somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইসলাম ও পর্দা

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইসলামে পর্দার গুরুত্ব :
পর্দা প্রথা ইসলামের একটি বিশেষ অবদান। ইসলামী যুগের পূর্বে পর্দার কোন ব্যবস্থা ছিল না। পর্দা ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য। পৃথিবীর কোন ধর্মেই পর্দার এমন ব্যবস্থা নেই। কুরআন ও হাদীস অন্ধ যৌন শক্তির স্বেচ্ছাচারিতা রোধ করে একে যথার্থ সীমার মধ্যে পাহারা রাখার যে ব্যবস্থা দিয়েছে তাকেই পর্দা বলে। জীবন মাত্রই যৌন কামনা, যৌন কামনাকে এড়িয়ে কেউ এই পৃথিবীতে আসতে পারে না। স্ত্রী-পুরুষের যৌন কামনার মাধ্যমেই মানবজাতির অনন্ত প্রবাহ বয়ে চলছে। মানুষের প্রবৃত্তিসমূহের মধ্যে যৌন শক্তিই সবচেয়ে দুর্দমনীয়, বিবেকহীন ও অন্ধ। আল্লাহপাক পবিত্র কুরআনে পর্দা সম্বন্ধে যে সকল আদেশ-নিষেধ জারী করেছেন ও মানুষের স্বভাব সম্বন্ধে যা বলেছেন তা থেকে পরিস্কার বুঝা যায় যৌন শক্তিকে মোটেই বিশ্বাস করা যায় না। তাই তিনি যৌন শক্তিকে পর্দার আড়ালে পাহারায় রাখার ব্যবস্থা করেছেন।
ব্যভিচার প্রতিরোধ করাই হল পর্দার আসল উদ্দেশ্য, কারণ অবাধ গতিতে ব্যভিচার চলতে থাকলে মানবজাতির ধ্বংশ অনিবার্য। নারী-পুরুষ অবাধ মেলামেশায় পারস্পরিক যৌন আকর্ষণ তাদের দেহে ও মনে যে আলোড়ন ও স্পন্দনের সৃষ্টি হয় তা থেকে যেনার সূত্রপাত হয়। নারী-পুরুষের অবৈধ যৌন মিলনের ফলেই যে শুধু যেনা হয় তা নয়, কামভাবে উত্তেজিত হয়ে পর নারী ও পর পুরুষের অংগ স্পর্শ করলে কিংবা ঐ বিষয়ে কুদৃষ্টি করলেও যেনা সংগঠিত হয়। পর নারী ও পর পুরুষের প্রতি দৃষ্টি করতে হাদীসে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। আল্লাহপাক পর্দার নির্দেশ দিয়ে বলেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজেদের গৃহ ব্যতীত অন্য কারো গৃহে গৃহবাসীদের অনুমতি না নিয়ে এবং তাদেরকে সালাম না করে প্রবেশ করো না; এটাই তোমাদের জন্যে শ্রেয়, যাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর”। (সূরা নূর: ২৭)।
বেপর্দা নারীগণের নির্লজ্জ আচরণকে কেন্দ্র করে শয়তান তার অনুসারীদের দ্বারা খারাপ,অশালীন,ও জঘন্যতম পাপের কাজ করিয়ে নেয়। আল্লাহ তা’আলা বলেন তোমরা (নারীগণ) স্বগৃহে অবস্থান করবে। প্রাচীন জাহিলী যুগের মত নিজেদেরকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না (আহযাব: ৩৩)।
নবী করীম (সঃ) এরশাদ করেন, “যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর নিকট পর পুরুষের যাতায়তকে আপত্তি জনক মনে করে না তাকে শরিয়তের ভাষায় দাইয়ূস বলা হয়, আর দাইয়ূস কখনো বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে না এবং দাইয়ূসকে পাঁচশত বছরের দূরত্ব হতে দোযখে ফেলে দেয়া হবে। দাইয়ূসের জন্য বেহেশত হারাম ’’। (আবু ইয়ালা মুস্তাদরাক হাকিম) । যে স্ত্রী কিংবা পুরুষ একে অন্যের প্রতি ইচ্ছা পুর্বক খারাপ দৃষ্টিতে তাকাবে তার চোখে গরম সীসা ঢেলে দেয়া হবে। নারীদের সৌন্দর্য গোপন রাখার বস্তু। সৌন্দর্য বলতে সমস্ত শরীর বুঝায়। বেগানা নারী ও পুরুষের নির্জনে উঠা-বসা ও চলাফেরা হারাম, কারণ শয়তান তখন তাদের সঙ্গী হয়। হ্যাঁ প্রয়োজনে নারীরা ঘরের বাইরে যেতে পারবে, কিন্তু তারা নিজের শরীরকে চাদর দিয়ে আবৃত করে কিংবা বোরখা পরে বের হবে। আজকাল অনেক শিক্ষিত নারী অর্ধ উলঙ্গ অবস্থায় চলাফেরা করে সভ্যতাকে বিসর্জন দিয়ে দিনের পর দিন অধঃপতনের অতল গহভরে তলিয়ে যাচ্ছে, আর পশু প্রকৃতির যুবকেরা তাদের উলঙ্গ রূপের মোহে আকৃষ্ট হয়ে পতংগের মত ধ্বংশের অনলে আত্মহুতি দিচ্ছে। এই উভয়ে ন্যায়নীতি, ধর্ম, ব্যক্তিত্ব জলাঞ্জলি দিয়ে জাহান্নামের ইন্ধনে পরিণত হচ্ছে।
