আমার প্রিয় পোস্ট

আজি হতে শতবর্ষ পরে কে তুমি পড়িছো বসি আমার ব্লগখানি কৌতুহল ভরে

যুদ্ধবিষয়ক সিনেমা : হৃদয়ে দাগ কেটে যাওয়া ৫ টি মুভি (মহান মার্কিন সেনাদের বোরিং গুণগান বর্জিত)

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৭

শেয়ারঃ
0 6 0

ব্যালাড অফ অ্যা সোলজার(Ballad of a Soldier)
দেশ: সোভিয়েত ইউনিয়ন/ রাশিয়া

ইউরোপের পূর্ব রণাঙ্গনে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানদের অগ্রাভিযান
রুখে দেয়ার জন্য লড়ছে সোভিয়েত যোদ্ধারা । এদেরই একজন ১৯ বছরের সোভিয়েত তরুণ আলিয়োশা । যুদ্ধের এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে তার হাতে ধ্বংস হয় দু'টি জার্মান ট্যাংক । আলিয়োশার বীরত্বে সন্তুষ্ট হয়ে
কমান্ডিং অফিসার তাকে পদোন্নতি দিতে চান । কিশোর আলিয়োশা
অনেক দূরে একা ফেলে আসা তার মায়ের সাথে একটি রাত কাটানোর
ইচ্ছার কথা কথা জানায় , পদোন্নতি বিনিময়ে চায় দু'দিনের ছুটি । যুদ্ধে
বীরত্বের প্রতি শ্রদ্ধাস্বরুপ কমান্ডিং অফিসারের নির্দেশে ছয়দিনের বিরল ছু'টি মেলে আলিওশার । মায়ের মুখ দেখার বাড়ির উদ্দেশ্যে ফ্রন্ট ছেড়ে
যায় কিশোরটি , এখনও সে জানেনা সামনের দিনগুলোতে কি অপেক্ষা
করছে তার জন্য .......

ছবিটি দেখে আবেগকে সামলাত পারিনি , কেঁদে ফেলতে বাধ্য হয়েছি । কেউ একটি ছবি দেখতে চাইলে নির্দ্বিধায় এ সিনেমাটি দেখতে বলব ।


লেটারস ফ্রম আইয়ো জিমা(Letters from Iwo Jima)
দেশ: যুক্তরাষ্ট্র(জাপানিজ ভাষা)

জাপানের দক্ষিণে প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে শান্ত সমাহিত দ্বীপটির নাম "আয়ো জিমা" । ১৯৪৫ সালের শুরুর দিকে অশান্ত হয়ে ওঠা প্রশান্ত মহাসাগরীয় রণাঙ্গনে "ব্যাটল অব আয়ো জিমা" হয়ে উঠে দ্বিতীয়
বিশ্বযুদ্ধের জাপান-মার্কিন যুদ্ধাপখ্যানের শেষ পাঠ । ১৯৪৪ এর শুরুর দিক থেকেই একের পর এক যুদ্ধে তুমুলভাবে পর্যদুস্ত জাপানের মূল-খন্ডের বাইরের শেষ ঘাঁটি আয়ো-জিমা । আর মার্কিনীদের লক্ষ্য আয়ো জিমা দখলের পর দ্বীপটিকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে জাপানের মূল-খন্ডে চূড়ান্ত মরণ ছোবল হানা । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে সমরবিদ্যায় প্রশিক্ষিত লেফটেন্যান্ট জেনারেল কুরবায়াশির দিকে চেয়ে আছে পুরো
জাপান ।দ্বীপের কমান্ডে থাকা জেনারেল কুরবায়াশি নৌ, বিমান আর স্থল বাহিনীর সাহায্য চেয়ে পাঠান । একের পর এক যুদ্ধে পর্যদুস্ত ইমপেরিয়াল জাপান আর্মড ফোর্সেস আয়ো জিমার জন্য কোন সাহায্য পাঠাতে
অপারাগতার কথা জানায় ।মাত্র ২২০০০ সৈন্য , ভারী মর্টার আর মেশিন গানের সম্বল নিয়ে জেনারেল কুরবায়াশির চোখে প্রবল প্রতাপশালী মার্কিন বাহিনীর কাছে নিশ্চিত পরাজয়ের ছবিটা স্পষ্ট হয়ে যায়। বদলে ফেললেন যুদ্ধের চিরাচরিত রীতিনীতি , সিদ্ধান্ত নিলেন আয়ো জিমাতে প্রতিটি
জাপানী সৈন্যের মৃত্যুর আগে বিলম্বিত করতে হবে মার্কিনী চূড়ান্ত বিজয় , সুযোগ করে দিতে হবে জাপানের মূল-ভূখন্ডের সৈন্যদের সংগঠিত হয়ে ওঠার ।

ফেব্রুয়ারী , ১৯৪৫ আয়ো জিমার পথে রওনা হয়ে যায় শতাধিক মার্কিন ব্যাটলশীপ , আর লক্ষাধিক সেনা । মৃত্যুর প্রহর গুনতে থাকা কুরবায়াশির সম্বল কেবল দেশের মাটির প্রতি অপরিসীম মমতা আর প্রতিজ্ঞা ।

জাপানি দৃষ্টিকোণ থেকে নির্মিত সিনেমাটির পরিচালক ক্লিন্ট ইস্টউড । একঘেঁয়ে মার্কিন সমর দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে নির্মিত সিনেমাটি বহু বহুদিন আমার মনে দাগ কেটে থাকবে ।


জোয়াইউ নোয়েল/হ্যাপি ক্রিসমাস(Joyeux Noël)
দেশ: ফ্রান্স (ফ্রেঞ্চ/ইংলিশ/জার্মান ভাষা)

