somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মৃত্যুর স্মরণ

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আধুনিক বিশ্বে মানুষের নিকট সবচেয়ে গুরুত্বের বিষয় কোনটি? কোন আলোচনায় এ-প্রশ্ন করা হলে একেক জন একেক উত্তর দিবেন। কেউ বলবেন, ব্যাপকবিধ্বংসী অস্ত্রের উপাদান, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও মজুদ কীভাবে ঠেকানো যায় এটাই আধুনিক বিশ্বের সমধিক গুরুত্বের বিষয়। কেউ বলবেন, জন সংখ্যার বিস্ফোরণ প্রতিহত করাই বর্তমান যুগের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। আবার কেউ বলবেন, প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠ বন্টন নিশ্চিত করণই আজকের বড় সমস্যা। এর অর্থ মানুষ এখনো অন্ধকারে রয়েছে তার পরিচয় বিষয়ে। আবিস্কার করতে পারেনি নিজের অস্তিত্বের ধরণ-ধারণ, পারলে ভিন্ন রকম হত না সবার উত্তর। সবাই বলতো; সবচেয়ে বড় সমস্যা আধুনিক মানুষের পরিচয় বিস্মৃতি। মানুষ তার মূল পরিচয় ভুলে গেছে বেমালুম। নশ্বর ইহজগৎ ছেড়ে একদিন চলে যেতে হবে অবিনশ্বর পরজগতে, যেখানে তাকে দাঁড়াতে হবে প্রতিপালকের সামনে যাপিত জীবনের হিসেব দিতে। এ বিষয়টি বিদায় নিয়েছে তার মস্তিষ্কের সচেতন অংশ থেকে । অন্যথায় এ-খন্ডকালিক অস্তিত্বের জগতকে নয় অনন্ত পরকালকে, স্রষ্টার মুখোমুখী হওয়াকে, স্বর্গ-নরককের সম্মুখীন তাকে সবচেয়ে বড় বিষয় বলে মনে করতো সে। আল্লাহ তা’আলা বলেন; “কিন্তু তোমরা পার্থিব জীবনকে পছন্দ করে থাকো। অথচ আখেরাতের জীবনই উত্তম ও চিরস্থায়ী। (সূরা আ’লা: ১৬-১৭)
একথা বলছি না যে আল্লাহ ও পরকালের বিশ্বাস সম্পূর্ণ উঠে গেছে । এখনো পৃথিবীতে অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাসীদের দলভূক্ত। কিন্তু এ- বিশ্বাসের শিহরণ ঝিমিয়ে পড়েছে বর্ণনাতীতভাবে মানুষের অন্তর ও বহির্জগতে। মানুষের সচেতন মেধার অংশ হিসেবে মোটেই মন্থিত নয় এ-অতি গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বাসটি। এ-পৃথিবীর জীবনে অর্থবিত্ত যশ-জৌলুসের পাহাড় গড়ে কীভাবে উন্নতির চরমে পৌঁছানো সম্ভব সে স্বপ্নেই বিভোর থাকে মানুষ দিবস-রজনী। ইরশাদ হচ্ছে; প্রাচুর্যের প্রতিযোগীতা তোমাদেরকে মোহচ্ছন্ন রাখে। যতক্ষণ না তোমরা সমাধিসমূহে উপস্থিত হচ্ছ। (সূরা তাকাছুর:১-২)
আমরা দুনিয়ার পিছনে এমনভাবে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি যে মৃত্যুকে পর্যন্ত ভুলে গেছি। শুধু দুনিয়া আর দুনিয়া করছি, পরকালকে বেমালুম ভুলে রয়েছি। জীবনের বিচিত্র স্রোতধারা নিষিদ্ধ অঞ্চলের দিকে কেবলই ধাবমান অত্যন্ত নির্বোধভাবে। অন্য কিছু নিয়ে ভেবে দেখার ফুরসত যেন কারো নেই। সামরকি বাহিনীর বিপদ সংকেতের অংশত শুনতে পেলেও