কি দেবে -
ডায়মন্ডের নেকলেস, বাজারের স্টাইলিশ পোশাক,
মদ উড়ানো, সিগারেট পোড়ানো সন্ধ্যা
মুঠো টাকার কুটো খাবার নামি রেঁস্তোরায়??
কি দেবে তুমি আমায়??
হাত তালির শুভ জন্মদিন, তীব্র সঙ্গম
অথবা প্রিয় শিল্পীর গানের কালেকশন
একগুচ্ছ ভালো মুভির ডিভিডি!!
দুর্লভ ফুল যেমন ধরো রঙ্গন...
আর কি দিতে পারো তুমি?
আমি এসবের জন্য অপেক্ষা করিনি
কোনদিন এভাবে মরিনি
একটুকরো সাদা কাগজে ২টা লাইন পেলেও বর্তে যেতাম
ইথারে একবার টেক্সট হিসেবে এলেও তা আমি যতনে রাখতাম
ফোন এলে আমি আলুথালু হয়ে সেই অনবদ্য স্বর শুনতাম
একটু ভালো ব্যবহার এই তুমি আমাকে দিতে পারো ইসাবেলা
তোমার সাধ্যের বাইরে ভালোবাসা এই একত্রিশের বিভ্রান্ত "আমি"
কখনো আশা করে না।
সবাই এসএমএস পাঠায়, মোবাইল সারাদিন ঠা ঠা বেজে উঠে মেসেজের ভারে। কেউ কেউ ফোন। ই-মেইল, ই-কার্ড। গুচ্ছ গুচ্ছ কার্ড পেতাম, হলমার্ক আর্চিস। কি যত্ন করে রাখতাম! কি সুন্দর সুন্দর কথা সবাই লিখতো!! বই পেতাম কত কত। বইয়ে বন্ধুরা লিখে দিত কত না বলা কথা। আমরা এখন ইলেকট্রনিক যুগের মানুষ। এক একটা ইভেন্ট চলে যায়, ওয়ান টাইম ইউজ কাগজের থালাবাসনের মতো ফেলে দেই। নতুন বছর একই ইভেন্ট, গত বছরের এসএমএসই আবার পাঠিয়ে দেই। মনে রেখেছি কত না, আবরা ভ্যানতারা......সময় কই?? আমার নিজেরই বা সময় কই? আমি কাকে উইশ করি?? আগে তো জন্মিদন মুখস্থ বলতে পারতাম। ডেট ধরে ঘিফট কিনতাম। এখন বন্ধুর জন্য কিনব না বন্ধুর বাচ্চার জন্য?
একটা চিরকুটও পাইনি।
যে জায়গা থেকে যে কোন একটা ছোট্ট শব্দ শুনলে সব অপ্রাপ্তি অভিমান মুছে যেত সে ধারালো ছুরিতে ফালাফালা করে হৃতপিন্ড হাতে নিয়ে তুখোড় লোফালুফি খেলেছে। বোকার মতো ২রাত একদিন শুধু ফ্যাঁচফ্যাঁচ করে গোপনে কাঁদলাম।
হায় হাজারমাইল দূর থেকে সহোদর জন্মদিনের কেক পাঠায়, আমাদের সময় নেই একসাথে হয়ে তা কর্তন করার।
চোখের জল মুছে আবার গয়ংগচ্ছ আয়ু কাটানোর প্রস্তুতি নেই।
(জীবন মানে দু পায়ের উপর ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা
জীবন মানে নিজেকে সব সময় আড়াল করে
সত্য কে অভিনয় দিয়ে ঢাকা) - আসল কবিতার লাইন মনে পড়ছে না।
কি দেবে তুমি আমায়, কি তুমি দিতে পারো
জানি তুমি আজকাল আমার প্রতি ভীষণ মনোযোগহীন
হাঁটুভাঙ্গা স্বপ্নে রঙ্গীন হয় না, দেয় না দেখা বেহুল দিন
আমায় ছেড়ো না, 'ভালোবাসি' বলে কণ্ঠ ছাড়ো
তোমাকে ছাড়া এ হৃদয় নো-ম্যানস (উওম্যান'স) ল্যান্ড :-(

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


