অনুসন্ধান:
cannot see bangla? সাধারণ প্রশ্ন উত্তর বাংলা লেখা শিখুন আপনার সমস্যা জানান ব্লগ ব্যাবহারের শর্তাবলী

আমার প্রিয় পোস্ট

গুডলাক ভূমিদস্যু মাংসের কারবারী ক্ষমতাধর মলকীটবর্গ

২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৩:০৬ |

শেয়ারঃ
6 0

রূপগঞ্জ সিধু কানুর গ্রাম।এই গ্রামের মানুষ মুঘলের তরবারি,বৃটিশের বেয়নেট,পাকিস্তানের বন্দুক আর বাংলাদেশের ফুলের আঘাতে মোস্তফা জামালের লাশ নিয়ে সভ্যতার উদযাপন করছে। নূর হোসেন,চলেশ রিসিল,মোস্তফা জামাল এদের নিয়তি সভ্যতার বুলেট।

মুঘল-বৃটিশ-পাকিস্তান-বাংলাদেশ; শাসক মানেই সম্পদ লুণ্ঠন,শাসক মানেই জীবন লুন্ঠন।
এইসব আজে বাজে চিন্তা করে অনেক তরুণ জীবন ফেলে ময়মনসিং হ জেলে বিদ্রোহে গেছে।
কিন্তু বুদ্ধিমান তরুণেরা জামালদের জমি দখলের জন্য অস্ত্র-ক্ষমতা-কালোটাকা নিয়ে ঘুরছে।

রূপগঞ্জে জলপাই চাষের চেষ্টা চলছে। আবার কংক্রীটের বসুন্ধরা সৃজনের আয়োজন অনতিদূরে।
দুর্নীতির প্লেগাক্রান্ত ঢাকাশহরের সামরিক-বেসামরিক ভূমিদস্যুতা ধেয়ে আসছে সিধু-কানু জামালের গ্রামে।
কারো হাতে বৈধ অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহার, কারো পকেটে কালো টাকা,উদ্দেশ্য একটাই ভূমি দখল।
বাঙ্গালী মুসলমান প্রোটোজায়ায় ভূমির প্রতি লোভ ৪৭ এর পর সবাই প্রত্যক্ষ করেছে।
নীটশে নীল রক্ত বলতে ভূমিদখলের সক্ষমতা বুঝিয়েছেন।
নূর হোসেন-চলেশ রিসিল-মোস্তফা জামাল এরা ছোটখাট মানুষের ঈশর,তাদের রক্ত লাল, টিভি ফুটেজে দেখছেন।

কিন্তু বাঙ্গালী মুসলমান যখন অস্ত্র,ভয় বা কালো টাকা দিয়ে সিধু কানুর জমি দখল করতে যায় তখন তার রক্ত নীল হতে শুরু করে।

কর্ণেল বাতেন বা টাকাওলা মফিজ জামালের জমির ওপর প্রাসাদ তৈরীর পর তার বউ মেয়ে যখন ওয়্যাক্সিং বা পেডিকিওর করতে পার্লারে যায়, তাদের পা ধরে জামালের বোন দেখে এদের রক্ত নীল হয়ে গেছে, নীটশে লাল রক্ত নীল করার এই ল্যান্ড বা প্যালেস বা পেডিকিওর কম্পলেক্স চাগিয়ে দিয়ে যাবার কারণে বাতেন-মফিজ অস্ত্র দেখিয়ে,দলবাজি করে,চোরাচালান করে,মানুষ খুন করে,ঘুষ খেয়ে বাচ্চাকে ইংলিশ মিডিয়ামে পাঠাচ্ছে,বউকে স্টারপ্লাস নিট মেক আপে রাখছে যাতে রক্ত নীলিকরণ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে।

জামালের অভিশাপে আমার ছেলে ইয়াবাসেবী হলে ক্ষতি নেই, আমার মেয়ের আভাগার্দ ছবি ডিজুস উপাঙ্গকেন্দ্রিক সারমেয়দের মুঠোফোনবৃত্তির রসদ হবে। তাতে ক্ষতি নেই জবা কুসুম রোকন দুলালের মাম্মি এগুলো নীল রক্তের সূচক। জয়তু নীটশে।

