আমার প্রিয় পোস্ট

মেঘমুক্ত নীলাভ দিঘীর কবোষ্ণতা খুঁজছে মন!

উনিশ তত্ত্ব বিশ্লেষণ (২য় পর্ব) : অ্যানসারিং সাবমিশন ১

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৯

শেয়ারঃ
0 0 0

সেদিন এক বন্ধু বলল, রাশাদ খলিফারে নিয়া এত লাগলি ক্যান!
প্রসংঙ্গটা হেসে এড়িয়ে গেলাম।
প্রশ্নটা সিরিয়াসলি নিলে কী বলতাম তাই শেয়ার করে শুরু করি।

ব্যাপারটা আসলে বেশ সরল কথা, রাশাদ খলিফার সাবমিশন ধর্ম অনেককে বিভ্রান্ত করেছে, করছে। সাবমিটার অর্থাৎ রাশাদের অনুসারীরা রাশাদের মৃত্যুর সাথে সাথে শেষ হয়ে যায় নি, তারা এখনো টিকে আছে আর তাদের এই নতুন ধর্ম যার মেসেঞ্জার রাশাদ খলিফা-তারা এখনো সে ধর্ম প্রচার করছে। আর সে প্রচারের অন্যতম মাধ্যম কিংবা হয়তো একমাত্র মাধ্যমও বলা যায়-ইন্টারনেট। সময়ের সাথে সাথে তারা অত্যন্ত যুগোপযোগী মাধ্যম ও কৌশলকে কাজে লাগাচ্ছে। তারা সংখ্যায় অত্যন্ত কম, কিন্তু পুরো ওয়েবে আছে সাবমিটারদের অনেক সাইট। দুয়েকটা ছাড়া অধিকাংশই চট করে চেনার উপায় নেই, ইসলামী সাইটের সাথে খুব ভিতরে না ঢুকলে কোন পার্থক্য পাওয়া যায় না।
তবে আমাদের দেশে এ নিয়ে সচেতনতার প্রয়োজন আসলে আছে কী?
প্রয়োজন এজন্য যে প্রথমত ধর্ম সংক্রান্ত্র বিভ্রান্তির অপনোদন। দ্বিতীয়ত রাশাদীয় ধারনা খুব আকর্ষনীয়। এর ১৯ সংক্রান্ত কিছু ভুল ধারনা ইতিমধ্যে ছড়িয়ে গেছে অনেক ভাবে। নেটের প্রসারে ক্রমে আরও ছড়াবে না তার নিশ্চয়তা কি? তৃতীয়ত হতে পারে এখন অনেকে রাশাদ খলীফার নাম জানে না, সাবমিশন দূরের কথা, কিন্তু বছর কয়েক পরে কোন সাবমিটার এ দেশেও প্রচারণা শুরু করবে না - তাই বা নিশ্চিত করে কে বলতে পারে। তাই এসব লেখার এই মুহূর্তে কোন অ্যাপ্লিকেশন না থাকলেও ৫ কি ১০ বছর পরে হয়তো জরুরী হয়ে পড়বে। ভবিষ্যতের ভাবনা না ভাবার কারনেই আমাদের অনেক বিড়ম্বনা পোহাতে হয়।

রাশাদীয় ১৯ তত্ত্ব চেনার একটি উপায় হচ্ছে সেখানে সূরা তাওবার শেষ দুই আয়াতকে তারা অস্বীকার করে, তাতে রাশাদের নবীত্বের দাবিতে সুবিধা হয়। তারমানে নয় নং সূরা তাওবার আয়াত যেখানে আমরা কোরআনে পাই ১২৯ টি, সেখানে সাবমিটাররা দাবি করে ১২৭ টি। তার জন্য তাদের খোঁড়া যুক্তি গুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন অনেকে , সেগুলোর কিছু নিয়ে বিগত পোষ্ট
রাশাদ খলিফা ১ : সূরা তাওবার শেষ দুই আয়াত
অথচ ১৯ তত্ত্ব বা ইসলামিক ১৯ তত্ত্ব দিয়ে অনেক ভালো ভাবে প্রমাণ করা যায় সূরা তাওবার আয়াত ১২৯ই। সাবমিটারদের ঘায়েল করার জন্য জবাব দিতে হবে ঠিক তাদের মত করেই,তাই এই প্রচেষ্টা। একই সাথে এটি একটি ইসলামিক ১৯ তত্ত্বের অন্যতম উদাহরণ।