১৯১৪ সাল , ইউরোপ জুড়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের দামামা । ফ্রান্সের অভ্যন্তরভাগে ঢুকে পড়ে জার্মান বাহিনী । উত্তর পশ্চিম ফ্রান্সের এমন একটি রণাঙ্গনে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন পরিখায় ত্রিমুখী অবস্থানে তিন দেশের তিনটি বাহিনী । পূর্ব দিকের পরিখায় অবস্থানরত জার্মান বাহিনীকে অন্য দুই ট্রেন্চ থেকে প্রতিহত করছে যথাক্রমে ফ্রেঞ্চ আর স্কটিশ বাহিনী ।
২৪ ডিসেম্বরের দিনব্যাপী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে তিন পরিখার মাঝের নো ম্যান্স ল্যান্ডে প্রাণ ঝরে যায় অনেকগুলো স্কটিশ আর ফরাসী সৈন্যের ।
সন্ধ্যা নেমে আসার পর বিগ্রহ বিষাদ ভুলে ক্রিসমাসের আগমনী সংগীত বাজে স্কটিশ ঘাঁটিতে ।বিমুগ্ধ জার্মানরা প্রত্যুত্তরে গেয়ে উঠে অপেরা
সংগীত ।ক্রিসমাস ট্রি হাতে গাইতে গাইতে নোম্যান্স ল্যান্ড উঠে আসে
এক জার্মান সৈন্য । গুলি করার বদলে স্কটিশ শিবির থেকে কয়েকজন সৈন্য উঠে আসে বাদ্যযন্ত্র হাতে । দুই শিবিরের ঐকতানে স্কটিশদের
মিত্র ফরাসীরা খানিক হতচকিয়ে যায় , খুব শিঘ্রই পানীয়ের বোতল হাতের নোম্যান্স ল্যান্ডে দেখা যায় ফরাসী বাহিনীকেও । ক্রিসমাসের রাতের জন্য ঘোষিত হয় যুদ্ধবিরতি । সাময়িক বিরতি শেষে যুদ্ধাবস্থায় ফিরে যায় তিন বাহিনী , কিন্তু পরের দিনগুলোতে অপেক্ষা করছে আরও বড় বিস্ময় .........

একদমই অন্যরকম সিনেমা , হৃদয়ছোঁয়া ।যুদ্ধের বিভীষিকায় এমন হৃদয়ের ছোঁয়া কিছুতেই কিছুতেই মিস করবেন না ।



ডাস বুত/ দ্যা বোট(Das Boot)
দেশ: জার্মানি

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জার্মান নৌবাহিনীর শক্তিশালী আর অত্যাধুনিক ইউ-বোট (ডুবোজাহাজ) গুলোর সাফল্য আটলান্টিক মহাসাগরকে পরিণত করে ব্রিটিশ আর মার্কিন জাহাজগুলোর জন্য মৃত্যুপুরীতে । অক্টোবর , ১৯৪১ সালে ৪২ জন ক্রু নিয়ে ফ্রান্সে অবস্থিত জার্মান নৌঘাঁটি থেকে
লেঃ ক্যাপ্টেন লেহম্যানের নেতৃত্বে ইউ-৯৬ রওনা হয় আটলান্টিক মিশনে । যুদ্ধাবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য তাদের সাথে যোগ দেন সামরিক সংবাদদাতা লেফটেন্যান্ট ওয়ার্নার । বিপদসংকুল এক অভিযানে
মিত্রবাহিনীর ডেস্ট্রয়ারগুলোর কবল থেকে অসংখ্যবার রক্ষা পাওয়া
ইউ-৯৬ বেশ কয়েকটি জাহাজের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা
করে।ক্রিসমাস উপলক্ষে ফ্রান্সের লা রোশেলে নৌঘাটিতে ফেরার পথে সদর দপ্তরের গুপ্ত তারবার্তার ঘুরিয়ে দেয়া হয় জাহাজের গতিপথ ।ব্রিটেন নিয়ন্ত্রিত সংকীর্ণ জিব্রালটার প্রণালী পার হয়ে এবার তাদের যেতে হবে ইতালী ।ক্যাপ্টেনের জিব্রালটারে বিপর্যয়ের আশংকা সত্য পরিণত করে ব্রিটিশ বিমানের আক্রমণে বিকল হয়ে পড়া ইউ=-৯৬ আটকে যায় সাগের তলদেশে ,নিশ্চিত মৃত্যুর প্রহর গুনতে থাকে ৪২ জন নাবিক ..

জার্মানির ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এই সিনেমার পুরোটাই চিত্রায়িত হয়েছে একটি সাবমেরিনের অভ্যন্তরের । নাজিদের কে এড়িয়ে সাধারণ জার্মানদের দেশপ্রেমের দৃষ্টিভঙ্গিতে জার্মানদের উপস্থাপন করা হয়েছে । নৌযুদ্ধের অভিনব একটি দিক তুলে ধরায় অসাধারণ লেগেছে মুভিটি ।


ইন্ডিজিনেস/ডে'জ অব গ্লোরি(Indigènes)
দেশ: আলজেরিয়া(ফ্রেঞ্চ ভাষা)

ফরাসী কলোনীভুক্ত আলজেরিয়া , মরক্কো আর তিউনিসিয়ার আরবদের নিয়ে গড়ে তোলা বাহিনী ফ্রান্সের প্রতি পূর্ণাঙ্গ আনুগত্যের শপথ নিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বীরোচিত ভূমিকা পালন করে ।এদেরই চারজন
...আবদাল কাদির , মেসাউদ , সাঈদ , ইয়াসির । ইতালীর যুদ্ধ আর ফ্রান্সকে দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত করার অভিযানে আফ্রিকান আরব রেজিমেন্টের অন্যযোদ্ধাদের সাথে এই চার অকুতোভয় যোদ্ধাও জীবন বাজি রেখে লড়াই করে । এক সময় মুক্ত হয় ফ্রান্স , পরাজিত হয়ে বিতাড়িত হয় নাজি জার্মানি । যুদ্ধ শেষ হয় , কিন্তু আরবদের কথা কেউ মনে রাখে না । বীরত্বের স্বীকৃতি মেলে না ফ্রান্সের কাছে মেলে কেবল একরাশ গ্লানি আর বঞ্চনা ।

আলজেরিয়ান এই মুভিটিকে তুলনা করা হয় , সেভিং প্রাইভেট রায়ানের সাথে । হলিউডের বাইরে আফ্রিকার কোন দেশের জন্য মাইলফলক হয়ে থাকার মত মুভি

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): যুদ্ধবিষয়ক সিনেমামুভি রিভিউ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: মুভি রিভিউ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০২ রা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৫৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১৬
বিডি আইডল বলেছেন: ভালো পোষ্ট...বেশ কয়েকটা দেখা হয়নি
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৭

লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা ,রিভিউটা কাজে লাগলে খুশি হব

২. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১৭
অ্যামাটার বলেছেন: সুন্দর...যদিও একটাও দেখা নাই:(

তবে মুভি রিভিউগুলো পরে কাজে লাগবে...:)
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৬

লেখক বলেছেন: অ্যামাটার , এই মুহুর্তে একটা মুভি দেখা শেষ করলাম । আপনাকে সাজেস্ট করব , মুভিটার নাম "দ্যা লাইভস অফ আদার্স"

জার্মান মুভি

৩. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১৯
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: কিছুই দেখা হইলো না...মার্কিন ছিনেমা দেখতে দেখতেই বিরক্ত হইয়া গেলাম
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৮

লেখক বলেছেন: হাহাহা
ভিয়েতনাম যুদ্ধ নিয়ে ৪ টা মুভি দেখে রীতিমত ক্লান্ত

ট্র্যাক চেইনজ করলাম তাই ।

বুয়েটের ল্যানে যেই কালেকশন দেখে আসলাম, আফসোস ১ বছর আগেও ছিল না এইসব । পরীক্ষার পর গবেষণা করে দেখা শুরু কর

৪. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৪
হাসান মাহবুব বলেছেন: স্ট্যানলি কুবরিকের পাথস অফ গ্লোরি এবং ফুল মেটাল জ্যাকেট অসাধারণ দুটো ওয়ার মুভি।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৫০

লেখক বলেছেন: পাথস অব গ্লোরি হাতে আছে । আপনার সাজেশন অনুযায়ী ফুল মেটাল জ্যাকেটও তাহলে দেখবো

আপোক্যালিপস নাউ কি দেখেছেন ? এই মুভি নিয়ে বিরাট হাইপের কারণ খুব আগ্রহ নিয়ে দেখতে বসেছিলাম , কিন্তু প্রত্যাশা হোঁচট খেয়েছে । হয়ত আমার ভাল লাগেনি :( । ভিয়েতনাম যুদ্ধের মুভিগুলোর উপর থেকে মন উঠে যাচ্ছে ।

৫. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৯
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: যুদ্ধ নিয়ে অনেক ছবি দেখেছি তবে, বেশিরভাগই আমেরিকান। তোমার ছবি প্রীতি দেখি ভালোই। তোমার ম্যুভি চয়েস বেশ ভালো। আমার সাথে মিল আছে।:) রিভিউটা চমৎকার। সময় করে দেখতে বসব।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৬

লেখক বলেছেন: কেমন আছ ইমন ,আমার চয়েসটা ধরতে পারছো তাহলে । অবশ্য আমি সবধরণেরই দেখি , তবে এগুলো একটু বেশি ফেভারিট ।

চেলসির খবরাখবর কি ? :)

৬. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩১
ফারহান দাউদ বলেছেন: সেইরকম মনে হইতাসে সব। আফসোস,দেখি নাই।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: আচ্ছা দিব , দেইখো

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৪

লেখক বলেছেন: দেখার চেষ্টা করবেন

৮. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫১
রাগিব বলেছেন: ১নম্বরটা বিটিভিতে বহুবার দেখিয়েছে, মুভি অফ দ্য উইকে।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: রাগিব ভাই , মুভি অফ দ্যা উইক রেগুলার পেয়েছি সম্ভবত ক্লাশ টেন পর্যন্ত । একটু অল্প বয়স ছিল , তারপরও সে সময় টেনে টেনে বলা ইংরেজি শুনে বিরক্ত লাগত , হাবি জাবি মুভি দেখাচ্ছে বলে ভাবতাম । এখন বুঝতে পারি , বিটিভির মুভি অব দ্যা উইকে টপ রেটিংয়ের মুভিগুলোই দেখানো হত , অনেক খোজাখুঁজি করে এখন সেসব মুভি সংগ্রহ করতে হয় :(

৯. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:১২
রাশেদ বলেছেন: একটাও দেখি নাই। :(
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১২

লেখক বলেছেন: প্রোবলেম নাই , এখন দেখেন :)

১০. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৬
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন: প্রথমটা দেখেছি। বাকিগুলিও দেখবো আশা রাখি।
ধন্যবাদ। প্রিয়পোস্ট+
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৫

লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস বিমা ভাই

১২. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:২৯
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: শুধু প্রথম ছবিটিই দেখেছি। বিটিভিতে। ম্যালাদিন আগে। আপনার ছবির প্রেসক্রিপশনগুলো নিঃসন্দেহে ভালো। দেখতে হবে।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৫৬

লেখক বলেছেন: রিপন ভাই , মুভি বিষয়ক আগের পোস্টে একটা সমস্যার কথা বলেছিলেন , সেটার সমাধান কি হয়েছে ?

