মনটা এই মূহুর্তে ভীষন ভালো। রিপিটে দিয়ে দিয়ে শুনছি, হারমোনিকাতে "মায়াবন-বিহারিণী হরিণী"
সেই তাল লয় সুরের মায়াজালে দুলতে দুলতে মনে হচ্ছে, আমিও বুঝিবা দূর হতে কাওকে সাধছি, গোপন বিরহডোরে বাঁধার জন্য -
♫♫ দূর হতে আমি তারে সাধিব,
গোপনে বিরহডোরে বাঁধিব,
বাঁধনবিহীন সেই যে বাঁধন, অকারণ॥ ♫♫
আজ সারাদিন রবীন্দ্রনাথ শুনেছি। ঠিক কি কারণে মনটা এত ভালো বুঝে উঠতে পারছিনা। নিশ্চই কোন কারণ থেকে থাকবে। যাক্গে, তার চাইতে বরঞ্চ এই দুলতে থাকি -
♫♫ আমি শুধু বাঁশরীর সুরেতে
পরশ করিব ওর প্রাণমন, অকারণ। ♫♫
নিজের পুরোনো লেখাগুলো আজ পড়ছিলাম। অদ্ভুত একটা ভালো লাগার শিহরণ ঢেউ খেলে খেলে যাচ্ছিল। লেখাগুলো যে আমার প্রাণের কত কাছের অনুভব করে হাসছিলাম নিজের মনে। কত কত শব্দ, অনুভূতির রং, হাসি, মূহুর্ত। মূহুর্ত। শব্দগুলো যেন সেই সেই এক একটা মূহুর্তকে প্রাণ দিচ্ছিল। যেন দূর থেকে নিজেকেই দেখছি এক একটা চরিত্রে। থিয়েটারে বসে রুপালী পর্দায় নিজেকে দেখবার মতোন অনুভূতি
...
মায়াবন-বিহারিণী হরিণী,
গহনস্বপনসঞ্চারিণী,
কেন তারে ধরিবারে করি পণ, অকারণ।
থাক্ থাক্ নিজমনে দূরেতে,
আমি শুধু বাঁশরীর সুরেতে
পরশ করিব ওর প্রাণমন, অকারণ।
চমকিবে ফাগুনের পবনে,
পশিবে আকাশবাণী শ্রবণে|
চিত্ত আকুল হবে অনুখন, অকারণ।
দূর হতে আমি তারে সাধিব,
গোপনে বিরহডোরে বাঁধিব,
বাঁধনবিহীন সেই যে বাঁধন, অকারণ॥

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

