পোস্ট আর্কাইভ
- এপ্রিল,২০১২(২)
- ফেব্রুয়ারী,২০১২(৩)
- জানুয়ারী,২০১২(৮)
- নভেম্বর,২০১১(১)
- অক্টোবর,২০১১(১)
- আগস্ট,২০১১(১)
- জুলাই,২০১১(১)
- জুন,২০১১(৩)
- মে,২০১১(১)
- ফেব্রুয়ারী,২০১১(১)
- জানুয়ারী,২০১১(৪)
- ডিসেম্বর,২০১০(৮)
- নভেম্বর,২০১০(১৫)
- অক্টোবর,২০১০(১০)
- জুলাই,২০১০(২)
- জুলাই,২০০৮(১)
- জুন,২০০৮(১)
- ফেব্রুয়ারী,২০০৮(৩)
- ডিসেম্বর,২০০৭(২)
- নভেম্বর,২০০৭(১)
- অক্টোবর,২০০৭(২)
- সেপ্টেম্বর,২০০৭(১)
- আগস্ট,২০০৭(১)
- জুলাই,২০০৭(৩)
- জুন,২০০৭(৪)
- মে,২০০৭(১)
- এপ্রিল,২০০৭(৮)
- মার্চ,২০০৭(৩)
- ফেব্রুয়ারী,২০০৭(২)
- জানুয়ারী,২০০৭(৫)
আমার প্রিয় পোস্ট
নরওয়ের মিডিয়া সন্ত্রাসে ঢাকায় নিহত নোবেল জয়ী ইউনুস
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৫০ |
বিল গেটস যুক্তরাষ্ট্রের ধনাঢ্য ব্যক্তিদের নিজেদের বাড়তি সম্পদ অধিকার বঞ্চিত সমাজকে উপহার দেবার আহবান জানালে বেশ কিছু ধনাঢ্য ব্যক্তি কিছু সম্পদ দান করেছেন। এটা একটা খুব জনপ্রিয় আর যুগপোযোগী পদক্ষেপ। বিল গেটস নিজেও নিজের মেয়েকে সামান্য কিছু টাকা দিয়ে বাকি টাকা আফ্রিকায় তার সন্তানের বয়েসীদের পেছনে খরচ করছেন।ডব্লিউ ডব্লিউ ডব্লিউ এর স্রস্টা স্যার বার্নার্ড লি তো সম্পদ অর্জনের সব সম্ভাবনাকে না বলে বউয়ের হাতে দুই বাচ্চা আর সংসার চালানোর এসাইনমেন্ট দিয়ে নিরলস কাজ করছেন এটাকে গরীব মানুষের মিডিয়ায় রূপান্তরের জন্য। যাতে তার বাচ্চার বয়েসীরা কোথাও ডিজিটাল ডিভাইডের শিকার না হয়। তথ্য বিপ্লবের মাধ্যমে আন্তর্জালিক সমাজতন্ত্র বা অন্তত ভার্চুয়াল ইক্যুইটি নিয়ে এসেছেন।
মহৎ যারা যারা আত্মকেন্দ্রিক নন, তারা অমরতার আয়োজনে সম্পদ বিসর্জন দেন।রাজা রামমোহন রায় বা হাজী মুহম্মদ মুহসিনদের মতো লোকেরা চতুর্থ শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তকে কেবলি ছবি, তাদের দর্শন সমাজে অনুপস্থিত।
অধ্যাপক ইউনুসের বিরুদ্ধে ইউরোপের অর্থ গ্রামীণের বোন সংস্থায় ট্রান্সফারের যে অভিযোগ উঠেছে, তা উনার অর্থ বিষয়ক স্পর্শ কাতরতার ফলাফল। ওই অর্থ দিয়ে ইউনুস ভূমধ্যসাগরের তীরে প্রাসাদ তৈরী করেন নি, সেটি গ্রামীণের বোন সংস্থায় বিনিয়োগ করা হয়েছে।তবুও এটি দাতাদের সঙ্গে চুক্তির বরখেলাপ। দ্রুত ব্যবসা প্রসারের নেশা কাল হয়েছে তার জীবনে।
ঢাকার উদ্যোক্তাদের ব্যবসা প্রসারের এক হানা নেশা আমার চোখে পড়েছে। স্লো এন্ড স্টেডি উইনস দ্য রেস এখন উপহাসের পাত্র বাণী চিরন্তনী।
সাদাকালো বাংলা ছবিতে চিত্র নায়ক ফারুককে দেখেছিলাম প্রথম শটে পায়ে হেঁটে, ২য় শটে সাইকেলে,তৃতীয় শটে বাইকে,চতুর্থ শটে গাড়ীতে পঞ্চম শটে নায়িকার কোলে। ব্যবসা বৃদ্ধির এই ঢালিউড মডেল অধ্যাপক ইউনুস এবং ঢাকার অন্যান্য রুই-কাতলা-মৃগেলকে আপ্লুত করেছে।ফলে উদ্যোক্তাদের একুরিয়ামটাতে মাতস্যন্যায়। ইউনুস বিষয়ক নরওয়ের ডকুমেন্টারী ফাঁদ তার ধারাবাহিকতা। ইউনুস সাধু নন, তার ঘরের বন্ধু বিভীষণরাও সন্ত নন।
