আমার প্রিয় পোস্ট

প্রথম দশকের টানা-গদ্যের কবিতা ও জীবনবাবুর ‘মাত্রা চেতনা’

১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

এক

প্রশ্ন হচ্ছে... একজন কবি যিনি প্রতিনিধিত্ব করছেন প্রথম দশকের বাংলা সাহিত্যের, লিখছেন ৫-৭ বছর কিংবা তারচে’ কিছু বেশি সময় ধরে, তার কাছ থেকে আমরা কতটুকু ম্যাচিউরিটি আশা করবো- বিচার্য্য বিষয় সেটাই।

দুই.

কবিতা তো আসলে চিত্রকল্পের অবতারণা, প্রতিকায়ণ, ছন্দের সম্মোহন, আর বোধের বিচ্ছুরণ। কবির মানসিক গঠন আর দৃষ্টিভঙ্গির তীক্ষ্ণতা আটপৌরে শব্দমালাকে উত্তীর্ণ করে পংক্তিতে, পংক্তির সাজুজ্যপূর্ণ বিন্যাস রুপ নেয় কবিতায়। উত্তর-আধুনিক সাহিত্যে কবিতা নির্মাণের ট্যাকনিকও একটি বিচার্য্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেউ লালনের স্মরণাপন্ন হচ্ছেন, কেউবা সহজিয়া’র নথি ঘেঁটে বের করছেন হারানো অহিংস বীজমন্ত্র; কেউ আবার পুরো হতাশ, চেয়ে আছেন অন্ধকার থেকে আরো দূর অন্ধকারের পানে। কেউ বাতাসে মিশিয়ে দিচ্ছেন ক্ষোভের আস্ফালন; আবার কেউ শোনাচ্ছেন বোদলেয়ারে পুরনো বিধানের কথা... ‘মাতাল হও, নিপীড়িত সময়ের ক্রীতদাস হবার চেয়ে বড়ো মাতাল হও’।

শূন্যের কবিদের গড়ান ঝোঁক দেখা যাচ্ছে ‘টানা গদ্যের’ কবিতা লেখায়। কোনটা অক্ষরবৃত্তের ‘লাইন ভেঙে দেয়ার’ পরে অবস্থায়, কোনোটা অনুপ্রাসের দ্যোতনার সূত্রে গেঁথে; কখনো অন্তশুরুর প্রবণতায়, আবার কখনো বা তালগোল পাকানো ছন্দে লেখা হচ্ছে টানা গদ্যের কবিতা। সবার আগে নির্ধারিত হওয়া জরুরী টানা গদ্যের কবিতা-ই কেনো? তেমনি জানা দরকার কেনো এখনকার কবিরা (এমন কি আশির দশকের কবি মাসুদ খানের মতো কবিরাও) টানা গদ্যে কবিতা লিখার চেষ্টা করছেন? লাইন ভেঙ্গে দেবার এই প্রবণতার মানসিক ও কাব্য-প্রেষণাগত কারণটিকে চিহ্নিত করাও জরুরী। গদ্য ও পদ্যের ছন্দের ব্যাপারটা কি? দুটো আলাদা ছন্দের অস্তিত্ব কতটুকু অস্তিত্বমান, বর্তমানে এ ভেদরেখা মানা সম্ভব কি-না? ...তা ভেবে দেখবার বিষয়।

গদ্যে প্রধানত অর্থবান শব্দকে ব্যুহবদ্ধ করে কাজে লাগাই, পদ্যে প্রধানত ধ্বণিমান শব্দকে ব্যুহবদ্ধ করে সাজিয়ে তোলা হয়। ব্যুহ শব্দটি এখানে অসার্থক নয়। ভিড় জমে রাস্তায়, তার মধ্যে সাজাই বাছাই নেই, কেবল এলোমেলো চলাফেরা। সৈন্যের ব্যুহ সংহত সংযত...........। ............. ছন্দঃসজ্জিত শব্দব্যুহ্যে ভায়ায় তেমনি একটি শক্তিরুপের সৃষ্টি।’
[ছন্দ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, পৃষ্ঠা-২১১]

কবিতার ‘গদ্যছন্দ’ সম্পর্কে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৩৩ সালের শেষ দিকে এভাবেই বিভেদ রেখা টেনেছিলেন রবীন্দ্রনাথ। কবিতাকে নন্দনতত্বের যে জায়গা খেকে দেখতেন কবিগুরু সেখান থেকে তার বক্তব্য সঠিক। আরো পরে জীবনানন্দ দাশও বলছেন প্রায় একই কথা। তিনি বলছেন...

