আমার প্রিয় পোস্ট
- চৌদ্দগ্রাম শাখা ব্র্যাক অফিসে খুন রিক্সা চালক আব্দুর রশিদের সন্তানদের মুখ - অণৃণ্য
- রাহেলা বিষয়ক দু'টো তথ্য - ফয়সল নোই
- রাহেলার মৃত্যুকালীন ঘোষণা - ফয়সল নোই
- রাহেলা হত্যা মামলার নিখোঁজ আলামত ও অন্যান্য দলিল - ফয়সল নোই
- আলামত সংরক্ষিত নেই বলে রাহেলার খুনিরা পার পেয়ে যাচ্ছে... - ফয়সল নোই
- সাংবাদিকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ....! - মানবী
- রাহেলার মায়ায় জামসিং'র টেউটিতে - ফয়সল নোই
- মোনাজাত উদ্দীন - আমাদের চারণ সাংবাদিক - আপনার জন্য ভালবাসা - মোস্তফা আমিন
- "গণহত্যা": এ্যান্থনি মাসকারেনহাসের অবশ্যপাঠ্য প্রতিবেদন (বিদেশী পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধ, পর্ব ৩০) - ফাহমিদুল হক
- একটি পংক্তির জন্য - প্রণব আচার্য
- অনেক দিন পর আবার active হচ্ছি... - মুতাসিম
- যায় না পোড়ানো ভালোবাসা - শেখ জলিল
- আবার আসিলাম ফিরিয়া
- নাদান
- প্রিয় কবিতা-৪// পূর্ণেন্দু পত্রী (বাসরঘরে ঢোকার সময় যাকে ফেলে এসেছিলে পোড়া ধূপের পাশে ) - শফিউল আলম ইমন
- ফিনিক্সের জীবন! - মানবী
- আফ্রিকার পাহাড়ী অরণ্য আর কালো মানুষের কথা (পর্ব-১) - আশিক হাসান
- কষ্টও রঙ বদলায় - মৃন্ময় আহমেদ
- মায়াবতীকে...... - মাহবুবা আখতার
- মা..! আমার মা..!(উত্সর্গ- মানবী ! আপনার জন্য পুনঃ পোষ্ট)! - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- সে আসে সে যায় - কালপুরুষ
- মুক্তিযোদ্ধাদের শপথ - অমি রহমান পিয়াল
- আদল - কালপুরুষ
- ব্যবধানে ব্যবধান - এহেছান লেনিন
- প্রণমী তোমায় - কালপুরুষ
- স্থিরচিত্র - ফয়সল
- ১৯৭১ :: কিভাবে দেখে পাকিস্তানী তরুন-তরুনীরা - অরূপ
এমনও দিনে তারে বলা যায়...!
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৮
তেরো চোদ্দ বছর বয়স তখন, প্রচন্ড বই পাগল আমার হাতে মা তুলে দিয়েছিলেন লুইজা মে অলকটের কালজয়ী উপন্যাস "লিটল উইমেন" বইটি!