ইউনুসের বাবা সওদাগর ছিলেন। ক্ষুদ্র ঋণের দর্শন টি সওদাগরের দর্শন। তাই এর ভালোখারাপ দুই দিকি আছে। সোশ্যাল কমিটমেন্ট কম সেটা নোবেল কমিটিও জানেন। তাই পুরস্কারটা অর্থনীতিতে না এসে শান্তির সম্ভাবনাতে এসেছে। বারাক ওবামার মতো। আওয়ার্ড ইন হোপ।
আমাদের দেশে পশ্চিমা বা সাদা চামড়া প্রীতি ভয়াবহ। ইউনুস নিজেও এই রোগের শিকার। কাজেই নরওয়ের এক অখ্যাত সাংবাদিকের ডকুমেন্টারী দেখে আমরা নড়ে চড়ে বসলাম। এবার ইউনুস বধে কোন বাধা রইলো না।
উইকীলিক্সের তথ্যফাঁসবিপ্লব,অতীতে তেহেলকা ডটকমের শনৈ শনৈ উন্নতিতে নরওয়ের অখ্যাত সাংবাদিক বেছে নিলেন ইউনুসকে। ঢাকাই কইয়া দিমুর বাপ-মায়েরাও এনজিও করেছেন, যারা নোবেল কমিটিতে এসব তথ্য আগেও ফ্যাক্স করেছেন তারা নরওয়ের ক্রাইম রিপোর্টার ঝন্টুকে চুরি করা পয়সায় কেনা প্রাডোতে জোবরার রহস্যভেদে পৌঁছে দিয়েছেন। খুব খুশী লাগছে। দেশ রত্ন শেখ হাসিনা ইউনুসকে সুদখোর বলেছেন। আমি ভেবেছিলাম মেয়েদের মুখে কিছু আটকায় না, উপরন্তু হাসিনা নোবেল পাবার মতো লোক ওয়াজেদ মিয়ার স্ত্রী। আর ইউনুসকে সুদখোর বলার সুইপিং কমেন্ট আজ ইন্দিরাগান্ধী বেঁচে থাকলেও করতেন। তবে ফাঁদ ডকুমেন্টারীতে ঢাকা তোলপাড় হবার পর শেখ হাসিনা ওই কমেন্টের কারণে অল্টারনেটিভ নোবেলের যোগ্য হয়ে গেলেন।
ইউনুসের এই গল্পটি ঈশপের গল্পের অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেলো। অর্থই অনর্থের মূল। ট্যাকা ট্যাকা করেই ঢাকা মহাপ্রস্থানের পথে বলাই বাহুল্য।নরওয়ের নরাধমের মিডিয়া সন্ত্রাসে ইউনুস নিহত। এই খবর পাবার পর বাঙ্গালী মুসলমানের জীবনে অঘোষিত ইউনুস ঈদ। ব্যর্থ এনজিও চোরেরা বান্ধবীদের ফোন করে বলছে, অনেস্টি ইজ দ্য বেস্ট পলিসি। সুযোগের অভাবে ভদ্রলোকেরা গম্ভীর ভাবে বলছে ইউনুস ইজ আ গ্রীডি ম্যান।
আপনি যদি জীবনে কিছুই না করেন, আপনি নিরাপদ, বিছানায় ঠেস দিয়ে শুয়ে হায়রে জীবনে কিছুই করতে পারলাম না এই লম্বা কার্বন ডাই অক্সাইড ছেড়ে যারা কিছু করছে তাদের ক্যারেকটার এসাসিনেশন করে মোটামুটি ডায়াবেটিসে শুকিয়ে সমাজে সততার পোড়াকাষ্ঠ হয়ে উঠতে পারেন।
সরদার ফজলুল করিম বা সিরাজুল ইসলাম চোধুরী বা পলান সরকার যদি ইউনুসকে চোর বলেন আমি মাথা পেতে নেব। কিন্তু চোরস্য চোরেরা আজ উচ্চকিত। ঝাঝরকূল ইউনুস সূচকে বলছে ফুডা ফুডা। এই বাঙ্গালী ঝাঝর সমাজ দক্ষিণ এশীয় কুচুটে সমাজের সক্রিয় অংশ।তাই জার্মানী-নেদারল্যান্ডস-নরওয়েতে ইউনুসের বন্ধু যারা তারা এই খেলাটা বুঝতে পেরেছে। আর বাঙ্গালী চিলের পিছে দৌড়াচ্ছে, যেন ইউনুস কূলটা হলে দেশে শান্তি আসবে।
গোলকের সামাজিক ব্যবসায় ইউনুস এক অবিসংবাদিত নাম। পুঁজিবাদের প্রাসাদে বসে এই ক্যাসানুভা বিকল্প দিয়েছেন রিসেশনে বিশীর্ণ ওবামাকে। ঢাকায় ইউনুসের শতাধিক ফিউনেরালে অপদার্থ সমাজ আত্মতুষ্টি পেতে পারে। তাতে ইউনুসের কিছু এসে যায়না। গল্প কবিতা লিখে নোবেল পাওয়া আর গ্রামীণের মতো সংগঠন দাঁড় করিয়ে নোবেল পাওয়া এক কথা নয়। সংগঠন তৈরীতে প্রতিদিন একটু একটু করে শরীর পুড়ে যায়, ৯টা-৫টা বাবুরা ভাবতেও পারেন কি একটা পানের দোকান দাঁড় করাতে কতটা পুড়ে উদ্যোক্তা ছোটখাট ইউনুসেরা।
