somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পেশা হিসেবে চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট

১২ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যবসা বাণিজ্য প্রসার ঘটার সাথে সাথে বেড়ে চলেছে প্রতিযোগিতা। আন্তর্জাতিক পরিসরে ব্যবসা বাণিজ্যে সমপ্রসারনের ফলে লেনদেন যেভাবে বাড়ছে ঠিক একইভাবে বেড়ে চলেছে জটিলতা। ফলে একজন দক্ষ এবং অভিজ্ঞ একাউন্টিং প্রফেশনাল যে কোন ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রথম প্রয়োজন। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অষ্ট্রেলিয়া, দুবাইসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এখন একাউন্টিং ও ফাইনান্স হচ্ছে চাকরি বাজারে সবচেয়ে চাহিদা সম্পন্ন পেশা।

চাকরি বাজারে একাউন্টিং প্রফেশনালদের এই চাহিদার কারণে বর্তমান সময়ে সচেতন অভিভাবক ও শিক্ষাথর্ীরা ঝুকছেন একাউন্টিং কোয়ালিফিকেশন এর প্রতি। একজন একাউন্টিং প্রফেশনাল একই সঙ্গে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এর বিজনেস পস্নান ডেভেলপার বা ডিসিশান মেকিং অথরিটি। তাই চাকরি বাজারের সাথে সঙ্গতি রেখে একাউন্টিং পেশার প্রতি আগ্রহী সবাইকে অর্জন করতে হবে প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং শিক্ষা।

একাউন্টিং কোয়ালিফিকেশন এর ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী যুক্তরাজ্যের এওয়ার্ডিং বোর্ড, এসিসিএ গেস্নাবাল আন্তর্জাতিকভাবে সর্বাধিক স্বীকৃত এবং চাকরি বাজারে গ্রহণযোগ্য শিক্ষা প্রদানকারী জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান। এসিসিএ এর সঙ্গে অক্সফোর্ড ব্রুকস বিশ্ববিদ্যালয়ের চুক্তি থাকায় সহজেই তাদের স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর (এমবিএ) ডিগ্রীও অর্জন করা যায়। এক কথায় এসিসিএ হচ্ছে বাংলাদেশের সিএ ও আইসিএমএ এর মত কিন্তু বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য একটি পেশাদার ডিগ্রী।

এসিসিএর অধীনে মূলত দুটি কোর্স পরিচালিত হয়ে আসছে। সার্টিফাইড একাউন্টিং টেকনিশিয়ান বা সিএটি এবং চাটার্ড সার্টিফায়েড অ্যাকাউন্ট্যান্ট বা সিসিএ। যেহেতু এটি প্রফেশনাল কোয়ালিফিকেশন তাই একজন শিক্ষাথর্ী এইচএসসি/ও লেভের সম্পন্ন করার পর সিএটি প্রোগ্রাম এ ভর্তি হতে পারে। যাদের গ্র্যাজুয়েশন করা আছে তারা সরাসরি এসিসিএ পার্ট-১ থেকেই তাদের পড়াশোনা করতে পারে। একজন ছাত্র মাত্র ২-৩ বছর সময়ের মধ্যে এসিসিএ সম্পন্ন করতে পারে। সিএটি/সিসিএ কোর্সে সারা বছরই ভর্তি হওয়া যায়। তবে ডিসেম্বরে পরীক্ষা দিতে চাইলে ১৫আগষ্টের মধ্যে রেজিষ্ট্রেশন করতে হয় আর জুনে পরীক্ষা দিতে হলে আগের বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রেজিষ্ট্রেশন করতে হয়। একজন ছাত্র উন্নত বিশ্বের ১৭৩ টি দেশের যে কোন স্থানে ১০০% ক্রেডিট ট্রান্সফার করার সুযোগ পায়।

এসিসিএ হচ্ছে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত প্রফেশনাল কোর্স এবং এসিসিএ কোয়ালিফাইড শিক্ষাথর্ীরা সেক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি লেভেল হতে শুরু করে ধাপে ধাপে উচ্চপর্যায়ের চাকরি পেতে পারেন। যেমন: চিফ ফাইনান্স অফিসার, অডিটর, ডিরেক্টর অব পার্টনার ইন একাউন্টিং ফার্ম, ফাইনান্স ডিরেক্টর/ফাইনান্স এনালিস্ট, ইন্টারনাল অডিটর ইত্যাদি।

হাই স্কিল মাইগ্রেশন এর ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার: বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষ ও অভিজ্ঞ অসংখ্য পেশাজীবী কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রসহ উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইমিগ্রেশন পেয়ে থাকে। বাস্তবতা হচ্ছে এই বিপুল সংখ্যক দক্ষ ইমিগ্রেন্টদের বেশিরভাগ সেখানে গিয়ে তাদের যোগ্যতা অনুসারে কাজ পায় না। এর মূল কারণ হচ্ছে পেশার চাহিদা ও শিক্ষার গ্রহণ যোগ্যতা। প্রতিটি দেশেই ইমিগ্রেশনের ক্ষেত্রে পেশাভিত্তিক চাহিদার আলোকে জাতীয় পেশা শ্রেণীবিন্যাস (এনওসি) থাকে। এর মধ্যে প্রায় সব দেশেই একাউন্টিং পেশার অবস্থান প্রথম শ্রেণীতে অন্তর্ভূক্ত। আর তাই চাহিদার কারণে ও এসিসিএ'র আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতার ফলে উন্নত বিশ্বে মাইগ্রেন্টদের কেউ বেকার তো নেই ই বরং উচ্চ পদে তুলনামূলক ভাল সম্মানীতে কাজ করে থাকেন।

বাংলাদেশে সিএটি/ এসিসিএ কোর্স সমূহ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে ডেফোডিল ইনষ্টিটিউট অব আইটি (ডিআইআইটি) অন্যতম। ডিআইআইটিতে দেশে-বিদেশে প্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী কর্তৃক কোর্স পরিচালনা করা হয়। যাদের রয়েছে ইন্টারন্যাশনাল কোর্স পরিচালনার অভিজ্ঞতা। যেখানে একজন ছাত্র শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সুবিধা সমূহ ছাড়াও রয়েছে ছাত্র বৃত্তি এবং ইন্টার্নশিপ সুবিধা।

উলেস্নখ্য যে, ডিআইআইটি ১৯৯৭ সাল থেকে শুরু করে এনসিসি এডুকেশন, ইউকে এর অধীনে বিভিন্ন কোর্স এবং এসিসিএ কোর্স পরিচালনা করে আসছে। ডিআইআইটির ছাত্র ছাত্রীদের সফল্যের কারণে ইতোমধ্যে অর্জন করেছে বেষ্ট পার্টনার এওয়ার্ড ও একাডেমিক এক্সিলেন্স এওয়ার্ড। ডিআইআইটিতে রয়েছে ইংলিশ কোর্স ফেসিলিটি, অত্যাধুনিক ল্যাব ফেসিলিটি, ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ, আধুনিক ও সমৃদ্ধ সুবিশাল লাইব্রেরী।

ফোন: ৯১১৭২০৫, ০১৭১৩৪৯৩১৬৩।
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অনুকুলে নয় শেখ হাসিনা (আপা) প্রতিকুল পরিস্থিতিতেই বেশি অকুতোভয়।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৪




একদিকে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন তিনি দেশে ফিরছেন, আরেকদিকে তিনি প্রায় নিশ্চিন্ন করে দেয়া আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠন করে ফেলেছেন! এবং সেই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের অগণতান্ত্রিক, ভয়ঙ্কর এবং অবৈধ রাজনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×