টরেন্ট লিংক দিয়ে দিচ্ছি সবগুলোর । প্রয়োজনে নামিয়ে নিতে পারবেন । নিচের কমেন্টগুলো দ্রষ্টব্য

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে

১৩. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৩৩
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: জোয়াক্স নোয়েল/হ্যাপি ক্রিসমাস(Joyeux Noël)---
এই ছবিটার গল্প পড়েছি অনেক আগে

খুব ভালো লাগলো রিভিউ
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৫২

লেখক বলেছেন: Joyeux Noël দেখে আমি অভিভূত । ফরাসীদের চিন্তা ভাবনার নতুনত্বে মুগ্ধ হচ্ছি দিন দিন । বাকিগুলো কি দেখেছেন ?

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ

১৪. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৩৩
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: একটা ও দেখি নাই। আসলে আমি সিনেমাই দেখি না। /:)
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৫৩

লেখক বলেছেন: শুরু করে দিন । ব্যালাড অফ অ্যা সোলজার দেখেন , এরপর বাকিগুলো দেখার উৎসাহ এসে যাবে আপনা-আপনি :)

১৫. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৫৫
বিষাক্ত আলো বলেছেন: একটাও দেখেছি কিনা মনে করতে পারছি না...
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৫৪

লেখক বলেছেন: আপনি তাহলে মুভি দেখেন , আপনার পছন্দের গুলোর নাম দিয়ে যান

১৬. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:২২
মাহবুব সুমন বলেছেন: সবগুলো মুভিই দেখা হয়েছে।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:২৬

লেখক বলেছেন: সুমন ভাই , ফাটায়া দিসেন তো । কারও কমন পড়ে নাই একটাও , আর আপনি সব দেখে ফেলেছেন । শিগগির আপনার ঝুলি খালি করেন , নতুন সাজেশন দিন

১৭. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৩২
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: টুকিটাকি কিছু কথা :

ব্যালাড অফ অ্যা সোলজার

টরেন্ট ডাউনলোডের লিংক :
টরেন্ট লিংক

স্ট্যালিনের শাসনামলে সোভিয়েত মুভি ইন্ডাস্ট্রিতে বিরাট সংকটের সৃষ্টি হয় । প্রেম , নর-নারীর সম্পর্কের মত জিনিসগুলো মুভিতে একরকম নিষিদ্ধ হয়ে যায় । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সোভিয়েত সেনাদের বীরত্ব নিয়ে সিনেমা বানানোও অসম্ভব ছিল । বীরের সমস্ত বন্দনা কেবল স্ট্যালিনের জন্য বরাদ্দ ছিল । স্ট্যালিনের পতন সোভিয়েত মুভি ইন্ডাস্ট্রির জন্য ছিল একার্থে পুনর্জাগরণ , যার অগ্রপথিক মুভি দু'টির নাম "Ballad of a soldier" এবং "The Cranes are Flying" নামের দু'টি মুভি । ব্যালাড অফ অ্যা সোলজারে প্রথমবারের মত সোভিয়েত রাশিয়ার মানুষকে সাধারণ কোন সৈন্যের বীরত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ এনে দেয় ।

টিপস :
মুভিটির মাত্র ৮৫/৮৬ মিনিটের । অনুগ্রহ করে পুরো মুভিটি এক বসায় দেখবেন । ভেঙে ভেঙে মুভিটি দেখলে মুভির টোনটি হারিয়ে যাবার বড়
ধরণের সম্ভাবনা থাকবে ।
১৮. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৪৩
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: টুকটাক তথ্য :

লেটারস ফ্রম আইও জিমা

"লেটারস ফ্রম আইও জিমা" হলিউড কিংবদন্তী ক্লিন্ট ইস্টউডের তৈরি করা একটি মুভি । জাপানিদের দৃষ্টিকোণ থেকে মুভিটি তৈরি করেছেন বলে হলিউডের এই মুভিটি জাপানিজ ভাষায় তৈরি হয়েছে । একই সাথে মার্কিনিদের দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাটল অব আইও জিমার উপর কাউন্টার আরেকটি মুভিও তিনি তৈরি করেন যার নাম Flags of Our Fathers.

টরেন্ট ডাউনলোড লিংক :

http://www.mininova.org/tor/671448
১৯. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:১৭
ত্রিশোনকু বলেছেন: ধন্যবাদ। স্বাধীনতার পর পর এধরনের সুন্দর সুন্দর ছবি হলে আসতো।

আমার আরেকটি সিনেমার নাম মনে পরে-Liberation.

যুদ্ধ ভিত্তিক আমেরিকান ছবি "Platoon"
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৩

লেখক বলেছেন: সুযোগ সুবিধা মিললে আমাদের স্বাধীনতা নিয়েও বিশ্বজয় করার মত সিনেমা বানানো সম্ভব ছিল , সারা বিশ্ব আমাদের ঘটনাগুলো জানতে পার‌্ত ।

২০. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:২৯
ত্রিশোনকু বলেছেন: দু:খিত কি বোর্ড সমস্যা করছে.......। যুদ্ধ ভিত্তিক আমেরিকান ছবি "Platoon..এ আমেরিকান বীরত্বগাঁথা তেমন চোখে পড়েনি।

যদিও অপ্রসংগিক, তবুও উল্লেখ করার লোভ সামলাতে পারছিনা-- অপুর্ব যুদ্ধবিরোধী একটা ছবির কথা: All Quiet In The Western Front.