ভাবনা ছবির যৌন কর্মী শাবানা আজমীর জীবন বেচে সন্তান মানুষ করার লড়াই মূল্যবোধের প্রচলিত উঁচু নাকটি কেটে দিয়েছে। তাই ইউনুসের দুর্নীতির ফাঁদ দেখিয়ে জাত গেল জাত গেল বলে লাভ নেই। বাংলাদেশ ইউনুসকে খল নায়ক ভাবলে, নরওয়ে ইউনুসের সোশ্যাল বিজনেস এক্সপ্রেসটাকে ডিরেইলড করতে চাইলে ইউনুসের কিছু এসে যায়না। আমৃত্যু কাজটা চালাবেন তিনি, আজি হতে শতবর্ষ পরে যখন কইয়া দিমুদের শরীর বায়োগ্যাস উতপাদন করবে, বায়োগ্যাস উতপাদন প্ল্যান্টে ইউনুসের ছবিতে ফুল দেবে কইয়া দিমুর গ্রান্ড ডটার আকলিমা ইউফান। কাজেই আজ ইউনুসের মৃত্যুতে শোকের কিছু নাই, চোখ কপালে তোলার কিছু নাই। আমি বরং নিজের চরকায় তেল দিই উহা ঘরঘর করিতেছে।
ইত্যবসরে জানাইয়া রাখি গান্ধীদর্শন ওবামাকে আকৃষ্ট করিবার পর এক বৃটিশ ক্রাইম রিপোর্টার আরেক ঝন্টু গান্ধী যৌন জীবন নিয়ে চটি রিপোর্টিং করেছেন। ভারতের কোন মিডিয়া উহা ক্যারি করে নাই। এতো বোকা তাহারা নহে।
পুনশ্চঃ এই লেখায় ইউনুস তোষণের নির্লজ্জ প্রচেষ্টায় বিক্ষুব্ধ হয়ে দেবদূত কেউ কেউ আমাকে বন্ধু তালিকা থেকে খারিজ করতে চাইলে আমি আর কীই বা করতে পারি!
সৎ বন্ধুতার ফিউনেরালে মন খারাপ হবে। মিস করবো তাদের। ইউনুসের আত্মার শান্তি প্রত্যাশা করছি।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৫৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অ্যামাটার বলেছেন:
পোস্ট ভাল্লাগেনাই। দুঃখিত।
হুমায়ুন কবির সবুজ বলেছেন:
ধন্যবাদ++++++
লাল দরজা বলেছেন:
পছন্দ করলাম।
আকাশের তারাগুলি বলেছেন:
নরওয়ের সাংবাদিক মনে হয় অখ্যাত নয়, যতটা আপনি বলেছেন। আর প্রামান্য চিত্রে খ্যাতির কি দরকার। যেখানে চাক্ষুস প্রমান উপস্থিত থাকে।গ্রামীন ব্যাংকের নামে অর্থ গ্রামীন কল্যানে নিতে হবে কেন, উনি কি অন্য কেউ যে না জেনে না বুঝে অপকর্মটি করেছেন। যিনি আমাদের নীতি শিখাতেন তিনি কেমন করে নীতিহীন কাজটি সেরেছেন। উনার সমর্থক গনও নিশ্চয় রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের চেয়ে কম নয় দেখছি।
গ্রামীন ব্যাংক বা ডঃ ইউনুস যে দরিদ্রের রক্ত চুষে খাওয়া এছাড়া আরো অনেক তথ্য এই ব্লগেই ভুরি ভুরি খুজে পাওয়া যাবে। আন্তর্জাতিক অংগনে নিষ্কন্টক ডঃ ইউনুসে থলের বেড়াল বেরিয়ে এসেছে তারই গন্ডির মধ্যে সে জন্যই উনি বা গ্রামীন ব্যাংক নতুন করে বয়পক ভাবে আলোচনায় এসেছেন মাত্র।
এখন ডঃ ইউনুসের দিকে তারপরেও তাকিয়ে আছি। না হলে সিমেন্স কেলেংকারী আর উনার কেলেংকারীর মধ্যে পার্থক্য করার বিশেষ কোন কারন থাকতে পারেনা।
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন:
খুব ভাল বিশ্লষন হয়েছে। আমরা বাঙ্গালীরা নিজেরা কিছুই করতে চাই না - শুধু অন্যের দোষ খুজে ফিরি। ইউনুসতো বিদেশ থেকে টাকা এনেছেন - এবং তা দিয়ে নিজের জন্য প্রাসাদ তৈরী না করে মানুষের জন্য বিনিয়োগ করেছেন। আর আমাদের বহু নেতা-নেত্রী যে প্রতিনিয়ত বিনোদন, চিকিৎসা, মার্কেটিং এর উসিলায় হাজার হাজার ডলার বিদেশে পাচার করছে - তাদের কি হবে??
