আমার প্রিয় পোস্ট

আজি হতে শতবর্ষ পরে কে তুমি পড়িছো বসি আমার ব্লগখানি কৌতুহল ভরে

তিয়ান'আনমেন রক্তক্ষয়ের ২০ বছর : কি ঘটেছিল তখন ?

০৩ রা জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৩৫

শেয়ারঃ
0 3 0

১৯৮৯ এর বসন্তে কম্যুনিস্ট চীন প্রথমবারের মত গণতন্ত্রের দাবীতে প্রবল গণবিক্ষোভের মুখোমুখি হয় । ১০ লক্ষাধিক ছাত্র এবং কর্মী বেইজিংয়ের প্রাণকেন্দ্র তিয়ানমেন স্কোয়ারে অবস্থান নেয় । ৬ সপ্তাহব্যাপী বিক্ষোভ আন্দোলন চলার পর ৩রা এবং ৪ঠা জুন সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপে বিক্ষোভকারীদের বিপুল রক্তক্ষয় এবং গণহত্যার মাধ্যমে বিক্ষোভ দমন করা হয় ।

যেভাবে শুরু (১৫ এপ্রিল,১৯৮৯):


(কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক প্রধান হু ইয়াওবেং এর মৃত্যুতে যেন সংস্কারের শেষ আশারও মৃত্যু ঘটল)

অসন্তোষ প্রথম দানা বাঁধে ১৫ এপ্রিল , ১৯৮৯ এ । কমুনিস্ট পার্টির সাবেক সংস্কারপন্থী প্রধান হু ইয়াওবেং সেদিনই মৃত্যুবরণ করেন । সংস্কারপন্থীদের কাছে এই মৃত্যু ছিল বিরাট এক ধাক্কা । হাজার হাজার শোকার্ত সংস্কারপন্থী বেইজিংয়ের তিয়ানমেন স্কোয়ারে সমবেত হয় ।

নীরবতা ভেঙে স্লোগান :
১৮-২১ এপ্রিলের মাঝে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে চীনের অন্যান্য শহর এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিক্ষোভকারীরা দ্রুত সংস্কার , বেতন বৃদ্ধি এবং সামাজিক নিরাপত্তার দাবীতে স্লোগান দিতে শুরু করে ।

২২ এপ্রিল , দাবী দাওয়া উথাপন :


(২০০৪ সালে তোলা তিয়ানমেন স্কোয়ার)

২২ এপ্রিল তিয়ানমেন স্কোয়ারে অবস্থিত গ্রেট হল অব দ্যা পিপলে অনুষ্ঠিত হয় হু ইয়াওবেং এর শেষকৃত্য । তিয়ানমেনে শোকার্ত মানুষের ঢল নামে । নগর পরিষদের পক্ষ থেকে জনসাধারণকে শাস্তির সম্মুখিন হওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করে দেয়া হয়। সতর্কতা অগ্রাহ্য করে বিক্ষোভকারীরা তাদের দাবীর তালিকা প্রকাশ করে এবং চীনা প্রধানমন্ত্রী লি পেং এর সাথে দেখা করার অনুমতি চায় । চীনা কর্তৃপক্ষ এ দাবী নাকচ করে দেয় ।

২৬ এপ্রিল , রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ , উত্তেজনা বৃদ্ধি :


(পিপলস ডেইলির সম্পাদকীয়র প্রতিবাদ করল ছাত্ররা,২৭ শে এপ্রিল)

২৬ এপ্রিল রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত দ্যা পিপলস ডেইলি , বিক্ষোভকারীদেরকে বিশৃংখলা সৃষ্টি এবং কমিউনিস্টি চায়নার পতনের ব্যাপারে অভিযুক্ত করে সম্পাদকীয় প্রকাশ করে , যাকে মনে করা হয় চীনের তৎকালীন অঘোষিত রাষ্ট্রপ্রধান দেং জিয়াও পেং এর পরোক্ষ মতামত। এ ঘটনায় উত্তেজনা আরও বেড়ে যায় ।

