আমার প্রিয় পোস্ট
- বারবার windows install করার ঝামেলা থেকে মুক্তি চান?
- সপ্নচারী_
- আমার শোকেজে সাজানো ব্লগ গুলো... - আকাশদেখি
- একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ - একরামুল হক শামীম
- কিভাবে পোষ্টে কিংবা কমেন্টে বিভিন্ন ছবি, ইউটিউবের ভিডিও এবং ইমোটিকন দিতে হয়?? (একটি সাহায্যমূলক ছোটখাট টেকি পোষ্ট) - নির্ভয় নির্ঝর
- ব্লগের ESET NOD32 Antivirus ও ESET Smart Security ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যে....... - নাফিস ইফতেখার
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- রেসকোর্স, ৭ মার্চ ও একটি ইসলামী জলসার গল্প - অমি রহমান পিয়াল
- খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস - সেলটিক সাগর
- জন স্টোনহাউজ : মুক্তিযুদ্ধের এক প্রতারক বন্ধু - অমি রহমান পিয়াল
- "আপনার লিখা"র কপি করা মানুষদের খুঁজে বের করার সহজ উপায় - সিউল রায়হান
- WTF!!! আসুন সহজে খুঁজে বের করি ফন্ট!
- নাফিস ইফতেখার
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- আসুন নিজের ঘরের জন্য একটা ছোট আইপিএস বানাই (টেকিদের জন্য) - রাব্বি !
- পাঁচ মিনিটে উইন্ডোজ ইনষ্টল- টিউটোরিয়াল - নাজিরুল হক
- জিমেইলের সেরা কিছু ফিচার যার জন্য জি-মেইল ব্যবহার করবেন (আর.এস.এস পড়ুন মেইল বক্স থেকে) - ১ - পাপী
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার রোধে আন্তর্জাতিক চাপ - রেজওয়ান
- শিবিরের জন্মদিনে সামী'র ব্লগীয় অনুভুতি - সামী মিয়াদাদ
- বসনিয়ার ধর্ষণ ও বাংলাদেশ ৭১ - অপ বাক
- যুদ্ধবিষয়ক সিনেমা : হৃদয়ে দাগ কেটে যাওয়া ৫ টি মুভি (মহান মার্কিন সেনাদের বোরিং গুণগান বর্জিত) - মেহরাব শাহরিয়ার
- ব্লগারদের পছন্দের সেরা কিছু রোমান্টিক বাংলা গান। - নিঃসঙ্গ
- একুশে বই মেলা ২০০৯: যেসব ব্লগার লেখকদের বই বেরুচ্ছে, তাদের তালিকা.. - মেঘবাজি
- ১৯৭১ সালে সংঘটিত যেসব অপরাধের বিচার হওয়া জরুরী - একরামুল হক শামীম
- ঘোমটার খসে যাওয়া আর জুজুর ভয় , কাউয়ার লগে মেঘ দেখি - রাগ ইমন
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- রেপিড শেয়ার থেকে ফাইল ডাউনলোড করুন বিকল্প/পেইনলেস উপায়ে: as smooth as silk (প্রিমিয়াম ইউজারদের জন্য নয়) - ক্যানন কার্ণেগী
- ইসরাইলের গর্বিত এক বাংলাদেশী বন্ধুকে দেখুন,চিনুন,জানুন। - চিলে কোঠার সেপাই
- সাহায্য চাই - লাবু শামস
- Online - এ বাংলা বই - মশিউর রহমান মেহেদী
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- ১৮৯ জন ব্লগার এবং তাদের জন্মতারিখ - শাহবাজ
- ১৯৭১ : বীরাঙ্গনা অধ্যায় - আইরিন সুলতানা
- ২০০৮ : সামহোয়্যারইন ব্লগের বর্ষসেরা কবিতা (ব্লগারদের মনোনয়ন) - ব্রিগেড সিক্সটিন
"বাঙ্গালী জাতির গৌরবময় ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় সংস্কৃতির জন্য অপমানজনক কোনকিছু এই ব্লগে লেখা যাবে না। "শিহরণে সত্তায় তুমি, হে আমার জন্মভূমি"

ভাগীরথীকে নিয়ে লিখা আমার ছোটগল্প
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৪
কাল ও ভূপাল
সাধারণ বর্তমান কাল:
‘মালুর বাচ্চারে সাইজ করা লাগবো, ধরতো শালারে মাইনকা চিপা দিয়া’কথা কটা শেষ করে আয়াত আলী মুন্সী অকারণেই হাঁপায়। যতোবার ভূপাল নামের এই ছেলেটাকে দেখে ততোবার আয়াতের ওর মায়ের কথা মনে পড়ে। ইশ্, কী জব্বর চেকনাই ছিল ঐ হিন্দু বেটির! উর্বশী-মেনকা-হুর কি লাগতো মাইয়াডার পাশে! ছেলেটাও হইছে পুরাপুরি মায়ের নাকমুখ বসানো। কতোবার কতো কিছু করলো আয়াত আলী, তবু যদি ছাওয়ালডা দেশ ছাড়ে! আরে বাপ, তোর জন্য বর্ডারের ঐ পার, তুই সেখানে গিয়ে দুর্গা কী লক্ষ্মীপূজা কর, কেউ কিছু বলবে না। এখানে তুই চোখের সামনে থাকলে আয়াত আলী কি স্থির থাকতে পারে! ভূপালের ভিটাটুকু আয়াত আলীর বিশাল সম্পত্তির মাঝে বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো বাগড়া দিয়ে বসে আছে।
ভূপাল আয়াতের উচ্চারিত বাক্যগুলো শুনেও না শোনার ভান করে জোরে পা চালিয়ে পথটুকু পার হয়ে যায়। নিজের অক্ষমতা ঢাকার এর চাইতে সহজ উপায় তো ওর আর জানা নেই। অক্ষম! কে যে কী তা আজও ভূপাল ঠিকভাবে ঠাহর করতে পারলো না। মাঝে মাঝেই তাবত পুরুষদের ওর নপুংসক মনে হয়, নারীদের দেখলে এমন বোধ জাগে যে প্রত্যেকে নষ্ট গর্ভ নিয়ে হাঁটছে। পরক্ষণেই নিজের মায়ের চিন্তা মাথায় এলেই ভূপাল নারীদের প্রতি এমন মনোভাব পোষণের কারণে নিজেকে তিরস্কৃত করে। ভূপালের রক্তে ইদানীং খুব কমই দামামা বাজে। শুধু জুন মাসটা এলেই কী এক আক্ষেপে ওর পঁয়ত্রিশ পেরোনো শরীরটা আছাড়ি-বিছাড়ি করে ওঠে। ও তখন পিরোজপুর শহরের পথে পথে হাঁটে আর মুঠো মুঠো মাটি তুলে বাতাসে ওড়ায়। মাটিতে ভূপাল অনুভব করে ওর অদেখা মায়ের রক্তস্রোত।
নিত্যবৃত্ত বর্তমানকাল:
‘আব্বা, আপনি ভূপাল স্যারের সাথে এমন করেন ক্যান? উনি আপনার কী ক্ষতি করছে?’