কৌশিক বলেছেন:
ইন্নালিল্লাহ
গিগাবাইট বলেছেন:
ইউনুস সাহেব নোবেল পাওয়ার পর বেশ কিছু উলটাপালটা কাজ করেছেন, অগোছালো কথা বলেছেন, এগুলো না করলে বাঙ্গালী এত ক্ষেপতো না উনার উপর। ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি ব্যক্তির উপরই নির্ভর করে, কাজের চেয়ে যেখানে নিজেকে সঠিক ভাবে উপস্থাপন করাটাই মুখ্য।
ধন্যবাদ।
শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন:
তাঁর আত্নার শান্তি কামনা করছি
কামাল২০১০ বলেছেন:
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: খুব ভাল বিশ্লষন হয়েছে। আমরা বাঙ্গালীরা নিজেরা কিছুই করতে চাই না - শুধু অন্যের দোষ খুজে ফিরি। ইউনুসতো বিদেশ থেকে টাকা এনেছেন - এবং তা দিয়ে নিজের জন্য প্রাসাদ তৈরী না করে মানুষের জন্য বিনিয়োগ করেছেন। আর আমাদের বহু নেতা-নেত্রী যে প্রতিনিয়ত বিনোদন, চিকিৎসা, মার্কেটিং এর উসিলায় হাজার হাজার ডলার বিদেশে পাচার করছে - তাদের কি হবে?? সহমত ....
বাদশািমন্টু বলেছেন:
ইউনূস সাহেব মনে হয় কোনো একটা ব্যাখা দাঁড় করইয়া...ম্যানেজ কইরা নিবো...।
লুলু পাগলা বলেছেন:
সুদখোর ইউনুছের চামচামিপূর্ন পুষ্টের জন্য মাইনাচ গদাম সহ।
পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন:
ফেসবুকে শেয়ার করলাম , এইরকম একটা পোস্ট খুজছিলাম
মাথা পাগলা ⎝⏠⏝⏠⎠ বলেছেন:
ইউনুস আংকু নোবেল নিল নরওয়ে যাইয়া,হের গ্রামীন ফোনের বিদশী অংশীদার টেলিনর ও নরওয়েজিয়ান,
আবার এই কিচ্ছাও বাইর হইলো নরওয়ে থেকে,
সব কিছুর সাথে নরওয়ে, বিষয়ডাই কেমন গন্ধ পাইতাসি।
গ্রামীন ফোনের মালিকানা লয়া নয়া ক্যাচাল লাগসে নি ???
সুজন েচাধুরী বলেছেন:
গ্রামীন ফোনের মালিকানা লয়া নয়া ক্যাচাল লাগসে নি ???