অ্যানসারিং সাবমিশন ১


নিচে একটি টেবিল দেয়া হল ( টেবিল ১ ) ,টেবিলে ৫টি কলাম রয়েছে।
প্রথম কলামে, কোরআন শরীফের সূরাসমূহের ক্রম দেয়া আছে
দ্বিতীয় কলামে, সূরাসমূহের আয়াত সংখ্যা
তৃতীয় কলামে, যেসব সূরার ক্রম সংখ্যার পর আয়াত সংখ্যা বসালে নতুন যে সংখ্যা তৈরি হয় তা যদি ১৯ দ্বারা বিভাজ্য হয়
চতুর্থ কলামে, ৩য় কলামকে ১৯ দ্বারা ভাগ করলে যে ভাগফল পাওয়া যায়
পঞ্চম কলামে , ভাগফলের ক্রম

টেবিল ১

::১::
প্রথম কলামের যোগফল ৬৫৫৫ (সূরা সংখ্যা)
দ্বিতীয় কলামের যোগফল ৬২৩৬ ( আয়াত সংখ্যা)
তৃতীয় কলামের যোগফল ৩৬০৬২ (১৯ বিভাজ্য সূরা+আয়াত )
চতুর্থ কলামের যোগফল ১৮৯৮ (ভাগফল)
পঞ্চম কলামের যোগফল ৫৫ (ভাগফলের ক্রম)
সর্বমোট= ৬৫৫৫+৬২৩৬+৩৬০৬২+১৮৯৮+৫৫=৫০৮০৬= ১৯*২৬৭৪
আবার দেখুন ১৯ এর সাথের ২৬৭৪=২+৬+৭+৪=১৯
::২::
সর্বমোট= ৬৫৫৫+৬২৩৬+৩৬০৬২+১৮৯৮+৫৫=৫০৮০৬
এই ৫০৮০৬ সংখ্যাটির প্রত্যেকটি ডিজিট যোগ করে পাই
৫০৮০৬=৫+০+৮+০+৬=১৯

::৩::
ক্রম ও আয়াত সংখ্যা পাশাপাশি রাখলে গঠিত সংখ্যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য হয় এমন সূরা পাওয়া গেল ১০টি । তারমানে ক্রম ও আয়াত পাশাপাশি রাখলে বিভাজ্য হয় না এমন বাকি রইল (১১৪-১০)=১০৪ টি।
সূরা সংখ্যা ৬৫৫৫
আয়াত সংখ্যা ৬২৩৬
এখন এই দুই সংখ্যার সাথে ১০৪ বসিয়ে পাই ৬৫৫৫ ৬২৩৬ ১০৪
৬৫৫৫ ৬২৩৬ ১০৪=১৯* ৩৪৫০৩২৮২১৬


টেবিল ২

টেবিল-২ এ আমরা টেবিল-১ এর ডাটা গুলো আরেকটু সংক্ষিপ্ত ভাবে প্রকাশ করি
প্রথম কলামে, টেবিল ১ এর ভাগফলগুলো
দ্বিতীয় কলামে, ভাগফলগুলোর ক্রমিক
তৃতীয় কলামে, ভাগফল + ক্রমিক

::৪::
টেবিল ২ থেকে
প্রথম কলামের যোগফল ১৮৯৮ (ভাগফল)
দ্বিতীয় কলামের যোগফল ৫৫ (ভাগফলের ক্রম)
তৃতীয় কলামের যোগফল ১৯৫৩ (ভাগফল + ক্রমিক)

সংখ্যাগুলো পাশাপাশি বসিয়ে পাই,
১৮৯৮ ৫৫ ১৯৫৩= ১৯* ৯৯৯২৩৭৮৭০


টেবিল৩


এই টেবিল টেবিল-১ এরই আরেকটি বিন্যাস
প্রথম কলামে, ভাগফলগুলোর ক্রম
দ্বিতীয় কলামে, যেসব সূরা-আয়াত ১৯ দ্বারা বিভাজ্য তাদের আয়াত সংখ্যা