এজীবনে পড়া যে ক'টি বই থেকে আজও মুক্তি মিলেনি, তার একটি 'লিটল উইমেন', আরেকটি হলো বিভূতিভুষনের 'পথের পাঁচালী'। আমার জীবনে বেশ কিছু বই সহ এই দুটি বইয়ের প্রভাব ব্যাপক...! লুইজা মে অলকটের অসাধারন লিখনীর কারনেই কিনা জানিনা, মনে হতো বাইরে তুষার ঝরা মানেই ফায়ার প্লেসে আগুন ধরিয়ে, রকিং চেয়ারে বসে গভীর মনোযোগে বই পড়া! তুষারের চেয়েও যে জিনিসটি বেশি স্পর্শ করে তা হলো বৃষ্টি।
চারদিক অন্ধকার করে যখন ঝুম বৃষ্টি নামে, অসম্ভব ভালো লাগায় মন ভরে যায়। ছোট বেলায় অবশ্য খুব মন খারাপ হয়ে যেতো, বিশেষ করে বাবা, মা, ভাই বোনদের কেউ সেসময় বাসায় না থাকলে! প্রচন্ড অস্থির বোধ করতাম। তারপর, এক সময় লক্ষ্য করলাম, এমন বৃষ্টির দিন, আর সেসময় যদি সমবয়সী কাজিনরা এক সাথে হই, তখন বড় কারো পাশে গুটিসুটি বসে গল্প শুনতে ভালো লাগছে।
বড় হয়ে এক সময় আবিস্কার করলাম, এমন আঁধার করে আসা বৃষ্টির সময় চমৎকার কোন ইন্সট্রুমেন্টাল অথবা মন ছুঁয়ে যাওয়া গজল ছেড়ে টেবিল ল্যাম্প জ্বালিয়ে বই পড়াতেই যতো ভালোলাগা। বাইরে অন্ধকার, বৃষ্টির ঝম ঝম শব্দ, ঘরে আলো আঁধারিতে বসে স্লো মিউজিকের তালে বইয়ের জগতে হারিয়ে যাওয়া! অসাধারন এক অনুভূতি! সেসময় ফোন এলেও ধরার প্রশ্ন আসে না, সেলফোনও বন্ধ! রাত হলে, বাইরে তাকিয়ে ল্যাম্প পোস্টের আলোয় চকচকে রাজপথ দেখা, অপূর্ব মায়াবী দৃশ্য!
বর্তমান কিছুটা ভিন্ন... বাইরের পৃথিবীকে শুভ্রতার হিমশীতল চাদরে মুড়িয়ে দিয়ে তুষারপাতের সময়, আলো আঁধারিতে বসে গান শোনা হয়। বই পড়ার সুযোগ কিভাবে যেন অনেক কমে গেছে। তবে ছুটির দিনে এমন আঁধার করে আসা বৃষ্টি মানে আমার জন্য অন্যরকম ভালোলাগা... বাসার পাশেই একটি আর বাসা থেকে ২০ মিনিট ড্রাইভ করে গেলে আরেকটি অপেক্ষাকৃত বড় বীচ.. সমুদ্র নয়, বিশাল লেকের তীর ঘেঁষে বীচ... ঝমঝম বর্ষায় লেকের পানিতে বৃষ্টির ফোঁটার নাচ, এক অপার্থিব দৃশ্য! সেসময় বাতাসের বেগ বেশি হলে ঢেউগুলোও সব নেচে উঠে, যেন সাগরের রূপ ধারন করে! আমি মুগ্ধ হয়ে সেই দৃশ্য দেখি।
২০ মিনিট ড্রাইভ দূরের বীচটি বেশ বড়, তবে খুব দামি এলাকায়। পথের এক পাশে লেক, অন্য পাশে সারি ধরে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার মূল্যের সব বিলাসবহুল কন্ডোমিনিয়াম। তেমন ঝড় বৃষ্টিতে লেকের ধারে কেঊ ঘুড়তে যায়না, তখন পেয়ে যাই আমার প্রাইভেট বীচ! বৃষ্টির সময় বীচ সম্পূর্ণ ফাঁকা হলেও ভয় নেই কারন কন্ডো থেকে অনেকেই লেক দেখেন। আমার সাথে যাঁরা যান, তাঁরা কয়েক বার গাড়ি থেকে নেমে, দ্রুত ফিরে যান সেখানে। রেইনকোট ভিজে না যাওয়া পর্যন্ত আমি বীচে ঘুড়ে বেড়াই আর ঢেউয়ের তালে বৃষ্টির নাচ উপভোগ করি।
চারদিক আঁধার ঘনিয়ে বৃষ্টি নামলেই মনে হয়, "এমনও দিনে তারে বলা যায়- দিন", তবে কবি কেন এভাবে বলেছেন জানিনা!! ঠিক যেমন জানিনা, এমন ঝুম বৃষ্টির দিনে চিত্রা সিং এর "আকাশ মেঘে ঢাকা, শাওন ধারা ঝরে.." গানটির আবেদন হাজার গুনে বেড়ে যায় কেন!! এমন দিনে তো কাউকে কিছু বলতে ইচ্ছে করেনা, শুধু বৃষ্টি দেখতে ভালো লাগে। তা লেকের উদ্দাম ঢেউয়ের তালে বৃষ্টির নাচ হোক, অথবা বড় বড় গাছের পাতা বা বাসার বাগানে ছোট ছোট গাছ আর ঘাসে বাতাসের তালে বৃষ্টির খেলা!!!