নিজের প্রয়োজন ও মতামত মুখের ভাষায় অন্যের কাছে ব্যক্ত করা প্রায় সকল স্বাভাবিক লোকের পক্ষেই কঠিন নয়। সে ভাষা ভালো গদ্যও হতে পারে; পদ্য অবশ্যি হবে না।
[লেখার কথা, জীবনানন্দ দাশ]

কিন্তু কবিতাকে আরো বেশী জীবন ঘনিষ্ঠ করা; জীবন ঘনিষ্ঠ এই অর্থে... কোনো রাখ-ঢাক না করে অনুভূতি-জন্মানোর মুহূর্তের ইমেজগুলোকে লেখায় বন্দী করার তাগিদ বাড়ায় এই ভেদ আর মানা যাচ্ছে না। (আমি জোর দিয়ে বলতে পারি, মনের অনুররণজনিত ইমেজগুলোতে পরম্পরা থাকলেও, তাতে একই মাত্রার ‘উথ্থান-পতন’ থাকে না।)
দ্রুতলয়ের সমাজ বাস্তবতা, একই সাথে যান্ত্রিক অনির্দিষ্ট গতির সাথে মুখোমুখি হতে হচ্ছে এখনকার কবিদের। তার সামনের দৃশ্যগুলো কখনো দ্রুত, কখনো ধীমে তালে, কখনো পাথরের মতো নিশ্চল পট বদলাচ্ছে। সেই সাথে পরিবর্তিত অবস্থার ক্ষয়িষ্ণু ও মিশ্র মানসিক গড়নের ভিত্তি থেকে উৎসারিত কাটা-কাটা কথাগুলো সব সময় ধ্র“পদী ঢং মেনে চলছে না। বরং সেই ধ্র“পদী শুদ্ধতা মরে যাবার করুণ, কিন্তু বাস্তব কাহিনীই হচ্ছে এই ক্রান্তি-কাল।
পেছন থেকে গ্রাম ডাকছে, শহরের চাকচিক্যও টানছে, রণশীলতা টেনে ধরছে কলার, আবার প্রগতিশীলতার তাগিদও আসছে, প্রগতিশীলতার ফাঁদেও পড়ছে মানুষ। মোদ্দা কথা ক্ষত-বিক্ষত হবার মাল-মসলা বেড়েছে ঢের, কিন্তু এই নতুন সংকটের সামনে এখনো অনেকটাই অপ্রস্তুত আমরা। এই ‘তীরিক্ষি পরিস্থিতি’ পংক্তিতে ধরার জন্য ‘টানা গদ্যের ছন্দ’ বেশ যুৎসই। কেননা সেখানে যাতনাকে লেখায় ধরবার যেমন সম্ভাবনা থাকে, তেমনি প্রচলিত ব্যাকরণ ভাঙার ফলে স্রষ্টাসুলভ একটা প্রবোধও লাভ করেন কবি। বর্তমানে টানা গদ্যের কবিতা লেখার পেছনে এটাকে একটা বড় কারণ হিসেবেই মনে হয়।

তবে আর একটা কারণও আছে হয়তো। এর সেটা হলো একটা গল্প বলার তাগিদ। সবসময়ই কবিতায় গল্প থাকে ( যদিও গল্প ছাড়াও দার্শনিকতা ও শ্বাশত বোধজনিত উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেও লেখা হয়েছে অসংখ্য কবিতা)। কিন্তু এই ভিজুয়্যাল মিডিয়ার যুগে কবিতার চিত্রকল্পগুলোকে সহজে ভিজুয়েলাইজ করা ও তাতে গতিশীলতা আনাই টানা গদ্যের অবতারণার অন্যতম কারণ বলা যেতে পারে। আবার পোষ্টমর্ডান সাহিত্যে প্রচলিত ফর্ম ভাঙার প্রবণতাও এই ধরনের কবিতার সংখ্যাবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।


তিন.