মুসলিম নারীদের পর্দাহীনতা মুসলিম বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘিœত হওয়ার একটি কারণ, মুসলিম নারীদের চলাফেরা দেখে মনে হয় না যে তারা মুসলমানের সন্তান, আর কুরআন তাদের ধর্মগ্রন্থ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ নবী মুহাম্মাদ (সঃ) তাদের রাসূল। কিন্তু এই বেপর্দা নারীদের জন্য তাদের অভিভাবকেরাই দায়ী। ইচ্ছা করলে অভিভাবকগণ নিজ নিজ সন্তানদেরকে কুরআন হাদীসের অনুসরণে চালাতে পারেন, আবার ইচ্ছা করলে শয়তানের হাতের খেলনাও বানাতে পারেন। বিবাহের পর স্বামী তার স্ত্রীকে যদি অশালীন ভাবে চলাফেরার সুযোগ না দিত তাহলে তাদের মধ্যে জঘন্যতম বেহায়াপনা জাগ্রত হত না। বিবাহিতা নারীদের বেহায়াপনা আচরণের জন্য তাদের স্বামীরাই দায়ী। স্বামীরা সাবধাণ হলেই স্ত্রীরা সরল সঠিক পুণ্য পথে পরিচালিত হতে পারে। পর্দার উপকারিতা অনস্বীকার্য। এই ফরয বিধান অস্বীকার করলে ঈমান থাকে না।
পর্দাহীনতা এবং যে কোন পাপ কাজের সহায়তা করা এবং প্রশংসা করাকে কুরআন ও হাদীসে স্পষ্টভাবে মন্দ ও গুনাহ বলে স্বীকৃতি দিয়েছে। মহানবী (সঃ) বলেছেন, কেয়ামতের দিন এমন এক ব্যক্তিকে উপস্থিত করা হবে যাকে দেখে অন্যেরা বলবে যে তার পুণ্যগুলোকে পুত্র কন্যা এবং তার পরিজনরা খেয়ে ফেলেছে। সন্তানদেরকে ধর্মীয় শিক্ষায় সুশিক্ষিত করতে না পারলে দুনিয়াতে যেমন অসম্মান অশান্তির কারণ হয় তেমনি আখেরাতেও চরম শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।
মহাগ্রন্থ আল্ কুরআনে পর্দার তাগিদ বার বার এসেছে, যেমন আল্লাহ তা’আলা বলেন, “হে নবী! আপনি আপনার বিবিগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকে বলে দিন তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজতর হবে; ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না”। (আল আহযাব: ৫৯)
রাসূল (সাঃ) এরশাদ করেছেন, “লজ্জা ঈমানের অংগ। যার লজ্জা নেই সে যা ইচ্ছা তাই করতে পারে'' (আবু দাউদ)। লজ্জা তিন প্রকার ১. আল্লাহ থেকে লজ্জা, আল্লাহ থেকে লজ্জার অর্থ হলো তার নির্দেশাবলীর আনুগত্য করা এবং তার নিষিদ্ধ বিষয়াবলী থেকে বেঁচে থাকা। ২. মানুষ থেকে লজ্জা ৩. নিজ থেকে লজ্জা।
আল্লাহ ত'আলা বলেন, “ঈমানদার নারীদেরকে বলে দিন তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং যৌন পবিত্রতা রক্ষা করে চলে আর নিজেদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে তবে ঐ সৌন্দর্য ব্যতীত যা সাধারণত প্রকাশমান এবং তারা যেন তাদের মাথার উড়না বক্ষদেশে ফেলে রাখে”। (আল নূর: ৩১)
পর্দা নারীর মর্যাদা
নারীকে চিরকালই কোন না কোন অভিভাবকের অধীনে থাকতে হয়। পিতা-মাতা, ভাই, স্বামী, পুত্র এদের অধীনে নারীদের জীবন অতিবাহিত হয়। আর এই অধীনতা অতি মধুর ও সুখের। মহানবী (সঃ) বলেন, নারীজাতি ধনদৌলতের মত গোপনীয় বস্তু। মহামূল্যবান বস্তুকে যেমন চোর ডাকাতের ভয়ে লুকিয়ে রাখতে হয় তেমনি নারীদেরকেও মহামূল্যবান সত্তা ভেবে শয়তান ও দুষ্ট লোকদের ভয়ে গোপনে পর্দার আড়ালে রাখতে হয়। (ইবনে মাজাহ ও তাহাবী)
