আমার প্রিয় পোস্ট
- @ সর্বযুগের সর্বাধুনিক জীবনপদ্ধতির নামঃ ইসলাম(১) - ফজলে এলাহি
- ইস !!!যদি হতাম মেয়ে!!!
- ডিজিটাল দুষ্ট ছেলে
- ফটোগ্রাফির কিছু কথা - বিবর্তনবাদী
- আমার বাংলা ভাষা ! মায়ের ভাষা রক্ষার জন্য এবং নবপ্রজন্ম কে রক্ষার জন্য এখনই উদ্যোগী হওয়া দরকার। নইলে এই রক্তাক্ত ইতিহাসের যবনিকাপাট ঘটতে পারে। আ"মরি বাংলা ভাষা! - রাজনীতি
- ইন্টারনেটে বাংলা ভাষা ও ইউনিকোড - রাজন সান
- ফ্রি এসএমএস পাঠান পৃথিবীর যেকোন মোবাইলে যতখুশি ইচ্ছা!!

- ইসানুর
- ফ্রীতে নিজের একটা সাইট করুন ডমেইন সহ সবেই ফ্রী... - নিঃসঙ্গ
- যারা অনুবাদকৃত কোরআন এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের ভালো WebSite Link চান, তাদের জন্য

- কঠিন চিজ
- যাকাত নির্দেশিকা - গোল্ডেন বাংলাদেশ
- 'অথর্ব-মিথ্যা' পরাজিত 'সত্য-শ্বাশত্বের' কাছে
(ফারুক সাহেবকে আমন্ত্রন) - একটি কাউন্টার পোষ্ট - মোহাইমেন
- বঙ্গবন্ধু জুমার নামাজের খুতবায়ও নাজিল হতে যাচ্ছেন !!! - নিরপেক্ষ চিন্তা
- কিশোরদের জন্য হৌক সাধারণ মোবাইল, নেট ব্যাবহারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ বা অভিভাবক নিয়ন্ত্রিতঃ পর্ণগ্রাফির কুপ্রভাব প্রসঙ্গে - বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
- মুসলিম কি করিয়া ধর্মনিরপেক্ষ হয়? এমনকি অন্যরা? - পাললিক মন
- বাংলা বানান পরীক্ষক ১.৩.১ - jewelosman
- আব্দুল জলিলের স্বীকারোক্তি - মো. আরাফাতুল ইসলাম
- বাংলা বানান নিয়ে যারা সমস্যায় আছেন, তাদের জন্য - ত্রিভুজ
- কেমন আছে সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশী নারী শ্রমিকেরা? - ডিজিটাল দুষ্ট ছেলে
- জেনারেল আযমী কর্তৃক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. আলাউদ্দিনের প্রতি চ্যালেঞ্জ - ইবনে সালাম
- ফ্রীতে নিজের একটা ওয়েবসাইট তৈরি করুন !!

- ইসানুর
- সিয়াম কেন ফরজ হল ? - বাবু>বাবুয়া>বাবুই
- ইসলামী শিক্ষা দিবসের কিছুটা ইতিহাস - ভালো
- বাংলাদেশী যাবতীয় সরকারী ওয়েব সাইটের লিংক - অভয়ারণ্য
- বাংলাদেশী ধাতব মুদ্রার সচিত্র ইতিহাস - তুষারপাত
- বাংলাদেশী মুদ্রার সচিত্র ইতিহাস - তুষারপাত
- ইসলাম এর প্রারম্ভিক ক্রমানুপঞ্জি - জুহো.
- যৌনতা বিষয়ক ভাবনা ০৪ - অপ বাক
- প্রসংগ সেক্স থিম পার্ক: দক্ষিণ কোরিয়া, লন্ডনের উত্তরসুরি হচ্ছে চায়না - রিয়াজুল ইস্লাম
- "প্রবাসে ঈদ উদযাপন" - রুধীণ
- কি চমৎকার দেখা গেলো - হারুনুর রশীদ ইউসুফী
- পবিত্র শবে মেরাজ। - সিটিজি৪বিডি
- আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠার ইসলামি পদ্ধতি (পর্ব -৪) - ন্যায় পথিক
- যুগ যুগান্তরে যৌনতার রূপ - বিধান রিবেরু*
- অশ্লীল সাহিত্য থেকে নীলছবি; পর্নোগ্রাফির বিবর্তন, শেষ পর্ব - ফাহমিদুল হক
- চলচ্চিত্রের শৈল্পিক যৌনদৃশ্য বনাম বাংলা ছবির অশ্লীলতা - রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র
- সহীহ মুসলিম মতে গোলাম আজম, নিজামি, মুজাহিদ, সাইদী এবং অন্যান্য জামাতিদের ইমানের স্তর। - হ্যারি সেলডন
- পিলখানা ট্রাজিডি নিয়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট! - ঘোর
- বাইবেলে পূর্ববর্তী শ্রেষ্ঠ জাতি ইহুদীদের পরাজয়ের একটি ঘটনা... - সততার আলো
- মাইর খায় ছাত্রলীগ - মো মুজাহিদ আলম
- আমাদের বৈশাখ কি অসভ্যতা শেখায়? - রাজনীতি
- পিলখানায় অস্ত্রাগার লুটের দৃশ্য - সিসিটিভি ক্যামেরা - নুসরাত জাহান যুথি
- কুরআন ও বিজ্ঞানের আলোকে মধুর গুণ: - িদদারুল আলম বাননা
- মানবতার মহান শিক্ষকের জীবনী - সপ্তম
- আমার নাস্তিক ভাবনা(৫) : আল্লাহ কে? - কাঙ্গাল মুরশিদ
- নারী, ফুটন্ত কড়াই থেকে জ্বলন্ত উনুনে - ফাতাহ্
- চুমু নিয়ে নতুন গবেষণা - আকাশ চৌধুরী
- বাঙ্গালী নেটে কি করে (১৮+ পোস্ট)
- নাফিস ইফতেখার
- ভাষা দিবস: কিছু প্রশ্ন কিছু কথা - লুলুয়া
- ইমাম আন-নওয়াবী চয়িত "চল্লিশ হাদীস" অনলাইনে পড়ুন - ফজল
ধর্মনিরপেক্ষ মতবাদ মুসলমানদের ঈমান,আকীদা ধ্বংসকারী একটি ভ্রান্ত মতবাদ
১৭ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৪০
ধর্মনিরপেক্ষ মতবাদের পরিচয়
