আজকে লেগুনাতে(সিএনজি টেম্পু!) করে অফিসে আসতেছিলাম।
বেটা ছয় জন করে বারো জনের যায়গাতে চোদ্দজন করে নেবার বায়না করছিলো। সম্মিলিত প্রতিবাদে ও লোকাল পাওয়ার দেখানোতে তার এই চেষ্টা বিফল হয়!
তো ভেতরে দেখি এক মহিলার চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি ঝরছে।
মহিলার সাথে দুটা ব্যাগ। লেগুনা মাঝপথে আসতে দেখি উনি হাতের ইমিটিসানের চুড়ি খুলে রাস্তায় ফেলে দিলো। আমরা কেউ কিছুই বলছি না।
লেগুনা পিচ্চি কন্ডাকটর জিগাস করেই ফেললো, কি হইছে।
-কোনো জবাব নেই।
কিছুক্ষণ পরে কান্নাজড়িত কন্ঠে নিজেই বললেন, বাপ-মার কথা যেই সন্তান না শুনে তাগো এমনই তো হইবো।
উনার পাশের এক হিন্দু মধ্যবয়সী মহিলার সাথে যে কথাবার্তা হলো তাতে যা বুঝলাম, উনি ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন।
পালিয়ে।
বাবা-মার অমতে।
স্বামী এখন এক লাখ টাকা চাচ্ছেন।
টাকা দেবার কোনো উপায় নাই বলাতে স্বামিটা নিজ কন্যাকে পর্যন্ত রড দিয়ে পেটায়।
কোন মা এইটা সহ্য করতে পারে।
উনার উপর তো অকথ্য মার-ধর চলছিলোই।
.
.
.
এখন সব ফেলে উনি ব্যাগ গুছিয়ে বেরিয়ে পড়েছেন।
নিজের মায়ের কাছে ফিরে যাবেন।
.
.
.
জেগে ওঠো নারী। জেগে ওঠো।
ভয় কী মরণে, রাখিতে সন্তানে
মাতন্গ মেতেছে আজ সমর রন্গে
মাভই মাভই..

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

