ছোট্ট সোনা
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
ছোট্ট সোনা ঘুমিয়ে গেল
রাত তো করেনি,
ওঁয়ে ওঁয়ে শুধূ কান্না
কিছু সে বলেনি।
ছোট্ট সোনার মুখের দিকে
তাকিয়ে দেখি কী,
কী সুন্দর! মিষ্টি হাসি!
ফেরেশতা গুলান -ই।
যেন সব পরী মিলে,
মুখে খেলে তাই!
লাল পরী, নীল পরী,
পরশ দিয়ে যায়!
ঘুমের রুপকথা
মোঃমেহেদী হাসান মেহেদী
ঘুমের দেশে চাঁদের মত
সুন্দর শিশু শয়,
শিশুর মুখের উপর শুধু
আলো খেলে যায়।
লাল পরী, নীল পরী
সবে ছোঁয়া দেয়,
লাল পরীর পরশে সে;
লালে লাল হয়।
নীল পরী এসে তবে,
কাপড় ছুঁয়ে যায়।
মনে হয় লাল নীল,
আলো খেলে যায়।
মন চায় চুমু দিতে
এখন শুধু তায়।
কী জানি ঘুমের দেশে,
পরীরা কী কয়।
ছোট্ট শিশু কল্পনাতে
এখন যে কোথায়,
রুপকথারই ঘুমের দেশে
শুধু হেসে দেয়।
স্বপ্নের ছবি
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
ছবি আঁকি- লাগিয়ে রঙিন রং
কাগজে কাগজে বুলিয়ে তুলি,
সাদা কার্টিজে সুন্দরে সুন্দর
লাগিয়ে রঙিন কালার।
স্বপ্নের গ্রাম, স্বপ্নের মাঠ,
শহুরে জীবন স্বপ্নের সাঁঝ,
লাগিয়ে ঘঁষে রঙিন কালার;
রং লাগানোর রঙিন কাঠ।
রাঙিয়ে পানি রং এর ছিটা
মুক্ত তুলির সবুজ ভিটা,
তুলির ছোঁয়ায় নীলের আকাশ
তুলো মেঘের ঘনঘটা।
স্বপ্নের ছবি কত শত রং
রং লাগিয়ে দিছিনু প্রাণ,
ছবি নয় যেন প্রতিচ্ছবি
রঙিন মনের সরল লিপি।
বৃষ্টির খেলা
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
বৃষ্টি দিনের খেলার কথা
বলব তবে কী আর,
বের হবার আর নেই যে উপায়
সময় পানি কাদার।
যারা থাক একতলাতে
সাথে সাধের উঠান,
পানি জমে গেছে নিচয়
বৃষ্টি ধারার উঠান।
এই সুযোগে কাগজ ছিঁড়ে
নিয়ে নিও দুটান,
চার পাঁচ ভাঁজে বানিয়ে নিও
অচীন ধারার নৌযান।
কাগজের নাও ভাসিয়ে দিয়ে
তোমরা সবে খেল,
যদি পার পাল তোলা নাও
সাথে বানিয়ে নিও।
বৃষ্টি দিনের পুতুল খেলাও
বড় মজার লাগে,
বৃষ্টি দিনের পুতুলরা সব
ঘুম পাড়ানি বলে।
বানিয়ে পুতুল বৃষ্টির দিন
দিও সুন্দর সাজ,
মেঘ কড় কড় বজ্র পড়ে,
ভয়ের চোটে লাফ।
যেন দানব
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
থলবলে শরীর
খলবলে দেহ,
দেখলে গা জ্বলে!
যেন সব খেল।
যেন ভোটকু- ভোটুক দানব
ধনীর ছেলের
বডি ভয়ানক !
ইয়া বড় তার
মোটা ফুলপ্যান্ট,
দেখলে মনে হয়
যেন এ্যলিফেন্ট।
পনসিল বক্স
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
রাখব কোথায় পেন্সিল পেন?
বুদ্ধি হল তাই,
নিব বক্স মেইন;
পেনসিল বক্স ।
সুন্দর ছবি সুন্দর রং
চারকোনা বক্স এর,
সুন্দর রং পেন্সিল বক্স
সুন্দর রং এর।
ছবির শরৎ
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
আকাশ পানে চেয়ে আমি!