দিশেহারা হয়ে ছুটতে থাকে সবাই অজানা গন্তব্যের দিকে, পক্ষান্তরে বিশ্ব-পালক যে বিপদের ঘোষণা দিলেন সে ব্যাপারে কাউকে সামান্যতম উদ্বিগ্ন বলে মনে হয় না। ঐশী বিপদঘন্টা শুনে নিরাপদ আশ্রয়ের খুঁজে ছুটে যাওয়ার আগ্রহ যেন কারুরই নেই। এর কারণ কী ? সামান্য মনোযোগ দিলেই আমরা তা আঁচ করতে পারি। এর কারণ সামরকি বাহিনীর হেড কোয়াটার থেকে ভেসে আসা সতর্কসংকেত মানুষ আমলে আনছে, কেননা তা এই মাটির পৃথিবীর সাথে সম্পৃক্ত, যেখানকার ঘটনাসমূহের ফলাফল তাৎক্ষনিকভাবে প্রকাশ পায়, দেখা যায় স্পর্শ করা যায়। এর বিপরীতে প্রতিপালকের পক্ষথেকে যে সতর্কসংকেত এসেছে তা মৃত্যু পরবর্তী যগতের বিষয়। আমাদের ও সে বিপদের দৃষ্টিগ্রাহ্যতার মাঝে দাঁড়িয়ে আছে মৃত্যুর দেয়াল। এ-দেয়ালে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে আমাদের দৃষ্টি, দেখা যাচ্ছে না ওপারের বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের বহর। এইজন্যে বিমান হামলার সতর্কসংকেত বেজে উঠলে সাথে সাথে মানুষ তা বুঝে নেয়, সতর্ক হয়, তা বিশ্বাস করে নিয়ে নিরাপদ আশ্রয় পানে ছুটে চলে অভাবিত চঞ্চলতায়। কিন্তু আল্লাহ যে বিপদের সংকেত দিয়েছেন তা মানুষের মধ্যে দানা পরিমাণ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করছে না। আল্লাহ আমাদেরকে কেবল দু'টো চর্মচোখই দান করেন নি যা স্থাপিত আমাদের চেহারার অগ্র-ভাগে, বরং তিনি আমাদেরকে দিয়েছেন আরেকটি চক্ষু, যার দৃষ্টিক্ষমতা আয়েত্বে নিয়ে আসতে পারে বহু দূরের বিষয়। এমনকি মোটা চাদরে ঢাকা পদার্থকেও এ-চোখ দেখে নিতে পারে। এ-চোখ হলো বুদ্ধির চোখ। এ-তৃতীয় চোখটির অব্যবহারই মানুষের বিশ্বাসহীনতার মূল কারণ। মানুষ তার চর্ম চোখে যা কিছু দেখে সেটাকেই বাস্তব মনে করে। পক্ষান্তরে বুদ্ধির চোখকে কাজে লাগালে আমরা দেখতে পাবো , যা আমাদের চর্ম-চোখের সামনে নেই তা বহুমাত্রায় বেশী বিশ্বাসযোগ্য যা আমাদের চোখের সামনে রয়েছে তার তুলনায়। যদি প্রশ্ন করা হয়, এমন একটি বাস্তব বিষয়ের নাম বলুন যা সকলেই সমানভাবে বিশ্বাস করে, তাহলে সবাই এক কন্ঠে বলবে: ‘মৃত্যু’। মৃত্যু এমন একটি বাস্তবতা যা অস্বীকার করার ক্ষমতা এখনো কারো হয় নি, কখনো হবে বলে মনে হয় না। মানুষ সমানভাবে এ-ও বিশ্বাস করে যে, যে কোন মুহূর্তে মৃত্যুর কড়া নাড়তে পারে তার অস্তিত্বের দরজায়। তবে অভিজ্ঞতার আলোকে বলা যায়, মৃত্যু যখন আসে তখন মৃত্যুমুখী ব্যক্তি সাধারণত যা করে তা হলো ছেলে-সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে উৎকন্ঠিত হওয়া। অর্থাৎ আমার মৃত্যুর পর ছেলে-মেয়েদের কী হবে? কীভাবে চলবে লেখা-পড়া অথবা ঘরসংসার? ইত্যাদি। অতীত জীবনের যে কয়টি বছর মাড়িয়ে এসেছে সেগুলোয় মানুষ ব্যস্ত ছিল নিজেকে নিয়ে, আর মৃত্যুর সময় ব্যস্ত হয়ে পড়ে ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যৎ নিয়ে। ছেলে সন্তানের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করতে তো সে সারা জীবনই করেছে উৎসর্গ। মৃত্যুর সময়ও তার হৃদয়ের প্রতিটি ভাঁজে বিরাজ করছে ছেলে-সন্তানের পার্থিব ভবিষ্যতের ভাবনা। মৃত্যু পরবর্তী সময়ে তার নিজের কী হবে না হবে সে বিষয়ে তাকে এখনো মনে হচ্ছে সমানভাবে উদাসীন। মনে হয় যেন মৃত্যুর পর কেবল তার সন্তানেরই অস্তিত্ব অবশিষ্ট থাকবে! তার নিজের অস্তিত্বের চিহ্ন মাত্র থাকবে না কোথাও। অবস্থা দেখে মনে হয় মৃত্যুর পর যে, আরো একটি জীবন রয়েছে , এ বিষয় মানুষের অনুভূতির জগতে জাগ্রত নেই আদৌ।
আসলে মৃত্যুর পর মানুষ যখন সমাহিত হয় তখন মূলত: সে সমাহিত হয় না, চলে যায় আরেক জগতে। এ-সত্যটি অনুধাবন করলে ছেলে-মেয়ের নৈসর্গিক ভবিষ্যত নয়, নিজের পরকালীন ভবিষ্যৎ নিয়েই উৎকন্ঠিত হতো সবচেয়ে বেশী। মৃত্যুর পর আমার কী হবে? এ ভাবনায় অস্থির হতো সবাই। মৃত্যুর পর মানুষের অস্তিত্ব অপলুপ্ত হয়ে যায় না। এর সাথে সংযোজন ঘটে ভিন্নতর এক মাত্রার। মানুষের প্রবেশ ঘটে অন্য এক জীবনে যা বর্তমান জীবনের তুলনায় অনেক বাস্তব, ও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এ-সত্যটি বর্তমান বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ সে হোক ধার্মিক বা অধার্মিক ভুলে গেছে বেমালুম। মৃত্যু পরবর্তী জীবন সম্পর্কে দু’ভাবে সন্দেহ সৃষ্টি হয়। এক. প্রতিটি মানুষই মৃত্যুর পর মাটির সাথে মিশে যায়। আর তাই বুঝে আসে না কীভাবে সে জীবনপ্রাপ্ত হবে দ্বিতীয় বার। দুই. মৃত্যু পরবর্তী জীবন আমাদের দৃষ্টির অন্তরালে। তাই আমরা যা ইচ্ছা তা-ই করে যাচ্ছি, আসলে মৃত্যু যেমন চিরন্তন সত্য তেমনিভাবে মৃত্যুর পরও আবার জীবিত হতে হবে সত্য। এর উদাহরণ জড়জগতে বহু রয়েছে; প্রতি বছর বর্ষাকালে আমরা দেখি গাছ-পালা তরু-লতা যৌবনপ্রাপ্ত হয়। পৃথিবীর রূপলাবন্যে বিচিত্র মাদকতা ছড়িয়ে পড়ে। এরপর আবার শুকনো মৌসুম আসে। যেখানে ছিল সবুজের মাতামাতি সেখানে দেখা দেয় ধূসরতা। নেতিয়ে পড়ে সব কিছু। শুকিয়ে পড়ে যায় গাছের পাতা। এভাবে একটি জীবন শ্যামলতায় অবগাহন করে আবার ঝরে যায়, মৃত্যু বরণ করে। কিন্তু বরবর্তী বছর যখন আবার বর্ষা শুরু হয়, বৃষ্টি নেমে আসে, তখন আবার যমীনে প্রাণ ফিরে আসে। শুকনো যমীনে আবারও হিন্দোলিত হয় দ্বিগন্ত-জোড়া সবুজ। মানুষকেও মৃত্যুর পর অনেকটা এভাবেই জীবিত করা হবে পূর্ণবার। তাই আমাদের সেই জীবনকে স্মরণ করে দুনিয়াতে কাজ করতে হবে। কারণ আমরা কেউ থাকবো না এই পৃথিবীতে;
