন্নাহ এর জন্য না।

ধন্যবাদ।



২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:১৪

লেখক বলেছেন: আর অভ্র টীম ও কেন তারা কোড মুক্ত করে নাই এই বিষয়ে পোস্ট দিয়েছে। কাজেই অাংশিক পরিস্থিতি নয় সার্বিক বিষয় নিয়ে কথা বলতে হবে।

২৭. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৫৬
রাগিব বলেছেন: আর ইউনিজয় বিজয়ের কপিও যদি হয় (আইনগত না হলেও নৈতিকভাবে), তাতে অভ্রর দায়টা কেবল ইউজার হিসাবেই তাই না? সেই একই দায় তো শাব্দিকের ঘাড়েও পড়ে ... তাই না?

ইউনিজয় কীবোর্ড লেআউটের ইতিহাস আপনি না জানলেও জিয়া ভাই জানেন বলে আশা করি। অভ্র ইউনিজয় বানিয়েছে, এই দাবী কি তিনি করতে পারেন? ইউনিজয় লেআউটের প্রণেতা হলো একুশে ডট অর্গ, http://ekushey.org/?page/uni_joy_layout , সামহয়ার থেকে শুরু করে অভ্র পর্যন্ত সবাইই তার ইউজার মাত্র। অথচ জিয়া ভাইয়ের এই লেখাটি ("আইনি লড়াইয়ে আসলে ইউনিজয় বিজয় এর নকলই প্রতিপন্ন হবে যদি মোস্তফা জব্বার যথাযথ আইনজ্ঞ নিয়োগ করতে পারেন আর প্রযুক্তিবিদদের কাছেও অভ্র নকল হিসেবেই গণ্য হবে ") দেখলে মনে হবে মেহদী নিজে বিজয় থেকে ইউনিজয় বানিয়েছেন।

আর ফোনেটিক "উদ্ভাবন" নিয়ে বেশি কিছু বলতে চাচ্ছি না, ২০ বছর ধরে এটা চীনা বা জাপানীরা ব্যবহার করে আসছে তাদের ভাষা কম্পিউটারে লিখতে। যে অভিযোগ শাব্দিক করছে অভ্রের প্রতি, সেই একই কপি পেস্টের অভিযোগ তাদের উপরেও আনা চলে। শাব্দিকের যে জিনিষটি আমি প্রশংসা করবো তা হলো বাংলা ভাষায় বিভিন্ন লেআউটের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ করা, এবং সে অনুযায়ী বাংলা লেআউট এর উৎকর্ষ সাধন। কিন্তু ফোনেটিকে "প্রথম" হওয়ার দাবীটা (যা অভ্র করেছে বলে দেখতে পাইনি কোথাও) কেবল চীনা-জাপানী টেকনলজিকে বাংলা হরফে স্থানান্তর (বা "কপি-পেস্ট") মাত্র।
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৩৪

লেখক বলেছেন: আমি রাগিব কে দেখতে চাই পাপানা, ফয়জুর, তামিম (সম্ভবত সেও লিনাক্স বাংলা নিয়ে কাজ করেছিল) এরকম সবার পিছনে, কোন একজন উপরিতলের হিরো এর পিছনে না।

এবার আসি শেষ প্রসংগে আগে। ফোনেটিক ২০ বছর ধরে ব্যবহৃত হচ্ছে সেটা আমরা জানি। ফোনেটিক হল একটা মেটা টেকনোলজী যেটা প্রত্যেক ভাষার জন্য প্রয়োগ করতে হবে। আর সেজন্য সিগনিফিক্যান্ট গবেষনা মুলক কাজ করতে হয়। ইননোভেশনটা হচ্ছে সেটাই। মেটা টেকনোলজী বা মেটা অ্যালগোরিদম বা মেটা হিউরিস্টিক বিষয়ে গবেষনার ধরন সম্পর্কে জানার অনুরোধ রাখছি।

শাব্দিক কি দাবী করেছে তারা ফোনেটিক প্রথম এনেছে? জিয়া বলেছে অক্ষর প্রথম করেছিল ফোনেটিক। তবে জিয়া ওয়াদুদ বুয়েট৯২সিই বলছে সে আরেক জনের কথা জানে। যা হোক শাব্দিক যেটা বলেছে তা হল অক্ষর দেখাতে পারে নি যে ফোনেটিক বাংলার ক্ষেত্রে টাচ টাইপের যথার্থ বিকল্প হতে পারে। শাব্দিক সেটা দেখিয়েছে। আর তারপর সামহোয়ার ও অভ্রের সাথে তাদের কি কথা বার্তা হয়েছে সে সম্পর্কে ধারনা দিয়েছে।

