আমার প্রিয় পোস্ট

Real knowledge is the knowledge about "The Real", or at least, that which leads to "The Real" - rest is just conjecture!

“সৃষ্টিকর্তাকে কে সৃষ্টি করেছেন?” – এই প্রশ্নের সরল উত্তর

২২ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৭:৩৫

শেয়ারঃ
0 37 0

“মুক্তমনা” নাস্তিকরা, “ডি-জুস”-কালচারে-বড়-হওয়া নিজের দ্বীন-সম্বন্ধে-একেবারে-অজ্ঞ কোন কিশোর বা তরুণকে যে ক’টি প্রশ্ন করে ভড়কে দেয়, তার একটি হচ্ছে: “সৃষ্টিকর্তাকে কে সৃষ্টি করেছেন?” অথচ, একটু চিন্তা করলেই দেখা যাবে যে, এই প্রশ্নটা সেই গ্রাম্য “শঠ-পন্ডিতের” সাথে “সত্যিকার পন্ডিতের” বিতর্কের প্রসিদ্ধ গল্পের মত – যেখানে “শঠ-পন্ডিত” তার প্রতিদ্বন্দিকে জিজ্ঞেস করেছিল: I don’t know – মানে কি?
চলুন দেখি “সৃষ্টিকর্তাকে কে সৃষ্টি করেছেন?” এই প্রশ্নের একটা সরল উত্তর ভেবে দেখা যাক:

স্রষ্টা এমন সত্তা যিনি সৃষ্ট নন, তিনি অস্তিত্বে আসনে নি বরং সর্বদা অস্তত্বিশীল এবং তিনি সৃষ্টিজগতের স্থান-কাল কাঠামোর অংশ নন ৷ আর এজন্যই তিনি অসৃষ্ট বা অবস্তু, ফলে তাঁর সৃষ্ট হওয়ার প্রয়োজন নেই ৷ এজন্য স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করেছেন, এই প্রশ্নটিই অবান্তর ৷ যেমন একটি ছবি কে এঁকেছে, এর উত্তরে একজন চিত্রশিল্পীর অস্তিত্ব থাকা আবশ্যক, কিন্তু “চিত্রশিল্পীকে কে এঁকেছে?” এই প্রশ্নটি অবান্তর কেননা চিত্রশিল্পীর ক্ষেত্রে “আঁকা” নামক ক্রিয়াটি প্রযোজ্য নয় ৷ তাই চিত্রশিল্পীর অংকিত হওয়ার প্রয়োজন নেই, অন্য কথায় “অংকিত নয়” এমন একজন অংকনকারী থাকা সম্ভব ৷ একইভাবে “সৃষ্ট নন”, এমন একজন স্রষ্টা থাকা সম্ভব, তাই বার্ট্রান্ড রাসেলের “হু ক্রিয়েটেড গড মাম?” এই প্রশ্ন করা অযৌক্তিক, অবান্তর, বোকামী ৷ আরেকটা উদাহরণ দেয়া যাক ৷ ধরা যাক আপনি অনেক দীর্ঘ একটি তাসের সারির সামনে দাঁড়িয়ে আছেন, আপনি দেখছেন একটি একটি করে তাস পড়ে যাচেছ এবং পড়ে যাওয়ার সময় সে পরের তাসটিকে ধাক্কা দিচ্ছে, ফলে পরের তাসটিও পড়ে যাচেছ, এভাবে একটি তাসের পতনের কারণ হচ্ছে তার পূর্বের তাসটি, তার পতনের কারণ তার পূর্বের তাসটি, তার পতনের কারণ তার পূর্বের তাসটি, এভাবে যেতে থাকলে একটি তাসে গিয়ে আপনাকে থামতেই হবে যেটি প্রথম তাস ৷ এখন যদি প্রশ্ন করা হয় যে, প্রথম তাসের পতনের কারণ কি? উত্তরে বলা যাবে না যে সেটিও একটি তাস, ফলে বুঝতে হবে যে প্রথম তাসের পতনের কারণ এমন কিছু যে নিজে তাস নয় ৷ হয়ত সে একজন মানুষ যে প্রথম তাসটিকে টোকা দিয়েছে ৷ এই মানুষটি যেহেতু তাস নয়, সেজন্য তাসের ক্ষেত্রে যে বৈশিষ্ট্যসূচক প্রশ্ন করা যাবে, এই মানুষের ক্ষেত্রে তা করা যাবে না ৷ যেমন তাসের ক্ষেত্রে প্রশ্ন করা যায় যে “তাসটি কি হরতন না ইস্কাপন?”, কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে এই প্রশ্নটি অবান্তর ৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও তাসের পতনের পেছনে আদি কারণ হিসেবে মানুষ থাকার বিষয়টি বাস্তব ৷ ঠিক তেমনি স্রষ্টা যেহেতু সৃষ্টি নন কিংবা ফল নন, সেহেতু “তাঁর স্রষ্টা কে?” বা “কারণ কি?” এই প্রশ্নগুলি তাঁর বেলায় প্রযোজ্য নয় – কিন্তু তাঁর থাকার বিষয়টি বাস্তব ৷ এখানে আপাতদৃষ্টিতে একটি প্রশ্ন আসতে পারে যে, যদি স্রষ্টাকে অস্তিত্বে আনার প্রয়োজন নেই বলে ধরে নেই, তবে খোদ মহাবিশ্বের ক্ষেত্রেই একথা ধরে নেই না কেন ? এর কারণ এই যে, মহাবিশ্ব কোন “জ্ঞানসম্পন্ন সত্তা” নয় যে নিজেই নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, পরিচালনা করতে পারে। বরং মহাবিশ্বের সকল ব্যবস্থা ও সকল অংশ ইংগিত করছে যে, তা নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত। এজন্য কোন স্রষ্টা ব্যতীত মহাবিশ্বের স্বয়ংসর্ম্পূণ অস্তিত্বের ধারণা সর্ম্পূণ যুক্তি বিরোধী, তাই এক্ষেত্রে একমাত্র যৌক্তিক সম্ভাবনা হচ্ছে এই যে, এর একজন জ্ঞানী স্রষ্টা ও নিয়ন্ত্রণকারী থাকতে হবে যিনি নিজে সৃষ্ট নন।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): “সৃষ্টিকর্তাকে কে সৃষ্টি করেছেন?” – এই প্রশ্নের সরল উত্তর ;
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৭:৩৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

২. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৬:২৬
আমি বিপ্লবী বলেছেন: মহাবিশ্বের সকল ব্যবস্থা ও সকল অংশ ইংগিত করছে যে, তা নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত।
৩. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৬:৪৯
স্বপ্নকথক বলেছেন: হাওয়া হাওয়া, ও হাওয়া...
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:১৮

লেখক বলেছেন: আপনার মত নামী দামী ব্লগার এহেন গরীবের আঙ্গিনায়! আমার জন্য খুবই সৌভাগ্যের কথা। আপনার মন্তব্যটা আমার স্বল্প মেধার মস্তিষ্ক ধরতে পারেনি - যদি একটু খোলাসা করতেন।

৪. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৬:৫৩
চতুরভূজ বলেছেন: ভালো চেষ্টা করেছেন

+
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

৫. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৬:৫৬
দেবতা বলেছেন: চতুরভুজ কেমন আছেন?
৬. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৬:৫৮
ভুডুল বলেছেন: পোস্টে প্লাস। চতুর আপুনি যে!!!! ভালো আছেন তো?? আপনাকে মিস করি ব্লগে। নিয়মিত হউন।
২৭ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

৮. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৩২
স্বপ্নকথক বলেছেন: স্যাটেলাইট লাগান। আর আমার ভিজিট ফি দেন।
২৭ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৬:৫৭

লেখক বলেছেন: হুমমমম!

৯. ১৮ ই মে, ২০১০ রাত ৯:২২
এস এইচ খান বলেছেন:

আজ আমার বড় ছেলেটার ইন্টার পরীক্ষার শেষ দিন। পরিবারের সবাইকে নিয়ে দুপর ১টা পর্যন্ত কুর্মিটোলা শাহীনের গাছ পালায় ঘেরা বিশাল মাঠে কাটিয়েছি। পরীক্ষা শেষে হেঁটে হেঁটে সিএমটিডির কেন্টিনে এসে পানি কিনছি, এ সময় লক্ষ্য করলাম, কেন্টিনের পশ্চিম পার্শে রাজউকের ছাত্ররা জটলা পাকিয়ে ধুমছে সিগারেট টানছে তার মধ্যে অনেকে আবার উচ্চস্বরে মোবাইলে কথা বলছে যা রিতিমত নোংরামী । পূর্বের পরীক্ষাগুলোতে এখানে এসেছিলাম এবং আমার ছেলেটির ক্লাশমেট হওয়ার কারনে ওদের মধ্যে দু একজনকে চিনতেও পারছিলাম। এ পর্যায়ে আমার ছেলেটি বলল, চল যাই।