অবুঝ হয়ে দেখছি শুধু,
রং তুলিতে, রং লাগিয়ে,
আঁকছি আমি অনেক কিছূ।
মেঘের ভেলা, সাদার খেলা,
নীল আকাশের রঙিন ডানা।
আঁকছি আমি অনেক কিছু,
স্বপ্ন ডানার রঙিন খেলা।
কাগজ পরে তুলির ছিটায়,
পানির কোমল ছোয়া নিয়ে;
রং প্লেটে রং মাখিয়ে,
স্বপ্ন বুনি কাগজ পাতায়।
আজকে শরৎ মেঘের খেলা,
নীল অপরাজিতা লাগল দোলা,
রঙিন আজ! উজ্জ্বল আলো!
স্বপ্ন ছড়ায় তুলির আভা।
ঢুক্কুর ঢুক্কুর
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
শোঁ শোঁ মোটরগাড়ি,
চল মোরা যায়।
ঢুক্কুর ঢুক্কুর ডাবের গাড়ি,
চল আজ পালায়।
দুপুর বেলা সবাই মিলে
ছাউনি বনাবো নি,
টেং টেং করে সবাই মিলে
বৌ সাজাবো নি।
চল চল বাড়ি গিয়ে
পড়া সেরে নি,
জোরে জোরে হাম হাম
খাওয়া সেরে নি।
হাল্লুম
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
হাল্লুম হুল্লুম আমরা সব
বাঘ ডকব নী,
কারেন্ট গেল আমরা সব
বাঘ সাজব নী।
ধরব ঠেং হালুম বলে
সব পালাবে নি,
মজা করে আচার নিয়ে
আমরা বসব নি।
তাতা চাই
মেঃমেহেদীহাসান মেহেদী
ছোট্ট শিশু ছুটে এসে
লাফ দিল তাই,
ধরে নিলাম আমার কোলে,
চুমু নেয়া চাই।
টাটা কর চুমু কর,
দেখিয়ে দিলাম তাই।
হাত উল্টে বলে দিল,
তাতা আমি চাই।
দৌড়ে দৌড়ে গেল শিশু
তাতা, তাতা, তাই,
আমিও যে ওর মত
শুধূ হতে চাই।
চিড়িয়াখানা যাব
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
চল চল যাব,
চিিিড়য়াখনা যাব
যাব আমরা আজ-
চিড়িয়াখানা যাব।
শেয়ল, ভালুক, বাঘ ,উল্লুক
আমরা সব দেখব,
হেঁটে হেঁটে, ছুটে ছুটে,
চিড়িয়াখানা বেড়াব।
মজার মজার প্রাণী সেখানে
সুন্দর করে থাকে,
কী সুন্দর ! বাঘেরা সব
শুধু গর্জন করে।
আরও আছে লম্বা জিরাফ
হতীও যে ভাই,
চল সবাই লাইন দিয়ে,
চিড়িয়াখানা যায়।
এই সব চল
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
এই সব চল
আমি হলাম বল
চল খেলি চল
হাঁকিয়ে বল
ছক্কা বল
তবে খেলি চল
ক্রিকেট বল
চলরে সব চল
খেলি তবে চল
এাঠে গিয়ে বল
চল সদলবল
মাঠে খেলি চল
পেঁক পেঁক
মোঃমেহেদী হাসান মেহেদী
পেঁক, পেঁক, পেঁক
আমরা সবে চলি,
সারি দিয়ে চলি।
পেঁক, পেঁক, পেঁক
চলি একে বেঁকে
চলি মোরা পুকুরে,
হেঁটে, হেঁটে, হেঁটে
পেঁক, পেঁক, পেঁক
খেলি আমরা সাঁতারে,
পেঁক, পেঁক, পেঁক
ডুব দিয়ে মাছ ধরি,
কেঁক, কেঁক, কেঁক
ছাড়ি আমরা সোনার ডিম।
পেঁক, পেঁক, পেঁক
তুলি ঝিনুক শামুক আর,
কেঁক, কেঁক, কেঁক
ছোট্ট এক
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
ছোট্ট এক অবুঝ শিশু
বলল শুনে নতুন কিছু,
দেখল সবার রঙিন দুতি
উৎসাহে বলল সে যে,
রোযা আমিও আমিও।
রাখব রোজা সবার মত
আমিও খাব রাত্রি যত,
হোকনা এবার জাগব আমি
যাব মসজিদ সময়মত।
না সোনা না,
রোজা রাখেনা।
কষ্ট পাবে ,আর শোনেনা।
বড় হলে রোজা রেখ,
মসজিদ তুমি তখন যেও।
চল যাই
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
চল চল যাই,
মোরা দৌড়ে যায়।
ছুঁয়া ছুঁয়ি, হই চই,
চল খেলি যায়।
চল খেলি যায় রে.
