somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এবার ভারত ঠেকাও

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক দাবা খেলায় ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ।আপাতদৃষ্টিতে এটাকে শেখ হাসিনার বা খালেদাজিয়ার নির্বুদ্ধিতা বলে মনে হলেও আসলে এটা আমাদের পেশাদার ও অপেশাদার ডিপ্লোম্যাটদের নির্বুদ্ধিতার ফলাফল বলাই বাহুল্য।

রাজনৈতিক নেতারা যে কোন চুক্তি সই করার সময় ফটোসেশনে পোজ দেন।কিন্তু আসল কাজ আমলাদের করতে হয়। ইন্ডিয়ান ডিপ্লোম্যাট আর বাংলাদেশী ডিপ্লোম্যাটদের মেধা-প্রজ্ঞা ও ভাষাগত দক্ষতার লড়াই চলেছে চল্লিশ বছর ধরে।সেটা কূটনৈতিক দাবা খেলা।এইখানে আমাদের ক্রিকেটটিমের মত অফুরান মেধা অথচ বালকসুলভ আচরণে আমাদের ডিপ্লোম্যাট টিমটিকে বারবার হেরে যেতে হয় নেগোসিয়েশন টেবিলে।বাংলাদেশ-ভারত ডিপ্লোম্যাটদের ইন্টেলেকচুয়াল ও ভাষাগত দক্ষতার পার্থক্য বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেট দলের পার্থক্যের মতোই।

তার ওপরে নতুনদিল্লীর আমলাদের সামনে আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের প্রগলভ মনোভাব সঙ্গের ডিপ্লোম্যাটটিকে সবচেয়ে বিপদে ফেলে।উদাহরণ দিই, পশ্চিমা ঢঙ্গের পলিটিক্যাল ডিপ্লোম্যাট গওহর রিজভী যখন ভারতের পররাষ্ট্র সচিবকে বাডি বানাচ্ছেন তখন দিল্লীর দক্ষিণএশীয় গ্রাম্য আমলা ভাবছে তাহলে আর পররাষ্ট্রসচিব মিজারুল কায়েসকে ফোন করে কী লাভ গওহরদাকেই ফোন করি।
মিজারুল থেকে যাচ্ছেন অন্ধকারে।

আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপুমণিদি যেখানে ইবনে বতুতা তখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যস্ত দিদিমণির ট্রাভেল আইটিনারী টাইপ করতে আর টিকেট কিনতে।এই দীপুমণি দি খুব মেধাবী এবং দক্ষ কিন্তু সম্ভবত কূটনৈতিক দাবা খেলতে জানেন না।ফলে ভারত, বাংলাদেশের গওহরদা আর দীপুমণিদিকে দেখে ধারণা করেছে বাঙ্গালী সরল রয়ে গেছে।ঝাঁসির মমতারাণীর মতো কুটিল হতে পারেনি।

যে কোন অবাঙ্গালী ভারতীয় একজন বাংলাদেশীকে দেখে প্রথম দশমিনিট এসেস করতে চেষ্টা করে এর পড়ালেখা এবং বুদ্ধির দৌড় কতটা।ভারতীয় বাঙ্গালীদের দেখেও অবাঙ্গালীরা সেই একি কাজ করে।দিল্লী জানে কলকাতা ও ঢাকার বাঙ্গালীরা অসীম সৃজনশীল এবং আত্মার আত্মীয়।

তাই মমতার সিদ্ধান্তহীনতার সুযোগে কলকাতা-ঢাকার মানসিক ব্যবধান বাড়াতে দিল্লীর সাউথব্লকের আমলারাই খেলছে।ভারতের পররাষ্ট্র সচিব যে কোন প্রয়োজনে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিবকেই ফোন করে।ভারত-পাকিস্তানের আমলারাই দুদেশের সম্পর্ক বৃদ্ধিতে কাজকরে।হিন্দী-উর্দু ভাষা এতো কাছাকাছি যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকেও আমলারা ইংরেজী কিছুক্ষণ বলে তারপর হিন্দী-উর্দুতে আলোচনা করে।আর ইদানীং ভেতরে ভেতরে ভারত পাকিস্তান সম্পর্ক বলা যায় বেশ ভালো।

যেহেতু ভারত-পাকিস্তান দুই দেশের পারমাণবিক বোমা আছে তাই তারা একে অপরকে সমীহ করে চলে। ওদিকে ওয়াশিংটন ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক ভালো রাখতে চায়, ভারতকে সঙ্গে নিয়ে চীনকে টেনশনে রাখার জন্য আর পাকিস্তানকে তালিবানদের সঙ্গে সমঝোতা আলোচনায় ব্যবহার করার জন্য।বাংলাদেশ সেই অর্থে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের অগ্রাধিকার তালিকায় নেই। আছে যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তান।

ভারতের আমলারা আড্ডায় পশ্চিমবঙ্গকে নিয়ে হাসি তামাশা করে পাকিস্তানের আমলাদের সামনে।আর পাকিস্তানের আমলারা বালুচিস্তান নিয়ে হাসি ঠাট্টা করে।কিন্তু যে কোন কারণেই বাংলাদেশ নিয়ে উভয়ের বেশ মনোকষ্ট।কারণ বাংলাদেশ রেডিমেড গার্মেন্টস সেক্টরে ভারত-পাকিস্তানকে পেছনে ফেলেছে,জাতিসঙ্ঘের শতাব্দীর লক্ষ্য অর্জনে ভারত-পাকিস্তানের আগে,বিনিয়োগ অভিলক্ষ্য হিসেবে আকর্ষণীয়।পর্যটনের সম্ভাবনা বাংলাদেশের অফুরান। ভারত-পাকিস্তানের আমলাদের কাছে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম,সুন্দরবন পরিচিত।গত চল্লিশ বছরে যতবার দিল্লী-ইসলামাবাদের আমলারা ঢাকা এসেছে একটা সুন্দর জায়গা অন্তত দেখে গেছে। ভারত এবং পাকিস্তানের আমলামহলে অমর্ত্যসেনের বাংলাদেশ,শ্রীলংকা,নেপাল,ভুটানের সামাজিক সূচকে এগিয়ে থাকার মূল্যায়ন শুনে মোটামুটি একটা স্তব্ধতা বিরাজ করছে।ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়িত হলে তথ্যপ্রযুক্তির আউটসোর্সিং বাণিজ্যে বাংলাদেশ ভারতের মনোপলি কেড়ে নেবে।

বাংলাদেশের ক্যারিয়ার ডিপ্লোম্যাটদের এখন দক্ষতা ব্যবহারের সুযোগ দিতে হবে মুক্তভাবে।ভারতের পররাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে ফোনালাপ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিবের হতে হবে।দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিটি মানুষ জীনগতভাবে এতো স্ট্যাটাস সচেতন যে কূটনৈতিক সম্পর্কেও দিল্লীর দাদাগিরি সামলাতে মনমোহন সিং ঠিক যতটুকু হাসেন,উনার সামনে শেখ হাসিনার ঠিক সে ততটুকু হাসা দরকার।বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ইন্দিরা গান্ধীর ছবি গুলোতে দেখবেন দুজনের হাসির মাত্রা একি।

পেশাদার ডিপ্লোম্যাটদের এটা প্রশিক্ষণের অন্তর্ভুক্ত।বিশেষত দক্ষিণ এশিয়ায় ওবামার হাসি অচল।তাই ভারতের সঙ্গে মেলামেশায় শেখ হাসিনা,গওহর রিজভী আর দীপুমণির হাসিই অনেকটা কাল হয়েছে।বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আবুল হোসেনের হাসি যেমন কাল হয়েছে।

ভারতের কাছ থেকে বাংলাদেশ যে পানি বা বানিজ্য-সুবিধা পেয়েছে তা অবশ্য শেখ হাসিনার হাসি কূটনীতি সম্বল করে। খালেদা জিয়া কেবল গম্ভীরভাবে দিল্লীর কাছে চারটা চিঠি লিখেছেন।তারমানে আওয়ামী লীগ ঝুলাঝুলি করে অন্তত গঙ্গার পানি এনেছে, ছিটমহলের অবরুদ্ধ মানুষগুলোকে মুক্তি দিয়েছে।পরিবর্তে ট্রান্সশিপমেন্টের সুযোগ দিয়েছে। বিএনপির সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রীও হাসতে হাসতে দিল্লীকে চারটা চিঠি লিখেছেন।এখন টিপাইমুখবিরোধী আন্দোলনে কুম্ভিরাশ্রু বর্ষণ করছেন খালেদা জিয়া।আর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভারতে গিয়ে হাসতে হাসতে তিস্তা-নদীর পানির দাবীটি তুলতে ভুলে গিয়েছিলেন। ঢাকা এয়ারপোর্টে সাংবাদিকরা জিজ্ঞেস করলে আবার হেসে বলছিলেন, মনে ছিলো না।

আসলে দলীয়করণের ফাঁদে পড়ে আমরা ঠিক লোকগুলোকে ভারতের সঙ্গে দূতিয়ালীতে ব্যবহার করতে পারিনি। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য,শাহরিয়ার কবির,সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত,শফিক রেহমান এসব লোকের কূটনৈতিক ট্যালেন্ট ব্যবহার করতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি।গওহর রিজভী মার্কিন লবিস্ট হিসেবে অবশ্যই ভালো।কিন্তু দিল্লীতে পশ্চিমা নিওলিবেরেল আচরণের কোন মূল্য নেই। চাণক্যপুরীতে কৌটিল্যের জয়জয়াকার।দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের সঙ্গে একটি দুইপক্ষীয় বৈঠকে ভারতীয় আমলারা তার যুক্তিতর্ক শুনে হা হয়ে গিয়েছিল।শাহরিয়ার কবিরের ভারতের বাঁধনির্মাণবিরোধী নেতাদের সঙ্গে এতো ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক যে তথ্য উপাত্ত পেতে উনার যৌথজরীপের দরকার নাই।সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত নিজেই একজন প্রজ্ঞাবান কৌটিল্য।আর বাংলাদেশের সবচেয়ে কুটিল লোক শফিক রেহমান ভারতীয় কুটিল জোঁকের মুখে নুনের মতো।

ওপরে ওপরে গওহর রিজভী আর দিপুমণি হাসতে থাকুন ভেতরে ভেতরে উল্লিখিত মেধাবী বাঙ্গালীদের ভারতের সঙ্গে দেনদরবারে ব্যবহার করা প্রয়োজন।কারণ ভারতের জলরাক্ষস হয়ে ওঠা ঠেকাতে পারমাণবিক বোমা বাংলাদেশের নেই, কিন্তু আমাদের মেধার বোমা আছে।নিজেদের মধ্যে আমরা বিভাজিত হতে পারি কিন্তু পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমরা মুক্তরাষ্ট্র হয়েছি, ভাতের অধিকার নিশ্চিত করেছি।এখন পানির অধিকার আদায়ের জন্য ভারতের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আরেক মুক্তিযুদ্ধ লড়তে হবে।এলড়াই অস্ত্রের নয়, ঐক্যের ও মেধার লড়াই।ষোলকোটি মানুষ ঐক্যবদ্ধ হলে ঐক্যের হাতুড়ি দিয়ে টিপাইমুখ বাঁধ ভেঙ্গে দেয়া যায়।ভারতকে বুঝতে হবে সাতবোন রাজ্যের বিচ্ছিন্নতাবাদ ঠেকাতে বাংলাদেশের সাহায্য প্রয়োজন।আর সাহায্য একমুখী হয়না।পানি দিলে তবেই সাহায্য, একপেশে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ বন্ধ না হলে নো ট্রানজিট।

পাকিস্তানের দখলদার সেনাবাহিনীর গণহত্যায় ৩০ লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল, ভারতের সঙ্গে পানিযুদ্ধে মৃতের সংখ্যা ৩০ লাখ ছোঁবার আগেই এ যুদ্ধে জিততে হবে।৭১ এর সাদাকালো ছবিতে পাকিস্তানের গণহত্যার ছবি আমরা দেখি, ২০১১ এর রঙ্গীন ছবিতে আর্সেনিকে আক্রান্ত মানুষ ,বানভাসী মৃতদেহ, ক্ষরায় মরা কৃষক আর মঙ্গার মানুষের মুখ,সীমান্তে ঝুলে থাকা ফালানীর লাশ জলরাক্ষস ভারতের চল্লিশ বছর ধরে চলমান হেজিমোনি আর জলযুদ্ধের পরিণতি।এতো ৭১এর রাক্ষস পাকিস্তানের মতোই ভারতের সিসটেম্যাটিক নিধনযজ্ঞ,মানবাধিকার লঙ্ঘন।আমরাতো ৭১এর মতো অসহায় নই।বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ রাজনীতির কচলাকচলি কমিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভারতকে মানবাধিকার লঙ্ঘনে বাধা দেবে,নতুন দিল্লীর সঙ্গে কূটনীতিতে ঋজুতার পরিচয় দেবে এটাই আমজনতার প্রত্যাশা।
১০টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×