ফুলো মালা খানি নাও ধরো
নাও মুক্তিযোদ্ধারা গলে পরো।
গহীন আঁধার ছিলো একাত্তরে
বলো, যুদ্ধ করলে তোমরা কী করে!
ভীতু হওনি গোলা-গুলির আঘাতের ফলে
কখনো পড়নি তোমরা ধূলিতলে!
কখনো কওনি যুদ্ধ ময়দানে যাব না
একাত্তরে যুদ্ধই ছিলো তোমাদের চেতনা।
সয়েছো কতই না অসহ্য যাতনা
দুর্বিসহ কাহিনী ক’য়া দুষ্কর না!
সম্মুখ যুদ্ধে আদৌ তোমাদের ভয় ছিলো না
যুদ্ধটাই ছিলো ভাই একমাত্র সাধনা!
অথৈ লাল রক্তের স্রোতে অবগাহন
করে সামনে তোমরা হয়েছিলে ধাববান !
জীবনে ছিলো না একটুও ভীরুতা
ছিনিয়ে এনেছো তোমরা অপূর্ব স্বাধীনতা।
ছড়িয়ে দিলে বিশ্বব্যাপী সৌরভ
জাতির জন্য স্বাধীনতা বিপুল গৌরব।
মুহুর্তের তরে তোমরা করো নিকো ভয়
বলো, আজো কী এসেছে সম্পূর্ণ বিজয়?
সেদিনের যৌবন ভরা চঞ্চল প্রাণ
আজ পৌঢ়ত্বে কতই না ম্রিয়মান!
একাত্তরের যৌবন জোরের জোয়ারে
যুদ্ধে ঝাঁপ দিয়েছিলে তোমরা শক্তির জোরে।
মনে ছিলো স্বাধীনতা নিয়ে ব্যাকুলতা
তাইতো ছিনিয়ে এনেছো মহান স্বাধীনতা।
মন ছিলো তোমাদের শত্রূকে দমাতে উতলা
তাইতো যুদ্ধ ময়দানে হওনি বেতালা ।
শত্রু মুক্ত করেছো স্বীয় মাতৃভূমি
তোমরাই রক্ষা করেছো স্বীয় কাননভূমি।
শত্রুর নির্মম এলোপাতাড়ি আক্রমণ
শক্তি – মেধা দিয়ে করেছো দমন।
তোমরা বাজি রেখেছিলে প্রাণ – মন
গ্রহণ করো তোমরা আমাদের অভিনন্দন
শহীদ – বীরঙ্গনাদের আমরা করি স্মরণ।
এ প্রজন্মের সন্তানদের কাছে করি নিবেদন
ধেয়েই আসছে বুঝি দেশে মহা অশুভ ক্ষণ।
তোমরা সকলে একসঙ্গে করো হে পণ
ষড়যন্ত্রকারীদেরকে সমূলে করবে দমন।
বলো, এখন কেনো এতো রক্তের বন্যা বয়
কেনো জনতা হয় এতো অসহায়-নিরুপায়?
আর দেখতে চায় না জনতা অশ্রুঢালা
দেখতে চাই সোনালী স্নিগ্ধ আভার অপূর্ব খেলা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