জিয়া পরিস্কারভাবে অভ্র ইউনিজয় তৈরী করেছে বলেছে বলে আমার মনে হয় না। মোস্তফা জব্বার অভ্র সম্পর্কে যে অভিযোগ তুলেছে তার প্রকৃতি বিশ্লেষন এ ক্ষেত্রে আমাদের বুঝতে সাহায্য করবে। নির্বাচক কমিশনে যারা অভ্র ব্যবহার করেছে তারা কি অভ্রের দেয়া কোন লে-আউট ব্যবহার করেছে? আমার জানামতে তারা মুলত বিজয়ের ব্যবহার কারী। কাজেই দেখা যায় নির্বাচন কমিশন বিজয়ের মুলত লে-আউটের ফলাফলই পেতে চেয়েছে কিন্তু তারা বিজয় ব্যবহার করে নাই। এক্ষেত্রে তারা অভ্র ব্যবহার করেছে শুধু অভ্র বিজয়ের নকল ইউনিজয় সরবরাহ করে বলে। টাকার দিক থেকে ভাবলে দেশের এতে লাভ হয়েছে, কিন্তু নৈতিক দিক থেকে কি এটা ঠিক হয়েছে। যদি নির্বাচন কমিশনের ব্যবহারকারীরা অভ্রের ফোনেটিকই মুলত ব্যবহার করত তা হলে এই বিতর্ক উঠত না। কাজেই দেখা যাচ্ছে আমরা বিজয়ের লে-আউটই কার্যত ব্যবহার করছি কিন্তু এর ব্যবসায়িক সুনাম পাচ্ছে আরেক জন। প্রসংগত ব্যবসায় মুনাফা নামে একটা বিষয় বাৎসরিক চুড়ান্ত হিসাবে সম্পদ হিসাবে দেখানো হয় যাকে অর্থের মাপকাঠিতে ৩ কোটি বা ৫ কোটি এইরকম টাকার পরিমান দিয়ে উল্লেখ করা হয়।

ব্যক্তিগত ব্যবহার কারী দের নিয়ে লোকে কমই মাথা ঘাটায়, কিন্তু কর্পোরেট ব্যবহারকারীদের কোন ছাড় দেয়া হয় না। উইন্ডোজ ও কি বাস্তবতা বিচারে ৩য় বিশ্বের দেশগুলোতে এটাই প্রয়োগ করছে না। একুশে বা অন্য যে কেউ ইউনিজয় কে এইরকম কর্পোরেট ব্যবহার সম্ভবত করেনি, করেছে অভ্র।





২৮. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৪৯
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: //ভাইজান ইমপ্লিটেশন নয় লে-আউট আর টেকনোলজি নিয়ে বিতর্ক চলছে।অভ্র টীম তাদের ইননোভেশন কি বলুক। দেখা যাক, তারা কি নতুনত্ব এনেছে। //
আচ্ছা আপনার কথাই মানলাম, অভ্রের কোন ইনোভেশন নাই। এখন কি করতে হবে?

এইবার আপনি দুইটা প্রশ্নের জবাব দেন ... এক, শাব্দিকের ইনোভেশন কি? ফনেটিক লে-আউট? উপরে রাগিব ভাইয়ের কমেন্টের আলোকে ব্যাখ্যা দেন কেন সেইটা অরিজিনাল কাজ হিসাবে গণ্য হবে ...

দুই, শাব্দিক কেন মার্কেটে ঢুকতে পারলো না? সীমাবদ্ধতাটা কি ছিল?

আর শেষ কথা, আপনার এই পোস্ট থেকেই কিন্তু শাব্দিকের কথা জানলাম, এর আগে শুধু ভাসা ভাসা ভাবে নাম শুনছিলাম এত ডিটেইলস জানতাম না ... অভ্রর পশ্চাদ্দেশে আঙ্গুল দেয়া চেষ্টা না করে পোস্টটা একটু অন্যভাবে লিখলে এই কাজটাও বাংলা কম্পিউটিংকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আরেকটা চেষ্টা হিসেবে প্রশংসা পাইতো ... সেটা না করে পুরাপুরি চুলকানিবাজ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করে ফেললেন, সেধে বাঁশ খাওয়া একেই বলে :D

আপাতত এক বাক্স টিস্যু ছাড়া আর কিছুই আপনাদের দেয়া যাচ্ছে না, দুঃখিত ...




২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৫৫

লেখক বলেছেন: রাগিবের বরাতে আপনার প্রশ্নের উত্তর উপরে দেয়া হয়েছে। বুঝতে না পেরে থাকলে রাগিবকেও আপনাকে বুঝিয়ে দিতে বলতে পারেন।

বাদ বাঁকী অংশে আপনি কোন পয়েন্ট বলেন নাই। কিছু অশালীন ভাষা ব্যবহারের চেষ্টা করেছেন।

প্রযুক্তির মুক্তি বিষয়ক চলমান বিতর্কে (মোটামুটি আশির দশক থেকে চলমান) আপনার সত্যিকারের কোন মতামত থাকলে দিন। আমরা বিতর্ক থেকে বেরিয়ে এসে বাংলা প্রযুক্তিকে এগিয়ে নেই। আর যদি মতামত না থাকে তাহলে শুধু গালাগালি বলার দরকার নেই। অথবা গালগালি যদি দেবারই থাকে একবারে এক মন্তব্যে উগড়ে বের করে দিন। তারপর আবেগ বাদ দিয়ে ঠান্ডা মাথায় আমরা প্রযুক্তি নিয়ে বিতর্ক করব।

আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

২৯. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৫১
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: আর এই পোস্টে এইটাই আমার লাস্ট কমেন্ট ... আপনাদের তালগাছ নিয়ে আপনার খুশি থাকেন ... ধন্যবাদ ...
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৪:০৭

লেখক বলেছেন: :)

ভালো থাকবেন। শুভকামনা রইল। সবার হাত ধরে বাংলা প্রযুক্তি এগিয়ে যাক

৩০. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৪:০৯
'লেনিন' বলেছেন: জনাব, আমার নামও উল্লেখ করলেন অভ্র পুরোপুরি উন্মুক্ত করা হয়েছে বলেছি। প্রমাণ দিন সেরকম বলেছি। বাকি কমেন্টগুলো পড়ে তারপর কমেন্ট করবো।
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৪:৪১

লেখক বলেছেন: আপনার এই লেখার ১০ নং মন্তব্য

'লেনিন' বলেছেন: Click This Link মু আ হাকিম নিউটনের লেখাতে তাকে জানানো হয়েছে অভ্রের বিশেষ করে ফোনেটিক অংশটি সবার জন‍্য উন্মুক্ত সোর্স কোড করে দেয়া হয়েছে। সুতরাং তারা শাব্দিকের সাথে চোরাইকৃত অ‍্যালগরিদম ভালো করে মিলিয়ে দেখে অকাট‍্য প্রমাণ দিন। যাতে আসল চোর ধরা পড়ে।

আপনি যদি "পুরোপুরি" শব্দটির উপরে জোর দিয়ে থাকেন তাহলে শুধু ঐ শব্দটি প্রত্যাহার করা আমার জন্য জরুরী। ঐ শব্দ প্রত্যাহার করলাম। রাগিব বলছিল কিছু অংশ উন্মুক্ত ছিল, এখন আপনি বললেন আর একটু উন্মুক্ত হল। পুরোটা এখনো হয় নাই জেনে রাখলাম। ধন্যবাদ।

এই বিষয়ে একেবারে প্রমান না চেয়ে শান্তভাবে আমার উদ্ধৃতির "পুরোপুরি" শব্দটার ভুলটুকু বলে দিলেই হত। যা হোক ধন্যবাদ।

৩১. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৪:২৩
'লেনিন' বলেছেন: যাহোক আপনার কমেন্টের উত্তরে এখনো নতুন কিছুই পেলাম না উত্তর দেবার। আমার কমেন্টে এবং পোস্টে সভ্যতা বজায় রেখেছি যাকে আপনি সম্পর্ক রক্ষার কথা বলেছেন। এমনকি আমার পোস্টে মন্তব্যকারিদেরও সংযত হতে অনুরোধ করেছি। আশাকরি কেবলি ভাসা ভাসা অভিযোগ না করে সত্যিকারের প্রমাণ জাহির করবেন। তা'নাহলে মুখফোঁড়ের মতো কোনো স্যাটায়ারের কবলে পড়লেও পড়তে পারেন।

আমি বরং বলবো আপনাদের হিউরিস্টিক ইনোভ্যাটিভ অ্যালগরিদমকে সামনে এনে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করুন। যেভাবে অভিযোগ অনুযোগ করছেন তাতে কারোই বিশ্বাসযোগ্য নয় আপনাদের।

আর, কাগুর মনোভাব বা প্যাটেন্ট মনেপ্রাণে না চাইলেও কাগুর সাথে গলা মিলিয়ে অভ্র কর্পোরেটে ইউনিবিজয়ের ব্যবহার ঘটিয়ে অপরাধ করেছে বলে চলেছেন আপনারা কয়েক বন্ধু। হ্যাঁ দাদা, অপরাধ যদি করেই থাকে তবে বেশ করেছে। এমন অপরাধ আরো করুক। এই অপরাধের জন্যই তো মেহদীকে এই যুগের তীতুমীর বলা উচৎ। তীতুমীর, ক্ষুদিরাম এরাও অপরাধ করেছিল জানেন তো?
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৫:০১

লেখক বলেছেন: হমম, উষ্মাটা আর একটু কমান, অন্তত আমার জন্য সুবিধা হয়। নিরাবেগে কথা বলতে পারলে আলোচনা আরো এগোবে, সন্দেহ নাই।

আমরা তো সবাই চাই বাংলা প্রযুক্তি এগিয়ে যাক। তবে প্রতিযোগীতা বলুন আর উদ্দীপনা বলুন সেটা উন্মুক্ত থাকুক। সবার ছোট বড় অবদান স্বীকৃত হোক। কোন একজনকে নিয়ে মাত্রাতিরিক্ত উন্মাদনা ভাল নয়।

