বাংলাদেশে অনেক গুলো টিভি চ্যাণেল আছে এবং আরো আসছে ।
ওয়ার্ল্ড টিভি আবার আসার পেছনে কী কারন ?
কারন ব্যাখ্যা করার পূর্বে বলতে চাই টিভি চ্যানেল বিষয়ক আমার দুটি মতাদর্শের কথা।
বা টিভি চ্যানেল সম্পর্কে আমার ভাবনা।
স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল হচ্ছে এমন এক ধরনের টিভি চ্যানেল যা আমরা ডিশ কানেকশন নিয়ে
দেখতে পাই।
একটি টিভি চ্যানেল গনমাধ্যম হিসেব ভীষন গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রাখে।
এটি তাই, একটি দৃষ্টিভঙ্গী থেকে দশ হাজার কোটি টাকা মূল্যের একটি অস্ত্র..
যা গনতন্ত্র আর মানুষের অধিকার সংরক্ষনে এক ধরনের আলোক বর্তিকা হিসেবে কাজ করে।
আবার অন্যদিকে ..এটি হচ্ছে..একটি দুই টাকা মূল্যের খেলনা।
যারা স্যাটেলাইট টিভির দর্শক তাদের হাতে আছে একাধিক অপশন।
রিমোটে টিপ দিলেই তারা এক লাফে দেশের ,ভাষার, বিষয়ের যে কোনো সীমাবদ্ধতা অত্যন্ত স্বাধীনতা নিয়ে পার হয়ে যাচ্ছে।
একটি টিভি চ্যানেল স্ক্রীনে থাকা মানে অন্য চ্যানেল গুলো ব্লাক-হোলে চলে যাওয়া।
তবে এটি যেহেতু অত্যন্ত লাভ জনক ব্যবসা..
অনেকেই তাই মুখিয়ে আছে..এই ব্যবসায় বিনিয়োগের সুযোগ লাভের জন্য।
যে কোনো টিভি চ্যানেলের মতো আমরা প্রতি মাসে এক কোটি টাকা ঘরে তুলতে পারলেই
আমাদের জীবন স্বার্থক..আমরা এরকম ভাবি না।
প্রতি মাসের ১ কোটি টাকা আয় থেকে তাই ১০ লক্ষ টাকা মেধাবী ছেলে মেয়দের শিক্ষা-বৃত্তি, দরিদ্র অসহায় মানুষের
চিকিতসা সেবা,বৃক্ক রোপন কর্মসূচি, প্রভৃতি খাতে ব্যবহার করার মাধ্যমে সমাজের স্তরে স্তরে একটি টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে দেশ ও জাতির জন্য
সীমাবদ্ধ ক্ষমতার ভেতর কিছু করা আর উদাহরন সৃষ্টিই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।
এই মুহুর্তে ৪০০ ও উপরে আবেদন আছে টিভি চ্যানেল -এর অনুমোদন পাওয়ার জন্য।
ওয়ার্ল্ড টিভি সেই শত শত আবেদন-এর মধ্যে অত্যন্ত সৌভাগ্যবান একটি প্রতিষ্ঠান-যার অনুমোদন পাওয়া এখন স্বল্প সময়ের ব্যপার মাত্র।
ইতিমধ্যে বাংলাদেশের তথ্য মন্ত্রনালয় -এ আবেদন এর পরিপ্রেক্ষিতে চ্যানেলটির বিষয়ে এবং জড়িতদের ব্যাকগ্রাইন্ড সহ চ্যানেলটির বর্তমান
রুপরেখা সম্পর্কে জানবার জন্য স্বরাষ্ট্র-মন্ত্রনালয়-এর পক্ষ থেকে তদন্ত সমাপ্ত করেছে সরকারের তিনটি সংস্থা স্পেশাল ব্র্যাঞ্চ পুলিশ,এন এস আই
এবং ডিজিএফআই।
অনুমোদন এখন সময়ের ব্যপার মাত্র।
বাংলাদেশ সরকারের আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সমস্ত কাগজ-পত্র আপডেটেড অবস্থায় আছে।ৎ
