অশ্রু ছিল বৈ কী, ঝরকিবাজি আলোর ভেতর
অনেকটা কাঁচের উপর পড়া ত্রিকোণরশ্মি যেন!
বহু মহড়ায় সাজিয়েছিলাম দুঃখের ইতিহাস,
তোমাকে জানাবো বলে- তোমার কাছে যেতেই,
পরস্পরের ফিসফাস্ শুনতে পারার নৈকট্যে আসতেই,
মুখের ভেতর সাজানো দাঁতেরা যখন শব্দ নিয়ে
পিয়ানোর মতো বাজবে বলে হা করেছে,
তখনই জানলাম তুমিও পাপকে জানো,
তোমারো আছে স্খলনের অস্থির আঁকিবুকি -
কচ্ছপের খোলে মাথা ঢুকিয়ে আমি
তোমার কনফেশনের লেজারাস হলাম তন্নিষ্ট মননে;
তবে সখী তাই হোক, শলাকায় শলাকায় বিদ্যুৎ
পুড়ে যাক পাপের অপরাপর দেয়াল,
লতানো স্বর্ণলতা হয়ে
তোমার বৃক্ষদেহে আমি স্থাপন করি স্পর্শের আশ্বাস;
একদিন তো আসবেই সময় শুদ্ধ আড্ডার,
আমাদের তীর্থ তো খবর রাখে না কাশী-গয়া-মক্বা-মদীনার।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


