আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যবসা বাণিজ্য প্রসার ঘটার সাথে সাথে বেড়ে চলেছে প্রতিযোগিতা। আন্তর্জাতিক পরিসরে ব্যবসা বাণিজ্যে সমপ্রসারনের ফলে লেনদেন যেভাবে বাড়ছে ঠিক একইভাবে বেড়ে চলেছে জটিলতা। ফলে একজন দক্ষ এবং অভিজ্ঞ একাউন্টিং প্রফেশনাল যে কোন ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রথম প্রয়োজন। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অষ্ট্রেলিয়া, দুবাইসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এখন একাউন্টিং ও ফাইনান্স হচ্ছে চাকরি বাজারে সবচেয়ে চাহিদা সম্পন্ন পেশা।
চাকরি বাজারে একাউন্টিং প্রফেশনালদের এই চাহিদার কারণে বর্তমান সময়ে সচেতন অভিভাবক ও শিক্ষাথর্ীরা ঝুকছেন একাউন্টিং কোয়ালিফিকেশন এর প্রতি। একজন একাউন্টিং প্রফেশনাল একই সঙ্গে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এর বিজনেস পস্নান ডেভেলপার বা ডিসিশান মেকিং অথরিটি। তাই চাকরি বাজারের সাথে সঙ্গতি রেখে একাউন্টিং পেশার প্রতি আগ্রহী সবাইকে অর্জন করতে হবে প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং শিক্ষা।
একাউন্টিং কোয়ালিফিকেশন এর ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী যুক্তরাজ্যের এওয়ার্ডিং বোর্ড, এসিসিএ গেস্নাবাল আন্তর্জাতিকভাবে সর্বাধিক স্বীকৃত এবং চাকরি বাজারে গ্রহণযোগ্য শিক্ষা প্রদানকারী জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান। এসিসিএ এর সঙ্গে অক্সফোর্ড ব্রুকস বিশ্ববিদ্যালয়ের চুক্তি থাকায় সহজেই তাদের স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর (এমবিএ) ডিগ্রীও অর্জন করা যায়। এক কথায় এসিসিএ হচ্ছে বাংলাদেশের সিএ ও আইসিএমএ এর মত কিন্তু বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য একটি পেশাদার ডিগ্রী।
এসিসিএর অধীনে মূলত দুটি কোর্স পরিচালিত হয়ে আসছে। সার্টিফাইড একাউন্টিং টেকনিশিয়ান বা সিএটি এবং চাটার্ড সার্টিফায়েড অ্যাকাউন্ট্যান্ট বা সিসিএ। যেহেতু এটি প্রফেশনাল কোয়ালিফিকেশন তাই একজন শিক্ষাথর্ী এইচএসসি/ও লেভের সম্পন্ন করার পর সিএটি প্রোগ্রাম এ ভর্তি হতে পারে। যাদের গ্র্যাজুয়েশন করা আছে তারা সরাসরি এসিসিএ পার্ট-১ থেকেই তাদের পড়াশোনা করতে পারে। একজন ছাত্র মাত্র ২-৩ বছর সময়ের মধ্যে এসিসিএ সম্পন্ন করতে পারে। সিএটি/সিসিএ কোর্সে সারা বছরই ভর্তি হওয়া যায়। তবে ডিসেম্বরে পরীক্ষা দিতে চাইলে ১৫আগষ্টের মধ্যে রেজিষ্ট্রেশন করতে হয় আর জুনে পরীক্ষা দিতে হলে আগের বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রেজিষ্ট্রেশন করতে হয়। একজন ছাত্র উন্নত বিশ্বের ১৭৩ টি দেশের যে কোন স্থানে ১০০% ক্রেডিট ট্রান্সফার করার সুযোগ পায়।
এসিসিএ হচ্ছে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত প্রফেশনাল কোর্স এবং এসিসিএ কোয়ালিফাইড শিক্ষাথর্ীরা সেক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি লেভেল হতে শুরু করে ধাপে ধাপে উচ্চপর্যায়ের চাকরি পেতে পারেন। যেমন: চিফ ফাইনান্স অফিসার, অডিটর, ডিরেক্টর অব পার্টনার ইন একাউন্টিং ফার্ম, ফাইনান্স ডিরেক্টর/ফাইনান্স এনালিস্ট, ইন্টারনাল অডিটর ইত্যাদি।
হাই স্কিল মাইগ্রেশন এর ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার: বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষ ও অভিজ্ঞ অসংখ্য পেশাজীবী কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রসহ উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইমিগ্রেশন পেয়ে থাকে। বাস্তবতা হচ্ছে এই বিপুল সংখ্যক দক্ষ ইমিগ্রেন্টদের বেশিরভাগ সেখানে গিয়ে তাদের যোগ্যতা অনুসারে কাজ পায় না। এর মূল কারণ হচ্ছে পেশার চাহিদা ও শিক্ষার গ্রহণ যোগ্যতা। প্রতিটি দেশেই ইমিগ্রেশনের ক্ষেত্রে পেশাভিত্তিক চাহিদার আলোকে জাতীয় পেশা শ্রেণীবিন্যাস (এনওসি) থাকে। এর মধ্যে প্রায় সব দেশেই একাউন্টিং পেশার অবস্থান প্রথম শ্রেণীতে অন্তর্ভূক্ত। আর তাই চাহিদার কারণে ও এসিসিএ'র আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতার ফলে উন্নত বিশ্বে মাইগ্রেন্টদের কেউ বেকার তো নেই ই বরং উচ্চ পদে তুলনামূলক ভাল সম্মানীতে কাজ করে থাকেন।
বাংলাদেশে সিএটি/ এসিসিএ কোর্স সমূহ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে ডেফোডিল ইনষ্টিটিউট অব আইটি (ডিআইআইটি) অন্যতম। ডিআইআইটিতে দেশে-বিদেশে প্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী কর্তৃক কোর্স পরিচালনা করা হয়। যাদের রয়েছে ইন্টারন্যাশনাল কোর্স পরিচালনার অভিজ্ঞতা। যেখানে একজন ছাত্র শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সুবিধা সমূহ ছাড়াও রয়েছে ছাত্র বৃত্তি এবং ইন্টার্নশিপ সুবিধা।
উলেস্নখ্য যে, ডিআইআইটি ১৯৯৭ সাল থেকে শুরু করে এনসিসি এডুকেশন, ইউকে এর অধীনে বিভিন্ন কোর্স এবং এসিসিএ কোর্স পরিচালনা করে আসছে। ডিআইআইটির ছাত্র ছাত্রীদের সফল্যের কারণে ইতোমধ্যে অর্জন করেছে বেষ্ট পার্টনার এওয়ার্ড ও একাডেমিক এক্সিলেন্স এওয়ার্ড। ডিআইআইটিতে রয়েছে ইংলিশ কোর্স ফেসিলিটি, অত্যাধুনিক ল্যাব ফেসিলিটি, ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ, আধুনিক ও সমৃদ্ধ সুবিশাল লাইব্রেরী।
ফোন: ৯১১৭২০৫, ০১৭১৩৪৯৩১৬৩।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