ঢাকা বা ঢাকান্তরের হিন্দু বা বিহারীদের দখল করা ধানমন্ডি বা র্যাং কিন স্ট্রীটের প্রাসাদে বসে অবসর প্রাপ্ত সিএসপি-মেজর জেনারেল বা চেম্বার অফ পাওয়ার আজ পত্রিকা পড়ে আহা উহু করছেন। টকশো না ডাকলেই বাঁচি ভেবে হিউম্যান রাইটস ইস্যুতে টেনশন করে সুগার লেভেল বাড়াচ্ছেন।

হাসিনা পারছেন না।

এজ ইফ মার্গারেট থ্যাচার পারতেন। যাদের রক্তের মধ্যে জামালের জমি দখলের, রবি রায়ের বাড়ী দখলের ধূসর কণিকা তাকে সামলাবেন শেখ হাসিনা।

রুপগঞ্জের ঘটনার মধ্যে ষড়যন্ত্র বলে এখন আওয়ামীলীগ বিএনপি মুখরা রমনীসুলভ সদস্যরা এখন টিভিতে কলতলাশোতে একে অপরের সঙ্গে খিস্তি করছেন। হাসিনাকে বিব্রত করতে কয়েকজন ব্যর্থ বক্তা আছেন। বয়সকালে তোফায়েল-সুরঞ্জিতের চেহারা বিটিভিতে দেখতো আর ভাবতো,দেখে নিস একদিন আমরাও।

অন্যদিকে খালেদাকে বিব্রত হননা আর। সালাউদ্দীন কাদের তার নবরত্নের একজন। কাজেই খালেদার সয়ে গেছে। আর দেলোয়ার জাকের নায়েকের মতো মিডিয়া ক্যারিয়ার করেছেন। উনি ল্যারিকিং এর গ্রামের আত্মীয় নাকি।

এই কাইজ্জাতে রুপগঞ্জ ইস্যুটা মাটিচাপা পড়বে জামালের মতো। শাহরুখ খান আসছে ঢাকার মেট্রোসেক্সুয়াল ইভনিং এ। জবাকুসুম রোকন দুলাল অনলাইনে টিকেট বুক করেছে।মাম্মিও বায়না ধরেছে। মাম্মিতো শাহরুখের বয়েসী তারি তো প্রথম অধিকার।

ড্যাডি এবার বাইনোকুলারে দেখছে কোন গ্রামটা ঢাকার কাছে, ইছামতী নাকি রুপগঞ্জ নাকি অন্য কোন গ্রাম কোথায় হবে জলপাই চাষ,কোথায় বসুন্ধরা সৃজন।

আমি তো মাটি কিনিনারে ড্যাডি পানি কিনি পানি।

২০২১ এর ভীষণ বাংলাদেশে খান বাহাদুর হতে গেলে ঢাকায় বাড়ী থাকতে হবে,ছেলে হার্ভাড থেকে ডাব্বা মেরে ফিরতে হবে, মেয়েকে সমস্ত কিছুর বিনিময়ে টিভিতে আসতে হবে,বউকে বোট্যাক্স করিয়ে ম্যায় কুসুমের মতো দেখতে হবে।ঢাকান্তরে বাগান বাড়ী থাকতে হবে,সেইখানে জমির রাজনৈতিক দালালরা ব্লু লেবেল খাওয়া শিখবে জরিনাকে ডিভোর্স করে। মডেল কন্যার সামনে ড্যাডি সুগার ড্যাডী হয়ে যাবেন।

ঢাকার ফাঁপা মানুষের এলিট হয়ে ওঠার বাতিক বদলাতে আওয়ামী লীগ পারবে না।
বাংলাদেশে রাষ্ট্রিক পর্যায়ে কোন ইতিবাচক পরিবর্তন অসম্ভব।

পারলে পরিবার আর স্কুল পারবে। বাংলাদেশের আসছে প্রজন্মের বাবা-মা-শিক্ষক ছাড়া আর কারো কাছে কোন জাদু নেই। হতাশায় সময় কাটিয়ে জামালের জন্য কিছু করা যাবেনা।
চলেন তার চেয়ে আমাদের বাচ্চাগুলোকে নির্লোভ করে গড়ে তুলি। ঘুষখোর ইঞ্জিনিয়ার,আমলা ক্লিনিকখোর ডাক্তার,ভূমিখোর সেনা কর্মকর্তা, চাঁদাবাজ পুলিশ বা টেন্ডার সন্ত্রাসী না বানিয়ে সুস্থ মানুষ বানাই।

সিরাজুল ইসলাম চোধুরী বা আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদের উপদেশ শুনে আমরা যারা ভাবতাম,

