আমার প্রিয় পোস্ট
- ফ্রি এসএমএস পাঠান পৃথিবীর যেকোন মোবাইলে যতখুশি ইচ্ছা!!

- ইসানুর
- দেশে দেশে মৃত্যুদণ্ড (দূর্বল চিত্তের ব্লগাররা না দেখাই ভাল) - মোঃমোজাম হক
- কিভাবে পোষ্টে কিংবা কমেন্টে বিভিন্ন ছবি, ইউটিউবের ভিডিও এবং ইমোটিকন দিতে হয়?? (একটি সাহায্যমূলক ছোটখাট টেকি পোষ্ট) - নির্ভয় নির্ঝর
- যায় যায় দিন... - নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা...
- জনের বায়োগ্রাফি ১৮+
- হাসান মাহবুব
- অনেকদিন পর একটি ১৮+ জোক - শামীম হাদী
- ছবি ব্লগ - লুভর মিউজিয়াম (১৮+) - সীমন্ত ইসলাম
- দুই ডজন জোকস (বিষয়বস্তু অবশ্যই বড়দের) - শতকত
- রুবাবা দৌলা মতিনের (অ)অনুরাগীদের প্রতি - মাহবুব মোর্শেদ
- বিশ্ববিবেককে কাঁপিয়েছিল যে ছবি - জোবাইর
- শেয়ার করার মত কিছু চমৎকার ছবি -১ [ এমন কিছু ডেস্ক , বিশ্ব পরিবর্তনে যাদের বিশেষ অবদান রয়েছে ] - কুঁড়ের বাদশা
পাইরেসি, শেয়ারিং, এমপিথ্রি
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৫
আরেকটি বছর চলে গেল। বছর শেষে চাওয়া-পাওয়ার হিসাব মেলাতে গিয়ে গলদঘর্ম আমাদের অডিওবাজার। সাম্প্রতিক সময়ে এত হতাশাজনক বাজার আর আসেনি বলে জানিয়েছেন অডিও প্রযোজকেরা। কেন এই মন্দা? প্রযোজকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সেই পুরোনো কারণ�পাইরেসি, শেয়ারিং, এমপিথ্রি ইত্যাদি।
পুলিশের সহায়তায় কয়েকটি নকল সিডির কারখানা বন্ধ করা গেলেও বন্ধ করা যায়নি পাইরেসি। এ ব্যাপারে সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা দরকার। পাড়ায়-মহল্লায় এখন অনেকেই একটা কম্পিউটার নিয়ে বসে পড়েছেন মেমোরি কার্ডে গান ভরে দেওয়ার ব্যবসায়। এতে করে চরম ক্ষতি হচ্ছে অডিও ব্যবসার। এসব বেআইনি বিষয় দেখার যেন কেউ নেই।
এমআইবি : সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, এ বছরের অডিও ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে বড় পাওয়া মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিজ অব বাংলাদেশ। সংগঠনের প্রথম নির্বাচিত সভাপতি কুমার বিশ্বজিত্ মনে করছেন, এতদিনে প্রযোজকদের কথা বলার একটা জায়গা তৈরি হয়েছে। সবাই জোট বেঁধে না এগোলে অডিও বাজারের এ দুর্দশা দূর হবে না। দুর্দশা লাঘবে এমআইবি বেশ বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সবাই।
বছরের প্রথম দিনে এসেছিল প্রিন্স মাহমুদের কথা ও সুরে প্রিন্স মাহমুদের গান। সামিনা চৌধুরী, মেহরাব ও পলাশের সঙ্গে প্রিন্স মাহমুদ নিজেও সেখানে গান গেয়েছিলেন। চলচ্চিত্রের গানের এলবামের জয়যাত্রা এ বছরও চলেছে। গত বছরের সবচেয়ে আলোচিত এলবামটি একটি চলচ্চিত্রের�থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ।
অর্ণবের সুরে জাগো, হাবিবের সুরে এই তো প্রেম এলবাম দুটিও বেশ আলোচিত। বছরের উল্লেখযোগ্য এলবামগুলোর মধ্যে ছিল আজম খানের নীল নয়না, কুমার বিশ্বজিতের রোদেলা দুপুর, বেবী নাজনীনের দুষ্টু ছেলে, আসিফের বন্ধু তোর খবর কি রে এবং পানি নাই চোখে, মিলার রিডিফাইন্ড, বালাম-জুলির স্বপ্নের পৃথিবী, রাজীব রহমানের মন ভাবে তারে, ফাহমিদা নবীর স্বপ্নগল্প, রবি চৌধুরীর রঙের বন্ধু, বারী সিদ্দিকীর প্রেমের উত্সব ও অন্তর জ্বলে, এস ডি রুবেলের এক টাকার মানুষ, কাজী শুভর সাদামাটা, বারী সিদ্দিকীর মাটির ঘর, কুমার বিশ্বজিত্-ফাহমিদা নবীর হাঁটি, সালমার বন্ধু আইলা না, রন্টির আনমনা মন, রিংকুর হাওয়ার গাড়ি, এলিটা মাহাদীর অন্তহীন, প্রীতমের স্ট্রিট সিংগার, আরফিন রুমির এসো না, তিশমার এক্স-ফ্যাক্টর, মুহিনের গোপন কথা, তপুর সে কে?
