
সন্ধ্যা ৭ টা থেকে বসে ছিলাম টিভির সামনে। প্রথমে ATN, ETV, Channel I, DTV এর স্নগবাদের উপর রেখেছিলাম কড়া নজর। এরপর পর্যায়ক্রমে NTV, Bangla Vission, ATN News, RTV, Boisakhi, Independent, Somoy News থেকে শুরু করে তেমন চ্যানেল বাকি ছিলনা যার নিউজ দেখা হয়নি। কারন? আজকে ছিল মাওলানা ভাসানীর ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকী, যিনি ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা। মাওলানা ভাসানীর কর্মক্ষেত্র শুধু এদেশেই ছিলনা, সারাজীবন উপমহাদেশের খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের জন্য তিনি নিরলস কাজ করেছেন। অথচ সেই মাওলানা ভাসানীর জন্য আমাদের এত এত মিডিয়া এবং সংবাদ চ্যানেল থাকলেও একটি আলোচনা অনুষ্ঠান দুরের কথা, সংবাদেও দিলনা তার জীবনী নিয়ে কোন স্পেশাল নিউজ। বিএনপির কল্যাণে যাও সব চ্যানেল মাওলানা ভাসানীর উপর একটা নিউজ দিল, সেখানে ভাসানীর ছেয়ে বেশী গুরুত্ব দেয়া হয়েছে, নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ছাড়া বিএনপির নির্বাচনে না যাওয়া। অথচ এই মিডিয়া কোন চ্যাটের বাল ঐশ্বরিয়ার পেটের প্রতিমুহুর্তের আপডেট দিতে দিতে পারতেছিলনা ঐশ্বরিয়ার পেটের বাচ্চাটাই বের করে ফেলতে। রবীন্দ্র জয়ন্তী করে দু বাংলা এক হয়ে। মিডিয়ার সে কি কাভারেজ। আরে ভুদাই, ভাসানী স্বাধীনতার স্বপ্ন না দেখালে কি এই বাংলা চ্যানেল করতে পারতি? পারতি কি বাংলায় কথা বলতে যদি ৫২ তে ভাসানী বাংলা ভাষা নিয়ে লড়াই না করত? ভুদাই বাঙ্গালী ভুদাই থাকবি, কারন তোদের সব টেলিভিশন চ্যানেলের মালিক একেকটা মাগিবাজ, কালো টাকার মালিক, শেয়ার বাঁজার লুটপাটকারী, মাদক ব্যবসায়ী।
এত হতাশার মাঝেও আশার দিক হল তরুণরা ঠিকই ভাসানীকে মনে রেখেছে। যার প্রমান আজকে প্রায় প্রতিটি বাংলা ব্লগ, ফেসবুক পেইজ এবং ব্যক্তিগত ভাবে ভাসানীর ছবি এবং খবর শেয়ার করেছে বাংলার দুর্জয় তারুণ্য। লাথি মারি তোদের চ্যানেলে।
সুত্র-View this link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


