আমার প্রিয় পোস্ট
- রাহেলার মায়ায় জামসিং'র টেউটিতে - ফয়সল নোই
- ভুনা মাংসে পাল্টে যাওয়া জীবন - নাঈম আহমেদ
- মিশন শাহসাবের বিরিয়ানী এবং শাহসাব বাড়ি বাজারের মতি মিয়ার বিখ্যাত ফালুদা(একটি ভোজন সংক্রান্ত পোস্ট) - শিশির সিন্ধু
- নারী নির্যাতন, আমাদের সমাজ, আর শত-সহস্র রুমানা - আম-আঁটির ভেঁপু
- জলহস্তী - অতন্দ্র তওসিফ
- কম করে ৫০টি ইভটিজিং করে আমি ৫০টি কিশোরীর লাশের মিছিল দেখতে চাই ;আমি শ'খানেক খুন করার আগে মরতে চাইনা - চলমান কলম
- অসীম সাহসী ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর - আরিফুল শাকিল
- প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : যার নিরেট দেশপ্রেমের স্বাক্ষী দেয় সিআইএ'র সিক্রেট টেলিগ্রাম ০৩২৫/০৯৫০Z.....এবং অনেক অজানা কথকতা....... - দাসত্ব
- ব্লগার মাহবুব মতিনের মৃত্যু; ও বন্ধু আমার! - ফয়সল নোই
- মার বদি আলম মার,তোরে মারলে তু্ইও মার না পারলে পাত্তর মার কিংবা চন্দ্রিমা উদ্যানের সেই বেশ্যা(?) - সত্য সন্ধানী আমি
- তাজহাট প্যালেস, নয়নাভিরাম এক মিউজিয়াম....... - রেজোওয়ানা
- পোড়া গলিতে, পোড়া চোখে, পোড়ো মনে - অন্যমনস্ক শরৎ
- রাজনীতিবিদরা ব্লগে এলে যা যা ঘটতে পারে... - ফিউশন ফাইভ
- জন্ম স্তুতি - আকাশ অম্বর
- রাহেলা বিষয়ক দু'টো তথ্য - ফয়সল নোই
- রাহেলার মৃত্যুকালীন ঘোষণা - ফয়সল নোই
- রাহেলা হত্যা মামলার নিখোঁজ আলামত ও অন্যান্য দলিল - ফয়সল নোই
- আলামত সংরক্ষিত নেই বলে রাহেলার খুনিরা পার পেয়ে যাচ্ছে... - ফয়সল নোই
- চৌদ্দগ্রাম শাখা ব্র্যাক অফিসে খুন রিক্সা চালক আব্দুর রশিদের সন্তানদের মুখ - অণৃণ্য
- আমাকে তুমি অশেষ করেছো - সোহায়লা রিদওয়ান
- স্মৃতির পাতা জুড়ে প্রিয় চৌধুরী জাফরুল্লাহ শরাফত - সীমান্ত আহমেদ
- এক , দুই বা পাঁচ টাকার অর্থহীন গল্প - মেহরাব শাহরিয়ার
- সাংবাদিকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ....! - মানবী
- মোনাজাত উদ্দীন - আমাদের চারণ সাংবাদিক - আপনার জন্য ভালবাসা - মোস্তফা আমিন
- "গণহত্যা": এ্যান্থনি মাসকারেনহাসের অবশ্যপাঠ্য প্রতিবেদন (বিদেশী পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধ, পর্ব ৩০) - ফাহমিদুল হক
- একটি পংক্তির জন্য - প্রণব আচার্য্য
- অনেক দিন পর আবার active হচ্ছি... - মুতাসিম
- যায় না পোড়ানো ভালোবাসা - শেখ জলিল
- আবার আসিলাম ফিরিয়া
- নাদান
- প্রিয় কবিতা-৪// পূর্ণেন্দু পত্রী (বাসরঘরে ঢোকার সময় যাকে ফেলে এসেছিলে পোড়া ধূপের পাশে ) - শফিউল আলম ইমন
- গণহত্যার ছবি : নূরুল উলা - হাসিব
- ফিনিক্সের জীবন! - মানবী
- আফ্রিকার পাহাড়ী অরণ্য আর কালো মানুষের কথা (পর্ব-১) - আশিক হাসান
- কষ্টও রঙ বদলায় - মৃন্ময় আহমেদ
- মায়াবতীকে...... - মাহবুবা আখতার
- মা..! আমার মা..!(উত্সর্গ- মানবী ! আপনার জন্য পুনঃ পোষ্ট)! - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- সে আসে সে যায় - কালপুরুষ
- মুক্তিযোদ্ধাদের শপথ - অমি রহমান পিয়াল
- আদল - কালপুরুষ
- ব্যবধানে ব্যবধান - এহেছান লেনিন
- প্রণমী তোমায় - কালপুরুষ
- স্থিরচিত্র - ফয়সল
- ১৯৭১ :: কিভাবে দেখে পাকিস্তানী তরুন-তরুনীরা - অরূপ
কি জাদু করিয়া বন্ধে মায়া লাগাইছে.!