ক্ষুদে গানরাজদের ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টি, আঁখি আলমগীরের তোমার কাছেই, আবিদের ভালোবাসার প্রহর, হায়দার হোসেনের না বলা কথা, মনির খানের শুধু একবার কথা দাও, সন্দীপনের চাঁদমুখের হাসি, সুবীর নন্দীর সোনার কন্যা, আবিদা সুলতানার অন্তরে বৈরাগী, চঞ্চল চৌধুরীর পালকি, শশীর যেও না, রাজিবের যদিও, শান্তনু বিশ্বাসের চিরকুট, জাহিদ পিন্টুর রেড সিগন্যাল, মিলন মাহমুদের গোপনে, শিরিনের মাতওয়ালি, জুয়েলের ফিচারিং সাবরিনা, অর্ণবের এন্ড ফ্রেন্ডস লাইভ, সায়ানের আবার তাকিয়ে দেখ ইত্যাদি।
ব্যান্ডপাড়া : রাজনৈতিক পরিস্থিতি অপেক্ষাকৃত স্বাভাবিক থাকায় বছরজুড়ে ব্যান্ডগুলোর কার্যক্রম বেশ বেড়েছে। তবে সেটা যথেষ্ট নয় বলে জানিয়েছে ব্যান্ড দলগুলো। এলআরবির যুদ্ধ ও সোলসের জ্যাম সারা বছর আসি আসি করে বাজারে আসেনি। তবে বছরের একদম শেষে বের হয়েছে আইয়ুব বাচ্চুর একক এলবাম বলিনি কখনো । আরও বের হয়েছে বিপ্লবের পুরুষ মানেই দেবদাস ।
এ বছর ছিল মাইলসের ৩০ বছর পূর্তি ও দলছুটের ১২ বছর পূর্তি। ব্যান্ড দুটি এ উপলক্ষে তেমন কিছু না করলেও ১০ বছরে পা দেওয়া আর্টসেল বেশ বড় করেই কনসার্টের আয়োজন করেছে। বেরিয়েছে ওয়ারফেইজের ২৫ বছর পূর্তি স্মারক এলবাম পথচলা । এর বাইরে অবসকিউরের ইচ্ছের ডাকাডাকি, শিরোনামহীনের বন্ধ জানালা, পেন্টাগনের এইট ওক্লক, মেঘ দলের শহরবন্দী, সাসটেইনের রহস্য, রক টু জিরো টু, রক থ্রি জিরো থ্রি ।
বছরের শেষদিকে এসে বামবা সজাগ হয়েছে শিল্পী, সুরকার ও গীতিকারদের কপিরাইট অধিকার নিয়ে। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে রয়্যালটিসহ তিন দফা দাবি নিয়ে বামবা আন্দোলনে যাবে বলে জানা গেছে।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সমঝোতা-পানিপর্ব, সমঝোতা-পানিপর্ব ;
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নীল ভোমরা বলেছেন:
মিউজিক বাংলাদেশের এত খপর-তো আগে ঝানতামনা!
