somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থার স্বরূপ উম্মোচন

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড (Education is the backbone of a nation)। মেরুদন্ড ছাড়া যেমন কোন প্রাণী দাঁড়াতে পারে না, চলতে পারে না, তেমনি সুশিক্ষা, গঠনমূলক শিক্ষা ছাড়া জাতির স্বকীয়তা বজায় থাকে না। শিক্ষা একটি দেশ বা জাতির সার্বিক উন্নতির জন্য অপরিহার্য। জাতীয় উন্নয়নের পূর্বশর্ত হলো দেশের জনগোষ্ঠীকে সুশিক্ষিত করে গড়ে তোলা এবং নিরক্ষতার অভিশাপ থেকে জাতিকে বাঁচানো। তবে যে কোন শিক্ষা একটি জাতির জন্য কল্যাণকর হতে পারে না। যেমন কল্যাণ বয়ে আনছে না লর্ড ম্যাকলে (ব্রিটিশদের) প্রবর্তিত সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থা।
আফ্রিকা মহাদেশের ঘানার বিখ্যাত বুদ্ধিজীবি ও পন্ডিত যিনি এক সময় ঘানার প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন সেই ড. কুফি বুসিয়া আফ্রিকান দেশসমূহের শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে বলেছিলেন, বিদেশী শিক্ষা ব্যবস্থা অনুসরণ করে স্বাধীন অবস্থায় যদি আমরা অগ্রসর হই তাহলে আমাদের সমূহ ক্ষতি হবে। এই কারণে ক্ষতি হবে যে আমরা স্বধীনতার তাৎপর্য অনুভব করতে পারবো না এবং প্রবর্তিত শিক্ষাধারার অনুসরণে আমরা জীবনকে নিয়ন্ত্রিত করবো যার ফলে জীবনের যথার্থ পরিস্ফুটন ঘটবে না। তিনি সে জন্য চেয়েছিলেন, আফ্রিকার মানুষের প্রয়োজনের ও তাদের ইচ্ছের ভিত্তিতে ও ঐতিহ্যের আলোকে তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে উঠুক। বুসিয়ার মন্তব্যটি আমাদের জন্য তো বটেই, পুরো বিশ্বের স্বাধীন জাতিসমূহের বেলায় প্রযোজ্য। স্বাধীনতার ৩৮ বছর পেরিয়ে গেলো কিন্তু জাতির জন্য কল্যাণকর শিক্ষ ব্যবস্থা আজও চালু হলো না।
ক্ষুধা নিবারণের জন্য খাদ্যের প্রয়োজন, তাই বলে যে কোন বস্তু ভক্ষণ করা বা খাদ্য হিসেবে আহার করা শরীরের জন্য মোটেই কল্যাণকর নয়। কুখাদ্য গ্রহণ করলে দেহে নানা রোগের জন্ম হয়। যেমনি আদর্শ নৈতিকতা বর্জিত ও কারিগরি বিজ্ঞান ভিত্তিক শিক্ষা ছাড়া অপরিকল্পিত শিক্ষা আদর্শ নাগরিক তৈরীতে তথা দেশ গড়ার খাদেম তৈরীতে চরমভাবে ব্যর্থ হয় এবং তেমনি সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে নানাবিধ অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি ও জটিল সমস্যার সৃষ্টি করে।
* শিক্ষা কাকে বলে?