আয়াত আলীর তৃতীয় বিবির একমাত্র কন্যা কুলসুম তার কৈশোরিক সারল্যে বাবার গোপন ডেরায় ঠোনা মারে।
‘খবরদার, ঐ ব্যাটার নাম মুখে আনবি না। গ্রামে ওর যন্ত্রণায় একটা কাজ করতে পারি না। বেবুশ্যের ব্যাটা, গত ইলেকশনে আমার বিরুদ্ধে ক্যাম্পেইন করলো। আরে ব্যাটা, তোর মা পাক আর্মির সাথে ঢলানি করা মাগি, তোর কিসের এতো রোয়াবি রে!’
কুলসুম বাবার ভাষার ধারে আড়ালে সরে দাঁড়ায়। ও মনে মনে ভেবে নেয় সুযোগ মতো ভূপাল স্যারকেই জিজ্ঞাসা করবে আসল ঘটনা কী।
‘কুলসুম, তুমি এই ভর সন্ধ্যায় আমার বাড়িতে কেন?’
‘স্যার, আপনাকে আমার কিছু প্রশ্ন করার ছিল।’
‘তুমি বোঝো না ভূপাল দত্তের কাছে আয়াত আলীর মেয়ের কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাস্য থাকতে পারে না!’
‘কেন থাকতে নেই সেটাই আমি জানতে চাই।’
ভূপাল কুলসুমকে বলে ‘কেন’র উত্তর।
ঐতিহাসিক বর্তমানকাল:
ভাগীরথী দেবী মাত্র আঠার বছর বয়সে বিধবা হোন। বিয়ের এক বছরের মাথায় স্বামী বিয়োগে স্তব্ধ ভাগীরথী শিশুপুত্রসহ ফিরে আসেন পিত্রালয়ে, পিরোজপুর থানার বাঘমারা কদমতলী গ্রামে। মেনে নেন সুকঠিন বৈধব্য। এভাবে যাপিত নিস্তরঙ্গ জীবনে একদিন আসে অদ্ভুত আঁধার। একাত্তর সাল। মে মাসের এক বিকেলে ইয়াহিয়ার ঝটিকা বাহিনী চড়াও হয় ভাগীরথীদের গ্রামে। নির্বিচার হত্যাযজ্ঞের মাঝেও ভাগীরথীকে ওরা মারতে পারলো না। তার দেহলাবণ্য দস্যুদের মনে যে লালসা জাগালো তাতেই হার মানলো তাদের রক্তপিপাসা। পাক আর্মিরা তাকে ক্যাম্পে নিয়ে গেলো, চালালো দিনের পর দিন অত্যাচার। পরিস্থিতি যখন এমনই বিরূপ তখন ভাগীরথী মৃত্যুকে বড় আপন ভাবতে থাকলো। এক সময় এলো নতুন চিন্তাভাগীরথীর মনে হলো মৃত্যুই যদি বরণ করবে তবে কেন সাথে পাকিস্তানি সৈন্যদের নিয়ে মরবে না! যেমন ভাবা তেমন কাজ। ভাগীরথী কৌশলের আশ্রয় নিল। আর্মির লোকদের সে দস্তুরমতো খুশি করতে থাকলো। অল্প দিনেই সে অর্জন করে নিল নারী লোলুপ ইয়াহিয়া বাহিনীর আস্থা। পাক আর্মিদের কাছ থেকে ভাগীরথী জেনে নিতে থাকলো সব গোপন তথ্য। এক পর্যায়ে বিশ্বাসভাজন ভাগীরথীকে পাক আর্মি বাড়িতেও যেতে দিল। সামরিক ক্যাম্পে যাওয়া আর নিজ গ্রামে ফিরে আসার কাজ করতে থাকলো ভাগীরথী চরম নিষ্ঠার সাথে। এরই মধ্যে ভাগীরথী তার কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকলো। গোপনে মুক্তিবাহিনীর সাথে গড়ে তুললো ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ।
এরপরই এলো আসল সুযোগ। জুন মাসের একদিন ভাগীরথী পাকসেনাদের আমন্ত্রণ করলো নিজ গ্রামে। এদিকে মুক্তিবাহিনীকেও তৈরি রাখা হলো যথারীতি। ৪৫ জন খানসেনা এলো ভাগীরথীদের গ্রামে নেমন্তন্ন রক্ষা করতে। মুক্তিবাহিনীর আক্রমণের মুখে মাত্র চার-পাঁচ জন প্রাণ নিয়ে ক্যাম্পে ফিরে যেতে পারলো। ভাগীরথীর এরপর আর ক্যাম্পে যাবার প্রশ্নই ওঠে না। পাকসেনারা ভাগীরথীকে ধরিয়ে দেবার জন্য পুরস্কার ঘোষণা করলোএক হাজার টাকা। খানসেনাদের কারো হাতে নয়, ভাগীরথী ধরা পড়লো নিজ গ্রামের রাজাকারদের হাতে। তারা তাকে তুলে দিল পাক আর্মির হেফাজতে।
পিরোজপুর সামরিক ক্যাম্প। দ্রৌপদীর মতো ভাগীরথীর বস্ত্রহরণ করলো পাক আর্মি স্থানীয় রাজাকারদের সহায়তায়, পিরোজপুর শহরের জনবহুল চৌমাথায়, হাটবারে। দু গাছি দড়ি দু পায়ে বেঁধে জ্যান্ত ভাগীরথীকে জান্তব জিপের পেছনে জুতে দেয়া হলো। যে ভাগীরথী নিজ গ্রামের বাইরে কখনোই তেমনভাবে শহর দেখেনি, সে পিরোজপুর শহরের প্রতিটি ধূলিকণা নিজের অঙ্গে মাখলো জিপের পেছনে বাঁধা অবস্থায়। শেষ হয় না মহোৎসব! এরপরও প্রাণ থাকে। নতুন পরিকল্পনাদু পা দুটি জিপের সাথে, জিপ দুটো চলে যায় বিপরীত দিকে। নদীর নামে যে নারীর নাম সে হয়ে যায় ভাগের মানুষ, তার দ্বিখণ্ডিত দেহের সৎকারও হয় না। কুকুর-বিড়াল আর ধুলো সাক্ষী থাকে এই সাহসী জননীর বীর-গাথার।
(মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ৯ম খণ্ড, পৃ:৪২৪)
ঘটমান বর্তমানকাল
ভূপাল কুলসুমকে পুরো ঘটনা বলে দম নেয়।
‘আয়াত আলী সেই লোক যে আমার মাকে ধরিয়ে দিয়েছে। এরপরও তুমি আমার কাছে আর কী শুনতে চাও কুলসুম?’