আশলে টানা গদ্যে লেখার প্রবণতা কেবল আমাদের দেশে নয় বিশ্বব্যাপী একটি জনপ্রিয় ফর্মে রুপ নিয়েছে। সমসাময়িকদের মধ্যে অনেকে লিখছেন। এদের একজন ইরানের মহিলা কবি সীমা কালবাসি। তারও বেশ কিছু টানা গদ্যের কবিতা রয়েছে, বেশ ভালো। বিভিন্ন ওয়েব সাইটে প্রাপ্ত সমসাময়িকদের কবিতা দেখলে বোঝা যায় কি বিপুল সংখ্যক কবি টানাগদ্যে লিখছেন। ইংরেজীতে একে বলা হচ্ছে প্রোস পয়েম। উইকিপিডিয়ায় প্রোস পয়েমকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এভাবে...

Prose poetry is usually considered a form of poetry written in prose that breaks some of the normal rules associated with prose discourse, for heightened imagery or emotional effect, among other purposes.

The Prose Poem: An International Journal, , এর সম্পাদক Peter Johnson টানাগদ্যের সংকলন করতে গিয়ে এর বিশেষত্বকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করেন...

"Just as black humor straddles the fine line between comedy and tragedy, so the prose poem plants one foot in prose, the other in poetry, both heels resting precariously on banana peels."

এখানে বলা হচ্ছে গদ্য ও পদ্যের ভাষার সম্মিলনের কথা। অবশ্য পিটার বলছেন, প্রোস পোয়েমের ভাষা হবে সম্মোহনী মতাসম্পন্ন। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে মনে করি টানা গদ্যের কবিতার ভাষাগত দিকটাই মূখ্য। এর শক্তি আটপৌড়ে হয়েও অভাবনীয় হয়ে ওঠার মধ্যে, ঠিক নিমগ্নতা নয়, সচেতন মাদকতার মতো। মার্কিন মুল্লুকেও টানাগদ্যের ফর্মটি এখন খুবই জনপ্রিয়। কেবল টানা গদ্যের কবিতার জন্য সেখানে গড়ে উঠেছে বিভিন্নি ওয়েব সাইট। উদাহরণ হিসেবে Traffic: New and Selected Prose Poems and Great American Prose Poems: From Poe to the Present, The American Prose Poem: Poetic Form and the Boundries of Genre’সহ বিভিন্ন সাইটের কখা উল্লেখ করা যেতে পারে। এতো গেলো চর্চার খবর। কিন্তু কেমন লিখছেন তারা। কিছু নমুনা সন্নিবেশ করা যেতে পারে।

১.
There was a man who didn't know how to sleep; nod-ding off every night into a drab, unprofessional sleep. Sleep that he'd grown so tired of sleeping.

He tried reading The Manual of Sleep, but it just put him to sleep. That same old sleep that he had grown so tired of sleeping . . .

He needed a sleeping master, who with a whip and a chair would discipline the night, and make him jump through hoops of gasolined fire. Someone who could make a tiger sit on a tiny pedestal and yawn . . .
Sleep, Russell Edson

২.
আমি তো নই কোনো ভিনদেশী ফুল। যে কোট-ই পরবে তুমি উষ্ণতার অণ্বেষায় তাই জড়িয়ে নেবো শরীরে। আর জুতো... হোক সে যতোই ছোট, আমাদের উচ্চতার ফারাক কমাতে তাই পরবো পদযুগলে। আমার জন্য বদলাতে হবে না, এরই মধ্যে তোমাতে বদলে, গেছি আমি। যাপিত জীবনে কখনোই ধর্ম ছিলো না আমার। জন্মক্ষণে তোমার ভালবাসা ছাড়া সমস্ত ধর্ম থেকে আমি ছিলাম স্পষ্টতই নগ্ন । (অনুদিত) [পাঁচ ফুট সাত, সীমা কালবাসি]

এসবের পাশাপাশি কথোপকোথন আকারেও টানা গদ্যে লেখার চল শুরু হয়ে বেশ আগেই। লন্ডন প্রবাসী অগ্রজ কবি দেলোয়ার হোসেন মঞ্জু তেমন অনেক কবিতা লিখেছেন। শুধু ভাষা নয়, পরীক্ষা-নীরিক্ষা হচ্ছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। লিখেছেন, অগ্রজ কবি মাসুদ খান, মুজিব মেহেদী, মজনু শাহ, আবু হাসান শাহরিয়ার থেকে শুরু করে লিখেছেন অনেকে। আর শূন্যের প্রায় সবাই কিছু না কিছু টানাগদ্য কবিতা লিখছেন। লিখছেন।


তিন.