আমি এ কথাগুলো বললাম, আপনার পোষ্টের ১ম লাইনে উল্লেখিত Ul“মুক্তমনা” নাস্তিকরা, “ডি-জুস”-কালচারে-বড়-হওয়া নিজের দ্বীন-সম্বন্ধে-একেবারে-অজ্ঞ কোন কিশোর বা তরুন “। বোধ করি, এদের কাছে হয়ত পড়াশুনার সন্ধান আছে কিন্ত নাই বুঝি শেকড়ের সন্ধান। অনেক আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে এক সাংবাদিকের পরিসংখ্যান সংক্রান্ত একটি আর্টিকাল পড়েছিলাম, সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সৃষ্টির ইতিহাস এবং কাদের অবদানে এটি আজ মহীরুহে পরিণত হয়েছে এ সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে পেরেছিল মাত্র ৩% ছাত্র। ঢাবিতে আজ সকল পর্যায়ে অনৈকতার ছড়াছড়ি, ছড়াছড়ি আবক্ষ মূর্তির। মনে রাখতে হবে, মুলি বাঁশের গোড়া দিয়ে মুলি বাঁশই বের হয়।

আর পোষ্ট সম্পর্কে আমার কইবা বলার আছে। শুধু বলব,
It is your duty to tell the truth and my duty to know.

১৮ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই - সুন্দর মন্তব্যের জন্য!

আমাদের অজান্তেই মানবতা এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। দোয়া করবেন আমরা যেন "শিকড় কামড়ে" হলেও মুসলিম হিসেবে বেঁচে থাকতে পারি এবং মুসলিম হিসেবেই মরতে পারি!

১০. ২২ শে মে, ২০১০ ভোর ৬:১২
নির্ণয় বলেছেন: একটা চতুর শব্দের খেলা খেললেন। জাকিরের কথা মনে পড়ে গেল। জাকির বলেছিলো যে ঈশ্বরে অবিশ্বাসীকে মুসলমান বানানোর কাজ নাকি অর্ধেকই হয়ে গিয়েছে। কেমন করে? আসুন দেখি জাকিরের চতুর শব্দের খেলা - “যেহেতু ঈশ্বরে অবিশ্বাসী মনে করে “There is no God”, সেহেতু তাকে বাকিটা মানে “But Allah”, শেখাতে পারলেই সে মুসলমান হয়ে যাবে।“

আসুন দেখা যাক আপনি যে শব্দের খেলাটা খেললেন তার ফাঁকটা কোথায়।


একটি ছবি কে এঁকেছে, এর উত্তরে একজন চিত্রশিল্পীর অস্তিত্ব থাকা আবশ্যক, কিন্তু “চিত্রশিল্পীকে কে এঁকেছে?” এই প্রশ্নটি অবান্তর কেননা চিত্রশিল্পীর ক্ষেত্রে “আঁকা” নামক ক্রিয়াটি প্রযোজ্য নয় ৷ তাই চিত্রশিল্পীর অংকিত হওয়ার প্রয়োজন নেই, অন্য কথায় “অংকিত নয়” এমন একজন অংকনকারী থাকা সম্ভব ৷

সৃষ্টি আর অংকন শব্দ দুটোর আপাত পার্থক্য দেখিয়ে আপনি বোঝাতে চেয়েছেন যে “সৃষ্টিকর্তাকে কে সৃষ্টি করেছেন?” এ প্রশ্ন অবান্তর।

এখন দেখুন “ছবিটি কার আঁকা?” এর বদলে “ছবিটি কার সৃষ্টি?” এ প্রশ্ন করলে কিন্তু আপনার শব্দের খেলা টেকেনা। তখন উত্তর পাওয়া যায় “চিত্রশিল্পীর”। আবার প্রশ্ন করা যায় “চিত্রশিল্পী কার সৃষ্টি?” উত্তর “ঈশ্বরের”। তারপরই পৌঁছে যাওয়া যায় সেই প্রশ্নে যেটার অসারতা প্রমাণের জন্য আপনার এই ছেলে ভুলানো খেলা।
২২ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:০২