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৩৭
মানুষের বিভিন্ন রকমের সখ থাকে, কারো কারো সখ আবার বিচিত্র। অনেক ক্ষেত্রে কোন সখ নেশা হয়ে উঠে। আমারও বেশ কিছু সখের কাজের মাঝে একটি অনন্য হয়ে উঠেছে, মনে হয় নেশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছি!
বেশ অনেক বছর আগে নিজের অজান্তেই এই সখের বীজ বপিত হয়ে গেছে মনে। এখন এমন নেশার মতো হয়ে গেছে যে কিছু দিন না পেলেই মনে হয় কি যেন নেই! এক ধরনের শূণ্যতার সৃষ্টি হয়!
সমুদ্র আমার কাছে নেশার মতো, প্রতি বছর যেতেই হবে, সম্ভব হলে একাধিকবার। অসংখ্য না হলেও বেশ কিছু সৈকত দেখেছি, একেকটি সৈকতের সৌন্দর্য একেক রকম। প্রতিটি সৈকতের আছে নিজস্ব বৈশিষ্ট। আমাদের দেশের কক্স'সবাজারের মতো সমতল সৈকত যেমন আছে তেমনি আছে পাথুরে সৈকত, পতেঙ্গা সৈকতও কক্সবাজারের চেয়ে ভিন্ন।
আমেরিকার পশ্চিম উপকূলে "অরিগন" নামের স্টেটে "ক্যনন বীচ" বেশ নাম করা। এতো গল্প শুনে সেই বীচে গিয়ে আমার মন খারাপ হয়ে গেছে, সমুদ্রের পাশে বিশাল এক কালোপাথর, আমার কাছে রিতীমতো কুৎসিত মনে হয়েছে, অথচ সেই পাথর দেখতেই নাকি প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ আসে! তবে সেই বীচ থেকে দুরে যে প্রাচীন লাইটহাউজটি দেখা যায়, তাও বেশ আকর্ষনীয়।
ক্যালিফোর্নিয়ার লস এ্যন্জেলেসের বিখ্যাত 'ম্যালিবু বীচ" দেখে মনে হয়েছে আনন্দের বালুকাবেলা। ব্যস্ত একটি নগরের মাঝেই এই শহুরে বীচ! শত শত (হয়তো হাজার হাজার) মানুষের ভীড়ে সমুদ্র যেন আড়াল হয়ে যায়। সৈকতের ধার ঘেঁষে বিখ্যাত নামী দামী তারকাদের মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার মুল্যের বিলাস বহুল বাড়ি!
সৈকত যেমনই হোক, আমর তেমন ভাবান্তর সাধারনত হয়না, কারন সমুদ্রটাই মূখ্য।
সমুদ্রে দর্শনার্থীদের ভীড় প্রায় সারা বছরই থাকে, গ্রীষ্মকালে বারাবারি রকমের হয়ে যায় সেই জনারণ্য। প্রচুর মানুষ যায় সমুদ্রস্নানে, কেউ কেউ যায় সার্ফিং, স্কুবা ডাইভিং অথবা সান ট্যানিং। গরমকালে বীচ ভলি বেশ জমে উঠে। অনেকেই আবার ঝিনুক কুড়িয়ে আনন্দ পায়। শিশুরা (অনেক ক্ষেত্রে বড়রাও) মনের আনন্দে গড়ে বালির প্রাসাদ! এক বার একজন শিল্পীকে অনেক ধৈর্য্য ধরে একটি মৎসকন্যা গড়তে দেখেছিলাম! কি সুক্ষ কারুকাজ অথচ বালু দিয়ে তৈরী, একটু জোয়ার এলেই সব ধুয়ে যাবে!
