এইথানে দেখুন ১৮+ অামার কাছে ১৮+ এর এক বিরাট কালেকশন অাছে কিন্তু অনেক ব্লগারই একজন মেয়ের কাছ থেকে ১৮+ হজম করতে পারছেন না। তাই ১৮+ দিলাম না। অাপাতত এগুলো হজম করান। সবগুলো রাজনৈতীক। কমন পড়লে ক্ষমা চাচ্ছি। ভাল কথা, অামি অাজ সেফ হয়েছি
একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের খুব ইচ্ছে হল রাজধানীর রাস্তায় একাকী ঘুরে বেড়াবেন। তাই পরদিন খুব ভোরে নিরাপত্তারক্ষীর পোশাক পরে রাস্তায় বেরিয়ে পড়লেন তিনি। সারাদিন রাজধানীর রাস্তায় ঘুরে ঘুরে অবশেষে ক্লান্ত হয়ে রাস্তায় বসে পড়লেন প্রেসিডেন্ট। ভাবলেন এবার ফেরা দরকার। কিন্তু এতদূর থেকে হেঁটে বাসভবনে ফেরা সম্ভব না। তাই রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ট্যাক্সির জন্য অপেক্ষা করতে লাগলেন তিনি। কিছুক্ষণ পর একটি ট্যাক্সি এসে তার সামনে দাঁড়াল। প্রেসিডেন্ট দরজা খুলে আসনে বসতেই ট্যাক্সি চলতে শুরু করল। কিন্তু প্রেসিডেন্টের আজ ইচ্ছে পূরণের দিন। তাই তার খুব ইচ্ছে হল গাড়ি চালানোর। এদিকে যতই ছদ্মবেশে থাকুন না কেন, ট্যাক্সিচালক প্রেসিডেন্টকে চিনে ফেললেন। তাই প্রেসিডেন্ট যখন গাড়ি চালানোর কথা জানালেন, চালক কথা না বাড়িয়ে হুইল ছেড়ে দিয়ে পেছনের আসনে গিয়ে বসলেন। চালকের আসনে বসে প্রেসিডেন্ট তার বাসভবনের দিকে গাড়ি চালাতে শুরু করলেন। ধীরে ধীরে গাড়ির গতি বাড়তে লাগল। প্রেসিডেন্ট ভবনের কাছাকাছি আসার পর প্রেসিডেন্ট তার ছদ্মবেশ খুলে ফেললেন। আরও কিছুদূর যাওয়ার পর এক ট্রাফিক সার্জেন্ট অবাক বিস্ময়ে ঘটনাটি দেখলেন এবং সদর দফতরে ফোন করলেন।
হ্যালো, হেডকোয়ার্টারঃ
হ্যালোঃগতিসীমা অতিক্রম করে একটি ট্যাক্সি প্রেসিডেন্ট ভবনের দিকে যাচ্ছে।
�তাই নাকি? তাহলে গাড়িটাকে থামাচ্ছ না কেন?�
�না স্যার, ভেতরে যে ছিল সে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।�
খুবই গুরুত্বপূর্ণ! কে সে? মেয়র নাকি?�
�না, মেয়রের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ।�
�তাহলে কে তিনি? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী!!�
�না না তার চাইতেও গুরুত্বপূর্ণ কেউ। একেবারে টপ লেভেল ভিভিআইপি।�
�তাহলে কি তিনি মি. প্রেসিডেন্ট।�
�তার চাইতেও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি!�
এবার অপর প্রান্তে বেশ কিছুক্ষণের নিস্তব্ধতার পর প্রশ্ন এল �তুমি কি আমার সঙ্গে ফাজলামো করছ? প্রেসিডেন্টের চাইতে গুর�ত্বপূর্ণ আবার কে?�
ট্রাফিক সার্জেন্ট বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উত্তর দিল, �না আমি ফাজলামো করছি না। আর আমি তার পরিচয়টাও জানি না। তবে আমি নিশ্চিত হয়েছি যে, তিনি প্রেসিডেন্টের চাইতেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রেসিডেন্ট নিজেই গাড়ি চালিয়ে তাকে নিয়ে যাচ্ছেন।
________________________________________
দুই ব্যক্তির মধ্যে কথোপকথোন :
-- শ্রম শিবির নাকি দারুন জায়গা ? লোকজন নাকি খুব ভালো থাকে সেখানে ?
-- মনে হয় তা-ই ।কারন আমার এক পরিচিত ব্যক্তি এ ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ করেছিল ।তাই তাকে স্বচক্ষে সেখানকার ব্যাপার স্যাপার দেখানোর জন্য কেজিবি নিয়ে গিয়েছিল। সেই যে গেছে, আজও সে ফেরেনি ।মনে হয় খুব পছন্দ হয়েছে শ্রম শিবির ।
________________________________________
কেজিবির এক কর্মীর সঙ্গে দেখা তার প্রতিবেশীর ।
-- শুভ সন্ধ্যা, বলল প্রতিবেশী
-- সন্ধ্যা মানে ? এই ভর দুপুরে বলছেন শুভ সন্ধ্যা !
-- খুবই দুঃখিত ।কিন্তু কি করব বলুন ? আপনাকে দেখলেই আমার চারপাশে সব কেমন অন্ধকার হয়ে যায় ।
________________________________________
মস্কো শহরে ট্রামের জন্য অপেক্ষমান দুই ব্যক্তির মধ্যে হাল্কা কথাবার্তা চলছে ।এক জন বলল,
-- পাউডার ও সরকারের মধ্যে তফাত কি বলতে পারেন?
-- না
-- পাউডার মুখে মাখে, আর সরকারকে কেউ কোথাও ঠেকাতে চায় না ।
ট্রাম এসে পড়ল ।এবার প্রশ্ন করল দ্বিতীয় ব্যক্তি,
-- ট্রাম এবং আপনার মধ্যে পার্থক্য কি বলতে পারেন ?
-- না
-- ট্রাম এখন চলে যাবে নিজের পথে, আর আপনি যাবেন আমার সঙ্গে কেজিবির অফিসে ।
-- কিন্তু আমি তো সরকার বলতে আমেরিকান সরকারকে বোঝাতে চেয়েছি ।
-- বাজে কথা রাখুন ।যে সরকারকে কোথাও ঠেকাতে ইচ্ছে হয় না তা নির্ঘাৎ আমাদেরটা ।
________________________________________

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