মে , ১৯৮৯ : সারা চীনে ছড়িয়ে পড়া অসন্তোষ


(৪ঠা মে,১৯৮৯ এর ছবি)

৪ঠা মে চীনের পাঁচটি বড় শহরে একযোগে শুরু হয় ৪০ বছরের মাঝে বৃহত্তম ছাত্র বিক্ষোভ। একইদিনে কমুনিস্ট পার্টি প্রধান জাও ঝিয়াং আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে বিক্ষোভ কয়েকদিনের মাঝেই প্রশমিত হয়ে যাবে ।

গর্বাচেভের সফর : বিব্রত চীন সরকার
সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভের চীন সফরের প্রাক্কালে ১৩ই মে তিয়ানমেনে শুরু হয় গণঅনশন । গণঅনশন জনসাধারণের মাঝে ব্যাপক সারা ফেলে দেয়।

১৫ মে গর্বাচেভ চীন সফরে আসেন। এ সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং চীনের মাঝে ৩০ বছরব্যাপী শীতল সম্পর্কের অবসান ঘটানো । বিক্ষোভকারীরা তিয়ানমেন স্কোয়ারে অবস্থান নেয়ার প্রেক্ষিতে গর্বাচেভের ঐতিহাসিক তিয়ানমেন স্কোয়ার এবং ফরবিডেন সিটি পরিদর্শন বাতিল হয়ে যায় । প্রচন্ড বিব্রতকর এই ঘটনা চীনা সরকারকে প্রবলভাবে ক্ষুদ্ধ করে তোলে ।

১৯ মে , ১৯৮৯ : জাও ঝিয়াংয়ের প্রথম এবং শেষ


(এসেছিলেন বিক্ষোভকারীদের শান্ত করতে,কিন্তু এই বক্তব্যের পরই হারিয়ে গেলেন কমিউনিস্ট পার্টি প্রধান জাও ঝিয়াংয়)

১৯ মে তিয়ানমেন স্কোয়ারে উপস্থিত হন কমুনিস্ট পার্টির প্রধান জাও ঝিয়াং, যিনি সংস্কারের ব্যাপারে আগ্রহী ছিলেন।তার সাথে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী লি পেং , যিনি শক্তি প্রয়োগে সমূলে বিক্ষোভ উৎপাটনের পক্ষপাতী ছিলেন । বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে জাও ঝিয়াং বলেন "আমাদের এখানে আসতে অনেক দেরি হয়ে গেছে"। এ কথাটিই সম্ভবত তার রাজনৈতিক জীবন শেষ করে দেয়। ১৯ মে , ১৯৮৯ এর পর জাও ঝিয়াং গৃহবন্দী হন , ২০০৫ সালের মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তাকে আর কখনও দেখা যায়নি।

মার্শাল ল' : হার্ডলাইনে চীনা সরকার
২০ মে জারি করা হয় মার্শাল ল' । সেনাবাহিনী বেইজিংয়ের নিয়ন্ত্রণ নিতে অগ্রসর হয় , কিন্তু বিভিন্ন স্থানে জনসাধারণ ব্যারিকেড সৃষ্টি করে সেনা কনভয়ের চলাচল আটকে দেয়।


(ফাইন আর্টসের ছাত্ররা স্কোয়ারে স্থাপন করে গডেস অব ডেমোক্রেসি)

২৪ মে থেকে শুরু করে ১লা জুন পর্যন্ত সেনাদের উপস্থিতিতেই বিক্ষোভ প্রবল আকার ধারণ করে । লক্ষ লক্ষ উৎসাহী ছাত্র রাস্তায় নেমে আসে। কম্যুনিস্ট পার্টি পলিটব্যুরো বিক্ষোভ দমনের জন্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌছায়।

(সমাবেশে নিজেদের দাবী ঘোষণা করছেন একজন ছাত্র )