আমার বরাবরই মনে হয়েছে গৃহ আর পথের দ্বন্দ্বজ্জআপাতদৃশ্যে বিপরীত এই দুই সত্ত্বা সমান শক্তিতে আকর্ষণ করছে এখনকার কবিদের। দেখা যাচ্ছে, প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার বিপরীতে দাঁড়িয়ে উপলব্ধিজাত শিক্ষণের বাসনা, পরণেই দেখা যাচ্ছে ‘ডিজুসপণা'’। ভাটিয়ালি-ভাওয়াইয়ার দিকে চোখ তাদের, তবে উপস্থাপণ হচ্ছে হার্ড-রকে। এইসব জিনিশ আসলে আবহমান বাউল দর্শনের পরিবর্তিত বহিঃপ্রকাশ, নাকি কেবলমাত্র এসময়কার ট্রেন্ড অথবা ঝোঁকটিকেই প্রকাশ করে তা তর্কসাপে বিষয়। কিন্তু এই ট্রেন্ডটা ছাপ ফেলছে সাহিত্যে, এতে কোন সন্দেহ নেই। সে বিষয় অন্য কোনোদিন, অন্য কোথাও। আজ লেখাটার ইতি টানবো জীবনানন্দের কিছু কথা কোড করে। ‘মাত্রা চেতনা’ নামক প্রবন্ধে তিনি বলছেন...

এই যুগই অস্পষ্ট, এই ইতিহাসই অন্তঃসার হারিয়ে ফেলেছে...এসবের আশ্রয়ী শিল্পও তাই এই রকম- একথা বলে এ প্রশ্নের একটা উত্তর দেওয়া চলে। কিন্তু আমার মনে হয় এ উত্তর হয়তো সদুত্তোর- তবুও আজকের কবির পে তার কবিমানসের নিরিখ হিসেবে গৃহীত হতে গেলে তাকে ও তার পাঠক সমাজকে কোনো শান্তি দিতে পারবে না। এই শান্তি পেতে হলে মাত্রাচেতনায় পৌঁছানো চাই- জীবনে ও কবিতায়।

জীবনানন্দ এই কাব্য দর্শন পেয়েছিলেন দীর্ঘ সাধনার পর। সময়টাও বদলেছে। নতুন পথ থাক বা না থাক তবু তো খুঁজতেই হবে। বহুত্ববাদী দর্শনও থাকতে পারে। তরুনরা নানান পরীক্ষা-নীরিক্ষায় যাবেন, কিছু বায়বীয় লেখাও লিখে ফেলবেন হয়তো! কিন্তু হাঁটতে থাকলে পথ এক দিন মিলবেই। না মিলুক; পাথেয়-পথিক অথবা পথের ছবি তো দেখা যাবে। তার কতক হয়তো কালি-বন্দীও করা যাবে। আর যে প্রশ্নটা রেখেছিলাম প্রথমে, তার উত্তর আর দিচ্ছি না; প্রয়োজন নেই।


 

 

  • ৪০ টি মন্তব্য
  • ২৭০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৮ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:৪০
comment by: সামী মিয়াদাদ বলেছেন: আপনার লেখা ধীরেসুস্তে পড়বো পরে। আপনার অনুমতি না নিয়েই ছবিটা কম্পুতে নিয়ে রাখলাম

ছবির জন্য +

লেখা নিয়ে মন্তব্য পড়ার পর
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৮

লেখক বলেছেন: আইচ্ছা।

২. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:০৪
comment by: শফিউল আলম ইমন বলেছেন: চমৎকার বিশ্লেষণ করেছেন। গদ্য/পদ্য নিয়ে অনেক কিছুই জানতাম না....আপনার লেখা পড়ে জানলাম।
ভালো লাগল।
ভালো থাকুন।
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২০

লেখক বলেছেন: অগুলোর বিভাজন আসলে পোষাকি। আসল ব্যাপার রসবোধ।
রবীন্দ্রনাথ বলছেন, পদাতিক হোক আর অশ্বারোহী হোক, সৈন্যের মিল এক জায়গায় তা হলে যুদ্ধে বিজয়।

