বিয়ে কারও পৌষ মাস আবার কারও সর্বনাস। তারপরও সবাই বিয়ে করবেই এবং করতেই হবে। এটাই এক প্রকার বাস্তবতা।আমিও করবো, তুমিও করিবে, দাদা-নানা তারা সবাই বিয়ে করছে। কিন্তু বিয়ের আগে কিছু ব্যপার জানা থাকা ভাল। হয়তবা আমাদের পূর্বের প্রজন্ম জেনে নেয়নি তাই আমরা জানবো না, তা হয়না ? যে সব বিষয়ে জানা দরকার তার মধ্য হল বিয়ের পূর্ববর্তী ব্লাড গ্রুপ জানা। কেন জানবো, কেন জানতে হবে এই ব্যাপারে বিস্তারিত জানাচ্ছি। স্বামী-স্ত্রী দুজনের রক্ত যদি আরএইচ(Rh+) পজেটিভ হয় অথবা দুজনেরই আরএইচ(Rh-)নেগেটিভ হয়, তাহলে ঝামেলার কিছু নেই। স্বামীর আরএইচ(Rh-) নেগেটিভ এবং স্ত্রীর আরএইচ(Rh+) পজেটিভ হলেও কোন চিন্তা নেই।
কিন্তু উল্টাটা হলে অর্থ্যাৎ স্ত্রীর আরএইচ(Rh-) নেগেটিভ এবং স্বামীর আরএইচ(Rh+) পজেটিভ হলে সর্তক থাকার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। এ দরনের মা-বাবার সন্তানের রক্তের গ্রুপ যদি আরএইচ(Rh+) পজেটিভ হয়, তাহলে সে সন্তান সাধারনত হিমোলিটিক এ্যানিমিয়া নিয়ে জন্ময়। দ্বিতীয় বার গর্ভধারনের ক্ষেত্রে অসুস্থ শিশু জন্ম দেয়ার এবং গর্ভপাতের সম্বাবনা ভীষনভাবে বেড়ে যায়। হিমোলিটিক এ্যামিনিয়অ নিয়ে জন্মানো শিশুর সমস্ত পুরনো রক্ত বের করে নতুন রক্ত দিয়ে তাকে বাচাঁনো রাখার চেষ্টা করা হয়। আর আরএইচ(Rh-) নেগেটিভ মায়ের সন্তান যদি আরএইচ(Rh-)নেগেটিভ হয় তাহলে চিন্তার কিছু নেই। আরএইচ(Rh-) নেগেটিভ মা যদি আরএইচ(Rh+) পজেটিভ সন্তান ধারন করেন,তার শরীরে ভ্রনের শরীর থেকে লোহিত কনিকা প্লাসেন্টা বা গর্ভফুলের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে এন্টি-ডি নামের অ্যান্টিবডি তৈরী করে। সেই এন্টিবডি আবার গর্ভফুলের মাধ্যমে ভ্রনের শরীরে ঢুকে হেমোলাইটিক রক্ত পরিসঞ্চালনের প্রতিক্রিয়া করে ভ্রনকে মেরে ফেলে। পরে ঐ মা যদি প্রথম থেকেই চিকিৎসা না নেন,তাহলে তিনি আর কোন দিন জীবিত সন্তান জন্ম দিতে পারেন না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