পাল্কি বলেছেন:
দারুণ লেগেছে আপু। থ্যাঙ্কস্!
সর্বদাবেলায়েত বলেছেন:
ব্যাপক তো। বইটার বঙ্গানুবাদ আছে?
কালপুরুষ বলেছেন:
এই তোরা কে কোথায় আছিস রে... দেখে যা...এবার মানবী'র মানবীয় মনটা সাহিত্যের দিকে কেমন হেলে পড়েছে... মনে বৃষ্টির ছোঁয়া, স্মৃতিতে বইয়ের পাতা, কলমে (কীবোর্ডে) অপূর্ব সুন্দর লেক আর বীচের বর্ণনা..... চোখে আর স্বপনে আজকের ঢাকা'র মেঘলা আকাশ.... ঠোঁটে গুন গুনিয়ে রবীন্দ্র কলি..... কারে যে বলি!! নাহ্ এরপর আমার কপালে নির্ঘাত বজ্রপাত (কাছে থাকলে চপেটাঘাত!! হি হি হি )... এবার চলি। যেতে যেতে বলি সাজিয়ে দিলাম পাঁচের ডালি। পঞ্চ ইন্দ্রিয় ভরে থাকুক প্রকৃতির সমস্ত ভালবাসায়, ভাললাগায়।
মানবী বলেছেন:
পাল্কই, অনেক ধন্যবাদ।সর্বদাবেলায়েত, ধন্যবাদ তবে বাংলা অনুবাদ সম্পর্কে কোন তথ্য দিতে পারছিনা বলে দুঃখিত।
কালপুরুষ, সাহিত্য তো ছোট বেলা থেকেই পছন্দ, তা না হলে ব্লগের প্রায় সব কবিতা পড়ি কেন! :-)
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
ফ্লোরা ফেরদৌসী বলেছেন:
ভালো লিখেছেন
কালপুরুষ বলেছেন:
সাহিত্যানুরাগী না হলে এমন সুন্দর করে লেখাও কারো পক্ষে সম্ভব নয়। সেটা অনেক আগেই বুঝেছিলাম। ধন্যবাদ @মানবী, এমন সুন্দর লেখার জন্য।
শিলা বলেছেন:
ভালো লিখেছে। তাই ৫
আপনার বাড়ির পাশে লেক শুনে হিংসা হচ্ছে...
খুব সুন্দর লিখেছেন (as usual)!
৫
মানবী বলেছেন:
পাল্কই = পাল্কি [টাইপের ভুলের জন্য দুঃখিত ফ্লোরা ফেরদৌসী, ধন্যবাদ আপনাকে।
কালপুরুষ, একটি জরুরী বিষয়ে বাংলাদেশের কিছু প্রশাসনিক অফিসে ফোন করার পর লিখেছি এই পোস্ট। পরে পড়ে দেখবো ভুলত্রুটি কিছু আছে কিনা! লেখা সুন্দর বলার জন্য ধন্যবাদ।
শিলা, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
কালপুরুষ বলেছেন:
তাইতো বলি! এত্তো সকালে আমার দপ্তরে ফোন করলো কে? রিংটা অনেকক্ষণ বেজে থেমে গেল। চট জলদি দরজা খুলেও ফোনটা রিসিভ করতে পারলাম না। আফসোস! হাহাহাহাহাহাহাহা......
মাহবুব সুমন বলেছেন:
হমম
আমিই তো বলেছেন:
বৃষ্টি... হাহ্...!!! তাই তো.. নেই তুলনা। বৃষ্টি পড়ে রে.. মনের অন্তরালের মরমে মরমে.. হাহ্!!! বৃষ্টি।
কিছু জায়গায় ঘষামাজা করলে আরো উজ্জলতা আসবে।
হৃদয়ের সংলাপ... বলেছেন:
অসাধারণ
আমি কে বলেছেন:
দারুণ লেগেছে আপু। থ্যাঙ্কস্!
