বরুণা আর প্রতিফলনের "বসন্তদিন" পড়ছিলাম। পড়তে পড়তে ওদের সুখে সুখী হচ্ছিলাম, আর দুখে হচ্ছিলাম দুখী। দুজনের প্রতি দুজনের প্রেম আর এমন সব দারুণ মুহূর্তকে ওরা দুজনে কবিতায়, গদ্যে বন্দী করেছে পড়তে পড়তে দুজনের কাব্য প্রতিভা দেখেও মুগ্ধ হয়ে যেতে হয়।
কত কত জায়গায় মুহূর্তগুলো পড়ে মুখে হাসি চেপে রাখা দায় হচ্ছিল। আর এমন অনেক জায়গাও ছিল যেখানে বুকের ভেতর চিনচিনে একটা ব্যাথা ঠের পাচ্ছিলাম। অনুভূতিগুলো যে আমার অনেক চেনা, অনেকদিনের জানাশোনা এদের সাথে। কেমন করে এদের দুজনের অনুভূতিগুলোর সাথে এমন করে মিলে গেল! অবাক হয়ে আমি তাই ভাবছিলাম।
পড়তে পড়তে কতবার এমন হয়েছে চোখের সামনে ধরা রয়েছে দুজনের শব্দগুলো অথচ মন চলে গিয়েছে কোথায়! অতীতের স্মৃতিরোমন্থনে সে কড়া নাড়ছে হৃদয়-প্রাসাদের বন্ধ দুয়ারগুলোতে।
বরুণা একটা কথা বলছিল, বলছিল - "মানুষের অনুভূতি গুলোর কেনো এত মিল হয়?"। সে নিজেও অবাক হয়েছিল সাজিপু-র একটা কবিতা পড়ে যেখানে তার একটা দিনের কিছু মুহূর্তের সাথে ভীষন ভাবে মিলে গিয়েছিল কবিতার লাইনগুলো। পরে আমিও কবিতাটা যখন পড়ি অনেক মিল খুজে পাচ্ছিলাম নিজের সাথে।
তবে আমার মনে হয় মানুষে মানুষে অনুভূতিগুলো একি হলেও তার উপলব্ধি এবং প্রকাশটা একেকজনের কাছে একেকরকম।
মাঝে মাঝে মনে হয় দুটি প্রাণ একি বীণার তারে ঝংকৃত হচ্ছে। একি তান, একি সুর বাজছে দুটো হৃদয়ে। আর তাইতো ক্ষণে ক্ষণে দুজনের মনের মিল দেখে এমন চমকে চমকে উঠা। শব্দগুলো তখন একটি ছন্দে খেলতে থাকে। কখন উঁচু লয়ে আবার কখনো নীচুতে। শান্ত, সুমধুর সেই সুরলহরী। আর তাইতো তার এমন নেশাজাগানিয়া মাধুর্য্য
একটা কবিতা মনে পড়ছে। ঠিক ঠিক মনে নেই লাইনগুলো। তবে এমন ছিল বোধহয় -
দখিনা হাওয়ায় ছুঁইয়ে দিল তোমার এলো চুল
সেই মেয়ে প্রেয়সী আমার,
সে যে তুমি, আমারি তুমি সেই
আমারি তুমি...আমারি তুমি।
কি লিখতে বসেছিলাম লেখা শেষে এখন সেটি আবার ভাবতে হচ্ছে
ফাইনাল দেখতে রাত জাগতে হবে। যাই দেখি ঘুম আসে কিনা এইবার।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