স্যাররা কি যে কল্পনার জগতে থাকেন।
উনাদের কথা শুনলে এগোনো যাবে না।

উনাদের কথা না শোনাতেই আজ বাংলাদেশ অন্ধকার যুগে ঘড়ি ঘুরালো। এখনো আমরা চালাক মানুষরা ভাবছি,আগুন লেগেছে রুপগঞ্জে। আমাদের কী। আগুন কতো দ্রুত আপনার চৌকাঠে আসতে পারে তাতো জানিনা আমরা। আমাদের বালিতে মুখ গুজে দেশপ্রেম বিলাসের নিষ্কর্মতায় আমরা নূরহোসেন,রিসিল,জামালদের লাশের অংক কষে যখন ব্রেকিং নিউজ দেখছি,

তখন যুদ্ধাপরাধীরা রুপগঞ্জের ঘটনাকে কীভাবে ঘোলা করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার পন্ড করা যায় তার রেসিপি তৈরী করছে।বিএনপি এখন ত্যানা পেচিয়ে আওয়ামী লীগকে অজনপ্রিয় করে তুলবে। কারণ বিএনপির শয়নে সপনে জাগরণে শুধু ক্ষমতায় যাওয়া। দেশের চেয়ে দল বড়। মানুষের চেয়ে জমি বড়।

ধর্মব্যবসায়ীরা সরকারের সঙ্গে সেনাবাহিনীর শত্রুতার চেষ্টা পিলখানা থেকেই করছে,রূপগঞ্জ ঘটনায় করবে। সরকার ও সেনাবাহিনীর সম্পর্ক খারাপ হবার আশংকা নাই। কারণ এসব ভিলেজ পলিটিক্স সরকার সেনাবাহিনী বোঝে।

কিন্ত আমাদের সিধু কানু বা অস্ত্রহীন-কালোটাকাহীন-রাজনৈতিক ক্ষমতাহীন সুস্থ মানুষগুলোকে মাঝে মাঝেই যারা পাখির মত গুলি করে মারছেন তাদের কিছু করার সামর্থ আমার নেই। আমি আমজনতা।

কিন্তু অভিশাপ দিচ্ছি তোর ছেলে নিউইয়র্কে আফ্রিকান সমকামী বন্ধুর গুলি খেয়ে মরবে। তোর মেয়ে লন্ডনের সোহোতে নাচবে।তোর বউয়ের মেরুদন্ড শুকিয়ে যাবে,আর তুই মাউন্ট এলিজাবেথে বিছানায় হেগে মরবি। গুডলাক ভূমিদস্যু মাংসের কারবারী ক্ষমতাধর মলকীটবর্গ।




 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 


১৭টি মন্তব্য

১. ২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৩:১৫

অন্যআনন বলেছেন: " কিন্তু অভিশাপ দিচ্ছি তোর ছেলে নিউইয়র্কে আফ্রিকান সমকামী বন্ধুর গুলি খেয়ে মরবে। তোর মেয়ে লন্ডনের সোহোতে নাচবে।তোর বউয়ের মেরুদন্ড শুকিয়ে যাবে,আর তুই মাউন্ট এলিজাবেথে বিছানায় হেগে মরবি। গুডলাক ভূমিদস্যু মাংসের কারবারী ক্ষমতাধর মলকীটবর্গ" অভিশাপে সহমত।

অফটপিক : মাসকাওয়াথ ভাই, বিষন্নতার শহর মিস করছি। সেটা শহরের গন্ডি পেরিয়ে বিষন্নতার দেশও হতে পারে।! হতেই তো পারে।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৩:২৮

লেখক বলেছেন: ব্যাপারটা মনে হয় বিষণ্ণতার গ্রহের দিকে যাচ্ছে।

শুভেচ্ছা।

২. ২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৩:৩০

ইশতিয়াক অাহমেদ বলেছেন: অসাধারণ...স্যালুট বস...


পুরোটাই ছুঁয়ে গেল...আমার আর জামালের কোনও পার্থক্য নাই...সৃস্টিকর্তা আমাদের এক মাটি দিয়েই বানিয়েছন...যে মাটির টান জামালকে ভাবিয়েছে...সেটা আমারও সমান...

২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৩:৫৭

লেখক বলেছেন: আমরা নোবডি।

৩. ২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৩:৪৮

শ।মসীর বলেছেন: আপনিই তাহলে সেই আহসান, এক সময় যার লেখাগুলো পত্রিকার পাতায় গোগ্রাসে গিলতাম, আর ভাবতাম এত চমৎকার করে কেউ লিখে কি ভাবে মনের কথাগুলো । ।


অনেক ভাল লাগল............অক্ষমের আক্রোশ, আমরা সবাই তাই !!!