আমি সমুদ্রে যাই শুধু সমুদ্র দেখতে। সমুদ্রজলে দাঁড়িয়ে, ঢেউয়ের দিকে তাকিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দিতে পারি। সেসময় যদি বৃষ্টি পড়ে তাহলে তো কথাই নেই! অনেক বছর আগে এক বৃষ্টি ঝরা সন্ধ্যায়, চাঁদের আলোয় বঙ্গোপসাগরে হাঁটুজলে দাঁড়িয়ে আবিস্কার করেছিলাম 'সমুদ্র কথা বলে', তার নিজস্ব একটি ভাষা আছে'। সেই ভাষায় কতো রকম অভিব্যক্তি!!! অনেকের কাছে মহা পাগলের প্রলাপ মনে হতে পারে, তবে আমার কাছে এটাই সত্য! সমুদ্রের সেই ভাষা আবিষ্কারের পর আমার এই নেশার শুরু।
ফ্লোরিডার "পেনসাকোলা বীচ' আমার দেখা খুব সুন্দর কয়েকটি বীচের অন্যতম। এই বীচের বালু চকের গুড়োর মতো সাদা, ছুঁলে মনে হয় সাদা কাঁচের গুড়ো হাতে নিয়ে আছি। এক পূর্ণিমায় সেখানে ছিলাম, হোটেলের রুমে বসেই সমুদ্র দেখা যায়, সারা রাত প্রচুর মানুষ জেগে কাটিয়েছে। পূর্ণিমার রাতে মনে হয় সমুদ্র জেগে উঠে, অদ্ভুত প্রানবন্ত এক রূপ ধারন করে! আমি তিন তলার বারান্দায় বসে দেখেছি, চাঁদের আলোর তীব্রতার সাথে কিভাবে একটূ একটু করে সমুদ্র তার রূপ পরিবর্তন করেছে, সৌন্দর্যের এক আসাধারন খেলা। কিছু জোৎস্না পাগল অথবা সমুদ্র পাগলে ছেলে মেয়ে প্রায় সারারাত সৈকতে হাঁটাহাটি করে, বসেই কাটিয়েছে। পেনসাকোলা বীচের কিছু হোটেল এক দম সমুদ্র ঘেঁষে, জোয়ারের সময় মনে হয় সমুদ্র এসে যেন হোটেলের পা ধুয়ে দিয়ে যায়।
আমার এই নেশা দেখে অনেক বন্ধু বান্ধব, পরিচিতজন পূর্ণিমা রাতে সমুদ্র দর্শনে চলে গেছেন, ভাষা বুঝতে না পারলেও নিখাদ ভালোলাগা আর গভীর আনন্দ নিয়ে ফিরেছেন।
এতোদিন পর হঠাৎ এমন লিখছি কারন কয়েকদিন আগে আমি আমার একটি সৈকত খুঁজে পেয়েছি। ঠিক করেছি, বার বার ফিরে আসবো এখানে, যতোদিন যতোবার সম্ভব।
শহর থেকে দুরে প্রশান্ত মহাসাগরের পারে একটি বীচ, এমন ভাবে সংরক্ষিত যে সদ্যজাত শিশুর মতোই নিমর্ল আর নিখাদ। সুনামী থেকে রক্ষার উদ্দেশ্যেই হোটেলগুলো বীচ থেকে কিছুটা দূরে, পেনসাকোলার মতো একেবারে সাগরের গা ঘেঁষে নয়।আমি যাই কেবল সমুদ্র দর্শনে, অন্যকিছুর কথা সেভাবে মনে হয়না, তবে এখানে কিছু জিনিস ভাবিয়েছে। সমুদ্রের পাশে ক্যাম্পিং গ্রাউন্ড, প্রচুর মানুষ গাড়ির পাশে তাবু গেড়ে কাটিয়ে দিচ্ছে তিন চার দিন! সৈকতে গাড়ি নিয়ে ড্রাইভ করছে(অবশ্য অনবরত পুলিশ টহল দিচ্ছে, কারো গাড়ি আটকে গেলেই ফাইন করবে), ঘোড়ার মালিক ১৫/২০ টি ঘোড়া নিয়ে ব্যবসা খুলে বসেছে, মানুষ ঘোড়ায় চড়ে সৈকতে ভ্রমন করছে। দুজন কিশোরীকে বেশ দক্ষ হর্সরাইডার মনে হলো, সৈকত ছেড়ে কিছুটা পানিতে জোরে ঘোড়া ছুটিয়েছে!