তবে তদন্ত সাপেক্ষে আবার একটি ফলো আপ পোস্ট দেবার আশা রাখি। শুভেচ্ছা।
রাসেল ( ........) বলেছেন:
ইউনুস ব্যক্তিগত খাতে অর্থ অপচয় করেছেন এমন অভিযোগের তুলনায় বরং তার ভাষ্যে কেনো এটা করা প্রয়োজনীয় মনে হয়েছিলো সেটা দেখলে ইউনুসের অপরাধটুকু অমার্জনীয় বোধ হয়-ইউনুস এক দিকের টাকা অন্য দিকে সরানোর কারণ হিসেবে বলেছেন "এ অর্থ রিভলবিং ফান্ড হিসেবে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় থেকে গেলে ক্রমশ বাড়তে থাকা কর হারের কারণে ভবিষ্যতে আমাদের বিপুল পরিমাণ কর পরিশোধ করতে হবে।"
তিনি দারিদ্র নিয়ে ব্যবসা করতে লজ্জ্বিত কিংবা দুঃখিত নন, তিনি দুঃখিত হন এবং চিন্তিত হয়ে অর্থ অন্যত্র সরিয়ে নেন কারণ তার এই অর্থের জন্য প্রতিষ্ঠানকে কর দিতে হবে। তিনি ব্যবসা করবেন এবং কর প্রদান করবেন না বিষয়টা মেনে নেওয়ার মতো নয়।
তবে সেই সাথে বিচার্য তার চিঠি চালাচালির বিষয়টিও-
তিনি সেখানে চিঠি চালাচালি করে বলছেন "আপনার সাহায্য দরকার আমার। ... সরকার এবং সরকারের বাইরের মানুষ বিষয়টি জানতে পারলে আমাদের সত্যিই সমস্যা হবে।"
সমস্যা হবে কেন না তিনি অপরাধ করেছেন এবং সেটা যে অপরাধ এই সংক্রান্ত বোধ ও তার তীক্ষ্ণ। তবে ইউনুসকে টম হেইনম্যানের রিপোর্টিং এটাই প্রথম না, ২০০৮ সালের মে মাসেও একটি ডকুমেন্টারী করেছেন তিনি।
বক বলেছেন:
আচ্ছা আমি যদি কাউকে ৫০০০ টাকা দিয়ে বলি টাকাটা জনগনের উপকারে ব্যায় করুন- কিভাবে সেটা করা সম্ভব? আমি হাজার হাজার উপায় থেকে দুটি উপায় বলছি দেখুন তো কোনটা ভাল?১। একজন সেটা কাউকে নিশর্ত ভাবে দান করে দিলো ।
২। আর একজন এমন এক সিস্টেম ডিজাইন করলো যাতে সেই একজন থেকে টাকা উৎপাদন করে আর একজন,তার থেকে আরো একজন ,দুইজন,বহুজনকে দেয়া যায় এবং এটা চলতেই থাকে।
কোনটা সমাজের জন্য বেশী ভাল?
প্রথমটা অবশ্যই গ্রহীতার দৃষ্টিকোণ থেকে সবচেয়ে ভাল। পাশের বাড়ীর অভাবীর দৃষ্টিকোণ থেকে ভাল নয় (কারন সে চেয়ে চেয়ে দেখল তার মতন অপর একজনের একটা গতি হলো তারতো কিছুই হলো না)। সেই ৫০০০ টাকার মৃত্যু এখানেই ঘটল।
আর ২য়টা? এখানে যদিও গ্রহীতার দৃষ্টিকোণ থেকে একটু সমস্যার (কারণ তাকে টাকাটা আবার উৎপাদন করতে হবে) , পাশের বাড়ীর অভাবীর দৃষ্টিকোণ থেকে এটা আশার (কারণ টাকাটার মৃত্যু হয়নি -ওটা আবার জন্মাবে,হয়ত তার কাছেও আসবে)
আমার স্বল্প বুদ্ধিতে আমি হলে ২ টাই করার চেস্টা করতাম যদিও প্রথমটা করা অনেক সহজ।
জানিনা ড: ইউনুস টাকাটা আবার উৎপাদন করাতে কি ব্যবস্থা নিয়েছেন--কিন্তু একটা সিস্টেম তো দাড়া করিয়েছেন বলেই মনে হয়।
জসিম বলেছেন:
ইত্যবসরে জানাইয়া রাখি গান্ধীদর্শন ওবামাকে আকৃষ্ট করিবার পর এক বৃটিশ ক্রাইম রিপোর্টার আরেক ঝন্টু গান্ধী যৌন জীবন নিয়ে চটি রিপোর্টিং করেছেন। ভারতের কোন মিডিয়া উহা ক্যারি করে নাই। এতো বোকা তাহারা নহে।†ফেসবুকে শেয়ারড ।
সাহসী বলেছেন:
ইউনুসের আত্মার শান্তি কামনা করছি !
সপ্নীল বলেছেন:
সহমত @ আকাশের তারাগুলি ভাইজান কি জানেন গ্রামীনের লোন নিয়ে যত লোক সচ্ছল হয়েছে তারচেয়ে শতগুন বেশী মানুষ ঘরের টিন/ গোয়ালের গরু/ বসতভিটাছাড়া হয়েছে।
পোস্টে মাইনাস।
দুরের পাখি বলেছেন:
জনাব, আপনে আলোচনার বিভিন্নমুখী দিকে কেবল একথা ওকথা বলে পিছলে পিছলে যাচ্ছেন । এটা কিন্তু দায়িত্বশীল লেখকের জন্য ফিটিং না । যে মত দিলেন, সমালোচনার সময় সেটাকে যদি রক্ষা করতে পারার মত মনোসংযোগ না থাকে, তাইলে এইসব বালছাল লেইখা স্মার্ট ভাব দেখানোটা অর্থহীন ।
বিবেকহীন বলেছেন:
পোস্টে সহমত। পুকুর চোরদের কাছ থেকে ইউনূসের দুনম্বরী শোনার ইচ্ছা নাই।
আমনুল ইসলাম সুজন বলেছেন:
ভাই, আপনার সঙ্গে কোনভাবেই একমত হতে পারলাম না...১. আপনি না জেনে লিখেছেন...অথবা সুবিধা নিয়ে লিখেছেন...অথবা আপনি ইউনুসকে পছন্দ করেন...ব্যক্তিগত ভাললাগা থাকতেই পারে...