কবিত্ব না থাকলে গদ্য বা পদ্য ছন্দ কোনাটাই কাজে আসে না।

৩. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩১
comment by: আমজাদ সুজন বলেছেন: গদ্য পরে পড়তে হবে। ছবিটা জোস।
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৩

লেখক বলেছেন: হাহাহি।

৪. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫২
comment by: ফকির ইলিয়াস বলেছেন: খুব দরকারি একটা লেখা ।
পড়লাম , জানলাম , শিখলাম ।
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৭

লেখক বলেছেন: ব্যাপারটা প্রাথমিক আলোচনা হইছে। আমার একটা লেখার সংক্ষিপ্ত রুপ। তারপরেও প্রাথমিক ছিল অই লেখাটা।
রবীন্দ্রনাথ এই বিষয়ে পজেটিভ কথাই বলছেন। বলছেন কবিত্বই আসল কথা।
আমি যখন লেখাটা লিখি, তখন এতোটা বিস্তারিত জানা ছিলো না।
ছন্দ বইটাতে এই বিষয়ে বেশ কয়টা
ভাল লেখা আছে।

তবে একটা কথা, টানাগদ্যে ''ফাঁদ''ও আছে, এটা সত্যি।

৫. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৫
comment by: প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম... সময় নিয়ে আবার পড়বো
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৯

লেখক বলেছেন: কিছু ভুল বুঝতে পারেন তাই বলে নেই,
রবীন্দ্রনাথ বা জীবনানন্দ গদ্য ও পদ্যের মধ্যে তফাত টানছেন ঠিকই, কিন্তু দুই ভাবেই কবিতা হইতে পারে বলে মত দিছেন।

৬. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩২
comment by: মুজিব মেহদী বলেছেন: আপনার প্রথম প্রশ্নের জবাবির একটা চেষ্টা থেকে শুরু করা যাক, কেননা সেটার দরকার আছে। প্রথমত, আশা করব পুরোটাই। কিন্তু ৫০ শতাংশ পেলেও হতাশ হবো না, কিংবা ১০০ শতাংশ পেলেও বিস্মিত হবো না। কারণ যে পারে সে এর মধ্যেই পেরে দেখায় বা পারবে সেরকম সম্ভাবনা হাজির করতে পারে। তরুণদের অনেকেই সেটা পেরেছেও। আর দশকের হিসেবে সাত বছর অতিক্রান্ত হলেও এটা তো আর কখনো ভাবা যায় না যে আপনারা ২০০১ সালে দিনক্ষণ দেখে সবাই কবিতা রচনা শুরু করেছেন। আপনাদের কারো কারো চর্চার সময় ১২-১৫ এর মধ্যে, প্রস্তুতির সময় আরো বেশি। সুতরাং প্রত্যাশা পুরোটাই সঙ্গত। অবশ্য ভালো কবিতা লেখা সবসময় (কিংবা কখনোই) চর্চার সময়ের ওপর নির্ভর করে না। কেউ তিন বছরের মাথায় পারে, কেউ তিরিশে পারে না।

এরকম তুলাদণ্ড কোথাও নেই, যা দিয়ে মেপে দেখানো যাবে যে মাসুদ খানের কবিতার সমকক্ষীয় বা তার চেয়ে উচ্চমার্গীয় একটি কবিতা কোনো তরুণ লিখেছে। আসলে সেরকম লেখা আছে, কিন্তু ওভাবে সামনে আনা অতটা সহজ নয়, সঙ্গতও নয় হয়ত। তাছাড়া শিল্পে এরকম তুলনা আমার মতে অশ্লীলও।

ফলে হতাশ হবার কোনো কারণ নেই। তা বলে আবার অতিরিক্ত অহঙ্কারী হয়ে ধরাকে সরাজ্ঞান করবারও অবকাশ নেই কোথাও।

টানাগদ্যে কবিতা লেখার প্রবণতা বাড়ছে কেন? এবার যদি এ প্রসঙ্গে দুয়েক কথা বলতে চাই, তাহলে এরকম কিছু কারণ চিহ্নিত করতে পারি :

১. প্রথাগত ছন্দশৃঙ্খল থেকে মুক্তির এষণা ;
২. টানাগদ্যের ধারণ ক্ষমতার প্রতি সন্তুষ্টি ;
৩. কবিতার প্রচল চেহারার প্রতি বিতৃষ্ণা ;
৪. প্রচলিত ছন্দে ব্যাপক দখল না থাকা ;
৫. হাল ফ্যাশনে দুরস্ত হওয়া ;
৬. কবিতা যে ঢঙে আবির্ভূত হয়, সে ঢঙকেই গুরুত্ব দেয়ার আগ্রহ ;
ইত্যাদি, ইত্যাদি।