আল্লাহ প্রদত্ত ধর্মীয় বিধানকে মানুষের ব্যক্তি জীবনে সীমাবদ্ধ রেখে সমাজ জীবনের সকল দিক ও বিভাগকে আল্লাহ ও রাসূলের প্রভাব থেকে মুক্ত রাখার নামই ধর্মনিরপেক্ষতা (Secularism)। সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ধর্মকে পরিত্যাগ করাই এর লক্ষ্য। ধর্মনিরপেক্ষতা (Secularism) মানব রচিত একটি জীবন দর্শন বা বিধান। এ জীবন দর্শনে বিশ্ব স্রষ্টার বিধান ও আদেশ-নিষেধ প্রত্যাখান করে মানব রচিত জীবনাচার পালন করাই এর উদ্দেশ্য। তবে ব্যক্তি জীবনে কেউ যদি আস্তিক বা আল্লাহতে বিশ্বাসী হয় তাহলে সে তার ব্যক্তি জীবনে ধর্মের কিছু আচার অনুষ্ঠান পালন করতে পারবে। কিন্তু সমাজ, রাষ্ট্র তৎসম্পর্কিত যাবতীয় বিষয়ে স্রষ্টার আইন বা ধর্মের কোন সম্পর্ক থাকবে না। এ ক্ষেত্রে সমাজ ব্যবস্থা থেকে শুরু করে শিক্ষা ব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় আইন-কানুন, রাজনীতি, অর্থনীতি ইত্যাদি যাবতীয় ব্যবস্থাপনা আল্লাহ ও ধর্মের কতৃত্ব মুক্ত বা স্বাধীন রাখার নামই ধর্মনিরপেক্ষতা। অর্থাৎ ব্যক্তি জীবনে কেউ ধর্মের মূলনীতি মানলে মানতেও পারে কিংবা না মানলেও রাষ্ট্রের কিছু করার নেই। তাদের মতে আল্লাহ এ বিশ্বটা শুধু সৃষ্টি করেছেন, বড়জোর তিনি এ জগতের নিয়ম-কানুন রচয়িতা। কিন্তু দুনিয়ার জীবনে উন্নতি, শান্তি ও প্রগতির জন্য আল্লাহ বা রাসূলের কোন প্রয়োজন নেই। সুতরাং ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা গোটা সমাজ জীবনকেই আল্লাহ এবং ধর্মের অনাবশ্যক হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত রাখাকে আদর্শ বলে মনে করে। তাদের মতে ধর্ম নিতান্তই একটি ব্যক্তিগত ব্যাপার। দু' বা ততোধিক মানুষের সকল প্রকার পারস্পারিক সম্পর্ক নির্ধারণে ধর্মকে অনধিকার প্রবেশ করতে দেয়া চলে না। কেননা সমাজ জীবনে ধর্মের প্রভাব সম্পূর্ণ প্রগতি বিরোধী এবং প্রতিক্রিয়াশীলতার পরিচায়ক। আর রাষ্ট্রের মূলনীতির ক্ষেত্রে স্রষ্টার নির্দেশ থাকলেও অবস্থা ও পরিবেশ পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে তা মানা সম্ভব নয়। ধর্মনিরপেক্ষ মতবাদের এ ধারনার সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই। এখানে প্রশ্ন হলো, কোন দলিলের ভিত্তিতে তারা আল্লাহর ক্ষমতাকে ব্যক্তিগত এলাকায় সীমাবদ্ধ করেন ? আল্লাহ কি কোথাও এ বিষয় কোন ইংগিত দিয়েছেন? কোন নবীর কাছে এ বিষয় কোন ওহী নাযিল হয়েছে কি? বরং আল্লাহ ঘোষণা করেছেন, “তবে কি তারা আল্লাহর দীন ব্যতীত অন্য কিছু কামনা করে? অথচ আকাশ ও পৃথিবীর সবকিছু ইচ্ছা বা অনিচ্ছাক্রমে সবাই তাঁর হুকুমের আনুগত্য করছে এবং তাঁরই দিকে ফিরে যেতে হবে। (সূরা: ইমরান-৮৩)। অর্থাৎ সমগ্র বিশ্ব-জাহান ও বিশ্ব-জাহানের মধ্যে যা কিছু আছে সবার দীন ও জীবন বিধানই হচ্ছে এ ইসলাম। এখন এ বিশ্ব-জাহানের মধ্যে অবস্থান করে তোমরা ইসলাম ছাড়া আর কোন জীবন বিধানের অনুসন্ধান করছো? এর পরেও যদি কেউ অন্য কিছু গ্রহণ করে তাহলে সে পথ ভ্রান্ত ছাড়া আর কিছু নয়। আল্লাহ পাক বলেন, “অতএব সত্যের পর ভ্রষ্টতা ছাড়া আর কি রইলো? (সত্যকে ছেড়ে) কোথায় ফিরে যাচ্ছ? (সূরা: ইউনুছ-৩২)। এ আয়াত থেকে সুস্পষ্টভাবে বুঝা যাচ্ছে যে, এমন কিছু বিভ্রান্তকারী ব্যক্তি বা দল আছে যারা লোকদেরকে সঠিক ইসলামের পথ থেকে টেনে নিয়ে ভুল পথের দিকে ফিরিযে দেয়। আল্লাহ যদি নিজে তাঁর আনুগত্যের দাবীকে মানুষের ব্যক্তি জীবনে সীমাবদ্ধ করে না থাকেন তাহলে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের নির্দেশেই যদি আল্লাহর হুকুমকে মানুষের পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় জীবন থেকে উচ্ছেদ করা হয় তাহলে এটা কি কুফরী নয়? কোন মুসলমানের পক্ষে এধরনের নীতিমালা গ্রহণ করা কি বৈধ হতে পারে? কুরআনের ঘোষণা “আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সাঃ) কোন বিষয় নির্দেশ দিলে কোন মুমিন পুরুষ কিংবা মুমিন নারীর সে বিষয়ে (ভিন্ন) কোন সিদ্ধান্তের অধিকার থাকবে না। কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সাঃ)-কে অমান্য করলে সে তো স্পষ্টই পথভ্রষ্ট হবে।” (সূরা: আহযাব-৩৬)। “আর যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সঃ)-কে অমান্য করে এবং তাঁর নির্দিষ্ট সীমাসমূহ অতিক্রম করে, তিনি তাকে আগুনে নিক্ষেপ করবেন, তন্মধ্যে সে সদা অবস্থান করবে এবং তার জন্যে লাঞ্ছণাপ্রদ শাস্তি রয়েছে।” (সূরা: আন-নিসা-১৪)। এ থেকে সহজেই বুঝা যায় যে, ধর্মনিরপেক্ষ মতবাদ মুসলমানদের জন্যে ঈমান-আকীদাহ ধ্বংসকারী এক আত্মঘাতী ভ্রান্ত মতবাদ ছাড়া আর কিছু নয়। (চলবে..)