জুবুথুবু বলেছেন:
অপুর পেছনে দওড়িয়ে রেলের গারি দেখতে গেছিলেন কখনো? আমি গেছিলাম, ১৩ বছর বয়সে। এখনো দওড়াই। আপনার পথের প্যাঁচালি টা অন্যরকম সুন্দর হইছে।
একা হলে বৃষ্টিতে কেমন জানি লাগে,উদাস,আবার অস্থির। সব বন্ধুদের সাথে বৃষ্টির মাঝে আড্ডা জমানোটাই সবচেয়ে ভাল্লাগে এখন।
মানবী বলেছেন:
ছায়ার আলো, বিশেষ ভাবে লগ ইন করে মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ কালপুরুষ, কবি মানেই কল্পনার জগতে বিচরন, নতুন করে আর কি বলার আছে!!
সমুদ্র, ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো, ধন্যবাদ। তবে কয়েকজন সুলেখক পুরুষ ব্লগারদের পোস্টে পড়েছি ওনাদের লেখা কালপুরুষের অনুপ্রেরণায়। উনি মনে হয় সকলকেই উৎসাহিত করেন।
মাহবুব সুমন, ?
আমিই তো, রিমঝিম মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
সারওয়ারচৌধুরী, আমি যে লেখক/লেখিকা হিসেবে তেমন উঁচু দরের নই তা বরাবরই স্বীকার করি
হৃদয়ের সংলাপ..., অনেক ধন্যবাদ
তােরক মাহমুদ, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আমি কে, ধন্যবাদ ভাইয়া।
নাহ্ সেভাবে রেলগাড়ি দেখা হয়নি। বিভিন্ন সময় ছোট্ট কিশোর(এক বাদাম বিক্রেতার কথা মনে আছে) বা কিশোরী (এক বুয়ার মেয়ের কথা মনে আছে) কে দেখে চমকে গেছি, মা'কে ডেকে বলেছি " একদম অপু, দূর্গার মতো দেখতে"। আমার এটা মনে হয় বৃষ্টির পাঁচালী
ফারহান দাউদ, লিটল উইমেন আমি যে কতো অগুনিত বার পড়েছি বলতে পারবোনা। আমার কাছে পুরো সিরিজ ছিলো, লিটলে উইমেন বইটির একাধিক কপিও ছিলো
কালপুরুষ বলেছেন:
আমার মন্তব্য অনেক ব্লগারের মনে জ্বালা ধরায় কিনা বলতে পারবো না। যতদূর মনে হয় আমার মন্তব্য জ্বলন্ত দেশলাই কাঠি নয় যে তাদের গায়ে ফোসকা পড়তে পারে। বরং হৃদয় বা মন দিয়ে অনুভব করলে আমার মন্তব্যে শ্রদ্ধা, ভালবাসা, আর মমত্বের শীতল পরশ খুঁজে পেতে পারেন যা নতুন ব্লগারদের কিছুটা হলেও উত্সাহিত করে। অনেক মহান ঈর্ষাপরায়ণ ব্লগার তাতে অন্যকিছু খোঁজার চেষ্টা করেন। তাদের উদ্দ্যেশ্যে একটা কথাই বলতে পারি, কালো অন্তর ভাল কিছু দেখে না। দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে চেষ্টা করুন- অনেক কিছুই স্বচ্ছ ও পরিষ্কার মনে হবে। পরের মন্তব্যে অন্যকিছু না খুঁজে নিজেই ভাল কিছু লেখার চেষ্টা করুন। আমাকে হেয় করতে গেলে আপনাকে শ্রেয়তর হতে হবে। আমাকে কটাক্ষ করতে যেয়ে নিজেকে ছোট নাইবা করলেন। কালপুরুষ হবার জন্য সবার আগে মানুষ হতে হবে।
অপ্রাসন্গিক মন্তব্য করার জন্য দু:খিত @ মানবী।
রৌদ্র বলেছেন:
অনেকদিন পর "লিটল উইম্যন" কথা মনে করিয়ে দিলেন। খুব ছোটো ছিলাম। অন্যরকম লেগেছিলো পড়ে।
তানভীর বলেছেন:
আমাকে হেয় করতে গেলে আপনাকে শ্রেয়তর হতে হবে...সহমত@ কালপুরুষব্লগের কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি, কটুক্তি এসব দেখে ব্লগে আসতে আর ভাল লাগে না। তবুও লগ-ইন না করে মাঝে মাঝে ভাল লেখা খুঁজি। এ লেখাটা দেখে লগ-ইন করলাম। ভালো লিখেছেন মানবী। ব্লগের মানবিকতাটুকু আপনি, কালপুরুষ এঁরাই ধরে রেখেছেন। বাংলাদেশে বৃষ্টি যেমন অনুভব করেছি, তেমন আর বাইরে কোথাও পাই না। মাঝে মাঝে মনে হয় একই আকাশ, তবু এত অন্যরকম!