একটা কথা এখানে বলা খুব জরুরি বোধ করছি যে, ধেয়ে আসছে সেরকম দিন, যে দিনে শিল্পাঙ্গিকগুলোর পরস্পরের মধ্যকার সীমারেখা ক্রমশ লুপ্ত হয়ে গিয়ে একটা সমন্বিত রূপ পরিগ্রহ করবে। কবিতার বাহ্যরূপ গদ্যের সঙ্গে মিলেমিশে যাওয়াটা হতে পারে ওরই একটা নমুনা।
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: নতুন আরেকটা প্রবণতা দেখা দিচ্ছে...
অনেকটা স্টিল লাইফের প্রজেকসন
একটা খন্ড চিত্র, তারপর আরেকটা
কিন্তু শেষ পর্যন্ত একটা চলমানতা কোলাজ থাকছে
এটা অনেকটা একসন কাট ওকে... নেকস্ট শট... এই রকম

আর শিল্পকলার মধ্যে আন্তসম্পর্ক তো আছেই, সংশ্লেষও ঘটেছে যুগেযুগে। এখন হয়তো গতিটা বেড়েছে। উপরে যে ধরণের কবিতার কথা বলছি তা চিত্রকলার নিকটবর্তী। আর অনেকেই বলছে কবিতার বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হবে সিনেমা বা চলমান দৃশ্যকাব্য। গদার সেই মতকে কিছুটা ভিত্তি দিয়েছেন। তারপরেও মনের গতি দৃষ্টির অধিক। তাই কবিতা বা লিখিত তুলিভাষ্যর কদর কমবে বলে মনে হয় না।

তবে মোটা দাগে একটা বিভাজন দাঁড়াবে... তা হলো শিল্পী আর বানানো শিল্পী, বাজারিকরণ বা মিডিয়াবাজিতা একটা বড় ফেক্টর হয়ে দেখা দেবে ভবিষ্যতে।

আপনার পয়েন্টগুলোর সাথে আমি একমত। সেখানে ফ্যাসন একটা বিষয়... বিষয়টা নিয়ে মনোগত একটা বিশ্লেষণ হইতে পারে। মানে হইলে ইন্টারেস্টিং হবে।

ধন্যবাদ।

৭. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৫
comment by: মুজিব মেহদী বলেছেন: ভুলে গেছি এটা বলতে যে, লেখাটা চমৎকার হয়েছে। শেষ করুন।
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: আবারো ধন্যবাদ।

৮. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৪৪
comment by: রণদীপম বসু বলেছেন: আসলে কবিতার ফর্মই বলি আর বিস্তৃতি গভীরতা যাই বলি না কেন, মোট কথা বুকের ভেতর যা কোন অনুরণন তুলতে পারে না, অনাস্বাদিত কোন ভাবনার খোরাক দিতে পারে না, তাকে কবিতা বলতে পারি না। হতে পারে অতি অভ্যস্ততায় আমরা দৃশ্যমান ফর্ম ভেঙে টানা গদ্যে যাচ্ছি, কিন্তু মনে হয় এটাও কবিতার মুখ্য বিষয় নয়, যে প্রকরণেই হোক, যদি বুদ্ধিবৃত্তিটাই মুখ্য হয়ে ওঠে, ওটা কবিতা থাকবে না। আবার যদি আবেগটাই মুখ্য হয়ে যায়, তাইলেও সে সমকালীন বোধ থেকে দূরে সরে যায়। জলো হয়ে যায়।
চিত্রকল্পের আধুনিক উপস্থাপনাই প্রধান।
নাহ, মন্তব্যে সীমিত আঙ্গিনায় বক্তব্য সম্পন্না করা সম্ভব না। আলোচনা তোলা রইলো।
ধন্যবাদ এ পোস্টের জন্য। চলতে থাকুক।
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: আসলে কবিতাযাপনের ব্যঅপার। যার যাপন যেমন তার
প্রকাশও সেই মোতাবেক। আমি বাসের জানালা দিয়ে চলন্ত-ছুটন্ত দৃশ্য দেখি, আমার কাছে সাড়গে তিন তলার বারান্দা একচিলতে রোদের নামান্তর, ফলে আমি লিখবে সেরকমই। অবস্য সাথে সাথে লেখা হবে না। একটু পরে, কিছুদিন যাবার পর। সাহিত্য আসলে সমাজ পরিবর্তনের একটু পেছন পেছন ছোটে।