লেখক বলেছেন: রাস্তার একটা বদ্ধ পাগলও ক্যানভাসে ছবি আঁকা আর চিত্রকরের মানবজন্ম (তার সৃষ্টি বা তার পৃথিবীতে আসাকে) একই প্রক্রিয়া বলে আখ্যায়িত করবে না। শঠতা, শব্দের খেলা বা মারপ‌্যাঁচও সহজ কথাকে বুঝতে না চাওয়ার মুনাফিক্বি অবশ্য নাস্তিকদের সহজাত বৈশিষ্ট্য!

১১. ২৬ শে মে, ২০১০ রাত ১১:০৭
এস এইচ খান বলেছেন:

শঠতা, শব্দের খেলা বা মারপ‌্যাঁচও সহজ কথাকে বুঝতে না চাওয়ার মুনাফিক্বি অবশ্য নাস্তিকদের সহজাত বৈশিষ্ট্য!

+++++++++++++

অসাধারণ, অসাধারণ।

২৭ শে মে, ২০১০ ভোর ৫:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

১২. ২৭ শে মে, ২০১০ ভোর ৬:০০
বৈকুন্ঠ বলেছেন: উত্তরডাতো মনে হয় এতটা সরল হৈল না। আপনের ডিজুস প্রজন্মতো আরো আউলা লাগায়া ফালাইবো।
তবে আপনে সৃস্টিকর্তারে রক্ষা করনের লাইগা যে এত কস্ট কৈরা এই পুস্টখান লেখছেন এই কারনে নিশ্চই বেচারা সৃস্টিকর্তা আপনের কাছে কৃতজ্ঞ থাকবো।
ঝাঝাকাল্লাহুতালা খাইরান
২৭ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:৫১

লেখক বলেছেন: "এই কারনে নিশ্চই বেচারা সৃস্টিকর্তা আপনের কাছে কৃতজ্ঞ থাকবো" - আপনি মুসলিম হয়ে থাকলে এই কথা বলার জন্য তওবা করুন।

আমি যে সৃষ্টির্তার কথা বলেছি, তিনি কারো মুখাপেক্ষি নন। কুর'আনে উল্লিখিত তাঁর ৯৯ নামের একটি হচ্ছে "সামাদ" - যারা অর্থ হচ্ছে পৃথিবীর সবকিছু যাঁর মুখাপেক্ষি অথচ, যিনি কারো মুখাপেক্ষি নন - আল্লাহর কাছে মানুষের কোন greatness নেই। একথাটাই একজন Swiss মুসলিম, প্রয়াত Frithjof Schuon, এভাবে বলেন যে, একজন মরুবাসীর যেমন সূর্যের অস্তিত্ব ভুলে থাকার উপায় নেই, তেমনি একজন মুসলিম মুহূর্তের জন্য আল্লাহর অস্তিত্ব ভুলে থাকতে পারে না। তিনি বলেন:

".......scorched by the 'ever present and ever eternal Divine Sun.’…….’In face of this Sun, man is nothing: that the Caliph Umar should conquer a part of the ancient world or that the Prophet should milk his goat amounts to more or less the same thing; that is to say, there is no “human greatness” in the profane and Titanesque sense, and thus no humanism to give rise to vain glories; the only greatness admitted is the lasting one of sanctity, and this belongs to God. [page#69, Dimensions of Islam – Frithjof Schuon] 

আরেকজন ধর্মান্তরিত মুসলিম, Gai Eaton, আরেকভাবে কথাটা বলেন - তিনি বলেন যে, আল্লাহ কেবল দয়া করে আমাদের "আমি" কথাটা উচ্চারণ করতে দিয়েছেন [অর্থাৎ "আমি" বলে কিছু বলা কেবল আল্লাহকেই মানায়] :

"He sees everything – even, so we are told, an ant under a rock on a dark night – whereas we only see what is before our eyes, with their limited range. He hears the rustling of every leaf and secret thought of His creatures; we only hear the sounds that are either very loud or very close to us. We have the use of these faculties only because He has them, but we have them in so limited form that only by courtesy can we be said to see and to hear. From the same point of view, it could be said that God is supremely a Person, whereas our personal identity trembles on the edge of dissolution and it is only divine courtesy that permits us to say ‘I’." [p#96, Islam and the Destiny of Man – Gai Eaton]

