অশ্বক্ষুরের ক্ষীপ্রতায় মৃত্যু নেমে আসে
বলপয়েন্টের টানে লিখা হতে থাকে পূর্বাপর ঘটনা;
চলে ক্রাইম রিপোর্টারের বর্ণনা, জব্বর খবরের স্বাদ পেয়ে
মিডিয়া নেচে উঠে অকৃত্রিম উল্লাসে।
ব্রেকিং নিউজের প্রতি ধাপে লুকানো থাকে অশ্রুসম্ভার
মৃতের খুব কাছে মুখ নিলে জানা যায়
কে কতটা হারিয়েছে, কোন উপত্যকায়
বাঁধা আছে জীবনের তরে চির জাগরূক হাহাকার।
এইসব থেমে যাওয়া হৃতস্পন্দন অনেকে বলে
মানুষের চোখে আনেনি একটুও জল,
কেউ বলে সব ছিল সময়ের প্রয়োজনে
বিচারের পথ রুদ্ধ করতে কত দুর্জন করেছে কত না ছল!
৩৪বছর করোটিতে মৃত্যুনাদ নিয়ে এই যে পথচলা
সব সয়ে প্রতি প্রাণে ইতিহাসের কথা বলা
সে তো ছিল না সহজ কাজ- মাথার উপরে ঘূর্ণিত আজরাইল
পাশে শিকারী বাজ।
চৈত্র শ্রাবণ বন্দুকের নল, গ্রেনেড ইনডেমনিটি
পিতা কি দিয়েছেন কি দেননি তার খুঁটিনাটি
বুকে কারবালার কঙ্কালবাসর, তবু নয় প্রতিশোধ প্রতিহিংসার হুংকার
সব সরিয়ে নিয়মেই বিচার-আচার।
এখন শুধু জল ধুয়ে যাওয়া চোখের ভিটায় অপেক্ষার কুয়াশা প্রহর
করোটিতে মৃত্যু আজ ৩৪ বছর, স্বপ্ন ফাঁসীর দড়িতে দুলছে দেহ
খুনি তোর।
(১৬.১২.০৯)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


