somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সংবিধান নিয়ে ছিনিমিনি খেলা সরকারের গলায় ফাঁস হয়ে দাঁড়াতে পারে

০৩ রা আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছোটবেলায় শুনতাম, নতুন মুসলমানরা গোগ্রাসে গোমাংস খায়। গোরুর গোশত আমারও খুব প্রিয়। কিন্তু ১৯৯৪ সালে ‘হার্ট অ্যাটাক’ হওয়ার পর থেকে কালে-ভদ্রে খাই। ডাক্তাররা বলে দিয়েছেন, গোমাংসের চর্বি হৃদপিণ্ডে রক্ত বয়ে নিয়ে যাওয়ায় ধমনীগুলোতে জমে রক্ত চলাচলে অন্তরায় সৃষ্টি করে। হার্ট অ্যাটাকের সেটাই কারণ এবং প্রায়ই সেটা প্রাণঘাতী হয়ে থাকে।
বাহাত্তরের সংবিধান ফিরিয়ে আনার জন্য বর্তমানে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের হাবভাব দেখে প্রায়ই উপরিউক্ত কথাগুলো আমার মনে হয়। আমার পরিষ্কার মনে আছে, ১৯৭২ সালে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) অন্যতম নেতা ছিলেন এবং তারা সংবিধানটির বিরোধিতা করেছিলেন। সে সংবিধান নিয়ে তার অতিউৎসাহ নতুন মুসলমানের অত্যধিক গোমাংস প্রীতির সাথেই তুলনীয়। কিন্তু ঘুঘু দেখে ফাঁদের কথাটা ভুলে যাওয়া কারো জন্যই ভালো কথা নয়।
বাহাত্তরের সংবিধানের শুরুতেই তার চারটি ‘স্তম্ভের’ উল্লেখ ছিল। সেগুলোর একটা ছিল সমাজতন্ত্র। স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা শেখ মুজিবুর রহমান সব সময় সমাজতন্ত্রের কথা বলতেন এবং সেটাকে সংবিধানের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। সে কালের কমিউনিস্ট-বিরোধী বিশ্বের নেতা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেটা খুবই অপছন্দের ব্যাপার ছিল। মুজিব নিজে ১৯৭৩ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় ধামরাইয়ের এক বিশাল জনসভায় যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করেছিলেন। অভিযোগ করেছিলেন যে বাংলাদেশের খাদ্য সঙ্কট দূরীকরণে আমেরিকা খাদ্য দেয়নি। আমরা জানি ১৯৭৩-৭৪-এর দুর্ভিক্ষে ৭০ হাজার বাংলাদেশী মারা গিয়েছিল।

বাকীটুকু পড়ুন

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৫
১০টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×