যথা..জয়েন্ট স্টক থেকে রেজিস্টার্ড কোম্পানি,ট্রেড লাইসেন্স,টিন,ভ্যাট,আমদানি রপ্তানি নিয়ন্ক্রকের অধিদপ্তর থেকে ছাড়পত্র,প্রজেক্ট প্রপোজাল,
শিল্প মন্ত্রনালয় থেকে রেজিষ্টার্ড লগো
সহ সরকারী দরকারী ১৬ টি কাগজ যা সরকারেরই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে যথাযথ ভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তৈরি করা হয়েছে।
ব্যপারটা খুব সহজে আমি বলে ফেললেও এই যাত্রা খুব সহজে
পূর্নতা পায় নি।এর পেছনে আছে ১৪ মাসের অক্লান্ত শ্রমের আর ক্ষমতার লড়াইয়ে জয়ী হয়ে সেগুলো
পরিপূর্ণ করার ইতিহাস।
অনেকে মনে করেন..টিভি চ্যানেল একটা মানি ম্যাটার।
টাকা ছাড়া তো কোনো প্রতিষ্ঠানই দাড়ায় না।
কিন্তু ,টিভি চ্যানেল -এর ব্যপার একটু আলাদা।
আর পরিপ্রেক্ষিত যদি হয় বাংলাদেশ ..তাহলে তো আমার এই দাবীর পেছনে কত জোরালো যুক্তি রয়েছে -তা সহজেই অনুমেয়।
এই মুহুর্তে ওয়ার্ল্ড টিভির রয়েছে ২৭ টি সিডিউল প্রোগাম বা অনুষ্ঠান।
মালয়েশিয়া,থাইল্যান্ড,ইন্ডিয়া ,নেপাল,ভুটান ঘুরে ৪০ পর্ব ওয়ার্ল্ড টু্র এর মতো ব্যয়সাপেক্ষ ট্রাভেল শো সহ, বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে
১০০০ এর উপর মুক্তিযোদ্ধার সাক্ষাতকার , ৫৫ পর্ব ইসলামি অনুষ্ঠান আলোকিত ইসলাম, বাংলার মুখ,হ্যালো ফান, নলেজ ডট কম,
আমার ঘর আমার বাড়ী,মনীষেদের কথা,সিনে টেষ্ট,মাটির মানুষ,প্রানের সুর গানের সুর সহ নিজস্ব ২৭ টি শিডিউল প্রোগাম আর সম্পন্ন হওয়া
প্রমোশনাল নিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম যাত্রা শুরুর প্রারম্ভেই
প্রস্তুত রয়েছে ওয়ার্ল্ড টিভি।
এর পেছনে নিয়মিত অনিয়মিত কাজ করছে সতেরো জনের একটি টিম।
ইন্টারনেটের মাধ্যমে এবং মোবাইলের মাধ্যমে সারা পৃথিবী থেকে ওয়ার্ল্ড টিভির কিছু স্যাম্পল প্রোগ্রাম আর অনুষ্ঠান দেখতে পাচ্ছেন সম্মানিত দর্শকরা।
এই মুহুর্তে ৬ মাস একটি টিভি চ্যানেল চালাবার মতো অনুষ্ঠান আছে আমাদের ভিডিও লাইব্রেরীতে-যার জন্য ব্যক্তিগত ভাবে আমাকে বিনিয়োগ করতে হয়েছে কোটি টাকারও বেশী।
এখন চলছে ইন্টারনেট ভার্সনে। অচিরেই টিভি চ্যানেলটি দেখা যাবে টিভি স্ক্রীনে।
অর্থাত ইন্টানেট-এ চ্যানেলটি অলরেডি চলছে..এখন শুধু মিডিয়াম চেঞ্জ হয়ে ঢুকবে টিভি সেট-এ,ঘরে ঘরে।
প্রাথমিক ভাবে এটি ৫৬ টি দেশে দেখা যাবে।। ৩ থেকে ৪ মাস পর ফুটপ্রিন্ট কানাডা ,নর্থ আমেরিকা,লন্ডন সহ আরো কিছু এলাকায় ছড়িয়ে পড়বে।
প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে আমার অভিজ্ঞতা বলতে ..
আমি গত ৬ বছর ধরে টিভি চ্যানেলের পেছনে যে সব টেকনিকাল লোকজন কাজ করছে..