সবচেয়ে ভালো লেগেছে, একটি পরিবার ক্যাম্প গ্রাউন্ড ছেড়ে একেবারে সমুদ্রের কাছে এসে তাবু খাটিয়েছেন। তাঁদের দেখে কিছুটা ঈর্ষা আর কিছুটা অনুতাপের মিশ্র অনুভূতি, ভাবা যায়, সারা রাত সমুদ্রের এতো কাছে বসে কাটিয়ে দেয়া! এখানে এসে জেনেছি কতো সুন্দর আর গভীর ভাবে সমুদ্র উপভোগ করা যায়, আর সেই আকর্ষনে শীঘ্রই ফিরতে হবে। তবে, পরিবার পরিজন, আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধবের বড় দল নিয়ে আসা। শীত দুয়ারে এসে কড়া নাড়ছে, এবছর সমুদ্রে ঘর বাঁধার স্বপ্ন পূরণ হবে কিনা বুঝতে পারছিনা!
দিনের একেক সময়, সমুদ্রের একেক রূপ! ভোরের সমুদ্র শান্ত, স্নিগ্ধ! সৈকতে বেড়াতে আসা মানুষগুলোর আচরণও সৌম্য, শান্ত। সন্ধ্যায় সমুদ্রের আরেক রূপ! টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ছিলো, আমি দাঁড়িয়ে সমুদ্র জলে, এক সময় মনে হলো হাঁটু জল হয়ে গেছে। মন্ত্রমুগ্ধের মতো ঢেউ দেখছিলাম, এক সময় নিজের নাম শুনে পিছনে ফিরে দেখি অন্যরা চিৎকার করে ডাকছে, কেউ কেউ ছুটে আসছে, কানে আইপডের ঝংকার থাকায় শোনা যায়নি আগে। হঠাৎ অশান্ত হয়ে উঠেছে মহা প্রশান্ত, পানি অনেক অনেক বেড়েছে! নিতান্ত অনিচ্ছা সত্বেও ফিরে এলাম। কি অদ্ভুত ভালোলাগা আর বিচিত্র অনুভূতি!
প্রশান্তর পানি ছুঁয়ে মনে হলো, কে জানে হয়তো এই পানি স্পর্শ করে এসেছে আমাদের বঙ্গপোসাগরকে, হয়তো এই ছুঁয়ে যাওয়া পানিই সর্বগ্রাসী রূপ ধরে ধ্বংস করেছে ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলংকা আর ভারতের হাজার হাজার জীবন! অথচ সেই এখন কতো মানুষের শ্রান্তি দুর করছে তার নির্মল ছোঁয়ায়!
ফেরার পথে গাড়িতে উঠে মন খারাপ। আমি ড্রাইভ করছিলাম না। মনে হচ্ছিলো খুব প্রিয়, খুব কাছের কাউকে ছেড়ে আসছি, পিছনে ফিরে যতক্ষণ দৃষ্টিসীমায় ছিলো সমুদ্রকে দেখেছি। আমার মন খারাপের কারনে গাড়ির পরিবেশও থমথমে! অপ্রশস্ত পথের দুধারে গাঢ় সবুজ ঝাউবন; লাল, হলুদ, নীল বেগুনী বুনো ফুল ফুটে আছে সেই বনের পায়ের কাছে। আর কিছু দুরে প্রকৃতিতে হেমন্তের সেই বিখ্যাত রূপ ধারন শুরু হয়েছে, গাছের পাতায় বিভিন্ন রঙের আভা! তারপর ও কোন সৌন্দর্য সেভাবে স্পর্শ করছেনা আমাকে, মন পড়ে আছে সমুদ্রের কাছে।
গাড়িতে গান বেজে যাচ্ছে.. "কি জাদু করিয়া বন্ধে মায়া লাগাইছে..."। সত্যিই মায়া!!! মায়ার এই ইন্দ্রজাল ছিন্ন করার সাধ্য অথবা ইচ্ছে কোনটি আমার নেই। এআমার নেশা, আমার সমুদ্র বিলাস!