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ধর্ম / ইসলাম ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সিটিজি৪বিডি বলেছেন:
ধর্মনিরপেক্ষ মতবাদ মুসলমানদের জন্যে ঈমান-আকীদাহ ধ্বংসকারী এক আত্মঘাতী ভ্রান্ত মতবাদ ছাড়া আর কিছু নয়।
লেখক বলেছেন: সহমত
সৈয়দ মোহাম্মদ আলী কিবর বলেছেন:
সহমত
ব্যতিক্রমী বলেছেন:
দারুন লাগলো। পরের পর্বের অপেক্ষায়।
লেখক বলেছেন: ইনশা আল্লাহ , আসতেছে।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
আচ্ছা, আচ্ছা...আপনারা আগে পিছের আয়াত না দিয়া একটা আয়াতের ব্যখ্যা নিজের মতো করে দিলে কোনো সমস্যা হয় না তাইনা?
কিংবা একটা আয়াত যেখানে স্পষ্ট উল্লেখ আছে ধর্ম নিরপেক্ষতার বিষয়টা সেটা না দেয়াটাও জায়েজ তাইনা?
لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِيَ دِينِ
তোমাদের কর্ম ও কর্মফল তোমাদের জন্যে এবং আমার কর্ম ও কর্মফল আমার জন্যে।
”To you be your religion, and to me my religion (Islâmic Monotheism).”
কাফিরুন: ৬
লেখক বলেছেন: এই সূরাটির শানে নুযূল ও ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ পাঠ করুন, তার পর এই আয়াত দিয়ে আপনি প্রমাণ করুন, আসল ব্যাপারটি কী? ভাসা-ভাসা অর্থ পড়ে মন্তব্য করা ঠিক নয়।
সুবিদ্ বলেছেন:
secularism মানে ধর্মনিরপেক্ষতা নয়......ধর্মহীনতা......আর ব্যক্তিগত বিশ্বাসের ক্ষেত্রে ধর্মনিরপেক্ষতার ব্যাপার নিয়ে কিছু বলার নাই.....কিন্তু আমাদের রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে অবশ্যই ধর্মনিরপেক্ষতা পুন:সংযোগ হওয়া দরকার.......
লেখক বলেছেন: রাষ্ট্রীয়নীতি হিসেবে কেন ধর্মনিরপেক্ষতার প্রয়োজন বলবেন কী?
৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে কি ধর্মনিরপেক্ষমতবাদ প্রতিষ্ঠা করা কি সম্ভব?
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
আমিও সেডিই কইতেছি, আপনেও সুরা গুলা পড়েন আর সেগলার ব্যখ্যা বিশ্লেষণ গুলা মন দিয়া পড়েন। ১০৯ আয়াত, ২০০ আয়াতের সুরা থিকা খুইজা পাইতা একটা আয়াত কোট কৈরা ধর্মনিরপেক্ষতার বিরুদ্ধে বুলি দিয়েন না।
লেখক বলেছেন: আপনি কি বলতে চান যে, ধর্ম নিরপেক্ষমতবাদ কুরআনের মতবাদ?
কুরআন তথা ইসলাম পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা, সুতরাং ইসলামে ধর্মপেক্ষতার কোন স্থান নেই।
মামুনুর রশীদ বলেছেন:
এই ব্লগে ধর্ম নিরপেক্ষ মতবাদের অনুসারীই বেশি দেখা যাচ্ছে. তারা মাইনাস দিয়ে যাচ্ছে। আল্লাহর প্রিয় বান্দারা কোথায়...? আসুন কলম দ্বারা তাদের মুকাবেলা করি।
মনির হাসান বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ধর্মনিরপেক্ষতা (Secularism) মানব রচিত একটি জীবন দর্শন বা বিধান।
মানব রচিত জিনিষে যদি চুলকানি থাকে ... ইন্টারনেটে ব্লগাইতেছেন ক্যান ?
ছাদে উইঠ্যা আসমানে তাকায়া থাকেন ।
কওন'তো যায় না কখন কোন হাওয়াই অহী-মহী নাজেল হয়।
লেখক বলেছেন: আপনার হয়ত জানা নেই, যে অহীর দরজা চিরতরের জন্য বন্ধ হয়েগেছে। একথাটি বিশ্বাস না করলে যে বেঈমান হয়ে মরতে হবে!
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
যারা রাষ্ট্রধর্ম বা ধর্মীয় রাষ্ট্রর কথা বলে তারা ধর্মের শত্রু, তারা কাফের।
লেখক বলেছেন: কুরআনের দলীল কোথায়..?