গণহত্যা: বিক্ষোভ দমন

(সেনা চলাচলে জনগণ ব্যারিকেড সৃষ্টি করে)


(ট্যাংকের সামনে ব্যারিকেড)


(সেনাদের পথরোধ করে আছে বিক্ষোভকারীরা)


(সেনাদেরকে বিক্ষোভে যোগ দেয়ার আহবান)

৩রা জুন চীনা গণমুক্তি ফৌজ , তিয়ানমেনের নিয়ন্ত্রণ নিতে অগ্রসর হয় । ব্যারিকেড ভাঙতে তারা সাঁজোয়া যান ব্যবহার করে ।জনসাধারণের বাধার মুখে সেনাবাহিনী ভারী অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার গুলিবর্ষণ করে , বিপুলসংখ্যক হতাহত হয়।


(এমন অসংখ্য লাশ পড়ে থাকে তিয়ানমেনে , যার খুব কম ছবিই প্রকাশিত হয়েছে)


(আহতদের সরিয়ে নেবার দৃশ্য)

৪ঠা জুন শুরু হওয়ার পর রাতের মাঝেই তিয়ানমেন স্কোয়ার থেকে মৃতদেহ এবং আহতদের সরিয়ে নেয়া হয় । ভোরের আলোতে শুন্য তিয়ানমেনে মৃত্যুপুরীর নীরবতা নেমে আসে । চীনা সরকার এ ঘটনাকে বিশৃংখলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অসামান্য বিজয় বলে অভিহিত করে । কিন্তু , সবাইকে অবাক করে দিয়ে রাষ্ট্রীয় পিকিং রেডিও ঘোষণা করে বসে যে বর্বোরচিত কায়দায় হাজার হাজার নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করা হয়েছে । চীনা সরকার কিছু সময় পরেই রেডিওর নিয়ন্ত্রণ ।
ঘোষনা করা হয় যে বিক্ষোভে একজনও নিহত হয়নি ।


(৫ জুন , বেইজিংয়ের শূন্য রাজপথে ট্যাংকের বহর থামিয়ে দিল এক অকুতোভয় তরুণ, ১৯৮৯ আন্দোলনের সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ছবি)


(৭ জুনের ছবি, রাস্তায় কিছু সাইকেলারোহী)

হাজারের গন্ডি ছাড়িয়ে ঠিক কতজন মানুষ এ বিদ্রোহে প্রাণ হারিয়েছে , আর কতজন চীনা সরকারের রোষানলে পতিত হয় , সে সংখ্যাটি আজ ২০ বছর পরেও অজানাই রয়ে গেছে। অজানা নয় কেবল তিয়ানমেনের ১০ লক্ষাধিক মানুষের বিক্ষোভ।

সেই বিখ্যাত দৃশ্য:


সূত্র: রাশিয়া টুডে , ফ্রান্স২৪, বিবিসি

 

সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:০৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৩ রা জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৪১
নুশেরা বলেছেন: পরে পড়বো, আপাতত যোগচিহ্ন রেখে গেলাম।

মেহরাবের মেহরাবীয় লেখা আসছেনা অনেকদিন। সেগুলোও চাই।
০৩ রা জুন, ২০০৯ দুপুর ২:২৭

লেখক বলেছেন: বুঝতে পারছি নুশেরা আপু , ঐ লেখাগুলি আসে একদম স্বতঃস্ফূর্ত থাকলে , একটানে লিখলে । অনেক অনেকদিন খুব অস্থির হয়ে আছি , মন বসছে না একদম

কথা দিলাম , জোর করে হলেও কিছু একটা লেখার চেষ্টা করব

২. ০৩ রা জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৪৮
শয়তান বলেছেন: প্রতিটা স্বতস্ফুর্ত গনআন্দোলন এমনি করেই সাবোটাজ হয় ।
০৩ রা জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৩০

লেখক বলেছেন: আসলেই তাই :(

৩. ০৩ রা জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৫০
দুরের পাখি বলেছেন: চমৎকার পোস্ট । অল্পস্বল্প কিছু নতুন জিনিসও জানলাম ।
০৩ রা জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৩১

লেখক বলেছেন: হুমম

৪. ০৩ রা জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪
সুবিদ্ বলেছেন: ধন্যবাদ.......গুছিয়ে এত বিশাল একটা ব্যাপারকে তুলে ধরার জন্য.....