মেহরাব,

সুন্দর রিভিউএর জন্য আবারও ধন্যবাদ।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৪

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

২১. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৩৭
দাম বলেছেন: বস আপনারা Life is beautiful, Captains Carolain's Mandolin, Life is Beautiful, The Longest Day, The Great Escape, Tora! Tora! Tora! এই গুলির কথাতো বলেন নাই। চান্স পাইলে দেইখেন।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৮

লেখক বলেছেন: Life is beautiful, The Longest Day, The Great Escape, Tora! Tora! Tora! দেখেছি ।

এগুলো বেশ পরিচিত আর হলিউডের বলে ইচ্ছা করেই এগুলোর নাম দিইনি , চেষ্টা করেছি নন-হলিউড নিয়ে লিখতে । পরে অবশ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ারের মুভির উপর আলাদা পোস্ট দিলে এগুলো উল্লেখ করব

২২. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫৬
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: জোয়াক্স নোয়েল/হ্যাপি ক্রিসমাস দেখা হয় নাই। আগ্রহ বোঢ় করছি। ডিভিডি পাওয়া যায় কিনা দেখতে হবে।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৫

লেখক বলেছেন: এটি দেখার পরই অল্টারনেটিভ মুভিগুলো নিয়ে পোস্টটি দিতে ইচ্ছা করল , খুব ভাল লেগেছে আমার ।

৩ বছর আগে অ্যাকাডেমী অ্যাওয়ার্ডের জন্য নমিনেশন পাওয়া সিনেমা , হয়ত পেয়ে যাবেন

২৩. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১০
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: @ত্রিশোংকু All Quiet In The Western Front মুভিটা বইয়ের মতো ভালো লাগেনি।
আমি আরো কিছু মুভি নাম দিই:
১)ব্যাটল অফ আলজিয়ার্স
আলজিরিয়ার স্বাধীনতা সংগ্রামের উপর অসাধারন সিনেমা।ফ্রেন্চ মুভি, পরিচালক:কার্লো পন্টি (ইতালিয়ান)
২)ইভানস চাইল্ডহুড
রাশান।তারকোভস্কির সিনেমা।যু্দ্ধে মা-কে হারানো কিশোরের মনস্তত্ব নিয়ে শৈলিক ধাচের সিনেমা।
৩)লায়ন অফ দ্যা ডেজার্ট
ভাষা:ইংরেজি।সিরিয়ান পরিচালক মুস্তাফা আক্কাদের লিবিয়ান স্বাধীনতারকামী বীর ওমর মুখতারের সংগ্রাম জীবন নিয়ে সিনেমা।ওমর মুখতারের চরিত্রে অ্যান্থনী কুইনের অভিনয় সারাজীবন মনে রাখার মতো।
৪)এই ড্রাই হোয়াইট সিজন
দক্ষিন আফ্রিকার কালোদের সংগ্রামে এক সাদা শিক্ষকের ঘটনাক্রমে একাত্ম হয়ে পড়ার কাহিনী নিয়ে অসাধারণ এক চলচিত্র।
৫)দ্যা ইনোসেন্ট ভয়েসেস
সালভাদরের এক শিশুর দেখায় তার দেশের গৃহযুদ্ধ।স্পেনিশ ফিল্ম।মাস্ট সি।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১১

লেখক বলেছেন: লায়ন অফ দ্যা ডেজার্ট দেখেছি , খুব ভাল লেগেছে সিনেমাটি ।

অন্য গুলো দেখার চেষ্টা করব , আপনার কাছে মুভি বিষয়ক একটা পোস্টও চাই

২৪. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১০
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: মুভিগুলো দেখা হয়নি। দেখতে হবে।
পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ



ভালো থাকুন।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ চিটি আপু ।
কেমন লেগেছে জানাবেন

২৫. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৮
জেড ইসলাম বলেছেন: পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ । দেখার চেষ্টা করবো।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০৫

লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা

২৬. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৪
ক-খ-গ বলেছেন:
একটা দেখেছি, বাকি গুলোও দেখে ফেলতে হবে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে....
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০৪

লেখক বলেছেন: আপনাকেও

২৭. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩৫
দাম বলেছেন: Judgment at Nuremberg
Mc Arthur
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১৬

লেখক বলেছেন: Judgment at Nuremberg আমার খুবই ফেভারিট সিনেমা
Mc Arthur দেখতে হবে


আবারও থ্যাংকস

২৮. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫০
একরামুল হক শামীম বলেছেন: ইদানিং খুব মুভি দেখছেন নাকি মেহরাব ভাই ?
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১০

লেখক বলেছেন: একটু বেশি বেশিই :(

২৯. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১৪
শিট সুজি বলেছেন: গত পরশুদিন একটা কমেন্ট করছিলাম, গেল কৈ?
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: গত পরশুদিনের ঐটা ছিল ড্রাফট কপি , আমি বারবার ডিসি খাওয়ার ভয়ে সেভ করে রাখসিলাম , দেখি যে তুমি সেইটা পড়ে কমেন্টও দিয়ে গেছ :)

৩০. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১৫
শিট সুজি বলেছেন: সিনেমাগুলা দেখার চেষ্টা করব পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ।

/*অফটপিক : খুব ব্যস্ত নাকি? অনেকদিন পর একটা পোস্ট দিলেন। হাফিজ ভাইয়ের কোন খবর জানেন ? তিনি কৈ? দুবাই যাওয়ার টিকিট পাইসে ?
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: ব্যস্ত না , আসলে ব্লগে এখন সাড়াশব্দ করি খুব কম । লিখতে তো একদমই ইচ্ছা করে না , ব্লগ প্রতি ৬ মাস পরপর জেনারেশন চেন্জ হয় , নতুন জেনারেশনের সাথে পরিচয়টা খানিক কম ।