কে কাফের আর কে মুসলমান , এটা বিচার কুরআন দিয়ে।
তাজা কলম বলেছেন:
ধর্ম নিরপেক্ষতা সম্পর্কে আপনার ধারণাগত ভুল রয়েছে। ধর্মনিরপেক্ষতা আর ধর্মহীনতা এক জিনিষ নয়। ইসলামের সাথে ধর্মনিরপেক্ষতার কোন বিরোধ নেই। নবীজি মক্ক্ বিজয়ের পর যে মদিনা সনদ ঘোষণা করেছিলেন তাতেও ধর্মনিরপেক্ষতার বাণী প্রতিফলিত রয়েছে।ধর্মকে ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে নির্ধারণ করাই আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষতার মুল উদ্দেশ্য। এ বিষয়ে আরো তথ্য জানার জন্য ডেইলি ষ্টারে আমার লেখা (স্বনামে) প্রবন্ধটি পড়ার জন্য অনুরোধ রইল।
Click This Link
লেখক বলেছেন: আপনি ও আমার প্রবন্ধটি ভালভাবে পড়ুন।
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা, কোথাও ইসলাম মানবেন আর কোথাও মানবেন না! এর নাম ইসলাম মানা নয়। আর এমন কথা নবীজী ও বলতে পারেন না।
"তোমাদের কর্ম ও কর্মফল তোমাদের জন্যে এবং আমার কর্ম ও কর্মফল আমার জন্যে। "
আমি ধর্ম নিরপেক্ষ ।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধর্মের পক্ষে আসার জন্য দাওয়াত রইল।
সুধাসদন বলেছেন:
পুঁজিবাদ সেতো অভিশাপ, সমাজবাদ সেতো আত্মার বন্দীশালা, জাতীয়তাবাদ সেতো সংকীর্ণতা, ধর্মনিরপেক্ষবাদ সেতো ধর্মহীনতা, ইসলামই মানবতার একমাত্র মুক্তির পথ।
লেখক বলেছেন: আপনার সাথে আমি ও একমত। ধন্যবাদ সত্য বুঝার জন্য। আল্লাহ তুমি সবাইকে সঠিক পথের সন্ধান দাও।
মেহবুব রেহমান খান বলেছেন:
যে কোনো বিষয়কে দুইভাবে দেখা যায়। একটা জ্ঞান দিয়ে, আরেকটা প্রজ্ঞা দিয়ে। আপনি ধর্মনিরপেক্ষতাকে কেবল কতিপয় উদ্ধৃতি দিয়ে দেখতছেন, তা কেবল ইসলামের কোরআন থেকে।ধর্মনিরপেক্ষতা হোক, আর ধর্মহীনতা হোক তা কেনো মানুষের ইতিহাসে আসতে গেল, সেটা ভালো করে পড়তে থাকেন, পৃথিবীর ইতিহাস ঘাটেন তাহলে বুঝে যাবেন। তবে কোরআনের যেমন ভুল ব্যাখ্যা হয়, ধর্মনিরপেক্ষতার তেমন ভুল প্রয়োগ ভুল ব্যাখ্যা হয়। তাই বলে তা মিথ্যা হয়ে গেল না। সবটা নিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতাকে বোঝার চেষ্ট করেন, বুঝবেন। কেবল কোরআনের পাতায় আটকে তা বুঝতে চাইলে বারবার ব্যর্থ হবেন। আসল ব্যাপারটা ভাই বিশ্বাস, আপনি কোরআনে বিশ্বাসী তাই তার থেকে ব্যাখ্যা করেন, তাই আপনার কাছে সব ভুল হতে বাধ্য, শুধু ধর্মনিরপেক্ষতা কেনো আরো অনেক কিছু যা আধুনিক দুনিয়া ঠিক মনে করে, তা ভুল হতে বাধ্য, কারণ আপনি কেবল কোরআন থেকে মাপতেছেন। বিশ্বাস জরুরি না তা বলছি না, কিন্তু মানুষের জ্ঞান প্রজ্ঞা দুইটাই প্রথমে অবিশ্বাস তার পরে বিশ্বাস এর ভেতর দিয়ে এগিয়েছে। মোহাম্মদ(সলেখক বলেছেন: ইসলামই একমাত্র শান্তি দিতে পারে, আপনি বিশ্বাস করেন বা না করেন। পৃথিবীর মানুষ শান্তিতে বসবাস করেছিল, রাসূলের রাষ্ট্র পরিচালনার সময় এবং খেলাফতে রাশেদার সময়। যখন মুসলমানগণ কুরআন ও সুন্নাহ থেকে দূরে চলে গেল, তখনই তাদরে জীবনে অশান্তি নেমে আসে।
মেহবুব রেহমান খান বলেছেন:
ভাই, মহানবীর নামের শেষে ইমোটিকোন ভুল করে পড়ে গছে, আমাকে দয়া করে ভুলভাবে নেবেন না,আমি স: লিখতে প্রবৃত্ত ছিলাম, : এর পর ) দিলে এটা যে হয়, তা জানা ছিল না বিধায় দুখ প্রকাশ করছি। আমার নিয়্যত শুদ্ধ ছিল। আশা করি বুঝবেন।
মনির হাসান বলেছেন:
খাইছে ... ওহীর দরজা বন্ধ হয়া গেছে । তাইলে কি আর করবেন, নাকে ত্যাল দিয়া ঘুমান ... যেই ওহি চোদ্দশ বছর আগেই "আসা" বন্ধ কইরা দিছে ... সেইটারে লয়া লাফালাফি করা বিশেষ কামের লক্ষন না ।
ইন্দ্রধাম বলেছেন:
ভাই মামুন, আপনার লেখার জন্য ধন্যবাদ। আরও ইসলামের কথা লিখবেন এবং নাস্তিকদের ভ্রান্ত ধারণা ভেঙ্গে দেবেন এই প্রত্যাশা রইলো- আর ধন্যবাদ রইলো- ভাই মামুনুর রশীদের জন্য। সকল অশ্লিলতা ও নাস্তিকতা নিপাত যাক---
একটি সুন্দর পৃথিবীর প্রত্যাশায়--
ভালো থাকবেন মামুন ভাই- আল্লাহ হাফেজ।
বিদিশা বলেছেন:
কিছু অসুস্থ অপ্রকৃতিস্থ লোক আছে ব্লগে যাদের কাজ হলো অশান্তি তৈরী করা। বিতর্ক সৃষ্টি হতে পারে জেনেও তারা এই রকম পোস্ট দেয়। এত বই, এত রেফারেন্স, এত অনুবাদ ঘাটাঘাটি করে তারা অথচ এটা বুঝে না যে, জোর করে মানুষের চিন্তা বদলে দেয়া যায় না। গোয়ার্তুমী করে মূর্খেরা। কোন সৃষ্টিশীল চিন্তা মাথায় না থাকলে পোস্ট দেয়ার দরকার নেই। কিন্তু যতসব আজেবাজে বিষয়ে বিতর্ক কেন?