মনে পড়ছে, ক্লিনটন প্রেসিডেন্ট থাকার সময় চীন সফরে এসে তিয়েন আনমেন স্কয়ারে শহীদদের স্মরণ করে চীন কর্তৃক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন......
০৩ রা জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:১১

লেখক বলেছেন: আমি এই বিক্ষোভের প্রতি সহানুভূতিশীল , কিন্তু মার্কিনীদের ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের তীব্র বিরোধী । মার্কিন সরকারের হাত ছিল এসবের পেছনে , এটা ওপেন সিক্রেট।

নব্বই দশকের শেষ দিকে চীন একটি মার্কিন গোয়েন্দা বিমান আটক করেছিল , সেটা নিয়ে মার্কিনিদের নোংরামি ভুলবার মত না

৫. ০৩ রা জুন, ২০০৯ দুপুর ২:০২
ফারহান দাউদ বলেছেন: হুম,ছাত্রদের দাবীর ব্যাপারে তোমার কি মত?
০৩ রা জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:১৩

লেখক বলেছেন: আপাতত বলে রাখি , আমি সহানুভূতিশীল ছাত্রদের সাথে , অনেক দিনের জমে থাকা ক্ষোভ থেকেই তো এর বিস্ফোরণ ।

এরপর বলি , তিয়ান'আনমেন এর বিপ্লব কিন্তু আমি সফল মনে করি । দেখো , চীন এর থেকে শিক্ষা নিয়ে কত বদলে গেছে ।আমার শ্রদ্ধা তাই বিপ্লবের সাথে রয়ে গেছে

৬. ০৩ রা জুন, ২০০৯ দুপুর ২:০৭
দূরন্ত বলেছেন: দারুন। অনেক কিছু জানতে পারলাম। প্রিয় পোস্টে রাখলাম।
০৩ রা জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

৭. ০৩ রা জুন, ২০০৯ দুপুর ২:২৭
ফিরোজ-২ বলেছেন: নতুন জিনিসও জানলাম +++
০৩ রা জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:১৪

লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা

৮. ০৩ রা জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৩৬
শয়তান বলেছেন: 5 June এর ফটোটা নিয়ে সম্ভবত একটা বিতর্ক চালু হয়েছিলো ।
০৩ রা জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৩৯

লেখক বলেছেন: কি ধরণের ? শেয়ার করবেন ?

ভিডিওটাও দিলাম সাথে

৯. ০৩ রা জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৫১
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: সুন্দর পোস্ট। পরে পড়ে নেব। এখন + দিয়ে গেলাম।
০৩ রা জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

১০. ০৩ রা জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৫৬
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: সেই চীন!!
আর এখনকার চীনা ছাত্র-ছাত্রীদের দেখে আমি আশ্চর্য হই ... যত আড্ডাই হয়েছে খুব কমকেই দেখেছি চীন সরকারের সমালোচনা করতে ... সমালোচনা তো দূরের কথা অন্যের মুখে সমালোচনা শুনলে দেখেছি কি আবেগের সাথে চীন সরকারকে ডিফেন্ড করে ...

বুঝিনা, তিয়ানেমেন কিলিংয়ের পর কি সরকার শিক্ষাব্যবস্থায় খুব আমুল কোন পরিবর্তন এনেছিলো কিনা! :(

চমৎকার পোস্ট ... ইতিহাস বর্ণনার চমৎকার স্টাইল
০৩ রা জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৪

লেখক বলেছেন: খুবই চমৎকার একটা ব্যাপার তুলে এনেছেন ।

সেই চীন আর এই চীন !!!!