গ্রামীণের বোন সংস্থা নয়, কারণ গ্রামীণ ব্যাংক রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি। এটি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। আইনটি দেখে নিয়েন। আর যে সংস্থার নামে টাকা নিয়েছেন সেটি তার ব্যক্তিগত। তফাৎটা বোঝা দরকার। যে টাকা ব্যাংক মানে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দিয়েছে সে টাকা নিজের প্রতিষ্ঠানে নেয়ার মানে কী? এটাকে চুরি বলবেন না?
আজ নরওয়ে টেলিভিশন (রাষ্ট্রীয়) যে খবর প্রচার করল, সে চুরির কথা তারা ১২ বছর আগেই জানত। এতদিন প্রচার করে নি কেন, সেটা ভাবুন। কারণ তখন প্রচার করলে গ্রামীণ ফোন এর বাজার ও অবস্থান তৈরি করতে পারত না। হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করতে পারত না। যখন তাদের পথ পরিস্কার হয়েছে তখনই তারা ইউনুস এর চুরির ঘটনা প্রকাশ করল।
২. ঐ সাংবাদিক অখ্যাত, এটা কোথায় পেলেন? তার সম্পর্কে জেনে তারপর বলেন। ভদ্রলোক আমার পরিচিত নন। তিনি তিনি শুধু নরওয়ের নন, ইউরোপের একজন বিখ্যাত সাংবাদিক। কোন অখ্যাত সাংবাদিককে দিয়ে নরওয়ের সরকারি টেলিভিশন তথ্যচিত্র নির্মাণ করবে না। এটা হয়ত বাংলাদেশের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হতে পারে। যেমন বাংলাদেশের (বাসস) এর সাংবাদিক ক'দিন আগে চীনের গুয়াংজুতে ল্যাপটপ চুরি করে ধরা পড়েছেন।
৩. একটা জায়গায় আমি একমত। এটা ইউনুস এর বিরুদ্ধে একটা ষড়যন্ত্র। কিন্তু তার প্রেক্ষাপট বিবেচনা করতে হবে। ঘটনা আজ তেকে ১২ বছর আগের। এতদিন নোরাড, টেলিনর, নরওয়ে, নেদারল্যান্ড, সুইডেন দুর্নিতির এ ঘটনা জানার পরও কেন চুপ ছিল?
কারণ এ সময়ে তারা (নরওয়েসহ অন্যান্য দেশ ও দাতা সংস্থা) ইউনুসকে ব্যবহার করে তাদের ব্যবসার প্রসার করেছে। আমাদের দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে গেছে গ্রামীণ ফোন নামে টেলিনর। এরা দুর্নিতী করার কারণে জরিমানাও দিয়েছে। ইউনুস এর মত চোরই এ ব্যবস্থা করে দিয়েছে। আর এখন সেই গ্রামীণ ফোনই তথা টেলিনরই ইউনুস এর বিরুদ্ধে এ তথ্যচিত্র প্রচার করে। ক'দিন আগে টেলিনর এর প্রধান বাংলাদেশ ঘুরে যায়। সে এসে এখানকার গ্রামীণ ফোন কর্তাদের গ্রীণ সিগনাল দিয়ে যায় কি হতে যাচ্ছে।
দেখেন ডানোন এর বহুজাতিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আমাদের দেশে ঢুকেছে ইউনুস এর মাধ্যমে। এরকম বললে হাজারটা বলা যেতে পারে। প্রাসঙ্গিকতা বিবেচনায় আামি এখানে আনু মুহম্মদ এর গত শনিবার (তথ্য চিত্র প্রচার হবার আগের) এর ফেস বুক এর ওয়াল পোস্ট কপি করে দিলাম:
"গরীবদের কথা বলে নরওয়ের টেলিনর বাংলাদেশের মোবাইল শিল্প দখলে নিয়েছে। 'গরীব শিশুর শক্তির জন্য' বগুড়ার দই শিল্পকে বিপর্যস্ত করে জার্মান ডেনন 'শক্তি দই' বানাচ্ছে। গরীবদের পানি দেবার নামে ফরাসী ভিওলিয়া নতুন সাম্রাজ্য খুলছে। বাংলাদেশের পানি দখলে নিয়ে বহুজাতিক বাণিজ্য এখন চকচকে সম্ভাবনা। গরীবদের
নামে আরও নানাবাণিজ্য প্রজেক্ট তৈরির পথে। সামাজিক ব্যবসা!"