মানবী বলেছেন:
ছায়ার আলো, দুঃখ প্রকাশের কিছু নেই।রৌদ্র, ধন্যবাদ।
"মাঝে মাঝে মনে হয় একই আকাশ, তবু এত অন্যরকম!" চমৎকার বলেছেন!
তানভীর, ইকোলজিকাল ব্যালেন্সের জন্য পৃথিবীতে মানুষের পাশাপাশি কীট পতঙ্গ, ভয়ংকর হিংস্র জন্তু.. সব কিছুই থাকা জরুরী। এই কারনে কি মানুষ বেঁচে থাকা বন্ধ করে দিবে! সব মানুষ এক রকম হবেন এমন নয়, আমার সাথে সকলের মত মিলবে এমন নয়.. তার মানে এই নয় তাঁরা মন্দলোক। যাদের কারনে ব্লগে আসা বন্ধ করেছেন, তাঁদের চেয়ে আপনার লেখার পাঠক আপনার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হবেন এমনটি মনে করি। আশাকরি শীঘ্রই আপনার লেখা নতুন নতুন চমৎকার পোস্ট পড়ার আমাদের সুযোগ হবে। এই লেখা পড়ে লগইন করার জন্য ধন্যবাদ
মানবী বলেছেন:
মুছে দিলাম, দুঃখিত! আবার আগের মতো পোস্টের সাথে অপ্রাসঙ্গিক বা কাউকে আক্রমন করে লেখা সব মন্তব্য মুছবো এখন থেকে।খুব খারাপ লাগছে, নিজের একান্ত ব্যক্তিগত কিছু ভালোলাগা স্মৃতি নিয়ে লেখা পোস্টে কেমন সব বিষয় চলে এসেছে!
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
কালুদা নাই তার কোনো তুলনা
বান্ধাইয়া রাখুম হাত খানা
আফ্রিকার খাটি সোনা!
কবিতা গুলার ছন্দে
সাতার কাটে ছবি
মনের সকল কথা
মনে হয় মহাকবি!
হিংসা জ্বলন বুঝি না
কালুদা হইলো সূর্য্যের মতো
তার লেখার কাছে
ম্লান হয় তারা যত!
কালুদার মূল্যায়ন করার ক্ষমতা কি কারো আছে?
মানবী, তুমার ভাবে দিলাম ৫!
বকলম বলেছেন:
লেখা ভালো লেগেছে।
বিহংগ বলেছেন:
আর দুদিন পরেই ঈদ।মায়ের মায়ার জাল ছিঁড়ে আমি অনেকদূরে।রাতে ভারাক্রান্ত মন নিয়ে ঘুমিয়েছিলাম।আজ সকালে লেখাটি পড়ে মনের মাঝে শুধু অঘোর ধারায় বৃষ্টি ঝরছে।৫
বিহংগ বলেছেন:
মানবী, আপনার লিখাটি পড়েই ,আজ একটা পোস্ট দিয়েছি। সময় পেলে পড়বেন।
মানবী বলেছেন:
দৃশ্য উপভোগ করতে পেরেছেন জেনে ভালো লাগলো, ধন্যবাদ জোনাকি।মুহিব, :-)
উদাসী স্বপ্ন, ভাবকে ৫ এর জন্য ধন্যবাদ।
বকলম, ধন্যবাদ।
বিহংগ, ধন্যবাদ। আপনার মন খারাপ করে দেবার জন্য দুঃখিত!