সিলি এবং সিম্পল কয়েকটা ব্যাপারই না হয় পয়েন্ট আউট করি :

চীনা নেতাদের ড্রেসআপের পরিবর্তন ... সাফারি ছেড়ে স্যুট কোট । উত্তর কোরীয় আর সাবেক চীনা নেতাদের এক রঙা সাফারি দেখলে এখনও একটা দম বন্ধ ভাব চলে আসে ।

আবার সেনাবাহিনীর ইউনিফর্মটাও খেয়াল করুন । আগের ইউনিফর্মে "গণ" শব্দটা প্রকট ছিল , একটা আধাসামরিক মিলিশিয়া ভাব ছিল । এখনকারটায় দোর্দন্ড প্রতাপের স্বাক্ষর।


এই আন্দোলন নিয়ে আমার অবস্থানটাও অদ্ভূত :
# ৮৯ এর আন্দোলন শুরু করেছিল যেসব অকুতোভয় তরুণ তাদের প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা । তাদের আন্দোলন বিফল হয়নি , অনেকগুলো প্রাণের সাথে তারা নতুন চীনও দিয়ে গেছেন , হোক সেটা পুরনো নেতৃত্বেই
# যারা আন্দোলন দমন করলেন , তারাও যেন ভুল করে অসম্ভব ঠিক একটা কাজ করে ফেলেছেন। এশিয়ার বুকে জাপান , দক্ষিণ কোরিয়া আর তাইওয়ানের পর বৃহত্তম ক্রীতদাস সৃষ্টিকে বাধা দিয়েছেন । মার্কিনীরা সোভিয়েতের পতনের পর অন্তত খালি পোস্ট পায়নি , পোস্টের বারগুলো রেখে দিয়েছে চীন

১১. ০৩ রা জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:১৫
শয়তান বলেছেন: ওপস । বিতর্ক না ।

স্মৃতিশক্তি প্রতারণা করলো দেখি আমারে :(

Click This Link

স্যরি ।
০৩ রা জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:১৮

লেখক বলেছেন: চার্লি কোলের সেই ছবিটা ?? :)
আপনার কমেন্ট পেয়ে আমার শুরুতে মনে হয়েছিল আপনি সেটার কথাই বলছেন ।

ভিডিওটা দেখেন ,
ট্যাংক কিন্তু আসলেই অনেকগুলো ছিল

http://www.youtube.com/watch?v=qV-tk8CrqCQ

০৪ ঠা জুন, ২০০৯ সকাল ১১:২০

লেখক বলেছেন: জেফ ওয়াইডেনার এই দৃশ্যের একটা ছবি তুলেছিলেন , তার প্রতিক্রিয়াটা তুলে দিই :

"Suddenly this man walks out with his shopping bags. My first instinct was: "He's going to mess up my composition".

০৩ রা জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৪

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

১৩. ০৩ রা জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৩
নরাধম বলেছেন:
ধন্যবাদ মেহরাব। বিষয়টা নিয়ে ভাসা ভাসা জানতাম, এখন ভাল ধারণা পেলাম।
০৩ রা জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৬

লেখক বলেছেন: আরও বিস্তারিত লিখতে চেয়েছিলাম , কিন্তু উৎসাহ পাই না একদম ।
তবুও কারও কারও ভাল লেগেছে জেনে ভাল্লাগলো
ধন্যবাদ