১৩. ২৭ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:১০
চতুষ্কোণ বলেছেন: দিগন্তে তাকালে আমরা আকাশ আর মাটিকে মিশে যেতে দেখি। আমাদের মনে হয় তার পরে বুঝি আর কিছুই নেই। এটা স্রেফ আমাদের দৃষ্টির সীমাবদ্ধতা। সৃষ্টিকর্তার ব্যাপরটি হয়তো ঐরকমই। আমাদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার কারণেই হয়তো আমরা তার অস্তিত্ব অনুভব করতে পারি না।
২৭ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:২৪

লেখক বলেছেন: সুন্দর বলেছেন। তবে একটা জায়গায় ভিন্নমত পোষণ করবো। জ্ঞানের অভাব নয়, আসলে সময়ের অভাবে - "আমরা এখানে কি করছি?" - তা ভাববার অবকাশ হয় না আমাদের। এই বিষয়ের উপর নীচের লেখাটা কষ্ট করে পড়ে দেখুন একটু:

Click This Link

১৪. ২৭ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:২৭
হিরম্ময় কারিগর বলেছেন: চতুষ্কোণ এর মন্তব্যে প্লাস। তবে কথা হলো সৃষ্টিকর্তা কেন আমাদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা দূর করেন না। তবে কি তিনি চান না আমরা তাকে বুঝি বা জানি??
২৮ শে মে, ২০১০ ভোর ৫:২১

লেখক বলেছেন: তবে কি তিনি চান না আমরা তাকে বুঝি বা জানি?? - তা কেন? কুর'আনের কত আয়াতে আল্লাহ মানুষকে তাঁর নিদর্শনসমূহ চেয়ে/ভেবে দেখতে (reflect করতে) বলেছেন:

"Behold! in the creation of the heavens and the earth, and the alternation of Night and Day, there are indeed Signs for men of understanding."(3:190)

"And among His Signs is this, that He created for you mates from among yourselves, that ye may dwell in tranquillity with them, and He has put love and mercy between your (hearts): verily in that are Signs for those who reflect. "(30:21)

তাছাড়া মোটামুটি একই ধরনের ভাষায় একটা সূরাতেই "কেউ শিক্ষা নেবার আছে কি না?" - তা জিজ্ঞেস করেছেন ৬ বার।

"And We have left this as a Sign (for all time): then is there any that will receive admonition?" (54:15)
[আর প্রায় একই ভাষায় - ৫৪:১৭,২২,৩২,৪০ এবং ৫১ নম্বর আয়াতে]

কিন্তু আমাদের তা শোনার সময় নেই। নেশগ্রস্তের মত, zombie-র মত কিছু ভাবার কোন অবকাশ না নিয়ে, Bertrand Russel-এর "cog in a machine"-এর মত বা রবীন্দ্রনাথের ভাষায়: "চিরতন, হরতন, ইস্কাপনের" মত - অতি সনাতন ছন্দে নাচতে নাচতে আমরা জীবনটা পার করে দিই!

১৫. ২২ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১১
ফেরদৌস মিথুন বলেছেন: ++++
ধন্যবাদ আপনার পোষ্ট এর জন্য। তবে আফসোস আমাদের ডিজুস প্রজন্মের জন্য।আল্লাহ্ তাদের হেদায়েত করুন।।
২২ শে জুন, ২০১০ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ!

১৬. ০৫ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৩৪
মুক্ত মণ বলেছেন: It was truly a helpful post. I appreciate your wisdom. May Allah bless you. Plus ++
০৫ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: JazakAllahu Khair!

০৬ ই জুলাই, ২০১০ ভোর ৪:২০

লেখক বলেছেন: For more on this please see:

Click This Link

১৭. ২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:০৩
মুসাফির... বলেছেন: ১০ নং কমেন্টকারী নির্নয়কে বলছি..
আপনি ভুল কথা বলেছেন: এই পৃথিবীতে কেউ কোন কিছু সৃষ্টি করতে পারেনা। রুপান্তরিত করতে পারে মাত্র।

তেমনি ছবি আকা কোন সৃষ্টি নয়। এর জন্য প্রয়োজন হয়েছে.. রং, হার্ডবোর্ড, তুলি, সহ একজন মানুষ... ইত্যাদি বিভিন্ন উপকরন। আর সব উপকরন গুলির অস্তিত্বই হলো স্রষ্টার কাছ থেকে ধার। যেমন: হার্ডবোর্ড বা কাগজ এটা এসেছে কাঠ থেকে আর, কাঠ এসেছে গাছ থেকে, গাছের অস্তিত্ব মাটি থেকে, আর মাটির অস্তিত্ব... কে সৃষ্টি করেছেন? স্রষ্টা..