হাফিজ এখনও ঢাকায় , ভাল একটা জবে ঢুকেছে

৩১. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪০
রুবাইয়াৎ রহমান বলেছেন: The Red Baron; The Blue Max ছবি গুেলা েদখবেন। ভালো লাগবে। দুিটই প্রথম িবশ্বযুেদ্ধর ওপর নির্মিত।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুভিগুলো সাজেস্ট করার জন্য
সময় করে দেখব

৩২. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২০
হাসান মাহবুব বলেছেন: আপোক্যালিপস নাউ দেখিনাই।
ইরাক প্রেক্ষাপট নিয়ে নির্মিত "জারহেড' দেখতে পারেন।
ফুল মেটাল জ্যাকেট একমাত্র যুদ্ধের ছবি,যেটা আমি তিনবার দেখেছি।
"প্যারাডাইস নাউ" দেখা আছে?ওটাকে অবশ্য ঠিক ওয়ার মুভি বলা যায়না..
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৫

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ , জারহেড দেখেছি । আরেকটা দেখেছিলাম , থ্রি কিংস । ভিয়েতনাম যুদ্ধ নিয়ে আরেকটা দেখেছিলাম ক্যাজুয়ালটিজ অব ওয়ার
। এরপর ভেবেছিলাম , নো মোর ভিয়েতনাম ।

ফুল মেটাল জ্যাকট তাহলে দেখতে হবে । প্যারাডাইস নাউ আমার খুব প্রিয় একটা মুভি ।

লর্ড অফ ওয়ার , দ্যা হান্টিং পার্টি দেখেছেন ? সাজেস্ট করব এই দু'টো

৩৩. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩৮
হাসান মাহবুব বলেছেন: ইদানিং ছবি দেখা হয় কম।সুযোগ পেলে দেখব।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩১

লেখক বলেছেন: মুভি দেখা আমারও কমাতে হবে

৩৪. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৬
ত্রিশোনকু বলেছেন: শিমুল,

"@ত্রিশোংকু All Quiet In The Western Front মুভিটা বইয়ের মতো ভালো লাগেনি।"

-সহমত, বইটা পড়ি ক্লাস সেভেনে। সিনেমাটা দেখি ক্লাস টুয়েলভে।
৩৫. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১২
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: দেরীতে হইলেও প্রিয়তে....দেখবো ধীরে ধীরে
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

৩৬. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৮
চাঙ্কু বলেছেন: থানকু !!! ঠানকু
দেখা শুরু করিতে হইপেক ।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০

লেখক বলেছেন: দাঙ্কেন :)


একটা জার্মান থ্যাংকস

৩৭. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৩
মেঘ বলেছেন: উল্লেখিত মুভির বেশিরভাগই দেখেছি তবে এই ২টা আমার বেশি প্রিয় Life is beautiful, Captains Carolain's Mandolin। মনে করিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:০৯

লেখক বলেছেন: Captains
Carolain's Mandolin দেখতে হবে ।

ধন্যবাদ আপনাকেও

৩৮. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৬
কোলাহল বলেছেন: প্রথমটা দেখার ইচ্ছা পোষন করলাম।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:০৮

লেখক বলেছেন: অনেকদিন পর .........
ভাল্লাগবে , গ্যারান্টেড

আপনার একটা জিজ্ঞাসার জওয়াব আপনার ব্লগে দিয়ে আসব

৩৯. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৬
আকাশচুরি বলেছেন: দারুন রিভিউ!:)
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: স্বপন ভাইকে অনেক ধন্যবাদ

আপনার জন্যও কি রিভিউ হল নাকি প্রিভিউ ?

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৪১. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:১৫
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
সবগুলোর নাম লিখে নিলাম। একটাও দেখিনি, কিন্তু সবগুলো দেখতে হবে মনে হচ্ছে।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: ভাল্লাগলো শুনে :)

৪২. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২৪
নির্বাসন বলেছেন: পিয়ানিস্ট এর নাম নাই ক্যান?
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: ইচ্ছা করেই দেই নাই । চেষ্টা করেছি পরিচিত আর মূলধারার ছবির বাইরের ছবির কথা বলতে । পিয়ানিস্ট , লাইফ ইজ বিউটিফুল , শিন্ডলার্স লিস্ট অনেকেরই দেখা , তাই আর উল্লেখ করিনি ।

শিন্ডলার্স লিস্ট আর লাইফ ইজ বিউটিফুলের পরে দেখেছি বলেই হয়ত পিয়ানিস্ট আমার সামান্য একটু কম ভাল লাগসে । তারপরও সাজেস্ট করব

৪৩. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:০৬
তানজু রাহমান বলেছেন: দারুন পোস্ট মেহরাব ভাই। আমার যুদ্ধের ছবির মাঝে শুধু gallipoli-র কথা মনে পড়ে বারবার।

প্রথম ছবিটার কথা পড়ে মনে হচ্ছহে খুব সাংঘাতিক!
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: gallipoli কিসের পটভূমিতে ? মুভির লিস্টে যোগ করে নিলাম , এত লম্বা হচ্ছে লিস্ট , মিনিমাম ২ বছরের শিডিওল বুক করতে হবে :)

হু , সাংঘাতিক । মিস করবেন না

অনেক ধন্যবাদ তানজু রাহমান আপনাকে

৪৪. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:০৮
সামুরাই বলেছেন: ধন্যবাদ।
দেখি নাই একটাও তবে দেখব সবগুলাই। লেটারস ফ্রম আয়োজিমা ডাউনলোড হচ্ছে।

