নামাজে সালাম ফিরানোর পর মুসল্লিদের নিয়ে হাত উঠিয়ে মুনাজাত সুন্নাহ না বিদ’য়াত ?
নামাজ ইসলামের সেরা ইবাদত। ঈমানদার ও ফাসেকের মধ্যে পার্থক্যকারী, মুমীনের মেরাজ, অশ্লীল ও ফায়েসা কাজ থেকে মানুষকে বিরত রাখার মধ্যম।
অজ্ঞতার কারণে আমরা নামাজে এমন কিছু নিয়ম পালন করি যা রাসুল সাঃ পালন করেনি। অথচ রাসূল সাঃ বলেছেন
“তোমরা সেভাবেই সালাত আদায় কর যে ভাবে আমাকে আদায় করতে দেখেছ”। (বুখারী ও মুসনাদে আহমদ)
আর আল্লাহর কথা হচ্ছে
হে নবী, বলেদিন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবেশে থাক, তবে আমাকে অনুসরন কর। সুরা আল ইমরান- ৩১
আল্লাহর রাসুল তোমাদের যা দিয়েছে, তোমরা তা মেনে চলো। সুরা হাশর-৭
নামাজে সালাম ফিরানোর পর মুনাজাত
যারা সুন্নতে রাসুল ও সাহাবায়ে কিরামের আছার সর্ম্পকে অবগত হয়ে তা দূরিভূত করার চেষ্টা করতে চায় তারা অজ্ঞ লোকদের তিরিস্কারের শিকার হন।
আমাদের দেশের অধিকাংশ মসজিদের ইমাম সাহেবরা নামাজের সালাম ফিরানোর পর মুসল্লিদির নিয়ে হাত উঠিয়ে মুনাজাত করাকে অবশ্য জরুরী কাজ হিসাবে গ্রহণ করেছে। অথচ রাসূল সাঃ নামাজের সালাম ফিরানোর পর মুসল্লিগণকে নিয়ে হাত উঠিয়ে মুনাজাত করেছেন বলে প্রমাণ নেই।
ইমাম সাহেবগণের এই কাজের ফল এমন দাড়িয়েছে যে, এখন মুসল্লিগণ মুনাজাত কে নামাজের অংশ মনে করতে শুরু করেছে। শুধু তাই নয় বেশী ভাগ ক্ষেত্রেই অবস্থা এতোটাই চরম আকার ধারন করেছে যে, কোন ইমাম সাহেব যদি নামাজে সালাম ফিরানোর পর মুসল্লিদের নিয়ে হাত উঠিয়ে মুনাজাত না করে তবে তার ইমামতিই থাকবে না।
আমরা বলবো, কোন ইমাম যদি কখনো মুসল্লিদের নিয়ে মুনাজাত করেন তবে তা না জায়েয নয়, তবে নিয়মে পরিনত করা বা প্রত্যেক নামাজের সালাম ফিরানোর পর তা অপরিহার্য ও অবধারিত করে নেয়া সুন্নতে রাসুল পরিপন্থি।
তথ্য সূত্রঃ-আল্লামা হাফিয ইবনুল কায়্যিম এর লেখা “যাদুল মা’আদ” গ্রন্থ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