আর বুদ্ধিবৃত্তিক প্রজেক্ট কখনোই শিল্প না। অন্ততঃ মহৎ নয়।
হাহাকার বা অধরা বা চকিত-উপলব্ধি... মানে একটু উসকে দেয়ার, তুষ আগ্নি থাকা জরুরী। কবিতাও তাই। তাই দার্শনিক কচকচি কবিতা নয়, অথচ সংসয়বাদ অবলীলায় উৎরে যায়।

আপনি এই সময়ের কবিদের ভালো-মন্দ দিকগুলো বললে বিষয়টা সামনে এগিয়ে নেয়া যেত। আশা করি সামনে আপনার মতামত পাবো।

ধন্যবাদ।

৯. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৪৭
comment by: রণদীপম বসু বলেছেন: ও হাঁ, ছবিটা সুন্দর ! সুন্দরের নিয়তি অনুযায়ীই তা চুরি হয়ে গেলো। অনুমতি দেন আর না দেন। কেননা চুরি হলো স্বাধীন পেশা।
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:০৪

লেখক বলেছেন: কিছু কিছু চুরির জন্য। আমিও করছিলাম।
দুয়ার খোলা রেখেছি তা কি বাতাসকে ঢুকতে দেবো না বলে?!
স্বাগতম... হাহাহা

১০. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৩৬
comment by: সুতরাং বলেছেন: তোমার লেখাটি আগেও পড়েছি। আর মুজিব দা'র কথাটি কিন্তু বেশ যুক্তিপূর্ণ। সেটি যুক্ত হওয়ায় তোমার লেখাটি আরও সমৃদ্ধ হলো।
তবে লেখাটিতে তুমি পূর্বে এ সময়ের কারও কারও কবিতার উদ্ধৃতি ব্যবহার করেছিলে। এখানে সেগুলো দিলে না কেন? দিলে বোধকরি মন্দ হতো না।
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: অইটা ইচ্ছকৃত বাদ দছি। ব্লগে বড় লখো দয়ো সমস্যা। তাই মূল কথা বলতে চাইছি শুধু।


সামনে তেমন পোস্ট দিবো হয়তো।
আরে না, ব্যাটা তুমি তেমন একটা লেখা দাও না কেন, তুমি তো লিখছিলা, ব্লগে দাও না। খালি ক্ষণিকের বোধের পোস্ট দিয়া
কতদিন ঝিম মইরা বইস্যা থাকবা?

কি অবস্থা?
নতুন কিছু লিখা হইলো?

১১. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৫৪
comment by: সুতরাং বলেছেন: না দোস্ত, নতুন কিছু লিখি নাই।
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: কেনো,
কোনো সমস্যা?

১২. ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:৪৯
comment by: আকাশচুরি বলেছেন: + এবং প্রিয়তে
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৩. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৫৬
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: চমৎকার লেখা। "এই ‘তিরিক্ষি পরিস্থিতি’ পংক্তিতে ধরার জন্য ‘টানা গদ্যের ছন্দ’বেশ যুৎসই।" এটা ভাবার মত। তবে প্রচলিত ছন্দে চূড়ান্ত দখল না থাকাও কি ১টা কারণ?
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:১৬

লেখক বলেছেন: হ্যঅ সেটাও ঠিক কথা।
তবে সময় যেমন পোষাকের ফ্যঅসন ঠিক করে দেয়,
তেমনি সাহিত্যে হাল-আমল বলে একটা বিষয় হয় তো থাকে
যেখানে আধুনিকতার একটা ফর্ম দাঁড় করানোর চেষ্টা থাকে। থাকে সব সময়।

১৪. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৪:৫০
comment by: রাশেদ বলেছেন: ভাল্লাগছে পোস্ট ও কমেন্টগুলো।
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৫. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৫
comment by: প্রণব আচার্য বলেছেন: ভালো লেখা+
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৬. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৩
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:


প্রায় চতুর্দিকে নজর দিয়ে কথাগুলো বলেছেন। যে-কোনো প্রসঙ্গে কথা বললে এভাবেই দৃষ্টিকে প্রসারিত করে, বিস্তারিত করে কথা বলা পছন্দ করি। প্রাসঙ্গিক কথন অল্প হলেও লেখকের দৃষ্টি প্রসারিত তা সহজেই অনুমেয়।



'দ্রুতলয়ের সমাজ বাস্তবতা, একই সাথে যান্ত্রিক অনির্দিষ্ট গতির সাথে মুখোমুখি হতে হচ্ছে এখনকার কবিদের। তার সামনের দৃশ্যগুলো কখনো দ্রুত, কখনো ধীমে তালে, কখনো পাথরের মতো নিশ্চল পট বদলাচ্ছে। সেই সাথে পরিবর্তিত অবস্থার ক্ষয়িষ্ণু ও মিশ্র মানসিক গড়নের ভিত্তি থেকে উৎসারিত কাটা-কাটা কথাগুলো সব সময় ধ্র“পদী ঢং মেনে চলছে না। বরং সেই ধ্র“পদী শুদ্ধতা মরে যাবার করুণ, কিন্তু বাস্তব কাহিনীই হচ্ছে এই ক্রান্তি-কাল। '-----যথার্থ



মুজিব ভাইও গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন।





বেশ ভালো লাগলো আপনার বিশ্লেষণ মাজুল।

১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৩

লেখক বলেছেন: এটা একটা বিশাল লেখার চুম্বক অংশ, লেখাটা বাবুইয়ের এবারের সংখ্যঅয় ছাপা হইছিল।

কেমন আছেন?

১৭. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৭
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:

তাই নাকি? তাইলে বাকি লেখা পড়ার অপেক্ষায়।


এই তো আছি ভাই। গতকাল গভীর রাত তক ইমতিয়ার শামীম'র দীর্ঘ প্রবন্ধ 'যুদ্ধে উপেক্ষিত নীল নীল অপরাজিতা' আবার পড়লাম। ভাবলাম, আমরা আসলে এশিয়া আফ্রিকার মৃত মানুষেরা বিস্ময়করভাবে শিল্পকলা চর্চা করছি!
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: শিল্পকলা কি তবে ধনী (মানে পেটতুষ্টদের) একচেটিয়া অধিকারে থাকবে নাকি?
সুমনের অই গানটা শুনছেন নাকি..
যাও গান পারো যদি পোখরানে চাষবাস করো...

পারমানবিক পরীক্ষার পরে গাওয়া।

আর আমরা তো লিখি না, জখন কুরি,
কুরে কুরে তা বিক্রি করে কেউ!

১৮. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:২৪
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:


পড়েছেন কি না জানি না, সেই প্রবন্ধটিতে সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকার মৌলবাদী বুশ এবং তার করপোরেট সহযোগিরা পৃথিবীটাকে বধ্যভূমি বানিয়ে রেখেছে। দুই শ মিলিয়ানধিক অস্ত্রের যোগানদাতা শুধু আমেরিকাই। প্রবন্ধটিতে মানুষের শত্রুদের বিভিষিকাময় পরিকল্পনা আর পরিসংখ্যান দেখতে দেখতে মাথা বিগড়ে যায়!
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: না পড়া হয়নি।
নেটে পড়ার সুযোগ থাকলে লিংক দিবেন প্লিজ।

১৯. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৮
comment by: ফজলুল কবিরী বলেছেন: লেখাটা নিয়ে সম্ভবত মেইলে মন্তব্য করেছিলাম। ব্লগে দেখে ভাল লাগল। আপনার আব্বা নিশ্চয় সুস্থ আছেন। ভাল থাইকেন।
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন: বাবা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন।
খোঁজ নেবার জন্য ধন্যবাদ।

২০. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪
comment by: অহনা বলেছেন: সেদিন চৈত্রমাস
তোমার চোখেতে দেখি আমার সর্বনাশ

এই কবিতার কবি কে?
কেউ না জানলে এককথায় আমি। আমিই কবি।
প্রমাণ দিন অথবা আমাকেই মেনে নিন।
সেদিন...
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৫৮

লেখক বলেছেন: তথাস্তু।

 



 


সব কথা বলা হয়ে গেছে, সব পাখি গান...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ১৬৫০৭