ছোটবেলায় শুনতাম, নতুন মুসলমানরা গোগ্রাসে গোমাংস খায়। গোরুর গোশত আমারও খুব প্রিয়। কিন্তু ১৯৯৪ সালে ‘হার্ট অ্যাটাক’ হওয়ার পর থেকে কালে-ভদ্রে খাই। ডাক্তাররা বলে দিয়েছেন, গোমাংসের চর্বি হৃদপিণ্ডে রক্ত বয়ে নিয়ে যাওয়ায় ধমনীগুলোতে জমে রক্ত চলাচলে অন্তরায় সৃষ্টি করে। হার্ট অ্যাটাকের সেটাই কারণ এবং প্রায়ই সেটা প্রাণঘাতী হয়ে থাকে।
বাহাত্তরের সংবিধান ফিরিয়ে আনার জন্য বর্তমানে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের হাবভাব দেখে প্রায়ই উপরিউক্ত কথাগুলো আমার মনে হয়। আমার পরিষ্কার মনে আছে, ১৯৭২ সালে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) অন্যতম নেতা ছিলেন এবং তারা সংবিধানটির বিরোধিতা করেছিলেন। সে সংবিধান নিয়ে তার অতিউৎসাহ নতুন মুসলমানের অত্যধিক গোমাংস প্রীতির সাথেই তুলনীয়। কিন্তু ঘুঘু দেখে ফাঁদের কথাটা ভুলে যাওয়া কারো জন্যই ভালো কথা নয়।
বাহাত্তরের সংবিধানের শুরুতেই তার চারটি ‘স্তম্ভের’ উল্লেখ ছিল। সেগুলোর একটা ছিল সমাজতন্ত্র। স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা শেখ মুজিবুর রহমান সব সময় সমাজতন্ত্রের কথা বলতেন এবং সেটাকে সংবিধানের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। সে কালের কমিউনিস্ট-বিরোধী বিশ্বের নেতা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেটা খুবই অপছন্দের ব্যাপার ছিল। মুজিব নিজে ১৯৭৩ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় ধামরাইয়ের এক বিশাল জনসভায় যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করেছিলেন। অভিযোগ করেছিলেন যে বাংলাদেশের খাদ্য সঙ্কট দূরীকরণে আমেরিকা খাদ্য দেয়নি। আমরা জানি ১৯৭৩-৭৪-এর দুর্ভিক্ষে ৭০ হাজার বাংলাদেশী মারা গিয়েছিল।
বাকীটুকু পড়ুন
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