৩২. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৪:৪০
রাগিব বলেছেন: এখানে তাহলে একটা প্রশ্ন সরাসরিই করি -- জিয়া ভাই ও শাব্দিকের সত্ত্বাধিকারীরা কি মোস্তফা জব্বারকে টাকা দিয়ে বিজয় লেআউটের লাইসেন্স কিনে নিয়েছিলেন? কারণ দেখা যাচ্ছে শাব্দিকের সাথে ইউনিজয় লেআউট ব্যবহারেরও ব্যবস্থা আছে ঠিকই, অথচ জিয়া ভাই ও আপনি প্রকারান্তর এখানে অভ্রকে লেআউট পাইরেসির দায়ে অভিযুক্ত করছেন।

শাব্দিকের সাইট থেকে তুলে দিচ্ছি -

"Q5. I am a conventional keyboard user. Can I use it in the usual way with support of hints?

Yes. From version 3.5 Shabdik comes with three keyboard layout options. 1. Default is IxPad. 2. Jatiyo Keyboard ( Defined by Bangladesh Computer Council for free use among the government and non-government institutions as well as public usage). 3. Unijoy Keyboard ( Defined by Ekushey Bangla computing project http://www.ekushey.org) a similar keyboard to bijoy but not supporting the visual typing rather following unicode encoding scheme of phonetic typing. "

কাজেই ইউনিজয় ব্যবহারের দিক থেকে অভ্র আর শাব্দিকের কোনো পার্থক্য নেই। তাই শাব্দিকের ডেভেলপারদের ঐ ইস্যু নিয়ে অভ্রকে "নকল" বলতে যাওয়াটা তাদের নিজেদের গায়েই এসে পড়বে।

একুশে বা অন্য যে কেউ ইউনিজয় কে এইরকম কর্পোরেট ব্যবহার সম্ভবত করেনি, করেছে অভ্র।

শাব্দিক তো কিছুদিন আগেও সম্ভবত পয়সা দিয়ে বেচা হতো, সেই সংস্করণে কি ইউনিজয় অন্তর্ভুক্ত ছিলো? যদি থেকে থাকে তাহলে অভ্রর চাইতে শাব্দিকের দায়টা কিন্তু আরো বেশি ...

---

"আমি রাগিব কে দেখতে চাই পাপানা, ফয়জুর, তামিম (সম্ভবত সেও লিনাক্স বাংলা নিয়ে কাজ করেছিল) এরকম সবার পিছনে, কোন একজন উপরিতলের হিরো এর পিছনে না। "

অর্থটা ঠিক পরিষ্কার হলো না ... আমার কি উচিৎ বুয়েটের ডেভেলপারদের হাতে তৈরী যে কোনো কিছুর পৃষ্ঠপোষকতা করা -- এটা বলতে চাচ্ছেন?

ব্যক্তিগত ভাবে আমি বিশেষ কোনো গোষ্ঠীর পক্ষপাতী নই ... সিউল যে গবেষণাটি করতে চাইছে, তাকে উৎসাহ দিয়েছি --- বাংলা কম্পিউটিং এর সবচেয়ে কার্যকর ও ব্যবহার-বান্ধব পদ্ধতি বের হোক এটা আমারও কাম্য।
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৪:৫৬

লেখক বলেছেন: হমম ইউনিজয় কে শাব্দিকে রাখার বিষয়ে জিয়ার কিছু বক্তব্য থাকতে পারে। তবে আমার বক্তব্যটুকু আমি রাখছি। ফেসবুকে জিয়ার নোটে এটি জিজ্ঞেস করলে সে নিশ্চয় তার উত্তরটুকু দিয়ে দিবে।

শাব্দিক যদি তার ইউনিজয় অংশটুকু দিয়ে কোন ব্যবসা করে (টাকায় হোক না বিনা পয়সায় হোক, আর বাংলাদেশ কনটেক্সটে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে কর্পোরেট ক্ষেত্রে) তা অভ্র সম্পর্কে আজ যে অভিযোগ উঠছে তাদের নামেও সেই অভিযোগ উঠবে। তবে জিয়া তো বলছেই ইউনিজয় হল বিজয়ের কপি, সে তো অভ্র এর মতো বলছে না যে এগুলো সম্পূর্ণ আলাদা, একটা কী পরিবর্তন হলেই সেটা সম্পুর্ন আলাদা একটা লে-আউট।

পরের অংশে বুয়েট অংশটা যদি ইম্প্লায়েড হয়ে থাকে তাহলে সেখানে অক্ষর বা আরো যারা নন-বুয়েট তাদেরও অন্তর্ভুক্ত করতে বলছি। "সবার" শব্দটার উপরে জোর দেয়ার অনুরোধ রাখছি। আমি অক্ষরের ছেলেটার নাম জানিনা। আরও অনেকেই আছেন সবার কথা আমি জানিনা।