১৪. ০৩ রা জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:৫০
ফারহান দাউদ বলেছেন: মেহরাব,১০ নং কমেন্টের উত্তরটাই বলতে চাইছিলাম। ২ পক্ষই ভুল করে ঠিক করেছে। সিআইএ'র উস্কানিতে ছাত্ররা কাজটায় উৎসাহ পেয়েছিল,সেই গণতন্ত্র এলেও চীন হয়তো উন্নত হতো তবে মার্কিন পা-চাটা আরেকটা বাড়তো। আবার এটাও ঠিক,ছাত্রদের এই আন্দোলন না হলে চীন এমন একটা মিশ্র ব্যবস্থায় ঢুকতো না,ফলে আজকের এই মহাপ্রতাপশালী (অন্তত,অর্থনৈতিক দিক দিয়ে) চীনের দেখা পাওয়া যেত কিনা সন্দেহ। আবার,এমন গণহত্যা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না,কিন্তু চীন সরকার তার নীতিতে অটল ছিল বলেই আজকে চীন স্বতন্ত্র এক শক্তি হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। তবে,লক্ষ্যণীয় যে,চীন সরকার ঠেকে শিখেছিল,অন্যদের মত আন্দোলন দমন করে আত্মতৃপ্তিতে না ভুগে নিজেদের সিস্টেমের গলদগুলো খুঁজে বের করে পরিবর্তনের চেষ্টা করেছিল,এটাই অন্যদের সাথে চীনের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।
০৩ রা জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৯

লেখক বলেছেন: ভাল বলেছ

একমত

১৫. ০৩ রা জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৪
আকাশ অম্বর বলেছেন:

তথ্যের জন্য ধন্যবাদ।
০৩ রা জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

১৬. ০৩ রা জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৪
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: পড়লাম...
কিন্তু মাথায় অন্য চিন্তা ... ... :-(
ধন্যবাদ ভাইয়া... এগুলো জানা দরকার !
০৩ রা জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৮

লেখক বলেছেন: পোস্ট লিখেছি চায়না নিয়ে , কিন্তু চায়না মোটেও আমার মাথায় নেই আমার মাথাতেও অন্য চিন্তা :(

বলে ফেলো কি চিন্তা ।

ধন্যবাদের জন্য ধন্যবাদ

১৭. ০৩ রা জুন, ২০০৯ রাত ৮:৫৭
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: সে এক বিশাল ইতিহাস ...... :-)
যাইহোক , গনতন্ত্রের জন্য এতো লড়াই ...
আমরাও তো লড়াই করেছিলাম... এবং সেটা এসেছেও...
কিন্তু কি হলো তাতে ?


০৩ রা জুন, ২০০৯ রাত ৯:২২

লেখক বলেছেন: লাভ হয়নি , কোনই লাভ হয়নি ।
হতাশ , হতাশ .........

১৮. ০৩ রা জুন, ২০০৯ রাত ৯:৩৭
আগামি বলেছেন: প্রিয়তে । কেউ শিক্ষা নেয় কেউ নেয়না ।
০৩ রা জুন, ২০০৯ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৯. ০৩ রা জুন, ২০০৯ রাত ৯:৩৯
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম....খুব চমৎকার ফটো ডকুমেন্টারী

তবে বাদশা ভাই যেমনটা বলেছেন চীনারা কিন্তু প্রবলভাবে জাতিয়তাবাদী....চীন চলছে এক অদ্ভুত কাঠামোয়...অর্থনীতি পুরা উন্মুক্ত কিন্তু শাসনতন্ত্র পুরো একপার্টি তন্ত্র........

ব্যাক্তিগতভাবে আমি এইটাকে আমাদের দেশের প্রচলিত গনতন্ত্রের চেয়ে ভালো মনে করিনা।

চীনে গ্রাম এবং শহরের মধ্যে আলো আর অন্ধকারের মত সম্পর্ক...।তবে পরাশক্তি হওয়ার বাসনা এবং সেই বাসনা যদি কোনপ্রকারে মধ্যবিত্তের মাঝে ঢুকিয়ে দেওয়া যায় তবে বোধহয় আলো-অন্ধকারের সীমারেখাও শিক্ষিতজনে কাছে গৌন হয়ে যায়।

