অভিজাত বিউটি পারলার পারসোনার বনানী শাখা থেকে গোপন ক্যামেরা উদ্ধারের ঘটনা তদন্তে পুলিশের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনার সময় যথাযথ দায়িত্বে পালনে ব্যর্থ হওয়ায় গুলশান থানার এসআই মেহেদী মাসুদকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
পুলিশের গুলশান জোনের উপকমিশনার (ডিসি) লুৎফুল কবীর জানান, বিষয়টি তদন্ত করতে পুলিশের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওযা হবে। উপকমিশনার বলেন, ঘটনার সময় জব্দ করা ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা ও হার্ডডিস্ক সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে না পারায় দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, পারসোনার ঘটনা তদন্তে পুলিশের পক্ষ থেকে গত রোববার রাতে গুলশান জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার নিজামুল হক মোল্লাকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন একই জোনের সহকারী কমিশনার (এডমিন) মিজানুর রহমান ও সহকারী কমিশনার (পেট্রোল) নুরুল আলম। তিন দিনের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
ওই সূত্র আরও জানায়, ঘটনার দিন ওই নারী চিকিৎসকের মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে গুলশান থানা থেকে এসআই মেহেদী মাসুদকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা ও হার্ডডিস্ক জব্দ করলেও পরে তার কাছ থেকে অভিযোগকারী ওই নারী চিকিৎসক তা নিজের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে হার্ডডিস্ক থেকে সবকিছু মুছে ফেলেন। কিন্তু আইন অনুযায়ী পুলিশ কোনও কিছু জব্দ করার পর আদালতের অনুমতি ব্যতীত তা কারও কাছে হস্তান্তর বা কোনও কিছু করা যাবে না। একারণেই ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
সূত্রটি জানায়, ভিডিওকৃত অংশটুকু মুছে ফেলার কারণে পুলিশ কোনএ এ্যাকশনে যেতে পারছে না। এছাড়া পারসোনাও এখন আগের অবস্থান থেকে সরে এসে বনানী শাখায় স্পা করানো হয় না বলে দাবি করছে। এছাড়া ওই ভিডিওকৃত অংশে ওই নারীর আপত্তিকর কোনো কিছু নেই বলে তাদের দাবি।
গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বারডেম হাসপাতালের এক নারী চিকিৎসক পারসোনার বনানী শাখায় স্পা করাতে গিয়ে পোশাক পরিবর্তনের কক্ষে একটি গোপন ক্যামেরা দেখতে পান। এ নিয়ে ব্যাপক হট্টগোল হয়। খবর পেয়ে গুলশান থানা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