আমার কথাতো সেটাই। যে আজকে সিউল যা করছে, আরও যারা কাজ করবে তাদের জন্য পথ উন্মুক্ত রাখতে হবে। কোন একটি নিয়ে এত মাতামাতি সেই পথ বন্ধ করে দিবে। দেখা যাবে সবাই নতুন নতুন লে-আউট বানাচ্ছে আর সেগুলার সফট-ওয়্যার গুলোতে লাগাচ্ছে কিন্তু আখেরে ব্যবহৃত হচ্ছে হয় বিজয় না হয় তার কোন নকল। কাজেই কোন উন্মত্ত অাবেগ আমাদের সবাইকে একটা থেকে বের করে এনে আরেকটাতে বদ্ধ করে ফেলবে।

শেষের বক্তব্যে আশস্ত হলাম। আমাদের দরকার প্রযুক্তির উন্নয়নের রাস্তা উন্মুক্ত রাখা। ধন্যবাদ। ভালো থেকো।

৩৩. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৫:২৯
আবু সালেহ সুমন বলেছেন: জাতি হিসেবে আমরা সব দিকে দিয়েই পিছিয়ে, এখানেও তাই। অনেক আগেই যেমন কম্পিউটারে বাংলা কীবোর্ডের ইস্যুটি মীমাংসা করে ফেলা উচিত ছিলো, সেই সাথে ঐ কীবোর্ড কে ভিত্তি করে স্মার্টফোনেও বাংলা দেখা ও লেখার ভিত্তি কি হবে তা নির্ধারণ করা উচিত ছিলো। তাই আজকের বিজয় বা ইউনিজয় যাই বলি না কেন, এটিকে উন্মুক্ত করে দেয়া হলে এটিই হতে পারে কম্পিউটার সহ স্মার্টফোনে বাংলা লেখার কমন প্লাটফর্ম। আমরা কি পারবো না এমন একটি কমন প্লাটফর্ম তৈরি করতে, সারা দুনিয়ার বাংলা ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর জন্য না হোক অন্ততঃ বাংলাদেশীদের জন্য?
Click This Link
৩৪. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৭:৫৮
এ.জে. মিন্টু বলেছেন: বিজয় এবং ইউনিজয় আসলে তফাৎ খুব সামান্যই যেমন লাইফবয় এবং লাইফজয় খুব অল্প তফাৎ । এবং আইনি লড়াইয়ে আসলে ইউনিজয় বিজয় এর নকলই প্রতিপন্ন হবে যদি মোস্তফা জব্বার যথাযথ আইনজ্ঞ নিয়োগ করতে পারেন আর প্রযুক্তিবিদদের কাছেও অভ্র নকল হিসেবেই গণ্য হবে।



একই অভিযোগে শাব্দিকও নকল! কথা এখানেই শেষ।
৩৫. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৩৬
একলব্য১৯৭১ বলেছেন: আমার প্রশ্নগুলা ছিলঃ

১) অভ্র নিয়ে মানুষের মাতামাতির কারণ হুজুগ?মানুষ বিনামূল্যে এবং সহজে বাংলা লিখতে পারতেছে এই সত্যটার কোন ভূমিকা নাই?

২) অভ্রের জনক মেহদী একজন বাজারজাতকারী হইলে সে এইটা সবাইরে বিনামূ্ল্যে দিল কেন? এতে তার লাভটা কোথায়?

৩) অভ্র কি আসলে মেহদীর উদ্ভাবন না? ওইটা আসমান থিকা পড়ছে?মেহদী একজন নগন্য বাজারজাতকারী মাত্র যার অভ্র উদ্ভাবনে কোনই ভূমিকা নাই?

আর আপনার উত্তরঃ

///আপনি টেকনলজী উদ্ভাবন ও তার কোডিং ইমপ্লিমেন্টশনের তফাৎ নিয়ে আগে জানার চেষ্টা করুন। না হলে আপনার কাছে আমার জবাব অর্থহীন হয়ে যাবে///

১ নম্বরের প্রশ্নের উত্তরটা হ্যাঁ/না দিয়েই দেয়া যায়।

২ নম্বর প্রশ্নের উত্তরে উদ্ভাবন-কোডিং ইমপ্লিমেন্টেশনের কথা উল্লেখ না করেও সাদা বাংলায় "মেহদী তার অভ্র বিনামূল্যে সবাইকে দিয়ে এই মুনাফা অর্জন করেছে তাই সে একজন বাজারজাতকারী ছাড়া কিছুই না" এভাবে বলে "সেই" কারণটা(বাজারে মুনাফা লাভের আলোকে) বলে ফেলা যায়।আর কোডিং-ইমপ্লিমেন্টেশনের কথা যদি থাকেই সেটাও এড়িয়ে না গিয়ে সেই আলোকে বলে ফেললেই হয়। আমি নিজে টেকনলজির লোক না বলে যে আপনার বক্তব্য বুঝায় দেবার মত টেকি জ্ঞানসম্পন্ন মানুষ হাতের কাছে নাই তা তো না।

৩ নম্বর প্রশ্নের উত্তরও হ্যাঁ/না দিয়ে দেয়া যায়-আর ব্যাখ্যা যদি দিতে হয় তাহলে ২ নম্বরের উত্তরে যা বলেছি সেটা প্রযোজ্য।