কুলসুম কোনো কথা না বলে নিঃশব্দে রাতের আঁধারে পিতার অপকর্ম ঢাকার ব্যর্থ চেষ্টা নিয়ে বাড়ি ফিরে যেতে থাকে। অন্ধকারটা আরও গাঢ় লাগে কুলসুমের কাছে, যখন সে পথিমধ্যে আয়াত আলীর খাস চামচা বিহারী মুনিমকে দেখতে পায়। ওর মন কু গেয়ে ওঠে, এই লোক বাবাকে না বলে থাকবেই না। ‘যা হয় হোক’ ভাব করে কুলসুম পথটুকু পার হয়ে যায়।
ভূপাল নিজের মনেই তার অস্বস্তি পুষে রাখে। ওর কেন যেন বারবার মনে হতে থাকে কুলসুম কাজটা ভালো করেনি, ভূপালের বাড়িতে কুলসুমের আসা একদম উচিত হয়নি।
এই অংশটা ঘটমান বর্তমান অথবা পুরাঘটিত বর্তমান যে কোনো ভাবে বর্ণিত হতে পারে
জুম্মাবারে এমনিতেই লোক বেশি হয়। যে সারা সপ্তাহে পশ্চিম দিকে আছাড় পর্যন্ত খায় না সেও টুপিটা, পাঞ্জাবিটা বের করে মসজিদের দিকে হাঁটা দেয়। ভূপালদের গ্রামের মসজিদের সামনেটা জুম্মা শেষে লোকে লোকারণ্য। বিচার হবে। আয়াত আলী মেম্বারের ছোট মেয়ে কুলসুমকে এক মালুর ব্যাটা নষ্ট করেছে। আয়াত আলী জমায়েতের মাঝখানে বসা। সে অঝোর ধারায় কাঁদছে।
‘আমার ফুলের মতো মেয়েটারে এই লোক কিনা করছে! ও হো হো’...আয়াত আলীর বিলাপ বাড়তে থাকে। ‘মেয়ে আমার এমনই নিষ্পাপ যে লজ্জা থেকে বাঁচতে, নিজের স্যারকে বাঁচাতে আজকে সকালে বিষ খেয়েছে। আপনারা সবাই আমার মেয়েটার হায়াতের জন্যে দোয়া করেন। ওরে সদর হাসপাতালে ভর্তি করছি।’
সবাই আয়াত আলীর সাথে কুলসুমের জন্য মোনাজাত ধরে।
মুনিম রাজসাক্ষী ভূপালের অপকর্মের। সে কান্না-ক্ষোভ ইত্যাদি মিশিয়ে বয়ান করে কিভাবে ছেঁড়া কাপড়ে কুলসুমকে কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি যেতে দেখেছে।
সালিশে সাব্যস্ত হয় ভূপালকে ন্যাংটা করে হুন্ডার পেছনে বসিয়ে সারা গ্রাম ঘোরানো হবে। ঘোরনা শেষে তাকে অবশ্যই মুসলমানি করানো হবে। পরে থানায় তার নামে ধর্ষণের মামলা করে আইনের হাতে সোপর্দ করা হবে।
ভূপালকে শক্ত করে ধরে আয়াত আলীর বড় ছেলে। ছোট ছেলে অত্যন্ত যতেœর সাথে ভূপালকে বস্ত্রের অহেতুক কারাগার থেকে মুক্ত করে।
‘দেখো মিয়ারা, এই মুসলমানি ছাড়া দামড়ারে ভালো কইরা দেখো।’
শব্দ কটা কেমন যেন দূরাগত লঞ্চের ভোঁ-এর মতো লাগে ভূপালের কাছে। ভূপালের সামনে সব মিথ্যে হয়ে যায়, সে নিরাবরণ এক নারীকে নিজের মাঝে অনুভব করে। কান্না পায় না। চোখের সামনে ভাসে কুলসুমের চিরকুট‘যে বাপ নিজের মেয়ের নামে মিথ্যা কুৎসা রটাতে পিছপা হয় না আপন স্বার্থ রক্ষায়, সে আপনার প্রতি না জানি কতোটা ভয়ংকর হবে! স্যার, আপনি আজই পালান, আমাকে ক্ষমা করবেন পারলে।’
হোন্ডা স্টার্ট নেয়। ভূপালের মুঠোতে মাটি। ও অপেক্ষা করে ভাগীরথী নাম্নী এক নারীর সঙ্গী হবার জন্য। মা-ছেলে দুজনেই উলঙ্গএটা ভেবে ভূপালের কেমন যেন একটু লাগেও। হোন্ডার গতি বাড়তে থাকে, ভূপাল নিজে খণ্ডিত হয়ে এদেশের মানুষকে একত্রিত করে স্বাধীনতা এনেছিল যে নারী, তার নামে একবার জয়ধ্বনি দিয়ে আমি আবার আসবো ভেবে নিজেকে সঁপে দেয় ন-অনুভবের কোলে। ততোক্ষণে সদর হাসপাতালে কান্নার রোল উঠেছে, মাগরিব-সন্ধ্যা আহ্নিকের প্রান্ত ছুঁয়ে।
প্রকাশ করা হয়েছে: ছোটগল্প-অন্যদিন বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
মেঘ, শিরোনামে "ভাগীরথী" বানান ঠিক করে দিন । পড়ছি ...ফেসবুকে শেয়ারও দিলাম টুক করে ।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
ভীষণ বড় লেখা, ভাবছিলাম পরে পড়ব...কিন্তু শেষ করে ফেললাম এক টানে...পড়তে গিয়ে রাগ হচ্ছিল আয়াত আলী উপর...তারপর মনে হলো, এটা একটা উদাহরণ কেবল আয়াত আলীদের....এরা তাহলে ৭১ এ কতটা ভয়ঙ্কর ছিল...আর এখনও যেসব আয়াত আলী আমাদের সমাজে উঠছে-বসছে... তারা না জানি কতটা ভয়ংকর ...