অতএব ছবি সহ এই পৃথিবীর মানুষের দ্বারা করা কোন কিছুই সৃষ্টি নয় বরং আবিস্কার, তৈরি, রূপান্তর ইত্যাদি শব্দে আখ্যায়ীত করা যাবে কিন্তু - সৃষ্টি নয়।

আর এই সহজ সমীকরনটি যদি আপনি না বুঝেন বা না মানেন: তাহলে এর উত্তরটিও মহান স্রষ্টা দিয়ে দিয়েছেন: আপনার অন্তরে মোহর মেরে দেওয়া হয়েছে-যার জন্য আপনি সত্য বুঝেন না।
আপনার শ্রবন শক্তিকে বধির করে দেওয়া হয়েছে, যার জন্য আপনি সত্য শুনেন না। আপনার চোখ অন্ধ করে দেওয়া হয়েছে- যার জন্য আপনি সত্য দেখেন না। আপনার জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি।
খাতামাল্লাহু আলা ক্বুলুবিহিম, ওয়ালা সাময়িহিম, ওয়ালা আবসারিহিম, ওয়ালাহুম আজাবুন আজীম।
সুরা বাকারাহ্- আয়াত: ৮
২০ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৫:৩৪

লেখক বলেছেন: JazakAllhu Khair!

২১ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৫:২৭

লেখক বলেছেন: জ্বি দেখে এসেছি - সুন্দর উপলব্ধি!

২০. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৩৪
মুসাফির... বলেছেন: @ নির্র্নয়: এত সহজ কথাটা না বুঝার ভান করছেন কি জন্য আমি বুঝলাম না। মানুষের তৈরি বিমান, গাড়ি, রাস্তাঘাট, বাড়িঘর যা কিছু আছে, এগুলো হলো তৈরি, বা রূপান্তর: আমরা অবশ্যই এসবকে কেহ বলিনা যে, নির্নয় একটি গাড়ি সৃষ্টি করেছে, বা একটি বাড়ি সৃষ্টি করেছে, বা একটি রাস্তা সৃষ্টি করেছে। এখানেই সৃষ্টি এবং তৈরি বা রূপান্তরের পার্থক্য।
তৈরি বা রূপান্তর, এই ক্রিয়াগুলির ক্ষুদ্র অংশ হলো, যেমন, পেইন্টিং, অংকন, জোড়া লাগানো, এক কথায় সকল প্রকার এসেম্বলিং।

আপনি আবারো এই সৃষ্টি এবং তৈরি বা রূপান্তরকে এবং তার পরবর্তী বিশেষন গুলিকে এক করার বৃথা চেষ্টা করলেন।

আর এই সাধারন লজিকটাই স্রষ্টায় বিশ্বাসী, আর অবিশ্বাসীদের বোধ বিশ্বাসের অন্তরায়।
২১. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৫৭
ত্রিভুজ বলেছেন: সুন্দর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। তবে আমি মনে করি নাস্তিকদের সৃষ্টিকর্তার স্রষ্ট্রা খুঁজতে যাওয়া একধরনের স্ববিরোধীতা ছাড়া আর কিছুই না। বিস্তারিত এখানে - Click This Link
৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

২২. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:১৪
মো : সোহেল রানা বলেছেন: আমি বুঝলাম না আপনারা নাস্তিক নাস্তিক করছেন কেন ? এখানে সহজ সরল ভাষা ব্যবহার করলে আমার মনে হয় সবাই বুঝতে পারবে। পবিত্র কুরআনে বহু জায়গাতে বলা হয়েছে হে বিশ্বাসীগণ। আর যারা বিশ্বাস করে না তারা অবিশ্বাসী। যার আরবী শব্দ ব্যবহার হয়েছে (কাফের)। আমরা নাস্তিক শব্দ বাদ দিয়ে কাফের ব্যবহার করতে পারি না??????
৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: একটু তফাৎ আছে - সব নাস্তিকই কাফির, তবে সব কাফিরই নাস্তিক না!