::৫::
টেবিল ৩ থেকে,
প্রথম কলামের যোগফল ৫৫ (ভাগফলের ক্রম)
দ্বিতীয় কলামের যোগফল ৪৪২ (যেসব সূরা-আয়াত ১৯ দ্বারা বিভাজ্য তাদের আয়াত সংখ্যার যোগফল)
সংখ্যাগুলো পাশাপাশি বসিয়ে পাই,
৫৫৪৪২=১৯* ২৯১৮

::৬::
এবার আমরা আরেকটা বড় হিসাব করি, টেবিল ৩ এর প্রত্যেকটি ক্রম সংখ্যার পর আয়াত সংখ্যা বসিয়ে একটি বড় সংখ্যা তৈরি করি
১ ৯৩ ২ ৮৮ ৩ ৩০ ৪ ৮৫ ৫ ৮৯ ৬ ১২ ৭ ৩০ ৮ ৮ ৯ ৪ ১০ ৩, বিস্ময়কর ভাবে এটিও ১৯ দ্বারা বিভাজ্য

১ ৯৩ ২ ৮৮ ৩ ৩০ ৪ ৮৫ ৫ ৮৯ ৬ ১২ ৭ ৩০ ৮ ৮ ৯ ৪ ১০ ৩
=১৯ * ১০১৭৩০৭০০২৫৫৫৭৩৪৮০৩৮৪৬৭৮৬৩৭
লক্ষ্য করুন, এটি একটি ২৮ ডিজিটের সংখ্যা । এটা এত বড় সংখ্যা যে সাধারণ কোন ক্যালকুলেটরে আপনি এটা হিসাব করতে পারবেন না।
(এটা হিসাবের জন্য একটি অনলাইন ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারেন, এটা ৫০০ ডিজিট পর্যন্ত রেসাল্ট দেখাতে পারে http://www.alpertron.com.ar/BIGCALC.HTM এর জন্য পিসিতে জাভা থাকা আবশ্যক। আপনার পিসি তে জাভা ইনস্টল না থাকলে একই পেজ থেকে জাভা ডাউনলোড করে নেন।)
বিশ্লেষণ


প্রকরণ:

আগেই বলেছি এটা একটা ইসলামিক ১৯ তত্ত্বের উদাহরণ এবং রাশাদ খলিফার সাবমিটারদের ১৯ তত্ত্বের বিরুদ্ধে একটি জবাব। কারন, এতে সব গুলো হিসাব করা হয়েছে সকল সূরার আয়াত সংখ্যা মূল কোরআনের অনুরূপ ধরে (৬২৩৬)। তারমানে সূরা তাওবার আয়াত ১২৯ ধরা হয়েছে-১২৭ ধরা হয় নি, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীমকে সূরার আয়াতের সাথে ধরা হয় নি। এবং এটা রাশাদীয় তত্ত্বের হিসাব গুলির চেয়েও অনেক শক্তিশালী।

সংখ্যাতাত্ত্বিক সম্পর্ক নির্ণয়ের মাপকাঠিতে যাচাই
মাপকাঠি
:::: সংখ্যা নির্বাচন বা উৎস
সংখ্যা নির্বাচন বা নির্বাচিত সংখ্যার উৎস কোন সংখ্যাতাত্ত্বিক মিল সন্ধানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। আর এই ১৯ সংখ্যাটিকে আমরা গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদক হিসেবে ধরার যথেষ্ট যৌক্তিক উৎস রয়েছে। বিস্তারিত

:::: গাণিতিক ধর্ম

১৯ একটি প্রাইম সংখ্যা,এটি অষ্টম প্রাইম সংখ্যা । তাই কোন র‌্যান্ডম সংখ্যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য হওয়া যথেষ্ট কঠিন। প্রাইম সংখ্যা হিসেবে ১৯ এর যথষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।১৯ এর গুণিতক সংখ্যাগুলোর ক্ষেত্রে ‘এরা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য’ -এই ধর্ম ছাড়া অন্য কোন সহজে বোঝা যায় এমন কোন সাধারণ ধর্ম নেই । .
কোন সংখ্যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য কিনা তা জানার জন্য যে উপায় আছে সেটিকে অবশ্য একটি সাধারণ ধর্ম হিসেবে বিবেচনা করা যায়। বিস্তারিত দেখুন ফুটনোটে ( পোষ্ট অযথা বড় হয়ে যাবে বলে আমার সহযোগী ব্লগ ফুটনোটে গাণিতিক ধর্মটুকু দিয়ে দিলাম)