ভাইজান,বুঝলাম আপনি টেকি লোক আর আমি নন-টেকি।কিন্তু টেকি জারগনের ভুংভাং দিয়ে প্রশ্নের উত্তর এড়ায় যাওয়ার দিন শেষ।ডেনিয়েল রাদারফর্ডের এই উক্তিটা সম্ভবত আপনি জানেন-" তোমার বাসার কাজের মেয়েকে তুমি যদি বিজ্ঞানের সুত্রগুলো বোঝাতে না পারলে তাহলে তুমি কোন বিজ্ঞানীই নও"। আক্ষরিক অর্থে না নিলেও এইটা বলা যায়- আপনার ভেতরে যদি সেই লেভেলের জ্ঞান থাকে তাহলে আমার মত নন-টেকিকেও সহজ ভাষায় আপনি ব্যাপারটা বুঝায় দিতে পারতেন।সেইটা না করে কয়েকটা টেকনিকাল জারগন ব্যবহার করে উত্তরটা এড়ায়ে গেলেন।

আর মুনাফা-বাজারজাত ইত্যাদি নিয়ে যেহেতু কথা বলেছেন-এই অধম অর্থনীতির ছাত্র,কাজেই ওই বিষয়গুলো মাথায় ঢুকবে বলেই মনে হয়।

এই জিনিসটাই আপনি আমলে নিচ্ছেন না যে এখানে বিজয়কে ভিলেন বানানো হয়েছে জব্বার কাগুর আচরণের ফলে, অভ্রকে নিয়ে মাতামাতির অর্থ বাকিগুলোকে নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা না।একজনকে ভাল বলা মানেই বাকিদের খারাপ বলা না-আর কোন একটা প্রোডাক্টের সাফল্যে বাজারের অন্য সব প্রোডিউসারেরা আপনাদের মত ঈর্ষান্বিতভয়ে বসে থাকেন না-নিজে যাতে ওরকম বা তার চেয়েও ভাল প্রোডাক্ট তৈরি করতে পারেন সেটায় মনোনিবেশ করেন।"অভ্র এমন কিছুই না-ওইটাকে নিয়ে মাতামাতি করা দেশের বাকি সফটোয়্যারকর্মীদের মনোবলের জন্য ক্ষতিকারক"- আপনার এই ধারণাটার সাথেও দ্বিমত প্রকাশ করছি।


০১ লা মে, ২০১০ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় অন্যান্য বিষয় নিয়ে অনেক কথা হয়ে গিয়েছে। আমি শুধু আপনার নিম্নোক্ত অংশের জবাব দিব, কারন এখানে আমাকে লক্ষ্য করে ব্যক্তিগত ভাবে কিছু বলেছেন।

ভাইজান,বুঝলাম আপনি টেকি লোক আর আমি নন-টেকি।কিন্তু টেকি জারগনের ভুংভাং দিয়ে প্রশ্নের উত্তর এড়ায় যাওয়ার দিন শেষ।ডেনিয়েল রাদারফর্ডের এই উক্তিটা সম্ভবত আপনি জানেন-" তোমার বাসার কাজের মেয়েকে তুমি যদি বিজ্ঞানের সুত্রগুলো বোঝাতে না পারলে তাহলে তুমি কোন বিজ্ঞানীই নও"। আক্ষরিক অর্থে না নিলেও এইটা বলা যায়- আপনার ভেতরে যদি সেই লেভেলের জ্ঞান থাকে তাহলে আমার মত নন-টেকিকেও সহজ ভাষায় আপনি ব্যাপারটা বুঝায় দিতে পারতেন।সেইটা না করে কয়েকটা টেকনিকাল জারগন ব্যবহার করে উত্তরটা এড়ায়ে গেলেন।

আমার ঐ মন্তব্যটি আমি দেখলাম। যখন লিখেছিলাম, তখন আরও অন্যান্য মন্তব্যের ভীড়ে আপনার মন্তব্যের প্রতি সুবিচার করা আমার পক্ষে সম্ভব হয় নি। এজন্য আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। যা হোক আশা করছি পরে কোন না কোন সময় আমাদের আরো ভাল ভাবে কথা বার্তা হবে। আপনার প্রতি করা আমার এই অনিচ্ছাকৃত অবিচার আমার মনে থাকবে। ভাল থাকুন।

৩৬. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৩৮
শা‌হ্ আসাদুজ্জামান বলেছেন: আমি আগেই বলেছি, জিয়াউর রহমানের এই লেখাটি বাংলা কম্পিউটিং প্রযুক্তি বিকাশের কিছু ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা। অবশ্যই একটা নিবন্ধে পুরো ইতিহাস আসবে সেটা দাবী করা সঙ্গত না। লেখাটা কে লেখকের দৃষ্টিতে দেখা ইতিহাসের একটা খণ্ডাংশ হিসাবে বিবেচনা করাই শ্রেয়। সেক্ষেত্রে এই সময়ে লেখাটার মূল কন্ট্রিবিউশন হল, সবাইকে প্রনোদনা দেয়া, বাংলা কম্পিউটিং এর ইতিহাস বিষয়ে তথ্য সংযোজন করতে। অনেকে (যেমন জিয়া ওয়াদুদ) সেটা করেছেনও। আরও তথ্য আসুক।
প্রযুক্তি নির্মাণে যারা কাজ করেন, জনগণকে সঠিক তথ্য জানাতে তাঁরা দায়বদ্ধ।