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মে, ২০০৯ সকাল ৭:৫৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মানবী বলেছেন:
সেদিন সমুদ্র আমাকেও টেনে নিয়ে যেত হয়তো! খুব রোমান্চকর অভিজ্ঞতা হয়েছে আপনার, সুস্থ এবং অক্ষত আছেন জেনে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ ধারাভাষ্য।
কালপুরুষ বলেছেন:
ওমা! এই লেখাটা চোখে পড়েনি কেন? ওয়েট! আগে পড়ে নেই। তারপর মতামত।
কালপুরুষ বলেছেন:
পড়লাম। অসম্ভব রকমের রোমান্টিক এই লেখাটা। এক দমে পড়লাম। খুব ভাল লাগলো। আপনিতো ভীষণ রকমের রোমান্টিক। মনের এই দিকটা অন্যান্য লেখায় তেমন প্রকাশ পায়নি যেমনটা এই লেখায় ফুটে উঠেছে। ভাল থাকুন আর এমনি করে প্রতিটি লেখায় প্রকৃতিকে ফুটিয়ে তুলুন। আপনার চোখ দিয়ে আমরাও দেখে নেই সেই সব না জানা না চেনা জায়গাগুলো।
তানভীর বলেছেন:
আপনার ভাল লাগা সমুদ্র সৈকতের নাম তো দিলেন না? সমুদ্রের (গালফ অফ মেক্সিকো) পাড়েই থাকি আমি। আপনার আমন্ত্রণ রইল।
মানবী বলেছেন:
আমার কাছে একটুও রোমান্টিক মনে হচ্ছেনা! আসলে একেকজনের দৃষ্টিতে একেক রকম তানভীর, অনেক ধন্যবাদ, অশনশোর। পেনসাকোলা বীচও গাল্ফ অফ মেক্সিকোর পাশে। টেক্সাসের গ্যালভেস্টনে যাবার ইচ্ছে আছে, আপনি কোন সৈকতের কথা বলেছেন নিশ্চিত নই।
তানভীর বলেছেন:
হ্যাঁ, আমি গ্যালভেস্টনের কথাই বলছি। তবে এখানে সৈকত খুবই ছোট। জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষার জন্য সৈকতের উপর সী-ওয়াল তোলা হয়েছে। ওটার ওপরই প্রতিদিন সান্ধ্য ভ্রমণ করি ;-)
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন:
সমুদ্রের নোনা জলে পা ভিজিয়ে দাঁড়িয়েছি মাত্র একবার। তাও বেশ কবছর আগে। ২০০২ দিকে হবে। এসব বিচার করলে আমার কখনো সমুদ্র বিলাস হয় নি। বৃষ্টিকে যেমন ভালোবাসি, সমুদ্রকে তেমন ভালোবাসা হয়নি এখনো। তবে সবকিছুতেই পরিবর্তনের ছোঁয়া লাগবে।সমুদ্রের বিশালতাকে বুকে তুলে নিবো
সমুদ্রের কাছ থেকেই।
ত্রিভুজ বলেছেন:
সুন্দর বর্ননা.... ৫
অলস বলেছেন:
আপনার বিশাল সমুদ্রাভিজ্ঞতায় যারপরনাই উচ্ছ্বসিত। চমৎকার লেখা। ৫!
মানবী বলেছেন:
অশ্রুকে ধন্যবাদ।তানভীর, বুঝতে পারছি আপনি ভাগ্যবান!! সী সাইড, ক্যনন বীচ- এগুলোও বেশ ছোট সৈকত।
সবাই সব কিছু পছন্দ করবে, এমন নয়। সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ মৃন্ময় আহমেদ।
ছবি তোলার তেমন আগ্রহবোধ করিনা, তবে এক ফ্রেন্ডের অনুরোধে তুলতে যেয়ে আবিস্কার করেছি ব্যাটারীর চার্জ শেষ
আপনার মজার মন্তব্যে আমিও উচ্ছসিত, ধন্যবাদ অলস।
মানুষ বলেছেন:
আমি একটাই সমুদ্র দেখেছি। কক্সবাজার। দেখে খুব আশাহত হয়েছিলাম। টিভিতে কি সুন্দর নীল জল দেখা যায় কিন্তু বাস্তবে ঘোলা পানি। সমুদ্রের চেয়ে পাহাড় অনেক সুন্দর। লেখা ভালো লেগেছে। পঞ্চপান্ডব।
রাশেদ বলেছেন:
ভালো লেগেছে পড়ে। ৫
শিরোণামের গানের কলিতে একটু সংশোধনী- 'কি যাদু করিয়া বন্ধে মায়া লাগাইছে।'
'বন্দের' না 'বন্ধে'
ধন্যবাদ।
৫
আহমেদ শারফুদ্দীন বলেছেন:
চন্দ্রালোকিত রাইতে সমুদ্রস্মানের বর্ননা পাইলে আরও ভালৈত ১০০/২৫
মানবী বলেছেন:
আমারও এমন অভিজ্ঞতা হয়েছিলো। মিসিসিপি স্টেটে বিলক্সি বীচে (ক্যাট্রিনায় এই বীচের আশে পাশের বাসাগুলো মাটির সাথে সমান ভাবে মিশে গেছে), সমুদ্রের উপর কিছু ঝলমলে ক্যাসিনো, আরেকদিকে ক্রুজশিপ নোঙ্গর করে আছে। পানি বেশ ঘোলা ও অপরিস্কার। ধন্যবাদ মানুষ।ধন্যবাদ রাশেদ, শাপলা এবং সোনার বাংলাকে।
শিরোনাম সংশোধন করছি, ধন্যবাদ সারওয়ারচৌধুরী। তবে, জাদু বানান কয়েকবার চেক করেছি, "জ" এবং "য" দুটোই মনে হয় সঠিক!