তাদেরকে তৈরী করে আসছি।
যেমন..ভিডিও এডিটর,ক্যামেরাম্যান,অনুষ্ঠান নির্মাতা ইত্যাদি।
৪০ এর অধিক শিক্ষার্থী এখন বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে, মিডিয়া হাউজে কর্মরত আছেন।
পাশাপাশি নিকট অতীতে দুটো চ্যানেল এর প্রাথমিক পর্যায়ের চলা শুরু আমার হাত ধরে ..যথন তাদের না ছিলো কোনো নিজস্ব অনুষ্ঠান, না ছিলো প্রয়োজনীয় কম্পাইল করবার জন্য লোকবল বা যন্ত্রপাতি।
যা হোক..সেটা অন্য আরেকটি গল্প।
ওয়ার্ল্ড টিভির মালিক হিসেবে
এই মুহুর্তে আমার সঙ্গে ওয়ার্ল্ড টিভিতে আছেন বাংলাদেশের একজন শ্রেষ্ঠ এক্সপোর্টার।
তিনি একজন সি,আই ,পি এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছে দুবার ব্যবসা ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার জন্য পুরষ্কার প্রাপ্ত লোক।
এছাড়া আছেন দুজন ব্যবসায়ী ভদ্র মহিলা ।
তাদের একজনের স্বামী ছিলেন পুলিশের ডিআইজি ,বর্তমানে জাহাজের ব্যবসায় সম্পৃক্ত আর ভদ্র মহিলার ভাই প্রধানমন্ত্রী কার্যলয়-এর একজন ডিরেক্টর।
আরেকজন ভদ্রমহিলার বিনিয়োগ আমরা নিয়েছি। তার খালু জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের হত্যাকান্ডের একজন সাক্ষী।বাড়ী তাদের বলাকইর,গোপালগঞ্জ।
আমাদের ওয়ার্ল্ড টিভির বডি'তে আছেন অত্যন্ত মার্জিত ,সুনাম সম্পন্ন একজন পাট ব্যবসায়ী।
এই ভদ্রলোক চায়নার কযেকটি পাট কোম্পানির পক্ষ থেকে বাংলাদেশে বায়ার হিসেবে কাজ করেন।
আছেন বাংলাদেশের একটি শীর্ষ -স্থানীয় দৈনিক পত্রিকার ইসলামিক এডভাইজার।একজন ডক্টরেট।
বর্তমানে ওয়ার্ল্ড টিভির সংগৃহীত মূলধন ৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ,অনুমোদিত মূলধন ৫ কোটি টাকা।
বাকি ৩৫ লক্ষ টাকার শেয়ার ৫ লাখ করে মোট সাতটি দেশের সাতজন প্রবাসী বাঙালিকে আমরা দেবো বলে সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছি।
এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারন হচ্ছে-টিভি চ্যানেল যেহেতু ..একটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ব্যবসা !
এখানে যোগ্য কয়েকজন মানুষ আমাদের প্রতিনিধি হিসেবে সেইসব দেশগুলোতে
আমাদের কে প্রতিনিধিত্ব করবেন ।
ব্যবসায়িক খাতিরে এবং আমাদের বিস্তৃতির খাতিরে আমরা শেয়ার দেবার ব্যপারে অগ্রাধিকার দেবো তাদেরকে -
যারা মানসিক ভাবে সংস্কুতিবান এবং সমাজে সম্মানিত।
একজন সম্মানিত শেয়ার হোল্ডার হতে হলে আমাদের রয়েছে ৪ টি শর্ত
১. তার বিরুদ্ধে দেশে বিদেশে কোনো মামলা থাকা যাবে না।
২. ব্যাংক ডিফল্টার হওয়া যাবে না।
৩. আত্মীয় -স্বজনদের মধ্যে কোনো যুদ্ধাপরাধী বা মানবতা বিরোধী অপরাধে যুক্ত থাকা যাবে না।
৪.হোয়াইট মানি এবং ট্যাক্স ক্লিয়ার থাকতে হবে।
আমরা প্রতীক্ষায় আছি -দেখা যাক কে হন আমাদের এই সৌভাগ্যবান ৭ ?
একজন বিনিয়োগকারী,বিনিয়োগ করার পূর্বে যা জানা দরকার-
১. একটি টিভি চ্যানেলে বিনিয়োগের ৬ মাসের মধ্যে আপনি এক টাকাও লভ্যাংশ পাবেন না।
কারন টেষ্ট সিগনালে এই ধরনের কোম্পানির কোনোরুপ আয় নাই।
২.অগ্নিকান্ড বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হওয়ার ঘটনাও বাংলাদেশে দু,একটি রয়েছে।
বর্তমানে ওয়ার্ল্ড টিভির সার্বিক অবস্থা এই যে..
এক সপ্তাহের মধ্যে এটি শুরু করা সম্ভভ।
যারা বিনিয়োগের নিশ্চয়তা নিয়ে বেশী ভাবিত হচ্ছেন..তাদের জন্য বলবো..