সফলভাবে মানুষের চাষ করার মাধ্যমটা হলো শিক্ষা আর পদ্ধতিটা হলো শিক্ষা ব্যবস্থা বা শিক্ষানীতি। মহাকবি আল্লামা ইকবালের মতে 'মানুষের খুদী বা রূহকে উন্নত করার প্রচেষ্টার নামই শিক্ষা।' কবি রবী ঠাকুরের মতে 'মানুষের অন্তর্নিহিত গুণাবলীর উন্নতি ও বিকাশ সাধনই শিক্ষা'। সক্রেটিস কিংবা তার শিষ্য প্লেটোর মতে, 'নিজেকে জানার নামই শিক্ষা।' মিশরীয় দার্শনিক প্রফেসর মুহাম্মদ কুতুব এর মতে 'শিক্ষা হলো বস্তুজীবন, পার্থিব জীবন ও আত্মিক জীবনের সমন্বয় স্থাপনকারী একটি মাধ্যম।' মহাকবি John Milton এর মতে Education is the harmonious development of body, mind and soul. অর্থাৎ 'দেহ মন ও আত্মার সমন্বিত ভারসাম্যপূর্ণ উন্নতির নামই শিক্ষা। এ তিনের উৎকর্ষ সাধনের জন্য যে শিক্ষা সে শিক্ষাই প্রকৃত শিক্ষা।'
শরীর মন ও আত্মার সমন্বিত অগ্রগতি কোন আদর্শ (Idelogy) ছাড়া যে হতে পারে না তা একান্তভাবে সুসম্পর্ক। ইসলামের দৃষ্টিতে চিরন্তন ও শ্বাশত নৈতিক মূল্যমানের ভিত্তিতে সত্য-মিথ্যা, ভাল-মন্দ নির্ধারণের ক্ষমতা অর্জন, পরিবেশ মুকাবিলার জন্য বৈজ্ঞনিক কলাকৌশল ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের সমন্বিত ব্যবস্থাপনার নামই শিক্ষা।
মানব জাতির সংবিধান মহাগ্রন্থ আল কুরআনের সূরা বাকারার ১২৯-১৫১ আনআম-৯৭, ইমরান-৭, ১৩, রায়াদ-১৬, যুমার-৯, রায়দ-১৯, আহযাব-২১, আল আলাক-১-৫ নং আয়াত বিশ্লেষণে বুঝা যায় একজন আকৃতিগত মানুষকে গুণগত মানদন্ডে সঠিক মানুষে পরিণত করার যাবতীয় কলা-কৌশল ও পক্রিয়ার (Process) সমষ্টিই শিক্ষা।
* সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যবচ্ছেদ :
সেক্যুলার বা ধর্মনিরপেক্ষ-বস্তুবাদী শিক্ষা ব্যবস্থার আলোচনার পূর্বে সেক্যুলার বলতে কি বোঝায়? সেক্যুলার কারা? সেক্যুলার সমাজ কাকে বলে? সেক্যুলার রাষ্ট্র বলতে আমরা কি বুঝি? তা আলোচনা করার পরে সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থার সংজ্ঞা ও এ শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যবচ্ছেদ করব ইনশাল্লাহ। Secular (সেক্যুলার) অর্থ ধর্মনিরপেক্ষ ; Not concerned with religion আর সেক্যুলারিজম হচ্ছে রাজ্য, নীতি, শিক্ষা ইত্যাদি ধর্মের প্রভাব হতে মুক্ত রাখার That means the doctrine that state, morality, education, etc. should be separated from religion. (Students Favourite Dictonary by Ashutosh Dev. P. 1142)। মনিষীদের মতে Something not related with reliigion A_ev Something not controled by religion. অর্থাৎ এমন একটি বিষয় যার সাথে ধর্মের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই তাকেই সেক্যুলার বলে অভিহিত করা চলে।
* সেক্যুলার ব্যক্তি:
এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ যারা ধর্মীয় বিধানবলীর সাথে সংশ্লিষ্ট নন বা ধর্মের সাথে কোন সংশ্লিষ্টতা পছন্দ করেন না, তারাই সেক্যুলার ব্যক্তি।
* সেক্যুলার সমাজ :
এমন একটি সমাজ যেখানকার রীতি-নীতি চাল-চলন, দৈনন্দিন ওঠা-বসা ধর্মীয় বিধি বিধানের আওতায় নয় সেটিই সেক্যুলার সমাজ।
* সেক্যুলার রাষ্ট্র :
যে রাষ্ট্র ব্যবস্থার সাথে ধর্মের বিধানাবলীর কোন সম্পর্ক নেই অর্থাৎ যে রাষ্ট্র ধর্মের ধার ধারে না সেটিই সেক্যুলার রাষ্ট্র।
* সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থা:
এমন শিক্ষা ব্যবস্থা, যা ধর্মের বিষয়াবলীর সাথে সংশ্লিষ্ট নয় বা যে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধর্মের বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত করা যায় না তাই সেক্যুলার বা ধর্ম নিরপেক্ষ বস্তুবাদী শিক্ষা ব্যবস্থা।
* ধর্ম কি করে?