৪. আপনি আনু মুহম্মদকে কি বলবেন? আপনি যাদের নাম নিয়েছেন, সরদার ফজলুল করিম, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, পলান সরকার...এদের মধ্যে সরদার স্যার এর সঙ্গে অল্প মেশার গৌরব লাভ করেছি। তার মত মানুষ হয় না। তার কাছে ইউনুস এর মত চোর সম্পর্কে কথা জিজ্ঞাসা করেন, তিনি কী বলেন তারপর তার নাম ব্যবহার করবেন। না জেনে কিছু না বলাই ভাল। পলান সরকার সম্পর্কে আমার ব্যক্তিগত পর্যায়ের কোন ধারণা নাই। কিন্তু সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী স্যারও ইউনুসকে পছন্দ করেন না। বিগত তত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ইউনুস ও সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী স্যারের অবস্থান বিশ্লেষণ করেন, বুঝতে পারবেন। তিনি নিজেও ইউনুস এর দাদন ব্যবসা নিয়ে কয়েকবার কথা বলেছেন।
৫. আপনার লেখা ভাল। আবার লেখার আকর্ষন বাড়াতে উপমা ও অপ্রাসঙ্গিক বিষয় টেনে এনেছেন। গান্ধীর সময়ের ভারতের মিডিয়া আর এখনকার মিডিয়ার মত সঙ্গে কোথায় মিল খুজে পেলেন। এখন ভারতের আভ্যন্তরীণ দুর্নিতির ঘটনা প্রকাশ পাওয়ায় মন্ত্রীরা পদত্যাগ পর্যন্ত করছেন। নরসীমা রাও এর ঘটনা মনে আছে? কত মন্ত্রী দুর্ণিতীর খবরের কারণে পদত্যাগ করেছেন গত ২০ বছরে ভারতে সেটা জানেন?
বর্তমানে ভারতের প্রধানমন্ত্রীও খারাপ অবস্থায় আছে টেলিযোগাযোগ খাতের দুর্নিতীতে তার দপ্তরের সম্পৃক্ততার খবর প্রকাশ পাওযায়।
৬. বদরুদ্দীন ওমর, যদিও তার রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আমার প্রশ্ন আছে, তবু তিনি ইউনুস কে নিয়ে বই লিখেছেন। শাহবাগ আজিজ মার্কেটে গেলে আরও কযেকটা লেখা পাবেন।
৭. সাংবাদিকতা করতে গেয়ে দেখেছি, যদিও আমি এ বিটের ছিলাম না, তবু দেখেছি ইউনুস বা তার গ্রামীণ ব্যাংক এর বিরুদ্ধে কোন সংবাদ আমাদের সম্পাদক সাহেবরা ছাপাতে চাইতেন না।
৮. আমার কথার সারমর্ম হল, ইউনুস চোর। আর যারা তার চুরির খবর প্রকাশ ও প্রচার করেছে তারাও চোর।
উনি সওদাগরের ছেলে। মাইক্রো ক্রেডিট শিখেছেন শৈশবে। তাই মাইক্রো ক্রেডিটে সোশ্যাল কমিটমেন্ট কম। যে কারণে অর্থনীতিতে নোবেল পাননি তিনি। তিনি রবি ঠাকুরের মতো কৃষি ব্যাংক করে দেউলিয়া হতে চাননি। উনার কোনটা নৈতিক কোনটা অনৈতিক এটা বিচারের আগে অন্তত একটা পানের দোকান গড়ে প্রতিষ্ঠান গঠনে ব্যুতপত্তি দেখাতে পারি।এটা টেকনিক্যাল এরিয়া, সম্ভবত বিলগেটস ইউনুসএর বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত করার যোগ্য। অনলাইনে নিরন্তর লেখার চেয়ে একটা পানের দোকান তৈরী কঠিন। ৯টা-পাঁচটা বাবুরা উদ্যোক্তা ইউনুসদের কষ্ট উপলব্ধি করতে পারবেন না। সম্ভব না। এটা কবিতা বা চিত্রকলার আলোচনা নয়।
থিফ অফ ঢাকা বাংলাদেশের মানুষ, এতে আপনি লজ্জিত। কিন্তু বাংলাদেশ ব্র্যান্ডিং এ ইউনুস জরুরী মডেল। তাই মিডিয়ার সম্পাদকেরা তাকে বাঁচাতে চাইছেন।
ব্লগ আমার মুক্ত প্রকাশের উঠোন। আপনার প্রতিক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা রইলো।
কঠিনলজিক বলেছেন:
ডঃ ইউনুস এবং তার কর্মকান্ডের আল্টিমেট রেজাল্ট গরীব তথা বাংলাদেশের মত দেশের অর্থনীতির জন্য খারাপ। এখানে লেখকের সাথে দ্বিমত পোষন করেও পোস্টে প্লাস, পোস্টের মূল টোনের সাথে একমত। আমি বিশ্বাস করি "সমালোচনা করার অধিকার শুধু আছে যে নিজে কিছু একটা করছে তার" রাস্তার নেড়ী কুকুর শাহী "হস্তি" কে বড়জোর ইর্ষা করতে পারে কোন ঘটন মূলক সমালোচনা নয়।
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
আমার ধারণা ছিল নরওয়ের মত দেশ যারা নোবেল প্রাইজ মনোনয়ন দেয় তারা যথেষ্ঠ স্বচ্ছ এবং দুর্নীতিমুক্ত। কিন্তু ড. ইউনুস নোবেল পাওয়া, গতকালের যুগান্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী গ্রামীণফোনের বারবার ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়া ইত্যাদি কর্মকান্ড দেখে বুঝতে পারছি আসলে ইউরোপের কোন জাতিই আসলে ভদ্র নয়, সাদা চামড়ার আড়ালে শয়তান একেকটা। আর আমাদের বাঙ্গালীদের স্বভাব নতুন করে বলার কিছু নেই। বাঙ্গালীদের নরকে আসলেই কোন প্রহরীর দরকার নেই।
আমনুল ইসলাম সুজন বলেছেন:
ভাই...আমার লেখার জবাবে আপনি কী লিখলেন, আমি তার মর্ম অনুধাবন করতে পারলাম না। ক্ষমা করবেন। আমি সোজা কথায় বলেছি, ইউনুস চোর। আর আজ ১২ বছর পর যারা তা প্রকাশ করেছে তারা তার চেয়েও বড় চোর। কিন্তু তারা এ ১২ বছরে ইউনুসকে ব্যবহার করে বাংলাদেশের হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করেছে। এই আর কি!