শ্রদ্ধা ভাগীরথীদের প্রতি...
আমাদের স্বার্থেই আমাদের প্রতিবাদ তীব্র থেকে তীব্রতর হতে হবে ।
ধন্যবাদ মেঘ..আপনার লেখনীতে পুরো ঘটনাটা একটা বাস্তবরূপ ফুটে উঠেছে ।
উতসর্গ
শহীদ ভাগীরথী
শহীদ সেলিনা পারভীন
এবং
বাংলাদেশের সেইসব নারীকে যাঁদের কারণে
আমি স্বাধীন দেশে ,বাংলা ভাষায় লিখতে পারছি
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আইরিন।
লিপিকার বলেছেন:
লেখাটা পড়ে স্তব্ধ হয়ে গেলাম.......আমিশহীদ ভাগীরথী সম্পর্কে তেমন কিছু জানতামনা......আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এই অসীম সাহসী নারীকে চিনিয়ে দেয়ার জন্য......
বাংলাদেশের যেসব মা বোন সম্ভ্রম ত্যাগ করে আমাদের এই স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছেন তাদের প্রতি অশেষ শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা...
@লিপিকার : কষ্ট করে গল্পটা পড়েছেন তাই অনেক ধন্যবাদ ছোট্ট আপুমণি।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
নীরব থাকি। শ্রদ্ধায়, আর হতাশায়, আর ক্ষোভে!
পথচারী বলেছেন:
হুম
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
+
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
আপনি খুবই ভালো লিখেন। আপনাকে সম্ভবত আমি চিনিও। এর আগে ভাগীরথী নিয়ে শুভ'র একটি লেখা পড়েছিলাম।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
আপনার গল্প এর আগে পড়া হয়েছে বলে মনে পড়ছে না । এটাই প্রথম । সব মিলিয়ে ভালো লেগেছে ।
এ ব্লগ আমাকে ওয়াচে রাখে, "ঐক্য চাই" বলে সারওয়ার ইবনে কায়সারদের মতো ব্লগাররা ঘুরে অবাধে।
শুভ মূল ঘটনাটি লিখেছেন আমি গল্প এ ই আর কি।
ধন্যবাদ
@অ্যামাটার : ধন্যবাদ
@নাজনীন : আপুমণি, কি বলেন আমি গল্পকার হতে পারব??
@দাউদ : আসলেই নীরবতা
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
পড়লাম ... কিছু বলার নাই ।
প্রলয় হাসান বলেছেন:
১৪ নং প্লাস। অনেক বড় লেখা। প্রিয়তে রাখলাম। পরে সময় করে পড়বো। আমার ব্লগে গিয়ে লিংক দিয়ে আসার জন্য ধন্যবাদ।
কেমিকেল আলী বলেছেন:
আমারা এখন আয়াত আলীদের অধীনে বসবাস করছি
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
কেমনে বলবো বলেন !!! আপনার লেখা পড়ে যারা নিরবতা পালন করে বা ভাষার পারদর্শিতায় মুগ্ধতা দেখায়... তারাই গোলাম আজমের ভাগ্নির কাছে ভাবনার খোরাক খোঁজে ... কে যে কোন সময় পিঠে ছুড়ি বসায় দিবে টেরও পাবেন না।
প্রলয় হাসান বলেছেন:
বিমা ভাইর কমেন্টে একমত। ফারানের ভাবনার টিচার ধান্ধাবাতি এই পোস্টে ফারানের কমেন্ট দেখলে কি বলে তাকে ঝাড়ি দিতো সেটাই চিন্তা করছি।
জিগ স বলেছেন:
+
আমাকে সতর্ক করার জন্য বিমা ভাই আপনাকে ধন্যবাদ
মনজুরুল হক বলেছেন:
আবার কমেন্ট করব। আলাদা ধরণের কমেন্ট। লেখা বিষয়ে। শুভেচ্ছা।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
@ মেঘ - আমি ব্লগের কথা বলি নাই । ব্লগতো কিছুই না।আপনি শুধু চিন্তা করেন .. কোট-টাই পড়া বুয়েটিয়ান স্কলার .. যে কিনা জামাতএর রাজনীতি পছন্দ করে না। শিবির পছন্দ করে না । মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখালেখি করে । মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই অন্য যে কারো চাইতে তার বেশি পড়া। মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে সাধারন আম পাব্লিকের চাইতে সে অনেক বেশি জানে ।
..... সেই লোকের ভাবনার রসদ যোগায় গোলাম আজমের ভাগনি ।
মানে, সেই একই লোক এইটা সবাইকে বলতে দ্বিধা সংকোচ ছাড়াই ঘোষনা দিতে পারে যে গোলাম আজমের ভাগনির লেখনি আমার ভাবনা-চিন্তার খোরাক ।
এখন আপনে কি বলবেন !!!