রাসূল (সঃ) এরশাদ করেন “যে নারী ফরয কাজ ঠিক রেখে সতীত্ব বজায় রাখে তার পুরস্কার অগ্নি থেকে মুক্তি এবং বেহেশ্ত। (তিরমিযী) সতী নারীর দোয়া অতি সহজে কবুল হয়। আর অসতী নারী আল্লাহর অভিশাপ ছাড়া আর কিছু নয়। অসতী নারী ঘরে থাকলে সংসার অবনতির দিকে অগ্রসর হতে থাকে। যেনা ও আর্থিক সচ্ছলতা একত্রে থাকে না (নাসায়ী)। আল্লাহ তা’আলা মানুষকে যে সব সম্পদ দান করেছেন তার মধ্যে ঈমানের পর সতী নারী অপেক্ষা আর কিছু নেই। মানুষের এমন কঠিন গুনাহ রয়েছে যা পরিবার প্রতিপালনের কষ্ট সহ্য করা ব্যতীত অন্য কিছুতেই মাফ হয় না (মুসলিম )।
অন্যান্য ধর্মের চেয়ে ইসলাম ধর্মে নারীদের সবচেয়ে বেশি মর্যাদা ও অধিকার দেয়া হয়েছে। নারীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এবং তাদের মর্যাদা রক্ষার জন্য এসব নিয়মনীতি নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে। এই আদর্শ যারা পরিত্যাগ করে চলে তারাই নিজেদের মর্যাদা হারিয়ে ফেলে। সময়ে সুযোগে লাঞ্ছনার শিকার হয়। তাই একমাত্র পর্দাই নারীদের উপযুক্ত মর্যাদা দেয়ার ক্ষমতা রাখে। ইসলাম নারীদের অধিকার অনেক আগেই দিয়েছে। নারীরা পুরুষদের সম-অধিকার ভোগ করবে তবে তা পর্দার ভিতর থেকে এবং শরিয়তের বিধান মেনে নিয়ে। একজন নারী যখন অর্ধাবৃত অবস্থায় রাস্তায় বের হয় তখন স্বাভাবিকভাবেই সাধারণের দৃষ্টি তার উপর নিবদ্ধ হয় আর তখনই শয়তান মানুষের কুপ্রবৃত্তিকে জাগিয়ে তোলার চেষ্টায় উঠে পড়ে লেগে যায়। সুতরাং নারীরা কেন অর্ধাবৃত অনাবৃত হয়ে অন্যকে শয়তানের প্ররোচনায় নিক্ষেপ করবে ?
পর্দার উপকারিতা
ইসলামী জীবন যাপনকারী একজন নারী কখনো অপহরন, ধর্ষিতা, ছিনতাই অথবা এসিড দগ্ধ হয়েছে এরূপ শুনা যায় নি। কারণ সেই নারীর মর্যাদা রক্ষার্থে তাকে সাহায্য করেছে তার সুন্দরতম আবরু। আবরু অর্থ আবরণ দিয়ে আড়াল করে ঢেকে রাখা। নারীজাতি হীরক তুল্য ঝিনুকের ভিতর আড়াল করে ঢেকে রাখা মুক্তার মত। সোনার অলংকার চুরির ভয়ে সিন্দুকের গোপন জায়গায় লুকিয়ে রাখা হয়। কিন্তু আজ আমরা নিজেদের এই হীরার রত্নকে তামা দস্তাতে পরিণত করে যেখানে সেখানে ফেলে রাখছি।
আল্লাহর রহমত পাওয়া এবং আখেরাতে সর্বোত্তম পুরস্কার পাওয়ার জন্য সকল নর নারীদের একান্ত প্রয়োজন, পর্দা প্রথা পালন করা। আল্লাহর সাথে সম্পর্ক রক্ষা করা, আল্লাহর মেহেরবানী ও রহমত লাভ করে অন্ধকার থেকে আলোর পথে বের হয়ে আসা । হে আল্লাহর সান্নিধ্য কামনাকারীনি নারী! তোমরা আল্লাহকে বেশি বেশি করে স্মরণ কর। আল্লাহর হকুম মেনে পর্দা প্রথা পালন কর, তাহলে তিনি তোমাদের প্রতি রহমত বর্ষণ করবেন এবং ফেরেশ্তাগণও তোমাদের প্রতি রহমত বর্ষণের জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করবেন যেন আল্লাহপাক তোমাদেরকে চিরশান্তিময় বেহেশত দান করেন। তিনি মুমিনদের প্রতি বড়ই মেহেরবান।
হে আল্লাহ! তুমি সমগ্র মুসলিম নারীদের পর্দাপ্রথা মেনে চলার তৌফিক দান কর। আমীন !!
৬টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা সাহিত্যে জায়গা পাচ্ছেন ওসমান হাদী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:১৭


সংবাদপত্র যা বলছে
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ক্রাউড ফান্ডিং-এর সুযোগ তৈরি করে সরকারী লাভজনক প্রজেক্টে জনগণের বিনিয়োগ নিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৩১

বাংলাদেশের বর্তমান সরকার বিনিয়োগ পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত, তা বুঝা যাচ্ছে। নাহলে, খোদ প্রধানমন্ত্রী দেশে বিনিয়োগ নিয়ে আসতে জনগণকে অনুরোধ করতেন না। আমার মন হয়, দেশের মানুষের কাছেই অনেক সম্পদ আছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

×