:::: মিলের সঠিকত্ব , আন্তসম্পর্কযুক্ত মিল, সামগ্রিকতা শর্ত ও অন্যান্য


এই পুরো হিসাবে তালিকার মাধ্যমে প্রাপ্ত সংখ্যাগুলো ব্যবহার করা হয়েছে,চট করে বিচ্ছিন্ন কোন সংখ্যা কোন অজুহাত দেখিয়ে নিয়ে আসা হয় নি বা বাদ দেয়া হয় নি।
ব্যবহৃত মূল সংখ্যাগুলি হল
৬৫৫৫=কোরআনের সমস্ত সূরা সংখ্যার যোগফল বা ক্রমের যোগফল (১+২+৩+৪+...+১১৪)
৬২৩৬=কোরআনের সমস্ত আয়াত সংখ্যার যোগফল
৩৬০৬২ = পাশাপাশি বসালে যেসব সূরা-আয়াত ১৯ দ্বারা বিভাজ্য হয় তাদের যোগফল
১৮৯৮= সমস্ত ভাগফলের যোগফল
৫৫= ভাগফলের যে ক্রম হয় তার যোগফল (১+২+৩+...+১০)
১০৪=যেসব সূরা-আয়াত পাশাপাশি বসালে ১৯ দ্বারা বিভাজ্য হয় না।
১৯৫৩= ভাগফল + ক্রমিক এর যোগফল
৪৪২=যেসব সূরা-আয়াত ১৯ দ্বারা বিভাজ্য তাদের আয়াত সংখ্যার যোগফল
১৯৩২৮৮৩৩০৪৮৫৫৮৯৬১২৭৩০৮৮৯৪১০৩ = বেশ বড় সংখ্যা, তৈরি হয়েছে আলোচ্য ১০টি সূরার আয়াত সংখ্যাকে তাদের ক্রমিকের পাশাপাশি বসিয়ে তৈরি।

সম্পর্ক তৈরি হয়েছে দুই ভাবে:
(১)উৎপাদক-গুণিতক সম্পর্ক , যথা পয়েন্ট ১,৩,৪,৫,৬
(২)নিউমেরিকাললি সংখ্যার ডিজিটগুলো যোগ করে মূল সংখ্যা প্রাপ্তি, যথা পয়েন্ট ১,২
১৯ এর গুণিতক সংখ্যা তৈরি হয়েছে যেভাবে-
(১) তালিকার সংখ্যাগুলো যোগ করে যোগফল
(২) মূল সংখ্যা পাশাপাশি বসিয়ে নতুন সংখ্যা

এখানে প্রতিটি সংখ্যা একটি তালিকার মাধ্যমে প্রাপ্ত, শুধু তাই নয় সবগুলিই অন্তত ১০থেকে ১১৪ টি সংখ্যার যোগফল,তারমানে কোনটিকেই বিচ্ছিন্ন বলার কোন উপায় নেই, নির্দিষ্ট শর্তের মাধ্যমে প্রাপ্ত,পরস্পরের সাথে আন্ত:সম্পর্কযুক্ত ।

সিদ্ধান্ত :
কোন সিদ্ধান্তে এখনি আসতে চাচ্ছি না । তবে মূল সংখ্যাগুলোর অনেকগুলি কম্বিনেশনের জন্য দেখা যাচ্ছে তারা ১৯ এর সাথে সম্পর্কযুক্ত। তাই ইসলামিক ১৯ তাত্ত্বিক এই উদাহরণটি নিছক কাকতাল বলতে আমার মন সায় দেয় না এবং সম্পর্কগুলোকে আমার মতে দুর্বল বলার খুব একটা উপায় নেই। যাই হোক, আরও কিছু বলার আগে আমাদের আরও অনেক উদাহরণ দেখতে হবে।

যে কোন ভুল ধরিয়ে দিলে নিশ্চয়ই উপকৃত হব।

(and ofcourse allah knows the best)