আহমেদ শারফুদ্দীন বলেছেন:
এমনও দিনে তারে বলা যায়....... এমন দিনও এসেছিল , সেও এসেছিল ....... কিন্তুক বলিতে পারিনাই -------------- ৫
মাহবুব সুমন বলেছেন:
হমম, মন উদাস করা লেখা।
মানবী বলেছেন:
আহমেদ শারফুদ্দীন, ধন্যবাদ। বলতে না পেরে থাকলে দুঃখজনক, বেটার লাক নেক্সট টাইম রাশেদ, আমার অন্যতম প্রিয় শহর আমেরিকার সিয়াটলে ইংল্যান্ডের মতো প্রায় সারা বছর ড্রিজলিং হয়। সেই টিপ টিপ বৃষ্টিও খুব ভালো লাগে, ধন্যবাদ
বুঝলাম, ধন্যবাদ মাহবুব সুমন
চতুরভূজ বলেছেন:
৫একটা মানুষ এট ভাল কি করে লিখতে পারে আমার জানা নেই। যখন লিখাগুলো পড়ছিলাম তখন কেবলি মনে হচ্ছিল আমি যেন ঘটনার মাঝখানে।
খুব ভাল লেগেছে মানবী।
৫
মানবী বলেছেন:
চতুরভূজ, আপনার মতো সুলেখিকার কাছে থেকে এমন কম্প্লিমেন্ট পেয়ে লজ্জিত এবং বিব্রত বোধ করছি... লেখা ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো, ধন্যবাদ।
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন:
নির্জনতায়...
মন ভাল না বলেছেন:
হৃদয় থেকে না আসলে কোন কিছু এত সুনদর করে লেখা যায়না..আমি একদিন সময় করে আপনার সবগুলো লেখা পড়ব...আজকে ঈদের দিনটায় আপনার লেখা পড়ে খুব ভাল লাগছে...ভাল থাকবেন.।আর আপনার ওখানে তো অনেক আগেই ঈদ হয়ে গেছে...তাই ঈদ মুবারক...(লেট)
মানবী বলেছেন:
ধন্যবাদ এস্কিমো।আপনিও ভালো থাকুন মন ভালো না। ঈদের দিন সময় করে এই লেখা পড়েছেন জেনে ভালো লাগলো, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আমরা ঈদ সেলিব্রেট করেছি শনিবার, বাংলাদেশের সাথেই বলা যায়
মানবী বলেছেন:
শুধুই পাঠক, খুব ভালো লেগেছে জেনে। ধন্যবাদ আপনাকে।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
মন ছুঁয়ে যাওয়া লেখা। সত্যিই সুন্দর।
ফয়সল নোই বলেছেন:
বাহ্, +
আজনবী বলেছেন:
চমৎকার লেখা। অসাধারন। আপনি লেখায় দু'একটা বই, গান, গজলের কথা এবং প্রকৃতির কথা বললেন কিন্তু আমি দেখলাম আপনার পছন্দের বিশাল এটা লিষ্ট যা হয়তো আপনি কখনো ব্লগে দেননি বা আমার জানার কথা নয়। একজন লেখক শুধু নিজে একাই সব সৌন্দর্য্য উপভোগ করে না, লেখার ভিতর দিয়ে সে উপলব্ধি পৌঁছে দেয় পাঠক হৃদয়ে। এখানেই আপনার স্বার্থকতা।
লেখক বলেছেন: এমন সাধারন লেখার পাঠক হিসেবে আপনার উপলদ্ধির গভীরতা অসাধারন সুন্দর! পুরনো পোস্টটি পড়ার এবং চমৎকার মন্তব্যটির জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন।

