মানুষ সব স্হানেই অতিরিক্ত নিশ্চিত হতে চায় ..এর মূল কারন হচ্ছে-তার জীবনটাই মস্ত অনিশ্চিত।
আগামিকাল সে বেঁচে থাকবে কী না !- তার কোনো নিশ্চয়তা নাই।
আধ্যাত্মবাদ এর চেতনা থেকে আমি যতটা বুঝতে পারি -সর্বত্র অতিরিক্ত নিশ্চয়তা চাওয়াটা হচ্ছে
মূল অনিশ্চয়তাটাকে ভুলে থাকার একটা ফন্দি।
যাই হোক-আমার সাংস্কৃতিক ব্যকগ্রাউন্ড সম্পর্কে একটু বলি-
আমি সৃজনশীলতার অনেক গুলো শাখা নিয়ে ১২ বছরের অধিক সময় ধরে কাজ করি।
ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে আমাদের একটি প্রতিষ্ঠান থাই এলুমিনিয়াম ইমপোর্ট করে গত ৮ বছর বাংলাদেশে প্রথম হয়েছে।
গার্মেন্টস সেক্টরে একটি নির্টিং ইন্ডাষ্ট্রি এবং রিক্রুটিং এজন্সির সঙ্গে আমাদের সম্পৃক্ততা আছে।
যাই হোক..হাজার কোটি টাকার মালিক বাংলাদেশে অনেক আছে। কিন্তু সবার পক্ষে
একটি টিভি চ্যানেল চালু করা সম্ভব নয়।
নট অনলি মানি ম্যাটার ,বাট অলসো ম্যাটার অব ক্যাপাবিলিটি এন্ড ক্যাপাসিটি।
টাকায় বাঘের চোখ মেলে, কিন্তু চ্যানেল কে জনপ্রিয় করতে হলে চাই এমন একজন যোগ্য
কান্ডারি- যিনি মানুষের মন বোঝেন ,দর্শকের চাহিদা বোঝেন এবং এই ইন্ডাষ্ট্রির টপ টু বটম, যার জানা আছে ইতিহাস,চেনা আছে অলিগলি,
একটি ভাত টিপেই যিনি বলে দিতে পারেন পুরো পাতিলার ভাত সিদ্ধ হয়েছে কী না !
অর্থাত পাকা রাধুনি।
সাংস্কৃতিক ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবসায় এতো জরুরী কেন ?
জরুরী এই জন্য যে..এই ব্যবসাটি যে কোনো ব্যবসা নয়।
খেয়াল করে দেখবেন -বাংলাদেশে টাকার জোরে যে সব চ্যানেল হয়েছে...
তাদের তুলনায় কান্ডারির যদি থাকে প্রবল শক্তিশালী সাংস্কৃতিক ব্যাকগ্রাউন্ড ..
সে ক্ষেত্রে সাংস্কৃতিক ব্যাকগ্রাউন্ড এর চ্যাণেল ই শেষ পর্যন্ত ব্যবসায়িক সাফল্যে শীর্ষ স্থান লাভ করে।
চলুন আমাদের দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তন করি।ৎ]
একটি টিভি চ্যাণেল ১০ কোটি টাকার একটি প্রজেক্ট,এটি শত শত কোটি টাকার ব্যাপার নয়।
তবে এই গ্রাউন্ডে সম্মানটা এই পর্যায়ের।
৫ কোটি টাকা পরিপূর্ন হলে আমাদের পরিকল্পনা হচ্ছে-একটি ব্যাংক থেকে
সহজ শর্তে আমার ৫ কোটি টাকা লোন করবো।
সে লক্ষ্যে আমরা এগিয়ে ও গিয়েছি।
আমার সম্পর্কে জানবার কৌতুহল থাকলে ফেসবুকে আমাকে খুঁজে নিকে পারেন
এই ঠিকানায়...
[email protected]
you can get me in skype also.
পড়ে দেখুন আমার ইনফরমেশন পেইজ এবং ঘেটে দেখুন আমার ফটোগ্যালারি..
ইন্টারনেটে world tv'r স্যাম্পল প্রোগাম দেখতে সার্চ করুন
http://www.youtube.com
search
mediaofbangladesh
ভালো থাকুন।সুস্থ খাকুন। বৃক্ষ রোপন করুন।
ওয়ার্ল্ড টিভির একজন সম্মানিত শেয়ার হোল্ডার হিসেবে আপনাকে স্বাগতম !
আবদুল্লাহ-আল-মাসুম
কবি,গীতিকার,সুরকার,ছড়াকার
নির্মাতা,আলোকচিত্রশিল্পী,প্রশিক্ষক।
প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা পরিচালক
ওয়ার্ল্ড টিভি লিমিটেড
৩১,পুরানা পল্টন,
ঢাকা,বাংলাদেশ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