(এই ধরনের লোকের সংখ্যা কিন্তু ব্লগে এবং বাস্তবে অগুনতি)
রাজর্ষী বলেছেন:
খুবই ভালো লাগলো। আপনার ওয়াচ তুলে নেয়ার দাবি জানাই।
কেমিকেল আলী বলেছেন:
বিমার কমেন্ট আমি বড় করে প্রিন্ট করে ঘরে লটকাইয়া রাখুম অস্কার পাবার মত কমেন্ট।
ধন্যবাদ বিমা
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
জটিল মন্তব্য বিমা। মন্তব্যে ++আর ভাগিরথী নারীর জন্যে আমাদের চিৎকার.. আমরা ঐ সব নিষ্ঠুর মানুষের বিচার চাই। আর নির্বিবাদ আত্মহত্যা নয়।
লুকার বলেছেন:
বাপ্স! এইরকম লেখক ব্লগে আছে!
ভাল লাগল।
বৃত্তাবদ্ধ সুশীলের চিন্তা মেধার নাগাল পায় না।
তাই ওয়াচ করে।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
প্রিয়তে নিলাম, পড়ে মন্তব্য করব।
অচেনা আগন্তক বলেছেন:
বলার কিছুই নাই, এখনতো আয়াত আলীদেরই জয়জয়কার।প্লাস দিলাম।
রাগ ইমন বলেছেন:
Click This Link বললাম । ব্লগে খুব অনিয়মিত হয়ে পড়েছি । তাই দেরীতে জানলাম । আশা করি এই আলতু ফালতু ঘড়ি তাড়াতাড়ি কেটে যাবে ।
প্রচন্ড বিরক্ত লাগছে । প্রচন্ড !
রাগ ইমন বলেছেন:
এই পোস্ট সম্পর্কে ঃতোমার লেখার শক্তি টের পাই । সাহসী এমন উচ্চারনের জন্যই শ্রদ্ধা করি তোমাকে । বিষয় বস্তু তো বটেই , লেখনীর আশ্চর্য গতি আর মুন্সিয়ানা গল্পটিকে চোখের সামনে ঘটে যাওয়া সদ্য সমাপ্ত কোন ছবির রুপ দিয়েছে ।
খুব ভালো লাগলো , খুব !
তামিম ইরফান বলেছেন:
আপু এই লেখাটার জন্যই আপনাকে উয়াচে রাখছে?........যদি তাই হয় তাহলে সামইন মডুদের প্রত্যেকের মুখে গু মাখানো জুতা দিয়া বারি মারমু আমি।কসম।
আপনার উপরের মন্তব্যটা দেখছিলাম। বুঝার চেষ্টা করছি "এথনিক ক্লিনজিং" - মানে আসলে কী বলতে চাইলেন? আপনি কী চান?
আবার, আপনাকে ওয়াচে রাখাটাও কোন ভাল সমাধান বলে মনে হয়নি।
লেখক বলেছেন: আমি জামাত শিবির একাল সেকালের যে ই আছে তার নিঃশর্ত বিচারহীন জবেহ চাই। কি বুঝলেন...?? ডাইরেক্ট শোয়ায়ে জবেহ করে দেয়া বুঝেন?? সেরকম চাই। আপনি যদি জামাত শিবির রাজাকার আল বদর আল শামস বা নব্য জামাতী শিবির হয়ে থাকেন দৌড়ের উপর থাকেন। কারণ আমি আসছি...আর যদি তা না হয়ে থাকেন তাহলে নাকে সরষের তেল দিয়ে জামাতীদের গায়ে হাঁচি মারেন
অচেনা সৈকত বলেছেন:
অসাধারণ। মুগ্ধ হয়ে পড়লাম। আর আপনাকে 'ওয়াচ'-এ রাখার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
মুকুট বলেছেন:
অসাধারন!!!
তনুজা বলেছেন:
বাস্তব যেখানে বীভৎস, সাহিত্য সেখানে কোমল হবে কিভাবে? আপনাকে ধন্যবাদ । অভিনন্দন জীবনচর্চা ও সাহিত্যে আপনার সংগ্রামকে।
রাফা বলেছেন:
অসাধারণ ; অজানা অধ্যায়।ধন্যবাদ
মাহবুব সুমন বলেছেন:
পড়লাম
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
নির্বাক...
দেশী পোলা বলেছেন:
সুন্দর লিখেছেনএকটা কথা বলি, আপনার মন্তব্যগুলো একটু চরমপন্থী হয়ে থাকে, আপনার মন-মানসিকতা হয়তো সব সময়ে নরমপন্থী নাও হতে পারে, কিন্তু চরমপন্থা কি সব সময়ে সমাধান দেয়?
আপনাকে 'ওয়াচ'-এ রাখার প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
লেখক বলেছেন: জামায়াত শিবির এবং তথাকথিত সুশীল সমাজের লোকদের সাথে নো নরমপন্থা, ধর তক্তা মারো পেরেক.......
জেরী বলেছেন:
লেখাটা পড়ে স্তব্ধ হয়ে আছি.......কিছুই বলতে পারছিনা শুধু মনের গভীর থেকে কষ্ট অনুভব করছি.........।এই লেখার জন্য যদি মডুরা ওয়াচে রাখে তাহলে সেটা উনাদের বিচক্ষণতার অভাব।
@মেঘ,আপনি লিখে যান.......
নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা... বলেছেন:
এ লেখার জন্য আপনি ওয়াচে?...হায়রে...কিছুই বলার নেই...প্রিয় মেঘ...আপনার গল্প ভাল লেগেছে এই ধরনের কথা বলে আসলে কোনও লাভ নেই...বরঙ বলা উচিত চলুন যে যেভাবে পারি এই সব আয়াত আলীদের শাস্তির ব্যাবস্থা করি...এরা কোনওদিনই কিছু শিখবেনা...এত বছর পরেও যারা মুক্তিযুদ্ধকে গন্ডগোলের সময় বলতে পারে তাদেরকে কিছু শিখানোর মত ধৈর্য্য আর যার থাকুক, আমার নেই...
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ...আজকাল নিজের ব্লগেই থাকা হয় বেশি...তাই আপনি লিঙ্ক দেয়ার নিজের দেখা হয়নি...আপুনি, ভাল থাকুন, আর এরকম ভাল লিখুন...