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: সাজিদ আপনাকে ধন্যবাদ!

২৪. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১০ রাত ২:৫২
মুরুববী বলেছেন:
ভালো লেখছেন, লেখাটা আমার পছন্দ হইছে।
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ মুরুব্বী!!

২৫. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:১৯
এম এস জুলহাস বলেছেন:
সহজ কথা সহজ করে বলা কঠিন।

শুধু এটুকু-ই বুঝি- আমি, তুমি, সে আসলে কেউ নাই কেবলমাত্র এক আল্লাহ্ ছাড়া।

ভাই এত কষ্ট করে কাউকে বুঝানোর দরকার নাই। সময় হলে যার যার বুঝ সে-ই বুঝবে। শুধুমাত্র একটু ধৈর্য ধারন করেন।
২২ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:০০

লেখক বলেছেন: আচ্ছা!

২৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:১৪
আরাফাত৫২৯ বলেছেন: আপনার যুক্তি ভালো ... এবং এভাবে ভাবলে ধরে নেয়া যায় একজন সৃষ্টিকর্তা আছেন। কিন্তু মন্তব্যের জায়গায় দেখলাম, আপনি কুরআনের বিভিন্ন উদ্বৃতি উদাহরণ হিসাবে দিয়েছেন।

আপনার পোস্ট কিন্তু সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব প্রমাণ করে, কিন্তু কুরআনের ভালো-মন্দের ব্যাপারে কিছু ইঙ্গিত দেয়না। সুতরাং সৃষ্টিকর্তা হলেই যে তিনি "আল্লাহ" হবেন এটা একটা প্রশ্নসাপেক্ষ প্রশ্ন।

সুতরাং আপনার মন্তব্যগুলো নিরেপক্ষ হলেই আপনার কথাগুলোর গ্রহণযোগ্যতা বেশি থাকত।

পোষ্টে ++++++
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: আপনার উপদেশের জন্য ধন্যবাদ! আপনি যেহেতু আগ্রহ দেখিয়েছেন, আপনাকে আরো ২ সেট আর্টিক্যালের লিংক দিচ্ছি - ১ সেট ইংরেজীতে:

http://www.peaceinislam.com/muslim55/760/
http://www.peaceinislam.com/muslim55/765/

আরেক সেট বাংলায়:

http://www.peaceinislam.com/muslim55/1223/
http://www.peaceinislam.com/muslim55/1252/

ইনশা'আল্লাহ্, দয়া করে একটু সময় নিয়ে পড়ে আপনার মতামত জানাবেন - কেমন লাগলো জানাবেন! এখানে, এই পোস্টেই জানাতে পারেন।

২৭. ১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ২:১৯
ন্জু বলেছেন: সুন্দর , যুক্তিমূলক পোষ্ট ।.
১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১০:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

২৮. ২৪ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ৮:০০
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: পোষ্টটি যখন করছিলেন, তখনই চোখে পড়েছিল; ব্যস্ততা ও এই বিষয়ে অতি কচালানো লেবুজনিত ল্কারনে সৃষ্ট অনাগ্রহের কারনে পড়ে ওঠা হয় নি। আজ পড়লাম। যুক্তির অংশটি ভাল লেগেছে।
২৬ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ৯:৪৬

লেখক বলেছেন: আইচ্ছা! ধন্যবাদ!!

২৯. ০২ রা নভেম্বর, ২০১০ রাত ১:৫০
আগডুম বাগডুম বলেছেন: আমাদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা অনেক। আমরা স্রষ্টা তো দূরের কথা আমাদের চারপাশের সবকিছুকেই তো উপলব্ধি করতে পারিনা। এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে, সৃষ্টিকর্তা যদি অনাদি-অনন্ত হতে পারেন, তবে এই মহাবিশ্ব কেন অনাদি-অনন্ত হতে পারে না? যে যুক্তি আমরা স্রষ্টার ক্ষেত্রে ব্যবহার করি তা মহাবিশ্বের বেলায় প্রযোজ্য না কেন?