 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ১৯অ্যানসারিং সাবমিশনউনিশ তত্ত্বসাবমিশন ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আপেক্ষিক ধর্মতত্ত্ব  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৩
অলস ছেলে বলেছেন: মাথা ব্যাথা শুরু হবে মনে হচ্ছে।
যাই হোক, এটা কি এভাবে বলা যায় যে, ঊনিশ সংখ্যা নিয়ে যারা বাড়াবাড়ি করবে তারাই সাবমিটার? এবং সংখ্যা দিয়ে ইসলামকে ব্যাখ্যা করার দরকার নেই? এভাবে দেখলে চলে না কোন সমস্যা আছে? আমার মত অলসদের জন্য একটা সোজা সমাধান দেন।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: ভাই একটা প্যারাসিটামল খেয়ে নেন :)
১৯ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে মোটেও সাবমিটার নয়। সাবমিটার মানে যারা রাশাদকে নবী মানে আর আরও কিছু উল্টাপালটা ব্যাপার মানে।
আপনি প্লিজ ১ম পর্বটা পড়ে নেন
Click This Link

২. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৪
পাপী বলেছেন: মাথা আউলাইয়া গেসে,এটা ঠান্ডা মাথায় পড়া আমার কম্মো না। কষ্ট করে লেখার জন্য ধন্যবাদ!
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২২

লেখক বলেছেন: আসলে লিখতে গিয়া আমারও বেশ সময় লাগছে- ব্যাপারগুলা যথেষ্ট সরল- তবে পোষ্টে কন্টেন্ট বেশি হয়ে গেছে । সময় নিয়ে পড়লে নিশ্চয়ই আপনারও তাই মনে হবে বলে আমার বিশ্বাস।

ধন্যবাদ ভাই।

৩. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩২
জনৈক আরাফাত বলেছেন: ঠাণ্ডা মাথায় পড়তে হবে। আপাতত স্টারপ্লাস দিয়া যাই!
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আরাফাত ভাই। পড়ে আপনার মন্তব্য জানাবেন কিন্তু ...
ভালো থাকবেন।

৪. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৬
শাকিউল রানা বলেছেন: ৬২৩৬=কোরআনের সমস্ত আয়াত সংখ্যার যোগফল

যোগফল শব্দটা কেমন যেন লাগছে। আয়াত সংখ্যা বলাটাই মনে হয় ভালো।

অনেক খেঁটেছেন বোঝা যায়। +++ দিলাম
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
পরামর্শের জন্য আরো একবার ধন্যবাদ,ভালো থাকুন,নির্মল আনন্দে কাটুক সময় এই কামনা।

৫. ০৬ ই মে, ২০১০ বিকাল ৫:১৮
কখঅআ বলেছেন: আপনি বলেছেন- কোন সিদ্ধান্তে এখনি আসতে চাচ্ছি না ।

তো আপনার মূল্যবান সিদ্ধান্তটা কবে নাগাদ জানতে পারব, ভাই?

আমার জানা মতে কোরআনের আয়াত সংখ্যা ৬৬৬৬
এ বিষয়ে আপনার মতটা জানতে চাই।
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন: এ বিষয়টা আসলে অনেক বড়, তার কন্টেন্ট এত বেশি যে হয়তো আপনি ভাবতেও পারবেন না, তাই পরের পোষ্টটা আমি কবে নাগাদ লিখতে পারব তা বলা কঠিন, আল্লাহর অপরিসীম সহায়তা ছাড়া সেটা লেখা অসম্ভব । অনেকদিন ধরেই আমি এ বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করছি।তবে শীঘ্রই কিছু লিখতে পারছি না।

কোরআন শরীফে আয়াত সংখ্যা বিভিন্ন সাহাবীর গণনায় বিভিন্ন হয়েছে, কারন হল অনেক আয়াতের শেষে মুহম্মদ সা. থেমেছেন, কখনো পরবর্তী আয়াতের সাথে মিলিয়ে পড়েছেন, এজন্য কেউ প্রথম থামাকে আয়াত ধরে কেউ দ্বিতীয় থামাকে আয়াত ধরেছেন। মুহম্মদ সা. যেহেতু প্রকৃত আয়াত সংখ্যা উল্লেখ করে যান নি তাই যে কোন গণনাকেই আমরা গ্রহণ করতে পারি,কিন্তু প্রথম পয়েন্ট অনুযায়ী বিসমিল্লাহকে আয়াত ধরে গণনা করা যাবে না। সাহাবীদের গণনা সমূহ হল
হযরত আয়েশা রা. - ৬৬৬৬
হযরত উসমান রা. -৬২৫০
হযরত আলী রা. -৬২৩৬
হযরত ইবনে মাসউদ রা. - ৬২১৮