কালপুরুষ বলেছেন:
চমৎকার লিখেছো। খুব ভাল লাগলো। প্রিয়তে রেখে দিলাম।
লেখক বলেছেন: আপনাকে বই পাঠাইছিলাম। এদ্দিন পরে কন ..........ধুর ভাই আপ্নে একটা...........
পারভেজ বলেছেন:
শহীদ সাহসী জননীর বীর-গাথার কথা তুলে আনার জন্য আপনার প্রতি শ্রদ্ধা জাগলো। আক্ষেপ হয় আমরা যারা স্বাধীনতার পক্ষের কথা বলি- আমাদের অবহেলার কারণেই এই নির্মম, অমানবিক ও ঘৃণ্য বিষয়গুলি আমরা নতুন প্রজন্ম ও বৃহত্তর সাধারণ (এমন কি উচ্চ শিক্ষিত)জনগোষ্ঠির কাছে পৌছুতে ব্যর্থ হয়েছি। যার কারণেই হয়তো এই 'ওয়াচ' আর ব্যান এর ব্যাপারটা ঘটছে।গল্পের কাহিনীটা কিছুটা চিরায়ত নিপীড়নের ঘটনা উঠে এসেছে।
লেখনীতে ক্ষোভের ব্যাপারটা শব্দের ভেতর প্রকাশ পেয়েছে। গদ্য সাবলীল। লিন্কটা জানানোর জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
তবে মন খারাপ হয়ে যায় একারণে- যে খুব বেশী কিছু করার ক্ষমতা হয়তো নেই- অসহায় লাগাটা ভালো লাগে না।
সহেলী বলেছেন:
লেখা পড়ে ভাবতে হচ্ছে ! আপনার লেখা চালিয়ে যান আপনার মত করে --আমাদের জন্য ।
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
আমি পড়ার পর কোনও কমেন্ট করতে পারছি না। ------------------------------------------------------------------------------
আর আপনি ওয়াচে না কিসে আছেন, মারেন গুলি।
আমি নিয়মিত আসব।
জেবতিককে ধন্যবাদ সন্ধান দেয়ার জন্য।
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
এই গল্প পড়ার পর আর কী-ই বা বলার থাকে! 'গল্প' হিসেবে এর ব্যবচ্ছেদ করাই তো অসম্ভব, বাস্তব যেখানে এত নির্মম, এত ভয়ংকর, এত বীভৎস, এত সর্বগ্রাসী। তারপরও বলি, আপনার বর্ণনার গুণে অসম্ভব মুগ্ধ হয়েছি।
তাপস ঘোষ বলেছেন:
অসাধারন এক গল্প অসাধারন ভাবে উপস্থাপনা করা হয়েছে!এই গল্প পড়ার পর আর কী-ই বা বলার থাকে!
শুভকামনা রইলো.....!
ভালো থাকা হয় যেন সবসময়.........
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
এই লেখা পাইলাম না কেন!! অসাধারণ!
বাবুয়া বলেছেন:
চমৎকার লেখা। খুব ভাল লাগলো। প্রিয়তে রেখে দিলাম।
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
কিছুই বলার নেই ...
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
এই লেখার জন্য ওয়াচে রাখার মত কী ঘটল কিছুই বোধগম্য হলনা। ব্লগটাকে দিনে দিনে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল মনে হচ্ছে।গল্পের প্রসঙ্গে বলি। আশেপাশে ঘটে যাওয়া নির্মম বাস্তবতা মনে হল। নির্মম বাস্তবতার একটা সমস্যা আছে: এটা অনুভূতিকে যতটা নাড়া দেয়, আর ভাবনাকে যতটা আলোড়িত করে, তার প্রত্যক্ষদর্শী বা ভুক্তভোগী হতে কেউ রাজী থাকেনা। অথচ পড়ার সময় এ ধরনের গল্পই প্রায়োরিটি দিয়ে থাকি। মানুষ প্রাণীটি আসলেই বড় অদ্ভুত।
লেখার থিমটি ভালো লাগল।।।স্টাইলটাও অভিনব।।।
সেলটিক সাগর বলেছেন:
এই ধরনের গল্প পুরোটা পড়তে পারিনা কেন জানি বেশ কিছুদিন ধরে...সাহস হয় না....আপনার টাও পারলাম না...
যাই হোক আপনাকে ওয়াচে রাখা হয়েছে জানলাম... এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি... আপনার লেখনীর উন্নতি কামনা করি..
হমপগ্র বলেছেন:
ধন্যবাদ আমাকে এরকম একটি লেখার সামসামনি করার জন্য। আমি আসলেই চমকৃত। মোহিত।সেই সাথে ভেতর থেকে যে ঘৃণা পুষে রেখেছি, সেটাকেও জাগিয়ে গেল লেখাটা। ঘৃণ্য রাজাকারদের বিচার চাই। এই কামনা করি!
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
আমাকে পড়ার আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ধন্যবাদ। এটা না পড়লে একটি অসাধারণ গল্প মিস করতাম। ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার বইটি কোথায় পাব ?
টি_মৃদুল বলেছেন:
মেঘের বইটি বের হয়েছে ইত্যাদি গ্রন্থপ্রকাশ থেকে। "পাখি ও সম্রাজ্ঞী"। আজিজে পাওয়ার কথা। না পেলে জানাবেন, এ্যাড্রেস দিয়ে দিলে আমি মেঘকে বলে কুরিয়ার করিয়ে দেব। @ শামীম
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
অসাধারণ একটা গল্প পড়লাম । অনেক ধন্যবাদ মেঘ আপু।অফটপিক : আপনি যখন সমকালে ডলি আপুর পাতায় লিখতেন তখন আমিও সমকালে লেখালেখি করতাম।
মুক্তিযুদ্ধ এমন একটা অসাধারণ ঘটনা যে এটা অন্তরে অনুভব করলে তা নিয়ে যে কোন সৃষ্টি অসাধারণ হয়ে উঠে। আপনাকে সহ সকল ব্লগারকে যারা আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন তাদের ধন্যবাদ।
জামাত শিবির নিপাত যাক।
মুকুল _মল্লী বলেছেন:
!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
এমন সৃষ্টি আরো চাই
ভালথাকা হয় যেন
মনজুরুল হক বলেছেন:
হ্যাঁ। প্রিয় পোস্ট এ নেওয়া যাচ্ছে না। কেস সেই একই....ওয়াচি! হায়রে!!