ডাস বুট এর লিংকটা আছে আপনার কাছে।
৪৫. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:১৯
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে , কেমন লাগল জানিয়ে যাবেন ।

ডাস বুটের লিংক :

Click This Link
৪৬. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:০৫
তানজু রাহমান বলেছেন: WW1 নিয়ে ঘটনা। Aussie ছবি।
কমেন্টেও অনেকগুলো নাম দেয়া, তবে আপনার নন-হলিউড এ্যাপ্রোচটা ফলো করতে চাই আলাদা করে।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে ।
চেষ্টা করব অন্যগুলো নিয়ে আইডিয়া আপনাদের কাছ থেকে জানার আর শেয়ার করার

৪৭. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৮
সুমন আজাদ বলেছেন: 'নো ম্যানস ল্যান্ড' কিন্তু চমৎকার একটা ফিল্ম।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:২৬

লেখক বলেছেন: আমি আগের মুভি পোস্ট নো ম্যানস ল্যান্ডের কথা উল্লেখ করেছি , চমৎকার সিনেমা

৪৮. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৫
সামুরাই বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
অবশ্যই জানাব দেখার পরে
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:২৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

৪৯. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২০
পারভেজ বলেছেন: ধন্যবাদ। দেখার ইচ্ছা থাকলো। প্রথমটাই কেবল দেখেছিলাম।
০৩ রা জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:২৪

লেখক বলেছেন: দেখেছেন তারপর ?

৫০. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:২৫
সামুরাই বলেছেন: ডাউনলোড হচ্ছে না লিংক গুলো থেকে :(
টরেন্ট ছাড়া অন্য কোন লিংক জানা আছে?
০৩ রা জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:২৫

লেখক বলেছেন: কোন টরেন্ট ক্লায়েন্ট ব্যবহার করছেন ?

৫১. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪২
তার ছিড়া 74 বলেছেন: জানিনা এতোদিন পর কেউ আমার মন্তব্য পরবেন কি না.. যুদ্ধ নিয়া আরেকটা যুদ্ধ বিরোধী মুভি আসে। আসলে একটা মিনি সিরিজ অনেক বছর আগে ভিডিওতে দেকসিলাম। প্রায় ৯ ঘণ্টার একটি মুভি নাম 'ফর দোজ আই লাভড'। এক কথায় আসাধারন। প্রতি মুহূর্তে মন খারাপ হয়। আবার ভালোও হয়। ... কোথাও যদি কেউ পান জানাইবেন ... আমারে কিনতে হবে।
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: আপনি কমেন্ট করার ৮ মাস পর রিপ্লাই দিচ্ছি ।

আপনাকে আমি একজন মুভি বোদ্ধা হিসেবে জানি । সিরিজটা দেখার ইচ্ছা হচ্ছে খুব , জানিনা কোথাও পাওয়া যাবে কিনা

৫২. ১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৪১
লুথা বলেছেন: আমি সব মুভি কিনতে চাই ?

কথায় পাবো সব মুভি ?
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৯

লেখক বলেছেন: রাইফেলস স্কয়ার / বসুন্ধরা সিটি

মাসুম ভাই আরও ভাল সাজেশন দিতে পারবেন

৫৩. ১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৫৭
আমি ও আমরা বলেছেন: রিভিউটা কাজে লেগেছে আপনার। প্রীয় তে নিয়ে রাখলাম সুযোগ হলেই দেখবো।
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

৫৪. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:০৬
মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেছেন: ধন্যবাদ! Valkyrie http://www.imdb.com/title/tt0985699/ না দেখে থাকলে অবশ্যই ট্রাই করা উচিত।
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৭

লেখক বলেছেন: আপনি বলার পর দেখেছি ।
একটু অতি নাটকীয় মনে হল , খুব বেশি ভাল লেগেছে , তা বলব না

৫৫. ১২ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৫১
রুবেল শাহ বলেছেন: আমার মনে হয় আরেকটা মুভি বাদ পড়েছে...........

All Quiet on the Western Front
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: না রুবেল ভাই,
ইচ্ছা করেই ইংরেজি সিনেমাগুলো বাদ দিয়েছিলাম

ওগুলো নিয়ে আলাদা করে লেখার ইচ্ছা ছিল (জানিনা কবে পূরণ হবে)

৫৬. ১২ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:১৮
কার্ল মার্কস বলেছেন: ভালো লাগলো, ২ টা আমারও দেখা হয় নাই।
যুদ্ধ বিষয়ক টার্কি সিনেমা ‌"ভ্যালী অব দ্য উলভস ইরাক" ও খাররাপ না। বিশেষ কইরা টার্কি জাতীয়তাবাদ আর মার্কিনীগো হলিউডি শয়তানীর মত কাম হইছে, কিছুটা বাস্তব আর নাটকীয় ...
তবে সুফী নৃত্য সহ কিছু বিষয় দারুন...
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: খুব উৎসাহ পাচ্ছি , টরেন্ট লিংক দেয়া যাবে ?

টার্কির কিছু ভাল সিনেমা খুঁজছিলাম

৫৭. ২৩ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১৯
ফয়সাল রকি বলেছেন: ভাই The Pianist পছন্দ হয়নি?
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২১

লেখক বলেছেন: পছন্দ তো অবশ্যই হয়েছে , ইংরেজি ভাষার বাইরের মুভিগুলো নিয়ে বলতে গিয়ে বাদ পড়ে গেছে

৫৮. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৪
নুভান বলেছেন: City of Life and Death (Nanjing Nanjing) এই ছবিটাও ভালো, আজ দেখলাম। চায়নার নানজিং(নানকিং) শহরের ম্যাসাকার নিয়ে।
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: লিস্টে ফেলে দিলাম , দেখব অবশ্যই ।

লিংক দেয়া যাবে ?