অবশ্য পরাশক্তির আকাংখাধারী সবজাতিগোষ্ঠীর মধ্যে এই প্রবণতা বিদ্যামান।উদাহরণ: ভারত-মার্কিন পারমানবিক চুক্তি ভারতের প্রায় সব মিডিয়া, অনলাইন গোষ্ঠি এমনকি মুক্তমনার ভারতীয় নাগরিকরাও
সমর্থন করেছে।
৩০ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:২২

লেখক বলেছেন: সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ কমেন্ট , নতুন করে ভাবানোর মত

০৪ ঠা জুন, ২০০৯ সকাল ১১:১৩

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস সিহাব

২১. ০৪ ঠা জুন, ২০০৯ ভোর ৫:২৩
রাশেদ বলেছেন: আজকে বিবিসিতে দেখলাম এইটার উপরে একটা নিউজ দেখালো। আজকের ছাত্রসমাজ ব্যস্ত পশ্চিমা স্টাইলে বিনোদন, ক্লাবিং ইত্যাদি নিয়ে। রাজনীতি থেকে সরকার কৌশলেই অনেক দূরে সরিয়ে ফেলে তাদের। কাজের শেষে এইসব করেই বিনোদন নিচ্ছে তারা।
৩০ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:২১

লেখক বলেছেন: খারাপ লাগে না আমার কাছে । আপনার মতামত কি ? আর আপনি কোথায় হাওয়া হয়ে গেলেন ?

২২. ০৪ ঠা জুন, ২০০৯ ভোর ৬:৪৪
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: "।তবে পরাশক্তি হওয়ার বাসনা এবং সেই বাসনা যদি কোনপ্রকারে মধ্যবিত্তের মাঝে ঢুকিয়ে দেওয়া যায় তবে বোধহয় আলো-অন্ধকারের সীমারেখাও শিক্ষিতজনে কাছে গৌন হয়ে যায়।"

শিমুলের এই কমেন্টে জাঝা ... খাঁটি কথা

০৪ ঠা জুন, ২০০৯ সকাল ১১:১৩

লেখক বলেছেন: জুলফিকার আলী ভূট্টোর সেই কথাটা মনে পড়ে গেল :
"ঘাস খেয়ে হলেও পাকিস্তান অ্যাটম বোম্ব বানাবে" ....... জনসাধারণ নিশ্চয়ই অ্যাটম বোম্বের আশায় সত্যি সত্যিই ঘাস খেতেও প্রস্তুত ছিল ।
মানুষের মানসিকতা খুবই বিচিত্র :(

২৩. ০৪ ঠা জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪২
মনজুরুল হক বলেছেন:

তিন দিন পরে লগইন করে এই পোস্টটা দেখলাম। এ বিষয়ে কিছু ভিন্নমত আছে। পোস্ট প্রিয়তে রাখলাম। কাল সময় করে জানাব।
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
০৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৪১

লেখক বলেছেন: অপেক্ষায় থাকলাম , স্বাগতম

২৪. ০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
জনৈক আরাফাত বলেছেন: প্লাস তো বটেই তথ্যবহুল পোস্টে!
০৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস

০৮ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৪:১৪

লেখক বলেছেন: Dhonnobad

০৮ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:০৯

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস

২৭. ০৭ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:১০
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: তথ্যবহুল পোষ্ট। অনেক কিছু জানতে পারলাম।
শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
০৮ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:০৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু , অনেকদিন পর দেখছি আপনাকে । কেমন আছেন ?

০৮ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২৯. ০৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:০৫
সহেলী বলেছেন: বিষয়টা জানতাম , তবে তোমার পোষ্টে বিস্তারিত জানতে পারলাম ।
আর ইচ্ছে নেই এমন কিছু জানবার , যেন না ঘটে আর ।
২০ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৪৮

লেখক বলেছেন: হমমম

কেমন আছেন ?