লেখক বলেছেন: পড়তে পারেন, আপনি জ্ঞানী গুনী মানুষ
তারেক আহমেদ বলেছেন:
ভালো লাগলো । ধন্যবাদ । আপনার নিজের লিখা নাকি ? বাহ সুন্দর হয়েছে ।
রিয়াজুল ইস্লাম বলেছেন:
ভালো রিভিউ।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
৯৯ এর আগে একটা ভালো কালচার ছিলো এদেশে, সেটা হলো ওপেন এয়ার কনসার্ট। তখন বাংলাদেশ অর্ঠনীতি এখনকার মতো এত ভালো ছিলো পাবলিকের হাতে টাকা পয়সাও ছিলো না। কিন্তু তবুও তখন খুব বেশী করে এই কনসার্ট গুলো হতো। আমার মনে হয় বামবা এখনকার চাইতে ৯৬ থেকে ৯৯ পর্যন্ত খুব বেশী সক্রিয় ছিলো। তখন যারা এর দায়িত্বে ছিলেন তাদের কিছু কাজ আসলেই চোখে পড়ার মতো। এখন তারা আসলে ঝিমিয়ে গেছে আর কোনো এক অদৃশ্য কারনে এই সব ওপেন এয়ার কালচারটা প্রায় উঠে গেছে, হয়তো কালে ভদ্রে দেখা যায়।তবে এখানে বাংলাদেশে ঠোলা দের দিয়ে দু একটা ব্লকরেইড দিয়ে কিছুই হবে না। আমি ইচ্ছা করলেই বাংলাদেশের যেকোনো নতুন এলবামের ১২৮ কেবিপিএসের এ্যালবাম নেট থেকে ডাউনলোড করতে পারি, আবার যদি ৩২০ কেবিপিএস চাই যেগুলো আরও ভােলা সাউন্ড কোয়ালিটি দিতে পারে সেগুলোও একটু খুজলে বা ঢু মারলে সবই পাওয়া যায়। আর এখন সিডি বা ডিভিডি কেনার হারও কমে গেছে হয়তো বা কারন ইন্টারনেট এখন বাংলাদেশের চিপায় চিপায়।
সো এইসব করে পাইরেসি ঠেকানো খুবই অসম্ভব!
লেখক বলেছেন: গঠনমুলক কথা
লেখক বলেছেন: ঝুলইছেন তো বুশের ছবি , এত চিক্কর পারেন ক্যা? আপনারে মাইনাশশশশশশশশশশশশশশশশশ
ভোরের কুয়াশা...ফয়সাল বলেছেন:
আপনাকে স্বাগতমনিজেই করলেন কাট-কপি...... আবার ভাষন দিলেন পাইরেসির?????
অচেনা সৈকত বলেছেন:
ভাইয়া, যে মেয়েটির ছবি ব্যবহার করছেন প্রোফাইল পিক হিসেবে তার পারমিশন নিয়েছেন?
লেখক বলেছেন: আপনার এই ধারনা হল কেন যে আমি "ভাইয়া"? আমি বেশিরভাগ কমেন্টে উগ্র ভাষা ব্যবহার করি বলে? তার মানে স্বীকার করছেন ছেলেরাই বেশি উগ্র ভাষা ব্যবহার করতে পারে!
এখন শোনেন, আমি ভিইয়া না, আপা।
অচেনা সৈকত বলেছেন:
আমি কিছুই স্বীকার করছি না। এরকম নাটক অনেক দেখা আছে। জাস্ট এক্সপেরিয়েন্স।
লেখক বলেছেন: তাইলেতো ভাই আপনে নাটকের লোক। অনেক গিয়ানী
রাসেল ( ........) বলেছেন:
অচেনা সৈকত ভাই, মেয়ে নিক দেখলেই নীচের কাপড় তুলে দেখবার চেষ্টাকে পিপিংটমবাজি বলা যায় অনায়াসে। না কি অনেক বার ধরা খেয়ে এখন দই দেখলেও চুন মনে হয়? আপনের অভিজ্ঞতার বয়ান শুনে ভালো লাগলো, তবে আমার নিজের ধারণা কেউ যদি নিজের পরিচয় বদলায় এইখানে লিখে সেইটা একটা ইনডিভিজ্যুয়াল নিক হিসাবে দেখাই ভালো, কাপড় ধরে টানাটানির কোনো প্রয়োজন দেখি না আমি।
লেখক বলেছেন: রাসেল, ভালই বলেছেন!
আমারো মনে হয় অচেনা সৈকত মেয়ে নিক দেখে বার বার ট্রায় করেছে এবং পরে ধরা খেয়েছে তাই কাউকে বিশ্বাস করতে পারছে না। বেচারা!
অচেনা সৈকত বলেছেন:
আপনি দেখি কমেন্টও মোছেন!!!!
লেখক বলেছেন: হ্যা মুছি দরকার হইলে, অাপনের মত ব্লক করি না। কাপুরুষ কোথাকার
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