চল খেলি যায়।
হু হু ভুঁ , চল যায়,
লাফালাফি ছুটাছুটি,
চল চল পালাই
চল ছুটে যায়।
গেলাম আমি- ধর ধর
চল ছুটে যায়,
চল চল জোরে জোরে
সব ছূুট যায়।
খেলি গেম
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
খেলব আমি গেম,
আজ ভিডিও গেম।
পরবি ঈদি সব পেয়েছি
খেলব ভিডিও গেম।
মোস্তফা মোস্তফা গো গো
খেলব আমি আজ।
খেলে খেলে আমি হব
মুষ্টি যোদ্ধা আজ।
জিতে নিব সব খেলে
যত অলিম্পিক গোল্ড,
খেলে খেলে আমি হব
মোহাম্মদ আলী গোল্ড।
রাক্ষসী পুতুল গুলো
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
হই হই রই রই
পুতুলদেশে তোমরা কই?
আমি বসে পুতুল সাথে,
তোমরা আছ কই।
হায় হায় পুতুলগুলো
রাক্ষসী নিয়ে গেল,
মানসিক রোগী মলিথা বুড়ী
সব নিয়ে গেল।
ছোট্ট বন্ধুরা জান কী আজ!
পুতুলগুলো নাই।
রাক্ষসী সব ,আর ইউ শিক্ষক
চুরি নিয়ে যায়।
আর কী করে জান?
পুতুল গুলো, খুবলে খুবলে
কাপড় ছিঁড়ে তায়,
যন্তর মন্তর ডাইনী গুলো
সব নিয়ে যায়।
আর কী বলে জান?
আমরা সব নিতে পারি
আইন বানিয়েছি,
চুরি করে নিয়ে গিয়ে
আমার বলেছী।
ছোট্ট বন্ধূরা তোমরা যদি
পুতুল বাঁচাতে চাও,
তোমাদের খেলনা, বন্ধূক নিয়ে
আজই তৈরী হও।
জন্মদিন যায়
মোঃমেহেদী হাসান মেহেদী
শুভ জন্মদিন যায় চলে যায়,
ব্যর্থ হতাশ উদাস ভাবে।
আমি এক অতি সাধারণ,
মেঘের পানে রই যে চেয়ে।
তবু ছোট্ট দিনের কথা,
আজ খুবই যে মনে পড়ে,
পেরিয়ে গেল অনেক বছর,
স্মৃতির পাতায় স্বপ্ন হয়ে।
বহু বছর, বহু দিনক্ষণ,
সচেতনতায় ছোঁয়া হয়ে,
বুলিয়ে গেল স্মৃতির পাতা,
যুগের কোলের সাক্ষী হয়ে।
নিরানন্দ দিনের পরে।
আসবে আবার সন্ধ্যা নিয়ে,
ধরায় আবার নতুন রুপে,
রুপ নিবে যে রাতের বশে।
পাইনা ভাই জন্মদিনেও
শুধুই বসে স্বপ্ন দেখি,
দিবা স্বপ্নের হিসাব বুঝি
যায় কষ্ট অনেক বেড়ে!
যদি বা না তারেও দেখি,
উপন্যাসের পাতা উল্টে;
পেনের ছোঁয়া লাগিয়ে দিয়ে,
ক্লিষ্ট পাতার স্বপ্ন লিখি।
আছে সবাই তবুও আবার;
নেই যে কেউ হঠাৎ করেই,
জন্মদিনের মনের ছবি,
পাল্টে যায় হঠাৎ করেই।
দুঃখ দিনের স্বপ্ন আশা,
জন্মদিনের স্বপ্ন পরেই।
অপরাজিতার মেঘ
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
রিনিঝিনি বৃষ্টিটা ছুটে গেল তাই
এই সকালে তবে বাস ধরি যাই
কাদা পানি সব রাস্তা নিয়ে
পা টিপে টিপে সবে হেঁটে হেঁটে
বিশ্ববিদ্যালয় চলি
দেখেনিলাম তারে
একটু চোখে কানি দিয়ে
দ্দনেও নিলাম গল্পচ্ছলে
সে বলে আমার কথা
বেজে গেল হর্ণ ওসব বেলা
এলাম চলে ঝকঝকে রোদ
উজ্জ্বল ঝলকে ঘুম খাঁচাছাড়া
আমি তায় তিনতলা পরে উঠেছি
কেউ আসেনি শুধু আমি এসেছি
চারিদিকে ঝলকছটা উজ্জ্বল আজ
বাতাসের সুকোমল নির্মল সাজ
হঠাৎ আকাশ পানে তাকিয়ে দেখি
প্রকৃতির সুবিশাল অপরুপ সাজ
নীল আকাশ যেন নীল অপরাজিতা
তাতে যেন কাশফুল মেঘ আনাগোনা
করতের আগমন যেন আজ বাজে
প্রকৃতির অপরুপ রুপে!