এখানেও বলে যাই মেঘ এর স্ট্যাটাস ফিরিয়ে দেওয়া হোক। আপনারা সবাই আওয়াজ তুলুন। আমরা লেখকের লেখা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।
মনজুরুল হক বলেছেন:
মেইল আইডি আমার ব্লগের মাথার উপ্রে ।
তুষার ০০৭ বলেছেন:
আপনার লেখার স্টাইল ভাল লাগল কিন্তু ভাগীরথীর নাম দিয়ে লেখাটার কারনে এই কাহিনী ভাল লাগল না,ভাগীরথীর প্রতি অন্যায় করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে
লেখক বলেছেন: মূল ঘটনা ভেতরে রেখে গল্প তৈরী হয়েছে। সত্য শুনতে খারাপ লাগে?? কি অন্যায় করেছি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ভাগীরথীর প্রতি?? যা হয়েছে তা বলতে পারব না!! আজিব তো.......
যাই হোক আমার কথাগুলো নিছক আমার নিজ়ের কল্পনা............................................................
অরণ্য আনাম বলেছেন:
শুধু মন থেকে কত গুলো + দিয়ে গেলাম
নাজনীন খলিল বলেছেন:
কি হচ্ছে এসব--- সবকিছু দেখে ব্লগটাই ছেড়ে দিতে ইচ্ছে করছে।
আশা করি এসব দীর্ঘস্থায়ী হবেনা। আশা ছাড়া আর কি করতেপারি?
ভাল থেকো । সব অন্ধকার খুব শীগ্র কেটে যাক এই শুভকামনা রইল।
ভাল থেকো।
চাচামিঞা বলেছেন:
Thanx for shearing this link with me, just outstanding............
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
এখন স্ট্যাটাস কি ?
আরিফ থেকে আনা বলেছেন:
চমৎকার
আমার ৩বছরের লিখা আমি কিভাবে অন্যত্র সেভ করতে পারি জানাবেন কেউ??
স্বজন বলেছেন:
অসাধারন লিখা।
অমাবশ্যার চামচিকা বলেছেন:
আপনার জন্য খারাপ লাগছে। কবে থেকে আপনার এই অবস্থা?
আজম ইউসুফ ঠাকুর (মহব্বত) বলেছেন:
সম্পূর্ণ পড়লাম। ধন্যবাদ...........+++++++স্তম্ভিত হলাম.......... নিশ্চুপ হয়ে গেলাম।
ভবিষ্যতে আরো ভাল ভাল লেখা আশা করছি।
দারাশিকো বলেছেন:
আপনার সকল পোস্টের সংরক্ষনের জন্য সামান্য কষ্ট করা যেতে পারে। যারা ব্লগ লিখছে তাদের প্রায় সবারই নিজের আলাদা ব্লগ সাইট আছে, বেশীর ভাগই ব্লগস্পটে কিংবা ওয়ার্ড প্রেসে।আপনিও একটা খুলে নিতে পারেন, খোলাটা খুব ইজি। আর পোস্ট করাটাও। এতে করে নিশ্চিন্ত হওয়া যায়।
হয়তো এরই মাঝে কেউ আপনাকে এই পরামর্শ দিয়ে ফেলেছে, আমার চোখে পড়েনি, তাই বললাম!
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
ব্লগস্পট বা ওয়ার্ডপ্রেসে আপনার একটা একাউন্ট খুলে নিন...এখানকার লেখাগুলো কপি-পেস্ট করে নিন ওখানে... নতুন লিংক ঝুলিয়ে দিন এখানে..তাহলে সবাই জানতে পারবে ।
কালপুরুষ বলেছেন:
এই পাজি! বইয়ে কী মন্তব্য করার জায়গা আছে। ভাল যে লাগছে সেইটাতো ফোন কইরা আগেই কইছিলাম। ব্লগে পোস্ট দেওনে একটা চান্স পাইলাম ডাইরেক্ট এ্যাকশনের। হেইডার মজা নিলাম। বেশী মজা পাইলাম। বইটা শেলফ্-এ আছে লেখাটা প্রিয়তে নিছিলাম তিনদিন আগে। দেহি প্রিয়তে নাইক্কা। বাল মতো খুঁজলাম দেহি আসলেও নাই। তহন বুঝলাম মডুগো কেরামতি। তোমারে হাত ঘড়িতে (ওয়াচ) রাখছে তাই প্রিয়তে আহে নাই। আইজ দেহি প্রিয়তে আয়া পড়ছে। "সম্রাজ্ঞী" বইলা কথা। তার পদধূলি পাইতে সময় লাগারি কথা। ভাল থাইকো। বিয়া কেমন খাইলা জানাইও। আর সামনে আড্ডার লাইগা রেডি থাইকো। তোমার ছাড়া জমবো না, আগেই কইলাম।
রিজভী বলেছেন:
হুমম.... পড়লাম। ভালো লিখেছেন।
ঝরা পাতা বলেছেন:
অসাধারণ। কবিতা গল্প দুটোতেই সমান মুন্সিয়ানা আপনার।
মূর্তালা রামাত বলেছেন:
আপনার লেখার হাততো অসাধারণ। এই গল্পের শুরুটাও চমৎকার। আপনার বইটা কোথায় পাওয়া যাবে?
অরণ্যদেব বলেছেন:
খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসা এক খাপখোলা তলোয়ারের অনুভূতি নিয়ে গেলাম!
তামিম ইরফান বলেছেন:
আপু কি এখনও নজরে?
এমদাদ হোসেন জাবেদ বলেছেন:
এমন সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ, এবং ভবিষ্যতে আপনার আমন্ত্রণ করার কামনা করছি। আপনার লেখা পড়ার পর থেকে রাজাকার শব্দটি যে কতটা নিকৃষ্ট তাই চিন্তা করছি। আগে হয়তো মানুষ মীর জাপর গালি হিসেবে ব্যবহার করতো আর আমার মনে হয় রাজাকার বলে এখন যদি কেউ গালিদেয় তা হলে হয়তো এর চেয়ে খারাপ কথা আর কিছু হবেনা।
ধন্যবাদ আপু আপনাকে..... উত্তর উত্তর আরো লেখা কামনা করছি এই বিষয়ে.....
তামিম ইরফান বলেছেন:
আপু নীচের লিংকে আপনি ব্লগ খুলে আপনার সব লেখা সেভ করে রাখতে পারেনhttps://www.blogger.com/start
সহব্লগারদের ইয়া বড় করে একটা থ্যাংকস এবং ভার্চুয়াল কেক, আমি মঈন ঊ হইছি
হৃদয়কে ভিজিয়ে দিল পলকে....++
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
এমন অসাধারন লেখা অনেকদিন পড়া হয়নি। ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার বইটা পড়ার আগ্রহ আছে।
তামিম ইরফান বলেছেন:
খাইছে!তাড়াতাড়িই দেখি নিরাপদ হইছেনআপনের কমেন্ট পইড়া হাসতেই আছি
রেজওয়ান শুভ বলেছেন:
"অভিমানী মেঘ বলেছেন: কমেন্ট করার মত দুঃসাহস নেই।"অামি আর কতটুকু পারি , একটা + এর মালিক , বড়জোড় প্রিয়তে নিতে পারি। অায়াত অালী দের কিছু বলতে পারি না , অক্ষমতার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। অার কিছু বলার নাই অাসলে ...
রাশেদ বলেছেন:
সরি, ব্লগে অনিয়মিত হওয়ায় আমার পোস্টে আপনার কমেন্টটা চোখে পড়ে নাই। এখন কি অবস্থা? কেমন আছেন?লেখা নিয়ে মন্তব্য করার কিছু পাচ্ছি না।
তরু বলেছেন:
দেরী হলো পড়তে; কিন্তু মনে হয়নি কারো চে' কম ভালো লেগেছে। গল্পকার হতে পারবেন কি না এই সন্দেহ ডিলিট করেন। আপনার কবিতা অবশ্য গল্পের চে' বেটার মনে হয়েছে। অনেক ন্যাচারাল।
(অবশ্য আমি বুঝি কম। অত গুরুত্ব দেবেন না। আপনার যা মনে হয়, ওরকম করেই লিখে যান।।)
লেখক বলেছেন: নিজের কথা সুন্দর করে বলার জন্য ধন্যবাদ @তরু
এ আর েরামান বলেছেন:
এই ভাগীরথীর কথাই পিরোজপুরে গিয়া আমার এক বন্ধুর আব্বার কাছে শুনছিলাম......পাক-সেনা আর রাজাকারের বাচ্চাদের এই রকম র্মমান্তিক নিষ্ঠুরতার অনেক কথাই আমাদের অজানা... ধন্যবাদ আপনাকে......
লেখক বলেছেন: দেশ গড়তে হলে জানতে হবে। আপনাকেও ধন্যবাদ
একলব্য১৯৭১ বলেছেন:
মেঘ আপু,রক্ত গরম হয়ে গেল গল্পটি পড়ে।আপনার বইটা কোথায় কিনতে পাবো প্লিজ বলবেন।
লেখক বলেছেন: Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
এগুলো আমার বই এর লিংক, ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। "পাখি ও সম্রাজ্ঞী" বই এ ভাগীরথীকে নিয়ে লিখা গল্পটি আছে।
আপনাকে ধন্যবাদ
একলব্য১৯৭১ বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ মেঘ আপু।যদি কখনো বই ছাপেন অবশ্যই বলবেন।আর আমি বয়েসে সম্ভবত আপনার অনেক ছোট আমাকে তুমি বা তুই ও বলতে পারেন।ভাল থাকবেন আপু-গল্পটা পড়ে কিছুতেই মাথা থেকে নামাতে পারছিনা-ফিরে ফিরে আসছে।
লেখক বলেছেন: বই তো ছেপেছি। ১০টা এ পর্যন্ত। লিংকগুলো সেই বই এর ই।
সায়েম মুন বলেছেন:
এতদিন ফেইসবুকের পোকা ছিলাম। ফেইসবুকে সামুর লিঙ্ক পেয়ে গতমাসে ঢুকে পড়েছি। আর ফেইসবুকের কথা ভুলে সামু নিয়ে পড়ে আছি। কারণ একটাই আপনাদের মত ব্লগার। ভাল থাকবেন এবং সুন্দর লেখা উপহার দিবেন একামনা রইল। আর আপনার এ লেখায় কমেন্টের ভাষা নেই, শুধু বলবো অসাধারণ।
লেখক বলেছেন: পাঠক বিনা আমরা শূন্য।
আপনারা পেড়ন বলেই আমরা আছি।
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: hmm
চিরসুখী বলেছেন:
লেখক বলেছেন: জামায়াত শিবির এবং তথাকথিত সুশীল সমাজের লোকদের সাথে নো নরমপন্থা, ধর তক্তা মারো পেরেক....... একমত
লেখক বলেছেন: সহমতের জন্য ধন্যবাদ
অনর্থ বলেছেন:
এই টাইপের গল্পগুলি আমি শেষ করতে পারি না। কিছুক্ষন পড়ার পরই অস্থির লাগে, ক্রোধে-দুঃখে সবকিছু ভেঙ্গে ফেলতে ইচ্ছা করে, সারা দিনে তো মন থেকে সরাতে পারিই না, ঘুমাতে গিয়েও দুঃস্বপ্ন দেখি!যেহেতু শেষ করতে পারি নাই, তাই গল্প কেমন কি, এইটা নিয়ে কোন কমেন্ট নাই। কিন্তু বিষয়বস্তুর জন্য প্লাস দিয়ে গেলাম।
লেখক বলেছেন: এগুলো্ নিয়ে যারা বেঁচে আছে তাদের, আমাদের মতো মানুষেরা অস্বীকার করি কি অনায়াসে...সেই কথা ও না হয় একবার ভেবে গল্প পড়ে ফেললেন...
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...























.gif)