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন:
যারা ড.ইউনুসের কঠোর সমালোচক, তাকে সুদখোর রক্তচোষা বলে গালি দেন তারা যদি সত্যিই দেশের কল্যানের জন্য গরীব মানুষের উপকারের চিন্তায় তা করতেন তাহলে অন্তত আর একটা গরীবের ব্যাংক প্রতিস্ঠা করে দেখাতেন। গ্রামিন ব্যাংক কাগজে কলমে ৪০% হারে সুদ নেয়(বাস্তবে যা ১০০% এর উপরে হয়ে থাকে) - এটা নিশ্চয়ই নিন্দনীয়। কিন্তু তার সমালোচকরা যদি তার চেয়ে কম সুদের আরো ক্ষুদ্র ঋনের ব্যাংক প্রতিস্ঠা করে দেখাতে পারতেন তাহলে ব্যাবসায়ীক প্রতিযোগীতার কারনেই গ্রামীন ব্যংককে তার সুদের হার কামাতে হত। যদি একই গ্রামে ১০টা ক্ষুদ্র ঋন দ্বাতা ব্যাংক কাজ করত তাহলে তাদের ব্যাবসায়ীক প্রতিযোগীতার সুযোগে লাভবান হত স্বাধারণ গ্রাহকরা। কিন্তু আমরা কেউ সেদিকে যেতে রাজি নই - ফলে গ্রামীন ব্যাংকের কোন প্রতিদ্বন্দি তৈরী হয়নি - আর প্রতিদ্বন্দি তৈরী না হলে একচেটিয়া ব্যাবসাতো হবেই। আমারা যদি অন্যের কাজের সমালোচনার পরিবর্তে তারচেয়ে ভাল কিছু করে দেখানোর উদ্যোগকে প্রাধান্য দিতে পারতাম তাহলে দেশের অবস্থা এত শোচনীয় কখনই হত না।
তানজিল মাহমুদ শাহ বলেছেন:
খুব ছোটবেলা থেকে একটা কথা শুনে আসছি।
কারো ভালো করতে না পারো, খারাপ কোরো না।
অনেকে বলছেন সমালোচনার পরিবর্তে ভাল কিছু করে তো অন্যরা দেখাননি।
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাপারটা ভালো/খারাপ যাই হোক, অন্যরা সমালোচনা করছেন বলেই নিশ্চয় বলতে পারিনা যে, "কিছু করেন নাই, তাই চুপ থাকেন"।
ভাল খারাপ কিছু করতে না পারুক, খারাপটাকে আটকানো, প্রতিবাদ তো মানুষ করতেই পারে।
আমি মনে করি, গালাগাল বা শুধু পক্ষ না নিয়ে কেন গাল পাড়ছি বা পক্ষ নিচ্ছি, তা যৌক্তিক সমালোচনাসহ তুলে দেয়াই সমীচিন। যেমনটা এখানে আমনুল ইসলাম সুজন বলেছেন।
তানজিল মাহমুদ শাহ বলেছেন:
তর্কে জিতবার, বা অন্তত না হারবার একটা পথ হোলো কোন কথার বিপক্ষে বা পক্ষে কোন কথাই না বলা।তাতে করে নীরবে নিজেকেই ঠিক বলেই যেন মানা হয়।
গরম কফি বলেছেন:
দারুন লাগলো অসাধারন বিশ্লষন । নতুন করে আর আলোচনা করতে চাইনা । ফেস বুকে শেয়ার দিলাম ।
আমান৮২ বলেছেন:
আমদের আহত আকুতি কাওকে একবেলা উপুস রাখবেনা। মহামতি কারো মাথা নত আমাদের বুকে কত টা যাতনার কারন কে বোঝবে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















আপনার মন্তব্য লিখতে লগইন করুন ।