৩০. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:৫৪
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম। কিছু চৈনিক বন্ধু আছে, কিন্তু তারা কেন জানি তাদের সমাজব্যবস্থা, সরকারকে সমর্থন করে; কয়েকবার তর্ক হয়েছিল।
২০ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:১৭

লেখক বলেছেন: অন্য সবার কাছেও একই রকম ধারণা পেয়েছি । চীনাদের যে অংশটাকে আমরা দেখি অন্তত তাদের মাঝে অসন্তুষ্টি খুব কম ।

বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আমাদের কতটুকু দিল বলে আপনার ধারণা ?

ধন্যবাদ কমেন্টের জন্য

৩১. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:২২
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: আমার ঘুমাতে ইচ্ছে করছে না। মনে হচ্ছে ভাইয়ার সব লেখা পরে শেষ করি আগে। তারপর ঘুম। !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

আজ না পারলেও ২ দিনে শেষ করবই। 8-|
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:০২

লেখক বলেছেন: সত্যিকার অর্থেই সম্মানিত বোধ করছি , সাথে লজ্জিতও হলাম :) , আমন্ত্রণ থাকল

ভাল থাকবেন

৩২. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৮
রুদমী বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম।
১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

২০ শে অক্টোবর, ২০১০ সকাল ৯:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৩৪. ১৮ ই আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:২১
দুর্জনউবাচ বলেছেন: আপনার লিখাটা চমতকার হয়েছে।
আমি সাথে কিছু যোগ করতে চাই-
লি পেং মুলত মাওবাদী দর্শন থেকে বেশ দূরে ছিলেন।আর উনার ইচ্ছাতেই এই ভয়ংকর ও নির্মম গনহত্যা চালায় সেনাবাহিনী।

মুলত এই ঘটনা ঘটার পর থেকেই পুজিবাদি চিনের জন্ম।
২০ শে অক্টোবর, ২০১০ সকাল ৯:৩০

লেখক বলেছেন: মাওবাদী দর্শনের কাছাকাছি ছিলেন যারা , তারা কি বিরোধিতা করেছিলেন ?

৩৫. ২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:৫৭
কাঊসার রুশো বলেছেন: 5 June এর ফটোটা নিয়ে একটা বিতর্ক চালু হয়েছিলো । তবে ভিডিওটা দেখার পর সব ক্লিয়ার হয়ে গেছে।
আপনাকে ধন্যবাদ।
অসাধারন একটা পোস্ট। + ও প্রিয়তে
২০ শে অক্টোবর, ২০১০ সকাল ৯:৩২

লেখক বলেছেন: বিতর্ক সম্ভবত সেভাবে ছিল না । তবে , এই ছবিটাকে নিয়ে কম গবেষণা হয়নি । এর মাঝে একটা ছিল , ছবিটা তোলার অ্যাংগেল । বেশ কয়েকটি পশ্চিমা পত্রিকার সাংবাদিক ছবিটি তুলেছিলেন । কিন্তু ছবি তোলার গুণে বিখ্যাত হয়েছিল ২/৩ টি ছবি

৩৬. ০৬ ই মে, ২০১১ দুপুর ২:১৯
অ্যাডলফ বলেছেন: একটি রাষ্ট্র ব্যবস্হা তখনই স্হায়ী হয় যখন সে পরিবর্তিত পরিস্হিতির সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে, আর যে পারে না তার পতন অনিবার্য,তাতে সে গনতন্ত্র,সমাজতন্ত্র যাই হোক না কেন - যার বড় প্রমাণ চীন ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।

গনতন্ত্রের জনপ্রিয়তার ও অন্যতম কারন কিন্তু এই পরিবর্তনশীলতাই।

 

মোট সময় লেগেছে ১.৭৫১৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
নেই তবু যা আছের মতো দেখায়
আমরা তাকে আকাশ বলে ডাকি,
সেই আকাশে যাহারা নাম লেখায়
তাদের ভাগ্যে অনিবার্য ফাঁকি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