somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইসলামী ব্যাংক- কতটা ইসলাম,কতটা ইসলামের ব্যবহার করে মানুষকে ধোঁকা।

০১ লা মার্চ, ২০১৫ রাত ১১:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইসলামি ব্যাংকিং ইসলামকে ব্যাবহার করে অর্থ্যাত বাংলাদেশের ধর্মভীরু,ধর্মপ্রাণ মানুষের সফ্ট কর্ণার ব্যাবহার করে এক ধরণের ব্যাবসা ছাড়া আর কিছু নয় । আর এ ক্ষেত্রে ধর্মকে বাজেভাবে ব্যাবহার করা হচ্ছে এবং ধোকা দেয়া হচ্ছে ইসলাম ধর্ম এ বিশ্বাসীদের।

১. ইসলামী ব্যাংক যে স্লোগানটি ব্যাবহার করে তা হচ্ছে- ‘আল্লাহ সুদকে করেছেন হারাম,আর ব্যবসাকে করেছেন হালাল’। এক্ষেত্রে ব্যাবসা করে ব্যাংক-কোন গ্রাহক নয়। গ্রাহক শুধু মাত্র টাকা ইনভেস্ট করে এবং লাভ নেয়, তাই তা ব্যাংকের জন্য হালাল হলেও গ্রাহকের জন্য সুদ।

২.এটাকে যদি ব্যাবসা বলে ধরে নিই। তাহলে ব্যাবসায় লাভ-ক্ষতি উভয়ই থাকবে কিন্তু আজ পর্যন্ত কোন গ্রাহক ইসলামী ব্যাংক এ যে পরিমাণ টাকা রেখেছে তার চেয়ে কম টাকা কী কখনও সে উড্র করেছে ? সবসময়ই লাভ সমেত উড্র করে থাকে। এর মানে ব্যাংক ক্ষতির সম্মুখীন হলেও গ্রাহককে ক্ষতির ভাগীদার হতে হচ্ছে না। আর যদি ক্ষতির সম্মুখীন হতে হতো তাহলে গ্রাহক ইসলামী ব্যাংক এ টাকা রাখত কি-না সে বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। সুতরাং এটা গ্রাহকের জন্য ব্যাবসা নয় সুদ। অথচ ইসলামি নামধারী ব্যাংকগুলো তাকে কখনই সুদ বলে না,কারণ তার উদ্দেশ্যটাই অসত।

৩.ইসলামী ব্যাংক দুই ভাবে মানুষকে ঠকাচ্ছে- # যে পরিমাণ লাভ গ্রাহক পাওয়ার কথা (যেহেতু নির্দীষ্ট করা নেই,যদিও বা অবশ্যই আভ্যন্তরীনভাবে তা নির্ধারিত করা) গ্রাহকের সেই অংশ থেকে সে একটা অংশ নিয়ে নিচ্ছে # আবার নির্ধারিত অংশ থেকেও লাভের একটি অংশ তারা নিচ্ছে। যাতে তারা ডাবল লাভ অর্জন করছে।

৪.বাংলাদেশের সকল ব্যাংক একই নিয়মের আওতাভূক্ত আর তা নিয়ন্ত্রন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর এই সব নিয়মের বাইরে গিয়ে কোন ব্যাংক এরই তার নিজস্ব নিয়মে চলা অসম্ভব।কাজেই ইসলামী ব্যাংক আলাদা নিয়মে চলে এ কথা বলা মানুষকে ধোঁকা দেয়া ছাড়া আর কিছু নয়। একটা ময়লা পানির পুকুর থেকে এক আাঁজলা পানি নিলে তা কখনও বিশুদ্ধ হতে পারে না। তা ময়লাযুক্ত ই হয়
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হা হা রিয়্যাক্ট না করে কেউ যাবেন না

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:২৪



এই লোকটা বছরের পর বছর ধরে প্রকাশ্যে আমেরিকা ও ইসরাইলের ধ্বংস চেয়ে আসছে, তাদের যেখানে পাওয়া যাবে সেখানেই হত্যা করার মত ভয়ঙ্কর হুমকি দিয়ে আসছে; অথচ যুদ্ধ শুরুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

একা হতে দুহু. দুহু থেকে বহু : যুদ্ধ আর ধংসও সৃষ্টির চিরন্তন লীলা

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:৫১


বিধাতার পরে দুহাত তুলে
জানাই শুকরিয়া কারণ
অসীম শূন্যতার ভেতরেও
তিনি শুনেছিলেন প্রতিধ্বনি
নিজ সত্তারই গভীর আহ্বান।

তাই তিনি সৃজিলেন দুহু
আলো আর অন্ধকার
দিন আর রজনী
আকাশ আর ধরণী
প্রেম আর প্রত্যাশা।
একটি হৃদয় থেকে আরেকটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি এখন ইরান নিয়ে ভাবছি না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:১৮



সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

“সূয্যি মামা জাগার আগে উঠবো আমি জেগে” (দিনলিপি, ছবিব্লগ)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৫


রোদের মাঝে একাকী দাঁড়িয়ে....
ঢাকা
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বেলা ১২৩৩

"সূয্যি মামা জাগার আগে উঠবো আমি জেগে" -- নিজ শিশুর মুখে একথা শুনে মানব শিশুর মায়েরা সাধারণতঃ কপট রাগত স্বরে এমন প্রতিক্রিয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাশিয়াকে ড্রোন দিয়ে ইরান নিজে কি পেল ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৩৫


ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে একটা প্রশ্ন ঘুরেফিরে এসেছে — রাশিয়াকে ড্রোন দিয়ে ইরান আসলে কী পেল? ইরানের Shahed-136 ড্রোন ইউক্রেনের বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করেছে, সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×