শুরুটা কি চমতকার ছিল! আমাদের ,কতজনের তরুণ লেখক হিসেবে আবির্ভাব প্রথম আলো, বন্ধুসভা এবং গিয়াস ভাই এর হাত ধরে। বিবর্তন...তাই বোধহয় হবে। যখন কেউ একটা রেস্টুরেন্ট প্রথম দেয় শুরুতে রান্না বান্না বেশ ভালো থাকে কাস্টমার ধরবার জন্যে । তারপর কাস্টমার বাড়ে অর্থাত কোয়ানটিটি বাড়ে, পড়ে যেতে থাকে কোয়ালিটি। সবই তো ব্যবসা। এখানেই বা কেন ব্যতিক্রম হবে! বোকামি তো আমদেরই। গিয়াস ভাই গেল। এলো দন্তশ রওশন নামে একজন বন্ধুসভার দায়িত্বে। একটা জমজমাট পাঠক ফিচার পাতার অপমৃত্যু দেখলাম চোখের সামনে। কষ্ট পেলাম। আর কি ই বা করার আছে!
আজকের (১২.০৮.০৭) প্রথম আলোর মন্তব্য প্রতিবেদনে মতিউর রহমান দুই নেত্রীকে নিয়ে বিশাল এক রচনা লিখেছেন। খুব ভালো। লিখার সময় লিখবেনই তো। তাদের কথায় কত তরুণ কিশোর কিশোরী নিজেদেরে চোখে স্বপ্ন অঞ্জন মাখে ... সেই মতিউর রহমান নিরপেতার এক অদ্ভূত খেলা খেলতে গিয়ে বরাবর খালেদা হাসিনাকে একসাথে মেপে যাচ্ছেন। আচ্ছা সেটাও ছেড়ে দিলাম ব্যক্তিগত অভিমত মানুষের থাকতেই পারে। কিন্তু জামায়াত সম্পর্কে একটা কথাও কেন বলেন না? কেন? এ রহস্য কোথায় গিয়ে প্যাঁচ খেয়েছে? আমার øস্নেহভাজন এক অনুজ আমাকে বলেছে মতি ভাই এর `জলপাই' পান এর খবর...জীবনের ষাট বছর পার করে দিয়েছেন। আর কত দিন বাঁচবেন? দেশের জন্যে সত্যি একদিনও ভাববেন না! আমি অধম সে কথা কিভাবে বলি যে ভাবছেন না! ব্যবসা সব ব্যবসা, ব্যবসা নিয়ে ভাবছেন খুব? মনে রাখবেন জলপাইরা কোনদিন আমাদের সিভিলিয়ান লবণে মেখে ভাত খাবে না। উচ্ছিষ্ট এ বয়সে আর নাই বা খেলেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