২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৩:৫৮

লেখক বলেছেন: অন্ধ অক্ষম লোমওঠা নেকড়ের জীবন।

৪. ২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৩:৫৫

রোহান বলেছেন: অসাধারণ... আর কিছু বলার নাই....

২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৪:০০

লেখক বলেছেন: কী লাভ এসব লিখে, কাল সকালে আরেক রিসিল মারা পড়বে পাখিবাজ সফল উপসমাজের গুলিতে!

৫. ২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৪:০৯

আঁধার রাত বলেছেন: এ যেন স্বপ্নতুরের হৃদয় ভাংঙ্গা হাহাকার। হতাশার চুড়ান্ত প্রতিচ্ছবিময় এক লেখা। সিধু কানাই......................................................... হায় রে সিধু কানাই তোরা কোথাই.....................................................
সে তো ইংরেজের গুলি খেয়ে মরেছে আর জামাল!
বাংলাদেশে রাষ্ট্রিক পর্যায়ে কোন ইতিবাচক পরিবর্তন অসম্ভব।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ২:০৮

লেখক বলেছেন: পরিবার রাষ্ট্র,বিদ্যালয় রাষ্ট্রের শিক্ষা বদলে দিতে পারে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের পরিস্থিতি।

৬. ২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১১:১৬

ক্ষতিগ্রস্থ বলেছেন: কিন্তু অভিশাপ দিচ্ছি তোর ছেলে নিউইয়র্কে আফ্রিকান সমকামী বন্ধুর গুলি খেয়ে মরবে। তোর মেয়ে লন্ডনের সোহোতে নাচবে।তোর বউয়ের মেরুদন্ড শুকিয়ে যাবে,আর তুই মাউন্ট এলিজাবেথে বিছানায় হেগে মরবি।

কঠিন অভিশাপ দিলেন!

২৬ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ২:০৬

লেখক বলেছেন: প্রকৃতি কিন্তু সেরকম প্রতিশোধ নেয়।

রূপগঞ্জের ভূমি বাঁচাতে জামাল যখন গুলি খেয়ে মরে তখন উপায়হীন লেখক নিরুপায়ভাবে অসহিষ্ণু হতে থাকে।

৭. ২৫ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১১:৩০

শয়তান বলেছেন: স্পীচলেস!

২৬ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ২:০৩

লেখক বলেছেন: দ্য রেস্ট ইজ সাইলেন্স।

৮. ২৭ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১২:২৬

মোস্তাহিদ বলেছেন: valo laglo. pavel vai er kolom gorje uthok abar.

৯. ৩০ শে মে, ২০১১ বিকাল ৩:৩৯

আেনায়ার এইচ ভূইয়া বলেছেন: যারা শোষিত, নির্যাতিত হয় তারা নিজেরা গর্জে উঠতে পারেনা, প্রতিরোধ প্রতিশোধ নিতে পারেনা কেন সেটা ভেবে দেখৈছেন কখনও? শোষনকারীকে আড়াল করে দাড়ায় মানবাধিকার রক্ষার ধ্বজাধারীরা। এই ধ্বজাধারীরা শোষিতের সামনে এসে শোষককে আড়াল করে দাড়ায়। তারা বলে যে তারা শোষিতের পক্ষ নিয়ে লড়াই করবে। এই আশ্বাস দিয়ে তারা লুণ্ঠনকারী, খুনি, শোষককে বাঁচিয়ে দেয়। অথচ তারা কয়েকটি ভালো ভালো কথা বলা, বিবৃতি দেয়া, গোলটেবিল বৈঠক করা ছাড়া শোষিতের জন্য কিছুই করে না। এই প্যারাসাইটগুলি না থাকলে সমাজের কাঠামো বদলে যেতো। লুণ্ঠনকারী, খুনি, শোষক কুকর্ম করতে পারতো না এই ভেবে যে তাদের বাচানোর জন্য মাঝখানে ঢাল হয়ে দাড়াবে না কেউ, শোষিত নিজেই নিজেকে, তার সম্পত্তিকে রক্ষা করার জন্য দাড়াবে, লড়াই করবে, মরবে। সেটা হবে লুণ্ঠনকারী, খুনি, শোষকের জন্য ভয়ানক বিপদজনক।

১০. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ২:৫১

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: অসাধারন লেখা।

 

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

 

© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি | বিজ্ঞাপন