মেঘগুলো যেন সব আনন্দ ঘন
ছুটে হরিন গতি থামিওনা যেন
ন্যাশনাল জিওগ্রাফী কি তবে দেখাও
আকাশের দিকে তবে কেমেরা নাও
কী দারুন গতি ঐ মেঘগুলো
যদি পারি যেতে আমিও আমিও
ভারী সুন্দর ঐ সে গতি
নীল অপরাজিতা রং পরে।
দ্বিতীয় বিজ্ঞান ভবনের তৃতীয় তলা
আমি একা একা দাঁড়িয়ে বারান্দা
দেখি অদ্ভূত চোখে অপার বিস্ময়ে
আকাশ আজ অপরুপ রুপে।
চেয়ে থাকা
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
কি সুধা বলে যে চেয়ে রই আমি
অপলক অপলক নয়নে
ঐ পথপানে চোখ মেলে
খুঁজি দূরে বহুদূরে
যদি পেয়ে যায় তোমায়
এই আশা আজ বক্ষে মেলিয়া
দুকুল যেন ছাপিয়ে গেল!
চায় যে শুধু তোমায় আমি
খুঁজে ফিরি মুখে মুখে আমি
তোমায় অন্তর তোমায় জানি
আমার সে ভাল প্রেয়সিনী
তোমার নয়নে সজ্বলে চাহিয়া
চাইযে তোমায় দুহাত মেলিয়া
আসবে বে কী তুমি আমার কাছে
বাসবে কী ভাল জড়িয়ে ধরে।
তোমার পানে চেয়ে চেয়ে
ক্লান্ত আমি শুধুই এখন
দেখব হয়ত আবার তুমি
যাও হাত ধরে অন্য তকারও
বা যাও তুমি অন্য ভাবে
পারনা ঢুকাতে পারনা বার
তোমার আসার খবর গুলো
ঠকদের শিরোনাম যে হল
তারাই নিল তারাই খেল
ছোট্ট সোনা
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
ছোট্ট সোনা ঘুমিয়ে গেল
রাত তো করেনি,
ওঁয়ে ওঁয়ে শুধূ কান্না
কিছু সে বলেনি।
ছোট্ট সোনার মুখের দিকে
তাকিয়ে দেখি কী,
কী সুন্দর! মিষ্টি হাসি!
ফেরেশতা গুলান -ই।
যেন সব পরী মিলে,
মুখে খেলে তাই!
লাল পরী, নীল পরী,
ঈপরশ দিয়ে যায়!
ঘুমের রুপকথা
মোঃমেহেদী হাসান মেহেদী
ঘুমের দেশে চাঁদের মত
সুন্দর শিশু শয়,
শিশুর মুখের উপর শুধু
আলো খেলে যায়।
লাল পরী, নীল পরী
সবে ছোঁয়া দেয়,
লাল পরীর পরশে সে;
লালে লাল হয়।
নীল পরী এসে তবে,
কাপড় ছুঁয়ে যায়।
মনে হয় লাল নীল,
আলো খেলে যায়।
মন চায় চুমু দিতে
এখন শুধু তায়।
কী জানি ঘুমের দেশে,
পরীরা কী কয়।
ছোট্ট শিশু কল্পনাতে
এখন যে কোথায়,
রুপকথারই ঘুমের দেশে
শুধু হেসে দেয়।
আলোচিত ব্লগ
Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ
![]()
প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?
আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন
যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাকি রইলো; কাঁচা কলা

স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন
স্মৃতির নৌকা
কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।
কোন কোন সন্ধ্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।