আমি আস্তিক, নাস্তিক হবার মত সাহস নেই আমার। তাই ভুল বুঝবেন না দয়া করে। আমি আর্নেস্টলি এর উত্তর খুঁজছি।
০২ রা নভেম্বর, ২০১০ ভোর ৬:৪৫

লেখক বলেছেন: Discoveries in astronomy have shown beyond a reasonable doubt that the universe did, in fact, have a beginning. There was a single moment of creation. এই লাইনটি এখান থেকে উদ্ধৃত।

Click This Link

মূল সাইটে গিয়ে পড়ে দেখুন - আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন!!

৩০. ১৬ ই নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:০৪
আশরাফ মাহমুদ মুন্না বলেছেন: যতই দেখছি, মুগ্ধ হচ্ছি।

Allah bless you.
১৬ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই!

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ - দেখবো ইনশা'আল্লাহ্!

৩২. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:১৪
বালক বন্ধু বলেছেন: যুক্তি সুন্দর তাই যোগ না দিয়ে পারলামন।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে!

৩৩. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৪:০৫
কঠিনলজিক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
সুন্দর লিখেছেন ।
ধর্মদ্রোহী আমার ভাষায় "নেড়ী কুকুর" গুলো নিয়ে প্রভাবিত হবার কোন কারণ নাই।
এরা যখন কিছু বুঝে না তখন "সবজান্তা" র ভাব নেয়, আবার যখন কিছু বুঝে আর "নিরুত্তর" হয়ে যায় তখন হাস্যকর তেনা প্যাচানি শুরু করে ।
উপরে এদের এই হাস্যকর চিরচেনা "প্রচেস্টা" প্রমান করে ওরা খুব ভাল ভাবেই বুঝেছে যা বলতে চাইছেন ।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:২৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ!

৩৪. ২৯ শে মার্চ, ২০১১ বিকাল ৫:৫১
আধাঁরি অপ্সরা বলেছেন: ছোট একটা পোস্ট কিন্তু সুন্দর ও যুক্তিযুক্ত!!
কেউ(নাস্তিকরা) জিজ্ঞেস করলে এখন থেকে আর বিভ্রান্ত হব না!!ধন্যবাদ!!
০৬ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ!

২৫ শে এপ্রিল, ২০১১ সকাল ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

৩৬. ১০ ই মে, ২০১১ সকাল ১০:৫৪
ক্ষুধিত পাষাণ বলেছেন: অসাধারন সুন্দর পোস্টে প্লাস এবং প্রিয়তে।
আমাদের অজান্তেই মানবতা এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। প্রার্থনা, আমরা যেন "শিকড় কামড়ে" হলেও মুসলিম হিসেবে বেঁচে থাকতে পারি এবং মুসলিম হিসেবেই মরতে পারি!
১৫ ই মে, ২০১১ সকাল ৮:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
আমীন!!

৩৭. ১৫ ই জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৩৩
মুহাম্মদ ফয়সল বলেছেন: অনেক দেরিতে হলেও আল্লাহর কৃপায় এত সুন্দর একটি পোষ্ট পড়ার সুযোগ পাওয়ায় আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি, আর আপনার জন্য রইলো শুভকামনা আর প্রাথর্না - আল্লাহ্ আপনাকে এর উত্তম প্রতিদান দিন!
১৭ ই জুলাই, ২০১১ ভোর ৬:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

৩৮. ২৮ শে জুলাই, ২০১১ রাত ৩:৪০
দাঁড়কাক ও চশমা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর একটা পোস্ট করার জন্য। আর বিভিন্ন মন্তব্যে প্রয়োজনীয় লিঙ্কস দেওয়ার জন্য আরো ধন্যবাদ।
২৮ শে জুলাই, ২০১১ ভোর ৬:২২

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ, আমাকে appreciate করার জন্য!

৩৯. ১৬ ই আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১:২২
মন্জুরুল ইসলাম বলেছেন: তিনি অস্তিত্বে আসনে নি বরং সর্বদা অস্তত্বিশীল এবং তিনি সৃষ্টিজগতের স্থান-কাল কাঠামোর অংশ নন।

আপনাকে আগে দেখিনি, আফসোস।
ধন্যবাদ আপনাকে, ভালবাসা।
১৬ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ!

৪০. ০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ সকাল ১০:১৩
kiron বলেছেন: হা হা হা! ইহা কি যুক্তির নমুনা?
০৮ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১:০৭

লেখক বলেছেন: আপনার কাছে "যুক্তি" কি?

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২৭৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
প্রকৃতির মাঝে নির্জনতায় একাকী থাকতে পছন্দ করি!
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই