
যাবার বেলায় একটা কথায় বলি মাগো জীবনের বাকি সময় ফেসবুকেই কাটিয়ে দিও।
উপস্থিত শিক্ষক ড. কামার বানু জানান, সামর্থ্যের অভাবে নয়, পড়ালেখা না করে ফেইসবুক এবং কম্পিউার নিয়ে ব্যস্ত থাকায় বহিষ্কৃত ছাত্রীরা ফেল করেছে । এখন কারো প্রতি কোনো বৈষম্য করা হয়নি। সবাইকে সমান চোখে দেখা হয়।’
আগামী দিনের নেতা হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েদের সবোর্চ্চ এই বিদ্যাপীঠ এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন ভর্তি হলেও সাড়ে তিন বছর পর খালি হাতে বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করতে হলো বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন বহিষ্কৃত ছাত্রীরা। সামনে অন্ধকার ভবিষ্যৎ ছাড়া এখন তাদের আর কোথাও ভর্তি হওয়ার সুযোগও নেই বলে জানান ওইসব ছাত্রী ও অভিভাবকরা।

সিইও ওমর শরীফ বলেন, ‘পরপর দুইবার জিপিএর ২ নিচে নম্বর পেলে তাদের বহিষ্কার করা হবে তা খুব স্পষ্টভাবে সিজিপিএ নীতিমালায় উল্লেখ আছে। ছাত্রীরা বিষয়টি খুব ভালোভাবে জানে। সর্বোচ্চ চেষ্টার পরও ছাত্রীরা ফেল করলে তার দায়িত্ব কর্তৃপক্ষের নয়। ছাত্রীরা প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিক্ষিত, তাই তাদের মেরে-পিটে পড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।" , ‘চার’শর অধিক ছাত্রীর মধ্যে ১১ জন ফেল করতে পারে। তাই বলে শিক্ষার মান নিয়ে সমঝোতা হতে পারে না। আগামীতে যারা খারাপ করবে তাদেরও বহিষ্কার করা হবে।’
গ্রেডিং নীতিমালার ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য মেরিসেনসিলোনো বলেন, ‘আমাদের কারিকুলাম এবং পলিসি আন্তর্জাতিক মানের। বিশ্ববিখ্যাত হার্ভার্ড এবং ইয়েল ইউনিভার্সিটির মতো অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রের গ্রেডিং নীতি অনুসারে এ, বি, সি, ডি এবং এফ গ্রেডে জিপিএর গ্রেডিং হয়েছে। এই সিজিপিএ অনুযায়ী ৭০ এর নিচে নম্বর পেলে গ্রেড পয়েন্ট ডি এবং ফেল ধরা হবে।’
তিনি বলেন, ‘একবার ফেল করার পর সর্তক করে দেওয়ার পাশাপাশি বহিষ্কৃতদের প্রতি বিশেষ যত্ন দিয়ে পড়ানো হয়। তারপরও দ্বিতীয়বার ফেল করায় একাডেমিক রুল অনুযায়ী বহিষ্কারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