লেখাটার প্রকাশভঙ্গীর কারণে অনেকের মনে হতে পারে এখানে অভ্রের বিপরীতে শাব্দিকের শ্রেষ্ঠত্ব দাবী করা হয়েছে। তবে যতদূর বুঝতে পারি শাব্দিক এর নির্মাতারা বাংলা ফোনেটিক কী-বোর্ড ইন্টারফেসের ডিজাইনে কী ভূমিকা রেখেছে, সেটা তুলে ধরাই এখানে উদ্দেশ্য।

আর যেহেতু কিছু গবেষণালব্ধ পর্যবেক্ষণে কিছু ক্ষেত্রে শাব্দিকের শ্রেষ্ঠত্ব নির্মাতা/গবেষকরা (লেখক নিজে, মুনিরুল আবেদিন পাপানা এবং অন্যন্য) লক্ষ্য করেছেন, সেটা তুলে ধরা হয়েছে। তবে একথা মনে রাখতে হবে, তথ্য উপস্থাপনের পাশাপাশি গবেষণার একটা মূল লক্ষ্য নতুন গবেষণাকে প্রণোদিত করা। কোন গবেষনাই প্রশ্নাতীত নয়, কেবল প্রশ্ন তৈরীর উপলক্ষ মাত্র।

কোন প্রযুক্তির পেছনে অনেক প্রযুক্তিবিদ এবং প্রযুক্তি নির্মাতার অনেক দিনের শ্রম থাকে, সেটা তুলে ধরাও বোধকরি লেখাটার একটা উদ্দেশ্য। বাজার দখলের প্রতিযোগিতায় যে প্রযুক্তি সফল হয়, সেটা সবার নজরে আসলেও, আগে যে প্রযুক্তিগুলি এসেছে, তার সাফল্য বা ব্যর্থতার উপর দাড়িয়েই নতুন প্রযুক্তির সৃষ্টি, এবং তাদের অবদান কোন অংশে কম নয়। বরং ক্ষেত্র বিশেষে বাজার-সফল প্রযুক্তির চেয়ে পেছনের বাজার-অসফল প্রযুক্তিগুলোর অবদান বেশি (অর্কুট/ফেসবুকের তুলনা কে যেন করলেন)।

বাজার কখনোই অবদানের স্বীকৃতির ব্যপারে চিন্তিত নয়, বরং বিপননের মুখাপেক্ষী।
৩৭. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৫১
মাকসুদুল আলম বলেছেন: আমি অনেক বাংলা সফটওয়ার ট্রাই করেছি. আমার জানামতে প্রথম ফোনেটিক কি বোর্ড দেয় http://www.bornosoft.com/ বর্ণ সফট নামের একটি সফটওয়্যার। এটাতে অবশ্য ইউনিকোড সাপোর্ট ছিল না বলে আমি আর ব্যবহার করিনি. কিন্তু লাল-গোলাপ নামের অনুষ্ঠানে এটি দেখিয়েছিল কিভাবে সবিশেষ কথাটি ফনেটিক্সের মাধ্যমে লেখা যায়. সেটির কথা আমার এখনো মনে পরে.

অভ্র ব্যবহার করার আগে আরেকটা সফট ইউজ করতাম টেম্পরারি.. সম্ভবত শাব্দিক/বা আল্পনা. আল্পনাতে মনে হয় ফন্টগুলো ঠিক মোট রেন্ডার করতো না বলে বাদ দিয়েছি. আর তখন সবদিকে মনে হয় এক লাইনের টেক্সটবক্স দিয়ে ফোনেটিক লেখা যেত. প্রথমে ওয়ার্ড ওপেন করে সেটাকে চেনানো লাগত. এক লাইন লিখে এন্টার দিলে লেখাটা সেখানে যেত.

অন্য সফট আগে আসুক বা না আসুক না কেন অভ্র ব্যবহার করেই আমি প্রথম বাংলা লেখার প্রেরণা অনুভব করি. এমনকি সে সময় অভ্রর সমকক্ষ করে উইকিপিডিয়াতেও স্ক্রিপ্ট ছিল যেটি আমার কাছে এখনো অনেক পছন্দের.

মোদ্দা কথা অভ্র মানুষের কাছাকাছি পৌছাতে পেরেছে এবং এটাই বড় কথা.