তবে আমরা এখন ৬২৩৬ টি আয়াত পাই, কারন দেখা গেছে এভাবে আয়াতের গননাই সবচেয়ে সঠিক, ব্যাপারটা মুসলমানদের সর্বসম্মতিতে গৃহীত, এবং এটাই এখন সব কোরআন শরীফে আপনি পাবেন।

৬. ০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১২:০৫
কখঅআ বলেছেন: এ থেকে কি এটা ধরে নেয়া যায় না যে, পবিত্র কোরআন শরীফের আয়াত সংখ্যা সঠিক গণনার বাহিরে রাখাটাও মোযেযার অন্তর্ভুক্ত। এটি ইমানদারদের জন্য যেমন একটি পরীক্ষা, তেমনি মোনাফেক এবং বেইমানদের মুখোশ উন্মোচনের কৌশলও বটে। ভবিষ্যতে যে একটি বিপথগামী দল ছল-চাতুরীর আশ্রয় নিয়ে মানুষের মাঝে সন্দেহের উদ্রেগ ঘটাবার অপচেষ্টায় লিপ্ত হবে- এ বিষয়টি মুহাম্মদ (সাঃ) জানতেন বলেই হয়ত আয়াত সংখ্যা গণনার বিষয়টি স্পষ্ট করে যান নাই। আর এরই সুযোগ নিয়ে মোনাফেক ও বেইমানেরা হয়ত ভেবেছিল- আয়াত সংখ্যার মারপ্যাচে তারা এবার বুঝি আল-কোরআনের বিকৃতী সাধনে সফল হবে। কিন্তু এই সাধারন ব্যাপারটিই অবশেষে তাদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়াল। তারা সূরা তওবার শেষ আয়াত দুটিকে বাদ দিতে গিয়ে নিজেরাই বরবাদ হয়ে গেল।
৭. ০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১২:১৩
কখঅআ বলেছেন: ভাই, আমি আল-কোরআনের বর্ণ ও শব্দ সংখ্যার গননা নিয়ে আপনার মতামত জানতে চাই। যেহেতু আপনি এ বিষয়ে অনেক পড়াশুনা ও চর্চা করেছেন, তাই আপনার জানা কথাগুলো দয়া কোরে জানলে খুব উপকৃত হব। অপেক্ষায় রইলাম কিন্তু।
মহান আল্লাহতায়ালা যেন আমাদের সঠিক জ্ঞান দান করেন।
১০ ই মে, ২০১০ বিকাল ৪:১২

লেখক বলেছেন: মাফ করবেন ভাই,অনেক পড়াশোনা বা চর্চা আসলে আমি করিনি,এসব বিষয় এত বেশি কন্টেন্ট যে সে তুলনায় বলা চলে আমার জ্ঞান অত্যন্ত সীমিত । তবে চেষ্টা করে যাচ্ছি কিছুটা হলেও জানতে...আপনার প্রসংঙ্গগুলো নীচের কমেন্টে দিলাম।

৮. ০৯ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৫৮
কখঅআ বলেছেন: ভাই, আপনার উত্তরের অপেক্ষায় দিন গুনছি। একটু দৃষ্টি দেবেন কি?
১০ ই মে, ২০১০ বিকাল ৪:০৪