আহমেদ শারফুদ্দীন, এই বিষয়ে তেমন আগ্রহ নেই বলেই হয়তো কাউকে চোখে পড়েনি তাই লেখায় অনুপস্থিত।
আহমাদ মুজতবা বলেছেন:
আপু তুমি চমতকার লিখো।
মানবী বলেছেন:
আহমাদ মুজতবাকে ধন্যবাদ।
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
ভ্রমণকাহিনী পড়তে আমার খুউব ভালো লাগে। এরকম উপভোগ্য লেখা সময়সুযোগ মতো লিখুন আরো। বলতে অসুবিধে না থাকলে আমার ছোট্ট একটা কৌতূহল মেটান - আপনি ইস্ট কোস্ট না ওয়েস্ট?
মোসতাকিম রাহী বলেছেন:
মানবী, দারুণ সাবলীল আপনার গদ্যের হাত...গল্প/উপন্যাস লেখায় হাত দিচ্ছেন না কেন রে ভাই!! 
৫ না দিলে অন্যায় হয়ে যাবে...দিলাম!
@সারওয়ার ভাই, এটা কী করলেন জনাব? মানবীর ভুল শুধরে দিতে গিয়ে নিজে ভুল করলেন কেন? 'শিরোণাম' বানানটা ভুল, শুদ্ধরূপ: 'শিরোনাম'।
হে হে হে
...(ক্লোজআপহাসি)...
জাদু এবং যাদু দুটোই সঠিক!
আশিক হাসান বলেছেন:
আপনার বাড়ি আসবো আসবো আসা হয়না কিন্ত এখন এসে মনে হচ্ছে I am LATEতারপর আপনার এই লেখা পড়ে আমি কিছুক্ষন হারালাম স্মৃতির সমুদ্রে । মনে পড়ে গেল সমুদ্রের এক একটি বড় বড় ঢেউ যখন আছড়ে পড়ছিল ভীষন গর্জনে সেই সময় একজন এই বুকের মাঝে নিজেকে আকঁড়ে ধরছিল পরম নিশ্চিন্তে । রাতের তারাভরা আকাশ পাশে প্রিয়জন ,হাতে ছিল হাত ,চোখে ছিল নিরব কথা । অসম্ভব সুন্দর ছিল সেই রাত আমাদের।আপনার লেখা পড়ে মনস্হির করলাম এবার অবসরে আবার যাবো সমুদ্রস্নানে তবে এবার ২ জন নয় ৩ জন।আমাদের প্রথম ভালোবাসা কে সাথে নিয়ে যাবো। আর ইচ্ছে আছে সুযোগ পেলে সৈকতের ধাঁর ঘেষে প্রচন্ড বেগে Horse riding করার । কিন্ত সেটা একমাত্র বিদেশে হয়তো সম্ভব হতে পারে।
ভবিষৎ এ এরকম আরো লেখার আশায় থাকলাম।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
পতেঙ্গা সৈকতে প্রচুর গিয়েছি। কিন্তু কক্সবাজার সৈকতে মাত্র একবার। সমুদ্রের কাছে অনেক শান্তি। ফিরে আসার সময় বন্ধুদের প্রায় সবার চোখেই পানি দেখেছি। আমি নিজেও.....,আরো একটি চমৎকার লেখা। সত্যিই আপনার লেখার হাত চমৎকার। যথারীতি ৫
মানবী বলেছেন:
সমুদ্রের বিশালতা আর অসীম সৌন্দর্যের মাঝে পাথরটিকে একটি বাধা'র মতো মনে হয়েছিলো। যারা আগ্রহ করে যায়, তাদের কাছে হয়তো একটি 'তিলের' মতো সুন্দর মনে হয়, আমার কাছে যা একটি ক্ষতের মতো মনে হয়েছে। পাথুরে বীচ অন্যরকম, এখানে শুধু একটি মাত্র বিশাল পাথর ছিলোপড়ার এবং মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ মৈথুনান্দকে। ভ্রমন কাহিনী হয়েছে নাকি! তেমন কিছু ভেবে লেখা নয় যদিও। আমি 'ইস্ট কোস্ট বা ওয়েস্ট' কোনটিই নই, আমি মানবী :-)
সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ মোসতাকিম রাহী। 'জাদু' বানানটি নিশ্চিত করার জন্যও ধন্যবাদ।
অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আশিক হাসানকে। আপনাদের তিনজনের জন্য শুভকামনা রইলো।
পড়ার এবং সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ এরশাদ বাদশা। সমুদ্র আসলেই মন ভালো করে দেয়।
মানবী বলেছেন:
কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ এই পোস্টটি ফিরিয়ে দেবার জন্য!
কালপুরুষ বলেছেন:
পোষ্ট ফিরে পাবার খুশীতে আমরাও শরিক হলাম।
মানবী বলেছেন:
ধন্যবাদ কালপুরুষ।
আসুন আমরা আরো কয়েকটা পাঁচ দিয়ে পোস্টটিকে অভিনন্দিত করি এবং পোস্টটি চলে যাক টপরেটেড লিস্টে।
মানবী বলেছেন:
এই পোস্ট টপ রেটেড করার মতো নয় এবং করার কোন অর্থ নেই তবে 'নির্যাতিতের ঘরে ফেরা..' পোস্টটি অনেকে পড়লে হয়তো কিছু হারিয়ে যাওয়া তথ্য জানা যেতে পারে। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ সারওয়ারচৌধুরী।
নেই মানুষ বলেছেন:
অনেক আগে সমুদ্র তীরে গিয়েছিলাম নেশা করে। রাত আড়াইটার সময় গাজার নেশায় টালমাটাল আমি সমুদ্রের উত্তাল রূপ দেখে বন্ধুদের কাছে বায়না ধরেছিলাম সমুদ্রের মেয়েকে বিয়ে করব বলে। এখনো মাঝে মাঝে ইচ্ছেটা চাগিয়ে উঠে। ৫
আমি কে বলেছেন:
জটিল হইছে।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আমার মায়ামী বীচে যাইনের খুব শখ! আমি আইজই ডিভি ছাড়মু, আমেরিকা যামুই!
মানবী বলেছেন:
আমি মায়ামী বীচে যাইনি!উদাসীস্বপ্নের মন ভালো মনে হচ্ছে, আবার ডিভি নিয়ে শুরু... ! আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ভর্তির চেষ্টা করলে মনে হয় ডিভি'র চেয়ে তাড়াতাড়ি হবার সম্ভাবনা বেশি!
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আমি অতি দরিদ্র ঘরের ছেলে!
মানবী বলেছেন:
হতদরিদ্র পরিবারের সন্তানরা উচ্চশিক্ষার জন্য আমেরিকা সহ বিভিন্ন দেশে যান। আপনি নিজের পরিবারকে দরিদ্র বললে আমার কিছু বলার নেই, তবে আপনি সন্মানজনক পদে চাকরী করেন আর, ডিভি পেয়ে আমেরিকা যেতেও টাকার প্রবোজন হবে!
রাশেদ বলেছেন:
বৈশাখি সংকলন ১৪১৫ ই-বুকের জন্য আপনার একটি লেখা মনোনীত হয়েছে। আপনার মতামত প্রয়োজন।Click This Link
লাল দরজা বলেছেন:
মহান রাশেদের কারনে আপনার এ লেখা পর্য্যন্ত পৌছালাম। বাপরে বাপ লিখতেও পারেন আপনে, কি সুন্দর মায়া মাখানো রচনা! পইড়া খুবই আনন্দ পাইলাম। ধন্যবাদ এক সময় পূর্ব পুরুষের ঠিকানা সমুদ্রের মাঝে দ্বীপ দেশে থাকলেও আমার জীবনে সমুদ্র দর্শনে গেছিলাম মাত্র এক বারই। আমাদের কক্সবাজার। বড়ই সৌন্দর্য্য, বড়ই সৌন্দর্য্য!
মানবী বলেছেন:
আজ সকালে বাউল আব্দুল করিম শাহ ইন্তেকাল করেছেন।ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্নাইলাই হেরাজেউন।
মন্তব্যটির মাধ্যমে তাঁকে হারানোর সময়টিকে ছুঁয়ে থাকা।
বাংলা লোক সঙ্গীত ও আধুনিক সঙ্গীত জগতে তাঁর অবদান অবিস্মরনীয় হয়ে থাকবে।
মানবী বলেছেন:
দূরন্ত , আপনি নিজে শুধু ভালো লেখক নন, পত্রিকায় কাজ করেছেন একসময়। আমার মতো অলেখককে এমন মন্তব্য করায় আপনার বিনয় প্রকাশ পেলো যা সত্যিকারের গুনীজনের পরিচয় বহন করে। :-)সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
রাশেদ , মনোনয়ন ও প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ
লাল দরজা , সুন্দর মায়া মাখানো রচনা মনে হয়েছে জেনে খুব সন্মানিতবোধ করছি। পূর্বপুরুষের ঠিকানা মানে আপনার শিকড় সমুদ্রে প্রোথিত :-)
চমৎকার মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: সমুদ্র ভালোবাসেন মনে হয়, এটা ঈর্যার একটি কারণ হতে পারে। সমুদ্রতীরে দাঁড়ানো কারো ছবি বা সমুদ্রের ছবি দেখলে আমার নিজের মাঝে কেমন যেনো অস্থিরতা হয়, ছুটে যেতে ইচ্ছে করে সাগর পারে।
আরেকটি(এটো ভুল হলে দুটোই) কারণ জানতে ইচ্ছে করছে।
আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
১) সমূদ্র ভালো লাগে। তার কাছে বারবার ছুটে যেতে ইচ্ছে করে; কিন্তু যেতে পারি না। আর আপনি সকাল সন্ধ্যা যখন খুশি দুনিয়ার সব সৈকতগুলোতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন- এটা একটা হিংসা।
২) আপনার লেখার হাত- সবচেয়ে বড় হিংসার কারণ। এতদিন তো যা মনে এসেছে ধুমধাম লিখে ফেলেছি, কিন্তু এখন তো আপনার লেখা পড়ার পর মনে হয় সেটাও বন্ধ হয়ে যাবে। নিজের লেখাগুলো খুব অখাদ্য মনে হচ্ছে এখন আমার কাছে।
লেখক বলেছেন: আমার লেখার মান এতোটাই খারাপ যে সংকোচে অধিকাংশ লেখা অপ্রকাশিত থেকে যায়। সেই নিম্ন মানের লেখা পড়ে ঈর্ষান্বিত বোধ করেছেন, এটা আপনার বিনয়, মহানুভবতার প্রকাশ মাত্র।
এক ডিম ভাজার ছবি সহ বাবা মাকেচিঠি লেখে যেমন পাঠক প্রিয়তা পেয়েছেন তাতে নিজের লেখা অখাদ্য মনে করার কোন কারণ নেই। খারাপ লেখা হলে এমন সিম্পল একটি চিঠি এতোখানি আলোচিত হতোনা সে আপনিও বুঝেন নিশ্চয়।। :-)
লেখা বন্ধ করার প্রশ্নই আসেনা।
অনেক ভালো থাকুন।।
রেজওয়ান মাহবুব তানিম বলেছেন:
ভাল লাগল অনেক টুকু সমুদ্র বিলাস
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















সমুদ্রও নিশ্চয়ই আমাকে অনেক ভালোবাসে। তিন বছর আগে সেন্ট মার্টিনে সমুদ্র এই অসাঁতুরে বান্দাকে মাঝ সমুদ্রে টেনে নিয়ে গিয়েছিল।
বুকের মাঝে গিয়ে দেখেছিলাম তার রূপ।
সেই ভালোবাসা আজো ডাকে।
৫