লেখক বলেছেন: এটা আজে-বাজে বিষয় নয়, একজন মুসলমানের মূল বিষয় যে তিনি কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী তার জীবন পরিচালনা করবেন। আর যারা ইসলামের ধার ধারেনা তাদের কথা সতন্ত্র।
আল্লার রাসুল সবকিছু আল্লার বিধান মত করেছেন, নিজের মত করে কিছু করেন নাই। সাহাবীরা রাসুলের ইন্তেকালের পর কুরআন-হাদীস মত সবকিছু করেছেন, নিজের মত করে কিছু করেন নাই। রাসুল বিদায় হজের সময় বলেছেন, তোমরা যতদিন কুরআন-সুন্নাহ আকড়ে থাকবে, ততদিন পথভ্রস্ট হবে না। সুতরাং ইসলামে Secularism এর স্থান কোথায়?
যারা Secularism কে সাম্য আর মানবতার সাথে গুলিয়ে ফেলছেন, তারা কি ইরাক, আফগানিস্তান আর ফিলিস্তিনে গনহত্যা দেখেননি ! Secularism is the most terroist doctrine in the present world.
যারা যুক্তি দিতে পারে না, তারা গালি দেয়। এরা আবু জেহেলের উত্তরসুরী, সংখ্যায় নগন্য। তাদের জন্য তাদের কর্মফল, আমাদের জন্য আমাদের কর্মফল।
মেহবুব রেহমান খান বলেছেন:
'পৃথিবীর মানুষ শান্তিতে বসবাস করেছিল, রাসূলের রাষ্ট্র পরিচালনার সময় এবং খেলাফতে রাশেদার সময়। যখন মুসলমানগণ কুরআন ও সুন্নাহ থেকে দূরে চলে গেল, তখনই তাদের জীবনে অশান্তি নেমে আসে'এই উক্তির রেফারেন্স কি? ইসলামের ইতিহাস, ইসলামী লেখক (বিশ্বাসী, কুরআন-সুন্নাহবাদী) বাদে যদি কোনো নৈর্ব্যক্তিক তথ্যসূত্র বই পুস্তক দিতে পারেন তো ঘাইটা দেখতাম। পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম। ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: কোহান থনে পেস্ট করেছি কইয়া ফালান
লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন:
- - - - - আরো মাইনাস বলে যদি কিছু থাকে তাহলে আপনাকে তাই দিতাম। আর আপনাকে বলছি ভাই.......রিজিট হবেন না। মানুষকে মানুষ হিসেবে ভাবতে শিখুন। কোরআন হাদেসের মর্মার্থ বোঝার চেষ্টা করুন। আর অন্যান্য ধর্মের বিষয়গুলিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পড়া শোনার চেষ্টা করুন......এবং তারপর লেখুন। কিছু চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করবেন না। সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা রাখুন। এই দেশ সকলের। সকলেই সকলের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকলে, মানুষ হিসেবে ভাবলে আর কোন সমস্যাই হয় না।
লেখক বলেছেন: আমি অন্য ধর্মকে অবজ্ঞা করিনি। আর প্রচুর পড়াশোনা করেই পোস্টটি এখানে দেয়া হয়েছে। ইসলাম ধর্মই একমাত্র শ্রেষ্ঠ ধর্ম এবং বিজ্ঞান সম্মত ধর্ম। আপনি যে ধর্মের অনুসারী, আপনিও সেই ধর্মের শ্রেষ্ঠত্য বর্ণনা করুন।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
মানব রচিত জীবনদর্শন কথাটা আসলে কাঠমোল্লাগো ব্যাবসা ঠিক রাখার এক পায়তারা মাত্র!কোরান হাদিস বাদে যত যা কিছু আছে সব কিছুই তো মানব রচিত। এই যে যেমন ফাজায়েলে আমল, তাবলিগী তরিকা এইসব তো মাব রচিত। আবার নামাজের নিয়ত ঈদের নিয়ত আরবীতে এগুলান তো সব মানবরচিত। আবার শবেবরাত বা লাইলাতুল বরাত এই শব্দটা কোরান বা হাদিসে নাই। হুজুর খেজুররা খুটায় খুটায় বাইর করছে।
আবার দেখেন হিল্লা বিয়া, হুদুদ নামক ইসলামী আইন তো মানব রচিত, এগুলানের ব্যাপারে কোনো কথা কন না কেন? নাকি নিজে যেইটা কইবেন সেইটাই ঠিক আবার আপনেগো কথার একটু উল্টা কইলে সবই বেঠিক!
একটু কোরান হাদিসের আলকে মানবরচিত এইসব পালন করলে কি কি গুনাহ হইতে পারে সেইডাও জানবার চাই আর যেইসব কাঠমোল্লা শয়তান টুপি পইড়া আকাম করে, বাল্যবিবাহ করে সেইখানে ইসলাম তাদের জন্য কি ঘোর আজাব সেইটাও জানবার চাই!
জানাইলে আপনেরও সোয়াব হবে আমারও শুদ্ধপথে চলতে সুবিধা হবে!
আল্লাহ আপনেরে হেদায়েত করুক!
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
কোরানে আছে লাকুম দ্বীনকুম ওয়ালিয়া দ্বীন।
এর অর্থ আপনি নিশ্চয়ই জানেন? এটা একটা ধর্মনিরপেক্ষ কথা।
আর রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম করাটা বা সংবিধানের মাথায় বিসমিল্লা বসানো আস্ত একটা ভন্ডামো। কারণ মদীনা সনদে বা বিদায়ী হজ্জের ভাসনের শুরুতেও বিসমিল্লা নাই। তাই কোরানের আইন শুধুমাত্র মুসলিমদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য সবার জন্য নয়। কিন্তু রষ্ট্র সবার জন্য।
মনে করুন রাষ্ট্র একটা গাড়ি সেখানে যাত্রিরা যেকেন ধর্মেরই হতে পারে। কিন্তু মালিক ধর্মভেদে ভাড়া নিবে বা আচরন করবে তা হতে পারে না। সেখানে সবার ক্ষেত্রেই সমান। আর ড্রাইভার যান্ত্রিক নিয়ম মেনেই গাড়ি চালাবে, কোন বিশেষ ধর্মীয় নিয়মে নয়।
আর ধর্মনিরোপেক্ষতা বলতে ধর্মহীনতা বুঝায় না। ধর্মনিরোপেক্ষতা বলতে বুঝায় যে কে ধর্ম মানল বা না মানল রাষ্ট্র তা দেখবে না, রাষ্ট্র কোন ধর্মকে বাধাও দিবে না বা সাহায্যও করবে না। ধর্ম মানুষের ব্যক্তিগত বিশ্বাস। কোরানেও তাই বলা আছে। আপনি যদি প্রকৃত মুসলমান হন তাহলে আপনাকে তা অবশ্যই মানতে হবে। ধর্ম মানা না মানার বিষয়ে বিচার করার দায়িত্ব আল্লাহ কাউকে দেননি। এর জন্য তি ফেরেস্তা নিয়োগ করেছেন। তারা সব লিখতে আছেন, শেষ বিচারের দিনে সেই অনুযায়ী সবার বিচার হবে। তাই কে আস্তিক আর কে নাস্তিক বা কাফের এসব নিয়ে না ভেবে সব আল্লার উপর ছেড়ে দিন। তিনিই সব বিচার করবেন। আর নিজে এমন ভাবে ধর্ম পালন করুন যাতে আপনার মধ্যে এর জন্য কোন অহঙ্কার বা অন্যের প্রতি ঘৃণা না জন্মে। যদি খুবই বিচলিত হন সবাইকে হেদায়েত কররা জন্য আল্লাহর কাছে বেশী করে মুনাজাত করুন। এতে আপনার ও মানব জাতির কল্যাণ হবে।
লেখক বলেছেন: খবর আছে দ্বিতীয় পর্ব পড়ুন।
মুবাশ্বির বলেছেন:
@ নতুনের পথে অনন্ত যাত্রাঃ যাক আপনি সেই নেত্রীর মত বলেননি- লাকুম দ্বিনুকুম....... বোখারী শরীফের হাদিস! আপনার দ্বিতীয় লাইনেই অনেক বড় ভুল আছে। বুঝতে পারছেন ভুলটা কোথায়? একটু পড়ালেখা করেন আয়াতের অর্থ নিয়ে। যদি পারেন কয়েকটি তাফসীর পড়েন। আশা করি বুঝতে পারবেন আপনার ভুল কোথায়।
তিনি কোন প্রক্রিয়ায় তাদেরকে কোরআন হাদীস পড়িয়েছেন। যদি এমন হয় যে আপনি আপনার ধর্ম নিয়ে থাকবেন- অন্য কাউকে শোনাতে চাইবেন না, তাহলে কোন কথা নেই।
কিন্তু আপনার যেমন গীতা-বাইবেল-ত্রিপিটকের প্রতি এলার্জি আছে, তাদের্ও তো কোরআন হাদীসের প্রতি এলার্জি আছে। ইসলামকে আপনারা যেমন কঠিন-কঠোরভাবে উপস্থাপন করেন তাতে অন্য ধর্ম থেকে কে আপনার এই জেলখানায় বন্দী হতে আসতে চাইবে?
কিন্তু মহানবীর উদ্দেশ্য কি সেটা ছিল?
স্রস্টার উদ্দেশ্যই বা কি?
তিনি কি আপনার নামাজ-রোজা, ধর্মান্ধতা ধুয়ে পানি খাবেন। তার কি আসলেই কোন অভাব আছে যা আপনাকে দিয়ে পূরণ করতে হবে?
তার যদি সত্যিকারের কোন অভাব থেকে থাকে সেটি কি হতে পারে?
একটু কি চিন্তা করে দেখবেন?
এই পৃথিবীর মানুষের কাছে তার প্রকৃত চাহিদাটি কি?
তিনি যখন মানুষ সৃষ্টির পরিকল্পনা নিলেন- তখন ফেরেশতারা বলেছিলেন- "ওরা দুনিয়ায় অশান্তি সৃষ্টি করবে"
তিনি বলেছিলেন- "আমি যাহা জানি তোমরা তাহা জান না"
শুধু জ্ঞান নয় একটু প্রজ্ঞাটিও ব্যবহার করেন- এরপর এই দুনিয়ার মানুষের কাছে স্রস্টার কি চাহিদা থাকতে পারে? সেটি কি ধর্মকে কঠোর কঠিন নিয়মের বেড়াজালে বন্দী করে রাখা। নাকি শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য পুরো মানব জাতির কাছে উন্মুক্ত করে দেয়া। কোরআনের অনেক আয়াত সত্যিকারের প্রজ্ঞা ছাড়া অনুধাবন করা সম্ভব নয়। সেজন্যেই রাসুলের জীবনী একটু বিশ্লেষণ করা উচিৎ। তার মদীনা সনদটি একটু পড়ে দেখেন।
ধন্যবাদ। আবারো কথা হবে।
"ইসলাম ৭৩ টি ফিরকায় বিভক্ত হবে- মাত্র একটি ফিরকা জান্নাতি হবে।" এটা রাসুলের কথা। তিনি কিন্তু বলেননি সেটি কোন ফিরকা। আপনি কি নিশ্চিত আপনি সঠিক পথে আছেন?
রাসুল ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত হেরা গুহায় ধ্যান করে অহিপ্রাপ্ত হয়েছেন?
এই সময়টি তিনি আসলে কি ভেবেছেন?
তিনি কি আসলেই কোন ধর্মীয় গোড়ামী আবিস্কার করতে এত সময় দিয়েছিলেন? নাকি মানুষকে কষ্ট থেকে মুক্ত করা তার উদ্দেশ্য ছিল?
"যার প্রতিবেশী ক্ষুধার্ত থাকে তার ধর্মই নেই"- ভাই আপনার সম্পর্কে আমি জানিনা- তবে উপরের বাক্যের আলোকে আপনার ধর্ম আছে কিনা, প্লিজ প্রথমেই সেটা একটু যাচাই করে নেন।
এরপর যা বলার পরে বলব। আমার এটুকু আশা, যেন আপনাদের মনে ভাবনা-চিন্তার উদ্রেক করাতে পারি। ধর্ম দিয়ে মানুষের মনে বিভেদের দেয়াল সৃষ্টি করে রেখে- আপনারা আদৌ ধর্মের কোন উপকার করছেন কিনা, সেটা ভাবা খুব জরুরী হয়ে উঠছে।
আমিই রূপক বলেছেন:
আমাদের দেশের ৯০ শতাংশ লোক মুসলিম, কিন্তু এই দেশেই ১০০% মুসলিম এর সংখ্যা কত তা আমার জানা নেই। সেটা আল্লাহ্ জানেন। ইসলাম পৃথিবীতে এসেছে মানুষে মানুষে সম্প্রিতী রচনা করার জন্য। এই দেশের মানুষের সত্যিকার অর্থে ইসলামী শাষন ব্যবস্থার সাথে কখনো বাস্তব পরিচয় ঘটে নি। যার কারণে, ইসলামী শাষণ ব্যবস্থা কেমন সে সম্পর্কে আমাদের ভাসা ভাসা ধারণা আছে মাত্র। তবে ইসলামী শাষন ব্যবস্থা কায়েম করার জন্য একটা দেশের ৯০% লোক নামে মুসলিম হলে চলে না। কর্মেও হতে হবে। তা না হলে এ দেশে ইসলামী শাষণ ব্যবস্থা কায়েম করা সম্ভব নয়। আর এ দেশে ইসলামকে স্বার্থের জন্য কাজে লাগায় এমন মুনাফিকের সংখ্যাই বেশি। ইসলামী শাষন ব্যবস্থা কায়েম করলেও যদি সেই ক্ষমতা চলে যায় এইসব মুনাফিকদের হাতে তাহলে অবস্থা আগের মতই খারাপ থাকবে। আগের থেকে খারাপও হয়ে যেতে পারে।
আশিক হাসান বলেছেন:
বাইবেলের নিউ স্টেটসম্যান্ট এর Matthew 22:21 এ যীশু খ্রীষ্টের একটি চমকপ্রদ ঘটনা আছে ।সেখানে বর্নিত আছে একবার যীশুকে ফাঁদে ফেলার জন্য রোমান সম্রাট সীজারের দুজন গুপ্তচর তাঁর কাছ এসে জিজ্ঞেস করলো সীজার কে, কি তার প্রাপ্য ট্যাক্স দেওয়া উচিত ? জবাবে যীশু খ্রীষ্ট তাদের মতিগতি বুঝে বললেন একটি দীনার বা কয়েন এনে দিতে তারা একটি কয়েন এনে দিলে যীশু খ্রীষ্ট সেটার গায়ে কার ছবি মুদ্রিত আছে প্রশ্ন করলে তারা বললো সীজারের ছবি মুদ্রিত আছে । তখন তিনি প্রতিউত্তরে বললেন যা সীজারের প্রাপ্য সেটা সীজারের আর যেটা বিধাতার প্রাপ্য সেটা বিধাতার জন্য । এই শেষের মন্তব্যটি বেশ তাৎপর্যপূর্ন যার ব্যখ্যায় আমি পরে আসছি ।এবার আসা যাক ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে কিছু ধারনা আগে থেকেই পরিষ্কার করে নেয়া। ইসলাম আসলে কি ? ইসলাম কি শুধুই আর দশটা ধর্মের মত একটি আচার সর্বস্ব ধর্ম নাকি এই ইসলাম একটি পরিপূর্ন জীবন বিধান । আসুন কোরআনের আয়াতে আমরা কি দেখতে পাই এ সম্পর্কে ।
বিদায় হজ্বে হযরত মুহাম্মদ (সা)-এর বক্তব্যের শেষে আল্লাহ কর্তৃক ওহী নাযিল হলো, “আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ করলাম ও তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহকে সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দ্বীন হিসেবে মনোনীত করলাম।” [সূরা আল মায়িদা : ৩]।”
এই দ্বীন অর্থাৎ ইসলামের বাহ্যিক কিছু আচার আচরণ আছে অন্যান্য ধর্মের মত যেমন সালাত, সাওম, হজ্ব ইত্যাদি । এখন এই বাহ্যিক আচার আচরন পালন করলেই কি ইসলাম ধর্ম পালন হয়ে গেল ।এখানেই তাফাৎ টা পরিষ্কার হয়ে উঠে অন্য ধর্মের সাথে ইসলামের । একজন মুসলিম সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত তাকে প্রতিটি পদক্ষেপে অনুসরন করতে হয় ইসলামের বিধান গুলো । তাই ইসলাম একটি আচার সর্বস্ব ধর্ম নয় বরং একটি জীবন বিধানও বটে ।
এখন আসা যাক ধর্মনিরেপেক্ষতা এবং ইসলামের সহবস্থানের বিষয়টি । আলোচনার শুরুতে আমি এখানে একটি কথা বলে রাখি আমার আলোচনা শুধু আমি সেই রাষ্ট্রের বিষয়ে বলতে চাই যে রাষ্ট্রে বাংলাদেশের মত অধিকাংশ জনগন মুসলিম। অন্যান্য রাষ্ট্রের বিষয়ে এই আলোচনা সামন্জস্য নয়।
প্রথমেই আসা যাক ধর্ম নিরেপেক্ষতা বা সেক্যুলারিজম রাষ্ট্রের ধারনা কোথা থেকে এসেছে । সেক্যুলারিজম এর উদাহারন আমরা পূর্বেই লেখেকের কাছ থেকে পেয়ে গেছি সেখান আমি তাই যাবনা । এই সেক্যুলারিজমের ধারনা আমরা মূলত পশ্চিমা বিশ্বের কাছ থেকে পেয়েছি এবং এই ধারনার সূত্রপাত কয়েকশ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে খ্রীষ্টান রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে গড়ে উঠেছে । যখন থেকেই তাদের রাষ্ট্র এবং চার্চের মধ্যে বিভিন্ন বিরোধ তৈরী হতে লাগলো তখন থেকেই এই ধারনার উৎপত্তি।এবার আসা যাক আমার মন্তব্যর শুরুতে দেয়া বাইবেলের ঘটনাটি এখানে শেষের মন্তব্যটি অর্থাৎ