লেখক বলেছেন: দেরি করে রিপ্লাই দেয়ার জন্য দু:ক্ষিত,একটু ব্যস্ত ছিলাম,মাফ করবেন।

আপনার কমেন্টগুলো দেখলাম..যেসব প্রসংঙ্গ বলেছেন
প্রসংঙ্গ: এ থেকে কি এটা ধরে নেয়া যায় না যে, পবিত্র কোরআন শরীফের আয়াত সংখ্যা সঠিক গণনার বাহিরে রাখাটাও মোযেযার অন্তর্ভুক্ত।
মন্তব্য: আয়াত সংখ্যার সাথে কোন মোযেযা বা ধর্মীয় কোন নিদর্শন আছে কি নেই সেটা পরের কথা। প্রাথমিক ভাবে আয়াত সংখ্যা নির্ণয় করা জরুরী ছিল এবং তা নবী সা. এর ঘনিষ্ঠ সাহাবীদের মাধ্যমেই নির্ণীত হয়। হযরত উমর রা. এর শাসনামলে সর্বপ্রথম রাষ্ট্রীয় ভাবে আয়াত গণনার কাজ শুরু হয়, কেননা সে সময় সিদ্ধান্ত হয় তারাবীর নামাজের প্রতি রাকাতে ৩০ আয়াত করে তেলাওয়াত করা হবে। তাছাড়া ব্যক্তিগত ভাবে অনেকেই আয়াত গণনা করেছেন সেটা আগের কমেন্টে দেখেছেন।

তেলাওয়াতের সুবিধার জন্য তাই মূলত আয়াত গণনার দরকার হয়।এখন কথা হচ্ছে নবী সা. যেহেতু আয়াত সংখ্যা উল্লেখ করে যাননি তাহলে সে আয়াত সংখ্যা গণনা করা দরকার কি বা উপযোগীতা কি। আসলে আয়াত সংখ্যা গণনা মূলত কোরআন শরীফের একটা পরিসংখ্যান নেয়া, পরিসংখ্যান নেয়া হয় যখন দরকার পড়ে বা কোরআন শরীফ নিয়ে স্টাডি করা,শিক্ষাদান করা এবং আমল করা যাতে সহজ হয়। এর সাথে কোন মোযেজা আছে কি নেই তা ভিন্ন ব্যাপার।

প্রসংঙ্গ:আল-কোরআনের বর্ণ ও শব্দ সংখ্যার গননা
মন্তব্য: সাহাবী আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. এবং তাবেয়ীনদের কারো কারো নাম পাওয়া যায় যারা আল-কোরআনের অক্ষর গণনা করেছেন, সেখানে কিছুটা তারতম্য আছে। সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার করা ছাড়া ব্যাপারটা এককথায় বলা ঠিক হবে না । অনেকগুলো টপিক একটার সাথে আরেকটা সম্পর্কযুক্ত। পরম করুনাময় আল্লাহর সাহায্য পেলে আমি চেষ্টা করব এ বিষয়ে পরে ডিটেইলস লিখতে।

আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।।
( and allah knows the best)

৯. ১১ ই মে, ২০১০ রাত ১২:০২
কখঅআ বলেছেন: ভাই, আমার মন্তব্যের দিকে দৃষ্টি দেবার জন্য ধন্যবাদ। আপনাকে বার বার প্রশ্ন করার জন্য দুঃখিত।
পবিত্র কোরআন শরীফের আয়াত সংখ্যা গণনা করার দরকার বা প্রয়োজন ছিল না- এ কথা কিন্তু আমি কখনো বলিনি। অবশ্যই দরকার ছিল। আমাদের ইবাদতের প্রয়োজনেই হয়ত তার দরকার ছিল। কিন্তু সেই আয়াত সংখ্যার বিষয়টি কোন আলেমের কাছে জিজ্ঞাসা করলে আপনার দেয়া তথ্য গুলোই তারা দেন এবং যা সঠিক।(হযরত আয়েশা রা. - ৬৬৬৬,
হযরত উসমান রা. -৬২৫০, হযরত আলী রা. -৬২৩৬, হযরত ইবনে মাসউদ রা. - ৬২১৮)

সেই সাথে তারা বলেন, এই গণনাগুলোর যে কোনটিকে সুবিধানুযায়ী বেছে নিয়ে আমল করা যেতে পারে।

আল-কোরআনের বর্ণ ও শব্দ সংখ্যার গননার বিষয়ে আপনার গবেসণা মুলক লেখা দেখতে চাই।
২৮ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:০৪

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ ভাই...ইনশাল্লাহ লিখব।।
ভালো থাকুন।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭৮৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ফেসবুক: www.facebook.com/masshood

অনুমতি ব্যতীত এই ব্লগের কোন লেখা অন্যকোথাও দেয়া যাবে না (c)

shondhitsu@জিমেইল.কম
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