somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার ইংল্যান্ডবেলা-৯

২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আগের পর্ব


যে টেকউয়েতে কাজ করতাম সেখানে একটা বার আছে।পাবগুলো বন্ধ হলে মদ পাগলরা এসে ভিড় করতো এখানে।যতক্ষণ মদ শেষ না হবে ততক্ষণ উঠার নাম নেই।ইউকএন্ডে আরো খারাপ অবস্থা।দোকান বন্ধ বলার পরও মদ চাইবে।যেটুকু গ্লাসে আছে সেটুকু শেষ করেতো করেনা।মদ খাওয়ার বেলায় তাদের কোন সময়জ্ঞান নেই।আমাকেও বসে থাকতে হয় যতক্ষণ মদ শেষ নাহয়।

সপ্তাহে একদিন ডেঅফ।যেদিন ক্লাশ সেদিন ডেঅফ নেয়ার চেষ্টা করি।সকালে উঠেই ট্রেন ধরি।ট্রেনে বসেই হোম ওয়ার্ক শেষ করি। কলেজ বাঙ্গালী হলেও টিচার কিন্তু ইংলিশ।টিচাররাও খুব ফ্রেন্ডলী।আমার ক্লাশমেটের মধ্যে বেশীরভাগই বাংলাদেশী।প্রায় সবার সাথেই অল্প দিনে একটা ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠে।একে অন্যকে সাহায্য করতাম সবসময়।

এভাবে কিছুদিন চলার পর ভেবে দেখলাম ইনকাম বাড়ানো দরকার।প্রতিমাসেই দেশে টাকা পাঠাতে হচ্ছে।কলেজের টিউশান ফি হতে শুরু করে মোবাইলের বিল সবমিলিয়ে মাস শেষে ব্যাংক খালি।তাই বসকে বললাম বেতন বাড়াতে।বস মুখের উপর না করে দিলেন।ঠিক করলাম আরেকটা কাজ পেলে এটা ছেড়ে দেবো।

ইষ্ট লন্ডনে প্রচুর বাঙ্গালী জব সেন্টার আছে।তারা রেষ্টুরেন্টে কাজের জন্য লোক পাঠায় বিভিন্ন জায়গায়।এজন্য একটা ফি ও নেয় তারা।এরকমই কিছু জব সেন্টারে যোগাযোগ করলাম।তাদের মাধ্যমে সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যে রেষ্টুরেন্টে কাজ পেয়ে গেলাম আরেকটু বেশী বেতনে।সাথে সাথে বসকে নোটিশ দিলাম কাজ ছাড়ার।

বেশ কিছুদিন একই জায়গায় কাজ করার ফলে সবার উপর কেমন মায়া পড়ে গেলো।চলে আসার দিন কষ্ট হলো খুব।যতটুকু তাদের জন্য কষ্ট হলো তার চেয়ে বেশী কষ্ট হলো আমার ভাঙ্গা দাতটার কথা ভেবে।


চলবে..................
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৪৪
১১টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×