(আমি গুগল-কি-মেথড দিয়ে লিখলাম তাই দাড়ি দিতে পারছি না.. :) )
৩৮. ২৭ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৫৭
মু আ হাকিম নিউটন বলেছেন: আর আমার এখানে উপরে কিছু কমেন্টের জবাব আমি দিনের কোন এক সময় দেব। আপাতত ব্যস্ত।

সাম্প্রতিক উঠে আসার কিছু প্রশ্নে জিয়াউর রহমানের দেয়া জবাব উপরে মুল লেখার নীচে দেয়া হয়েছে।

জিয়ার জবাবের সাথে আমার নিম্নোক্ত অংশ মিলিয়ে পড়তে পারেন।

মাক-কেইন এর সাপোর্টাররা যখন ওবামাকে শিশুহত্যাকারী বলে গালি দিচ্ছিল তখন ম্যাক-কেইন বলেছিল ওবামা একজন ভদ্রলোক। এভাবেই তারই প্রতিযোগীর বিরুদ্ধে তার সমর্থকদের আবেগী ক্ষিপ্ত সমর্থনকে তিনি নিজে নিরুৎসাহীত করেছিলেন। তিনি যদি চুপচাপও থাকতেন তার মানে দাঁড়াত তিনিও ঐ মত পোষন করেন। আমরা অভ্র বিষয়ক মাতামাতিতে একই ধরনের মিল দেখতে পাই।

ফোনেটিক টেকনোলজি পুরনো বলে... See More বলা হচ্ছে। ঠিক কথা। কিন্তু এই ধরনের টেকনোলজি কোন নির্দিষ্ট ভাষার জন্য সত্যিই উপকারী হবে কিনা আর উপকারী হলে কী-অ্যাসাইনমেন্ট কেমন হবে এগুলো গবেষনার বিষয়। এ প্রসংগে আর একটা উদাহরন দিতে পারি। জেনেটিক অ্যালগোরিদম এখন বেশ পুরনো। কিন্তু কোন নির্দিষ্ট প্রব্লেমে এটার প্রয়োগ করতে গেলে অনেক ইস্যুর সমাধান করতে হয়, তাই এগুলোর প্রত্যেকটি একটা একটা আলাদা গবেষনা কর্ম বলে স্বীকৃত হয়। কাজেই এইগুলো শুধু অবভিয়াস ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট নয়।
৩৯. ০১ লা মে, ২০১০ রাত ১১:০০
মাহ্‌মুদুর রহমান নাহিদ বলেছেন: মোস্তফা জব্বার কে আমি পছন্দ করি না। কেনো করি না পরে বলছি। আমি এই সব ফ্রি সফটওয়্যার এর পুরা বিরোধি। একটা জিনিস আমরা কেন বুঝতে চাই না, দুনিয়া তে কেউ কাউ কে কিছু ফ্রি দেয় না। ফ্রি দেয়ার পিছনে কোনো না কোনো লাভ সে করবে ই। মাইক্রোসফট ও এখন বাংলাদেশের জন্য প্রায় সব ই ফ্রি দিচ্ছে। কেনো দিচ্ছে সবাই জানে। ভবিষ্যতে লাভের আসায়।
এ সব ফ্রি সফটওয়্যার এর জন্য ভালো কিছু বানাতে ই ভয় লাগে।

মোস্তফা জব্বার কে পছন্দ করি না, কারন, দুনিয়ার কোনো সফটওয়্যার এ ই দেখি নাই যে, নির্মাতা তার নিজের ছবি এবং ছেলের ছবি সহ হাজির হয়েছেন। এবং এই লোক বিজয়/বাংলা এর উন্নয়ন এর চাইতে সভা সেমিনার এ বক্ততা দিতে এ বেশি পছন্দ করেন। নিজেকে স্টার বানানোর ট্রাই করেন।
০১ লা মে, ২০১০ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন: আপনি অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন।

৪০. ২৩ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:২৯
সাদা-পুরুষ বলেছেন:

অভ্র ভার্চুয়াল জগতে বাংলা লেখার ক্ষেত্রে কিংবদন্তী । এর সাথে ইনিয়ে বিনিয়েও কোন আপোষ চলে না ।
২৪ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৩

লেখক বলেছেন: একেবারে কিংবদন্তী! :)

২৪ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪২. ২৩ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:৪৯
পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন: কিন্তু ভাই তারপরেও কথা ছে - আপনি এভাবে চিন্তা করেন

এতো কিছুর পরেও অভ্র পপুলার হয়েছে একটা জায়গাতে এসেছে । এতো মানুষ অভ্রকে সাপোর্ট দিচ্ছে , অন্য সফটওয়্যার তা পারেনাই , সুতরাং ..........


তবে তথ্যবহুল লেখার জন্য প্লাস দিলাম , কিন্তু অভ্র এর পাশেই থাকবো
২৪ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৫

লেখক বলেছেন: বিপদে পাশে না থাকাই তো অকৃতজ্ঞতা, তাই না! :)

 

মোট সময় লেগেছে ১.১২৯৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
তথ্য-উপাত্ত, জ্ঞান-বুদ্ধি, ও যুক্তি-বিশ্বাস বিষয়ে গণনা, গবেষনা ও শিক্ষকতা
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই