somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

“বাংলাদেশ, তুমি এগিয়ে যাও, জয়-পরাজয় যাই হোক আমি সব সময় তোমায় support করি, করতাম এবং ইশাল্লাহ করবও

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যখন বাংলাদেশ খেলে, প্রতিটা বল দেখার সময় heart bit বেড়ে যায়, মনে হয় আমিই ব্যাট করছি বা আমিই বল করছি, যখন একটা চার-ছয় হয় বা উইকেট পড়ে মনে হয় আমিই চার-ছয় মেরেছি বা উইকেট পেয়েছি, শেষ ওভার গুলোতে যখন খুব টান টান উত্তেজনা থাকে তখন excitement এর জন্য মনে হয় যেন heart fail করব, যখন দন জেতে তখন মনে হয় আমি নিজে জিতলাম, হেরে গেলে খুব খারাপ লাগে, মনে হয় যেন চিৎকার করে কাঁদি, মনে হয় আর কখনই বাংলাদেশকে support করব না, কিন্তু যখন পরের খেলা শুরু হয়ে যায় মনের ভুলে কখন যে বাংলাদেশকে support করা শুরু করি নিজেই টের পাই না। নিজে খেললেও কখন এমণ feel করি নি। আমার কোন পাবলিক পরীক্ষার সময়ও আমার এতোটা tension হয় না, এতোটা nervous feel করি না, যতটা করি বাংলাদেশের খেলার সময়।
অন্য সব বাংলাদেশীর মত আমিও স্বপ্ন দেখি বাংলাদেশ বিশ্বকাপ জিতবে। যদিও জানি এই স্বপ্নের বাস্তবায়ণ এই বিশ্বকাপেই দেখতে চাওয়াটা একটু বাড়াবাড়িই হয়ে যায়, তারপরও কেন জানি মনের এক ছোট্ট অংশে কোত্থেকে যেন একটা আশা চলেই আসে, আবেগের কাছে বিবেক এখানে বার বারই হেরে যায়। কি আর করা নিজের দেশ, নিজের দল বলে কথা!
আগে যখন বিশ্বকাপ এলে এই দল ওই দল কত দলই যে support করতাম তার ইয়ত্তা নাই। আর যখন থেকে বাংলাদেশ খেলা শুরু করল তখন থেকে মনের গভীর থেকে একমাত্র বাংলাদেশ ছাড়া আর কোন দেশকেই support করতে পারি না। বাংলাদেশ বাদ পরে গেলে আর খেলা দেখতে ভাল লাগে না। চেয়েছিলাম ফেইসবুকে একটা ছোট স্ট্যাটাস দিব কখন যে এত বড় একটা লেখা হয়ে গেছে বুঝতে পারি নি। আসলে নিজের প্রিয় কোন কিছু সম্পর্কে অল্প কিছু বলা মনে হয় খুবই কঠিন, তাই মনে হয় কেঁচো খুড়তে সাপ বেরিয়ে এল।
আমার খুব ইচ্ছা হয় ফুটবল বিশ্বকাপের সময় যেমন বাংলাদেশে সম্ভবত সব বাড়ির ছাদে যেমন নিজ নিজ সমর্থিত দলের পতাকা থাকে, ঠিক তেমনি এই বিশ্বকাপেও আমাদের দেশের অন্তত সব বাড়িতে না হলেও বেশিরভাগ বাড়ির ছাদে যেন বাংলাদেশের পতাকা থাকে। সবার কথা বলতে পারি না কিন্তু ইশাল্লাহ আমার বাসার ছাদে একটা পতাকা আমি অবশ্যই ওড়াব আর চেষ্টা করব এরপর থেকে সব জাতীয় দিবস গুলোতে পতাকা ওড়াতে।
এই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ যাই-ই করুক না কেন, যেমনই খেলুক না কেন আশা করি সব সময়ই আমি বাংলাদেশকেই support করব, বাংলাদেশেরই পাশে থাকব, আর আশি করব সব বাংলাদেশীরাই সব সময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে।
আর সব শেষে বলতে চাই, “বাংলাদেশ, তুমি এগিয়ে যাও, জয়-পরাজয় যাই হোক আমি সব সময় তোমায় support করি, করতাম এবং ইশাল্লাহ করবও” ।
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অনুকুলে নয় শেখ হাসিনা (আপা) প্রতিকুল পরিস্থিতিতেই বেশি অকুতোভয়।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৪




একদিকে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন তিনি দেশে ফিরছেন, আরেকদিকে তিনি প্রায় নিশ্চিন্ন করে দেয়া আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠন করে ফেলেছেন! এবং সেই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের অগণতান্ত্রিক, ভয়ঙ্কর এবং অবৈধ রাজনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×