চিন্তা করুন আমাদের প্রত্যেকেরই সামনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে যে দিন আমাদেরকে এ পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে। আমাদেরকে চির অন্ধকারে মাটি চাপা দিয়ে সবাই যার যার ঘরে চলে যাবে। কিন্তু আমরা আর কোন দিন ফিরে আসবো না। এর পরে যে জিন্তেগী আরম্ভ হবে সেটা কর্মফল ভোগের জিন্দেগী। তখন আর সময় দেয়া হবে না ভাল মন্দ কাজ করার। কাজেই আসুন সময় থাকতে সঠিক পথ বেছে নেই।
এমন কোন দিন অতিবাহিত হয় না, যে দিন কবর এ বলে ফরিয়াদ করে না যে, আমি মাটির ঘর, অপরিচিত ঘর, পোকা মাকড়ের ঘর! যখন কোন নেককার বান্দাহকে কবরে রাখা হয় তখন কবর তাকে এই বলে সম্বোধন করতে থাকে, “তোমাকে খোশ আমদেদ, তোমাকে স্বাগতম” যত লোক পৃথিবীতে বিচরণ করতো তন্মধ্যে তুমিই আমার নিকট সবচেয়ে প্রিয়। তুমি যখন আমার নিকট এসেছ নিশ্চয় আমার সদ্ব্যবহার পাবে। অতঃপর উক্ত মৃত ব্যক্তির দৃষ্টি পর্যন্ত কবর প্রশস্ত হয়ে জান্নাতের একটি দরজা এই কবরের দিকে খোলে দেয়া হবে। জান্নাতের সুগন্ধি কবরের ভিতরে প্রবেশ করতে থাকবে।
পক্ষান্তরে কোন পাপীকে যখন কবরে রাখা হয়, তখন কবর তাকে বলতে থাকে, হে পাপী! তোর কবরে আগমন বড়ই দুঃখের বিষয়। দুনিয়ার সমস্ত লোকদের মধ্যে তুই আমার কাছে ছিলে সর্বাপেক্ষা ঘৃণার পাত্র। আজ তোকে যখন আমার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে, এখন তুই আমার আচার-আচরণ কিরূপ তা দেখতে পাবি। অতঃপর কবর দুই দিক থেকে এমনভাবে চাপ দেবে যে, পাপীষ্টের পাঁজরের হাড়গুলো একটি অন্যটির ভিতরে ঢুকে যাবে। আর ৭০ টি বিষধর সাপ শাস্তির জন্য নিযুক্ত করা হবে। সাপগুলো এত ভয়ংকর ও বিষাক্ত যে, এ সাপ যদি পৃথিবীতে একবার নিঃশ্বাস ফেলে তাহলে বিষের ক্রিয়ায় যমীনে কোন তৃণলতা জন্মাবে না। অনবরত সাপগুলো দংশন করতে থাকবে। কবরবাসীর বর্ণনা প্রসঙ্গে রাসূল (সঃ) বলেন; কবর হয়ত জান্নাতের উদ্যান সমূহের মধ্য হতে একটি উদ্যান, নতুবা জাহান্নামের গর্তসমূহ থেকে একটি গর্ত। (মেশকাত)
এ জন্যই রাসূল (সাঃ) অধিকাংশ সময় গভীর চিন্তায় নিমগ্ন থাকতেন। মৃত্যুকে স্মরণ করলে অন্তরে আল্লাহর ভয়-ভীতির সঞ্চার হয়। এ কারণেই রাসূল (সঃ) আমাদেরকে মৃত্যুর স্মরণ অধিক পরিমাণে করতে অসিয়ত করেছেন।
আবু যর (রাঃ) বর্ণনা করেন; রাসূল (সঃ) বলেছেন; শপথ আল্লাহর, মৃত্যুর পর মানুষ যে অবস্থার সম্মুখীন হবে! যদি তোমরা জানতে যেরূপ আমি জানি, তবে নিশ্চয় তোমরা কম হাসতে বেশী কাঁদতে, এবং স্ত্রী নিয়ে আরামের বিছানায় রাত কাটাতে না। নিশ্চয় তোমরা ঘর-বাড়ি ছেড়ে মাঠে-ময়দানে চলে যেতে। চিৎকার করে কালাতিপাত করতে। (বুখারী)
আল্লাহ আমাদেরকে মৃত্যুর স্মরণের মাধ্যমে পরকালীন জিন্দেগী সুখময় করার তাওফীক দান করুন। আমীন





২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×