" Render unto Caesar the things which are Caesar’s, and unto God the things that are God’s” (Matthew 22:21)"
যীশুর এই মন্তব্যর উপর কেন্দ্র করে খ্রীষ্টান রাষ্ট্রে চার্চ কে রাষ্ট্রের প্রশাসনিক যন্ত্র থেকে দূরে সরিয়ে একে আত্মিক বা ধর্মীয় একটি খোলসে আবৃত করা হয় । এবং চার্চের জন্য আলাদা বিধিমালা এবং নিয়ন্ত্রন ক্ষমতা দেয়া হয় একই ভাবে রাষ্ট্রের ও আলাদা ক্ষমতা দেয়া হয় । এবার আসা যাক আমাদের মত একটি সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্রের বিষয়ে।
ধরে নিলাম ধর্ম নিরেপেক্ষতাই আমাদের রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি হবে । এখন রাষ্ট্র যখন ধর্ম নিরেপেক্ষতা কে বেছে নিবে রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে তখন ষ্বাভাবিক ভাবেই এই রাষ্ট্রের ধ্যানধারনা সবকিছু পশ্চিমা বিশ্বের অনুসৃত ধর্মনিরেপেক্ষ রাষ্ট্রের মডেলেই গড়ে উঠবে এবং এখন যেমন বর্তমানে আমরা তার বাস্তব প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছি । এবার আসা যাক রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাটির বিষয়ে । এই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা খুব স্বাভাবিকভাবে সূদী অর্থর্নৈতিক ব্যবস্থাকে অনুসরন করবে এখন যেমন করছে রাষ্ট্রীয় ব্যাংক সহ অধিকাংশ ব্যাংক । এই সূদি ব্যবস্থা যদিও বাংলাদেশের সংখ্যালঘিষ্ঠ অন্যান্য ধর্মাবলাম্নীদের জন্য কোন সমস্যার সৃষ্টি না করলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনসাধারনের জন্য বড় একটি সমস্যা । কারন তাদের ইসলাম ধর্মে সূদ দেয়া এবং নেয়া দুটোই নিষেধ ।
এখন প্রশ্ন তারা তাহলে সেক্ষেত্রে কি করবে ? আপনি বলবেন মুসলমান জনসাধারনের জন্য তো সরকার আর বিধি নিষেধ জারী করছেনা তাদের জন্য রয়েছে শরিয়াহ মোতাবেক ইসলামী ব্যাংক সেখানে গেলেই তো ল্যাঠা চুকে যায় ।
মেনে নিলাম আপনার সির্ধান্ত সমস্ত মুসলিম জনসাধারন অর্থাৎ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগন তাদের ধর্মে বিধি অনুযায়ী ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক তাদের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা অনুসরন করতে লাগলো । এখন তাহলে দেখেতে পাচ্ছি বাংলাদেশের মত একটি রাষ্ট্রে দুটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সমান্তরালে চলমান একটি সংখ্যালঘিষ্ঠ বিধর্মীদের অনুসৃত সূদি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা আরেকটি সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনসাধারনের অনুসৃত ইসলামী শরিয়াহ ব্যবস্থা ।
এখন আমার প্রশ্ন যদি এই প্রদেয় বিধান চলমান থাকে তাহলে রাষ্ট্র তার অধিকাংশ জনসাধারনের অনুসৃত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কে রাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যবস্থা হিসেবে অনুসরন না করায় তাদের ধর্মীয় অধিকারকে ক্ষূন করছে । এখন একটি রাষ্ট্রর প্রধান উপাদান গুলো যদি চিন্তা করি তাহলে দেখতে পাই একটি রাষ্ট্র মূলত গড়ে উঠে এর জনসাধারন,সীমানা সার্বভৌমত্ব ইত্যাদি বিষয়গুলি নিয়ে । এখন একটি রাষ্ট্র কিভাবে তার অধিকাংশ জনগনের পছন্দনীয় বিষয়কে উপেক্ষা করে চলতে পারে একটি রাষ্ট্র হিসেবে সেটা একটি প্রশ্নের বিষয় ।
আবার আসা যাক উপরের বক্তব্যকে মেনে নিয়ে যদি রাষ্ট্র তার অধিকাংশ জনগনের মতামতাকে মূল্য দিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে শরিয়াহ মোতাবেক চালিত করে । সেক্ষেত্রে কিন্ত সেক্যুলারিজম বা নিরেপেক্ষতা বিষয়টি আর ধোপে টিকবেনা ।
এখন আমার প্রশ্ন তাদের কাছে মূলত যারা মুসলিম নাম ধারন করে , ইসলাম কে ধর্ম হিসেবে মেনে নিয়ে কিভাবে একটি মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্রে এই সেক্যুলারিজম কে রাষ্ট্রের সাথে সংযুক্ত করবেন ।
উদাহারন স্বরুপ আমি এখানে শুধু অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কথা উল্লেখ্য করেছি এরকম আরো উদাহারন দেয়া যেতে পারে । কিন্ত সেগুলো দিয়ে মন্তব্যকে আরো দীর্ঘায়িত করার ইচ্ছে নেই আপাতত।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