- দর্শন দেয়। - জীবন সম্পর্কে একমুখী চিন্তা-চেনতা দান করে। - লক্ষ্য গন্তব্য ও তা অর্জনের পথ বাতলে দেয়। - নৈতিকতার বিকাশ ঘটায়। - মানবীয় প্রবৃত্তির বিকাশ ঘটায় এবং লালন করে। - মানুষের বিবেককে শানিত করে, দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে। - মানুষের মধ্যে জন্মগতভাবে প্রাপ্ত পশুসুলভ মনোবৃত্তি (রিপু)কে অবদমিত করে, নিয়ন্ত্রণে রাখে। - মানুষের উন্নতি মর্যাদাকে নিশ্চিত করে। সূরা সেজদার ১৭-১৯ নং আয়াত তিনটির মাধ্যমে উপরের আলোচনার উত্তর (তথ্য) আমরা পেতে পারি, অর্থ: তারপর কেউ জানে না তাদের কাজের পুরস্কার হিসেবে তাদের চোখের শীতলতায় কি সরঞ্জাম লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এটা কি কখনো হতে পারে, যে ব্যক্তি মুমিন, সে ফাসেকের মতো হয়ে যাবে? এ দু'পক্ষ সমান হতে পারে না। যারা ঈমান এনেছে এবং যারা সৎ কাজ করেছে তাদের জন্য তো রয়েছে জান্নাতের বাসস্থান। আপ্যায়নের জন্য তাদের কাজের প্রতিদান স্বরূপ।'
* সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যবচ্ছেদ : সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থার সংজ্ঞা আলোচনা করতে গিয়ে আমরা ধর্ম কি করে তাও আলোচনা করেছি। সংক্ষেপে এবার সেক্যুলার শিক্ষা সংস্কৃতির অবস্থা (স্বরূপ) দেশে দেশে কি অবস্থায় আছে তা জেনে নিই। শিক্ষা ও সংস্কৃতি একে অপরের সাথে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িত। বস্তুবাদী শিক্ষা ও অপসংস্কৃতির ম্যানুফ্যাকচারার ও রফতানী কারক চীন, রাশিয়া, ইতালীর কয়েকটি ঘটনা (জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা? ইসলামী দৃষ্টি ভঙ্গি পৃষ্ঠা ২৭-৩০ দেখুন) উল্লেখ করা হয়েছে বাছাই করে।
ডজন ডজন দেশ আছে যে সব দেশের আর্থিক অবস্থা খারাপের কারণে ঋণ সাহায্য, ফি সাবীলিল্লা নির্ভর দিন যাপন করে এমন সব সেক্যুলার রাষ্ট্র ও অপসংস্কতির সয়লাবে হাবুডুবু খাচ্ছে। বাংলাদেশ অপসংস্কৃতিতে কিভাবে নিমজ্জিত, তা বর্ণনার অতীত। কোন কোন ক্ষেত্রে হয়তো পশ্চিমা দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে দেওয়া হচ্ছে না, সামাজিক পরিবেশ বাধা দিয়ে রেখেছে। কিন্তু দু’চারটা ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকলেও অপসংস্কৃতির বাদবাকী ক্ষেত্রগুলোতে বাংলাদেশ গর্বের সাথে সক্রিয়। সুন্দরী প্রতিযোগিতায় নেমে গেছে, দেহ ব্যবসায়ে তো ঝাঁপিয়ে পড়েছে। লিভ/ গেট টুগেদার ও জোরে শোরে চলছে। গর্ভপাত বছরে ৮ লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে, জারজ সন্তানের সংখ্যা বাড়ছে, পর্নোগ্রাফীতে যুব সমাজ ডুবে গেছে। এসবের শিকার শিশু, কিশোর, যুবক প্রোট, কিশোরী-যুবতী সকলে। শিশুর মন, মানস, স্বাস্থ্য, শিক্ষার প্রতি আমরা প্রত্যেকেই বিশেষ নজর রাখি এবং সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকি এজন্য যে শিশু বয়সটা পার হলেই সে কিশোর, আর কিশোর বয়সটা পার হলেই সে যুবক হয়ে যাচ্ছে। সুতরাং মানব সম্পদের ভিত্তি হলো শিশু। শিশুকে যদি সুন্দরভাবে গঠন করা যায় তাহলে তার যুবক বয়সে সে যেমন ভাল স্বাস্থ্যের অধিকারী হবে তেমনি হবে ভাল চরিত্রের একজন যুবক। এভাবে যদি একটি জাতীয় যুব সমাজকে গড়ে তোলা না যায় তাহলে দেশে তেলের দশ বিশটা বা সোনা হীরকের পাঁচ দশটা খনি আবিস্কৃত হলেও দারিদ্রের মোচন হবে না। এসবকে ধরে রাখতে হলে, এ সম্পদের সংরক্ষণ করতে হলে এসবের উৎকর্ষ বৃদ্ধি করতে গেলে নিবেদিত, স্বাস্থ্যবান, নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত তথা চরিত্রবান যুব সমাজ অত্যন্ত জরুরী। আমাদের জন্য দরকার 'কথা নয় কাজ, মঞ্চ নয় মাঠ'
আর কবির ভাষায়; আমাদের দেশে সেই ছেলে কবে হবে? 'কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে। 'যে দেশের সরকার জাতিকে সত্যিকারের উন্নতির দিকে নিয়ে যেতে চায় তারা যুব সমাজের দিকে দৃষ্টি দিতে বাধ্য, আর যে দেশের সরকারের মধ্যে এই চেতনাবোধ নেই, সে দেশের যুব সমাজ চরিত্রহীন ও মেরুদন্ডহীন হয়। এ সব দেশের ললাটে দুর্ভোগ ভোগই অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠে। (চলবে...)



সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৫
৯টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×