৫৯. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:২৭
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: দেখিনি। চেষ্টা করব দেখতে। ধন্যবাদ ভাইয়া। ভাল কিছু নাম জানতে পারলাম। :)
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: একটাও মনে হয় দেখেননাই এতদিন পরেও :)
যাই হোক , সময় আছে দেখার

৬০. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৫৭
মুভি পাগল বলেছেন: সবগুলো সিনেমাই জোশ সিনেমা।
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

৬১. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৮
রুদ্রাক্ষ বলেছেন: বসেরা, দি বয় ইন দি স্ট্রাইপ্ট পাজামা দেইখেন। আমার ভালো লাগসে। এক নাৎসি জেনারেলের ছেলের সাথে এক ইহুদি বন্দি বালকের বন্ধুত্ত্ব এবং তার পরিণতির অসাধারণ এক ছবি। দেইখেন....
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১৪

লেখক বলেছেন: হু , রেকমেন্ড করার মত সিনেমা , নিঃসন্দেহে

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে

৬২. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৩২
রুদমী বলেছেন: একটাও দেখি নাই। প্রতিটা মুভির সাথে ডাউনলোড লিংকটা দিয়ে দিলে ভালো হতো।
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১১

লেখক বলেছেন: টরেন্ট লিংকস :


ব্যালাড অফ অ্যা সোলজার :

Click This Link).html


লেটারস ফ্রম আইও জিমা :
http://www.mininova.org/tor/671448

দাস বুত :
Click This Link)_[DVDRip_-_AVC].3621613.TPB.torrent

ইন্ডিজিনিস:
Click This Link

জোয়াইউ নোয়ে :
Click This Link

৬৩. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৫
নির্বাসন বলেছেন: ঠিক যুদ্ধের নয় তবে গনহত্যা নিয়ে ছবি "হোটেল রুয়ান্ডা" অসাধারণ লেগেছে। আমার দুলাভাই সম্প্রতি কঙ্গো থেকে ফিরেছে ইউ এন মিশন শেষে...উনি বললেন ওখানে ভিডিও ফুটেজ দেখেছেন মূল ঘটনার যা ঐ সিনেমা থেকে অনেক অনেক বেশি নৃশংস
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১৭

লেখক বলেছেন: হোটেল রুয়ান্ডা দেখেই অনেকে সহ্য করতে পারে না ।
বাস্তবতার কথা ভাবলে তো কল্পনাই করতে পারি না ........

৬৫. ২৫ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:০২
Neelpoddo বলেছেন: সবগুলোই দেখা।কিন্তু গানস অফ নাভারুন্স আর লরেন্স অফ এরাবিয়া থাকা উচিত ছিল মনে করি।ইন্ডিজিনেস মাঝে একটু বোরিং লেগেছে মধ্যখানে এসে। গানস অফ নাভারুন্স এ বৃটিশদের স্তুতি রয়েছে যদিও তারপরো অসাধারন একটা ছবি।
৬৬. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৩৬
র হাসান বলেছেন: ভালো পোষ্ট! প্লাস++++++

Bangladesh travel information
৬৭. ০৮ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ২:০১
কাঊসার রুশো বলেছেন: ব্যালাড অফ এ সোলজার আমার খুবই প্রিয় সিনেমা। আমার রিভিউটা সময় পেলে দেখবেন আমার প্রিয় সিনেমা: ব্যালাড অফ এ সোলজার
পোস্টটা প্রিয়তে রাখলাম। বাকিগুলো দেখতে হবে যে :)
+++
৬৮. ০৮ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ২:০৫
শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: পোস্টটা প্রিয়তে রাখলাম।
৬৯. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:১৮
আসিফ মুভি পাগলা বলেছেন: যদি এখনো ব্যাটল অফ আলজিয়ার্স না দেখে থাকেন তবে দেখে ফেলুন মেহরাব ভাই । সত্যিই অসাধারণ ছবি ।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৪:০৬

লেখক বলেছেন: দেখেছি ---- অসামান্য সৃষ্টি

৭০. ২৯ শে মে, ২০১১ বিকাল ৩:৪৮
ভাবসাধক বলেছেন: গুড পোস্ট । অনেক ধন্যবাদ ।
৭১. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:০৭
সজল বস বলেছেন: এখান থেকে ৭০ টির বেশি মুভি ডাউনলোড করেন।
Click This Link
৭২. ০৯ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫৪
এসএস বলেছেন: Ballad of a Soldier,Letters from Iwo Jima দেখেছি। এই মূভি দুটি নিয়ে কমেন্ট করার যোগ্যতা মনে হয় আমার নেই। Indigènes ও বেশ ভালো। বাকি দুটি দেখা হয় নাই। বেশিরভাগ মুভির ই ডিভিডি পাওয়া যায়না। আর ডাউনলোড করা বেশ ঝামেলা। BTV এর movie of the week আসলেই বস একটা জিনিস ছিল। অনেক জটিল মুভি দেখাইছে যেগুলি এখন দেখার সময় বিটিভির কথা মনে পরে। ছুটো ছিলাম তাই সুযোগটি নিতে পারি নাই। বিছচে।আরও দিন দিন খারাপ হচ্ছে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫৭৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
নেই তবু যা আছের মতো দেখায়
আমরা তাকে আকাশ বলে ডাকি,
সেই আকাশে যাহারা নাম লেখায়
তাদের ভাগ্যে অনিবার্য ফাঁকি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