আমার প্রিয় পোস্ট

মেঘের রাজ্য দার্জিলিং ঘুরে এসে...

২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:০৩

শেয়ারঃ
0 0 0

সকাল ৬ টায় বর্ডারে পৌঁছে শুধুই অপেক্ষা। ৮ টায় বর্ডারে লোকজনের আনাগোনা শুরু হলো। বর্ডার পার হয়ে ওপাড়ে যেয়ে গাড়ীতে যখন উঠলাম, তখন ১১টা। শিলিগুড়ির পথে ছোট একটা মারুতি জিপে আমরা ৭ জন । ময়নাগুড়িতে যেয়ে নাস্তা পর্ব সারলাম। তারপর শুধুই ছুটে চলা....। সারা রাত বাসে ঘুমাইনি। ঘুম আসছেও না। মসৃন রাস্তায় গাড়ী ছুটছে ৮০ কিলোতে।

শিলিগুড়ি নামলাম ২ টার সামান্য আগে। দুপুরের খাবার সেরে আবার গাড়ীতে। এবার টাটা সুমু জিপে। শহর পেরিয়ে গাছপালা ঘেরা রাস্তায় ছুটছে জিপ। শুকনা ক্যান্টনমেন্ট পার হবার পরই শুরু হলো পাহাড়ের আঁকাবাঁকা রাস্তা। ১৮১ টা বাঁক পেরিয়ে আমরা যখন দার্জিলিং শহরে....তখন সন্ধা। ৩০০ থেকে ২০০০ টাকার মধ্যে এখানে শ খানেক হোটেল আছে। লাদেন লা রোডে আছে হোটেল গারুডা, হোটেল রাজ প্যালেস, হোটেল অপসারা, হোটেল ইউমা। দত্ত সরণীতে পাবেন হোটেল দিলখোশ, শ্রেষ্ঠ লজ। মল (স্থানীয় ভাষায় মেল বলে) চৌরাস্তায় আছে হোটেল সেভেন সিজ, দি প্লাজা হোটেল, প্যীতি লজ, বেলিভো হোটেল, হোটেল সানফ্লাওয়ার, পাইনরাইজ হোটেল এইসব।

হাত বাড়ালেই এখানে মেঘ ধরা যায়। সেই মেঘে অল্প অল্প ভিজতেও হবে আপনাকে। সমতল থেকে ৬৭০০ ফুট উঁচুতে ভারতীয় এই শহরের নাম দার্জিলিং। দুনিয়ার সেরা চা পেতে চাইলে কিংবা খুব কাছ থেকে দেখতে হলে কান্চনজঙ্ঘা পর্বত, নয়তো ৭৮০০ ফুট উঁচু টাইগারহিল থেকে সূর্যোদয় দেখতে চাইলে - দার্জিলিংয়ের বিকল্প নেই। পাহাড়ের গা কেটে বানানো এই শহরের মানুষগুলো হাঁটতে ভালোবাসে। হোটেল ব্যবসা, গাড়ী চালানো আর চা বাগানে কাজ করেই তাদের চলে যায়। এখানকার প্রধান ভাষা নেপালি হলেও হিন্দী-বাংলা-ইংরেজি তিন ভাষাই চলে এখানে। সারা বছরই শীত। তবে নভেম্বর, ডিসেম্বরে তাপমাত্রা নেমে যায় মাইনাস ২ / ৩ ডিগ্রিতে। এই শহরের মানুষগুলোও সে রকম ঠান্ডা মেজাজের। এখানকার গাড়ী চালকদের দক্ষতা প্রশ্নাতীত। শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং যেতে ৮০ কিলো রাস্তার ১৮১ টা বাঁক পেরুনোর সময় এরা ৩-৪ বার হর্ন বাজায় মাত্র। বাকী পথে আপনি ভয়ে চোখ বুঁজে ফেললেও এরা চালিয়ে যাচ্ছে নির্বিকার !

দার্জিলিংয়ের প্রথম গন্তব্যটা মল চৌরাস্তা। যাওয়ার পথে দুধারে হাজার পণ্যের সম্ভার। শীতের স্যুয়েটার, কাশ্মীরি শাল, ছাতা, ব্যাগ, জুতা, উপহার সামগ্রী... কত্তো কী ! এছাড়াও এখানে পাবেন চা, রুপা ও কাঠের গহনা, মুখোশ, ঘন্টা এই সব। খাবারের দোকানও আছে বেশ কিছু। যা কিনবেন, দামাদামি করেই কিনতে হবে। মল চৌরাস্তায় রোজ বিকেলে হাজার মানুষের মিলনমেলা হয়। চা-পান-আড্ডা সব মিলিয়ে যেনো ঢাকার টিএসসি। ঘোরাঘুরি সেরে নিন রাত ৮ টার মধ্যে। হোটেলের কার্ডটা সাথে রাখুন। পথ হারালেও ভয় নেই, কেউ না কেউ আপনাকে হোটেলে পৌঁছে দেবে।

দার্জিলিং শহরে মোটামুটি ১৭ টি দর্শণীয় স্থান আছে। উল্লেখযোগ্য হচ্ছে :
ক) থ্রি পয়েন্টস
৭৮০০ ফুট উঁচুতে টাইগার হিল। খুব ভোরে এখানে পর্যটকদের ভীড় লেগে যায়। আকাশ সারাক্ষণ মেঘলা থাকার কারণে সূর্যোদয় দেখতে পারাটা ভাগ্যের ব্যাপার। টাইগারহিল থেকে ফেরার পথে পড়বে পৃথিবীর অন্যতম উঁচু রেল স্টেশন ঘুম। এর উচ্চতা ৬৯০০ ফুট। তারপর বাতাসিয়া লুপ। ছোট্ট পার্ক থেকে দেখা যাবে পুরো দার্জিলিং শহর। এই ৩ পয়েন্ট দেখার পর রাস্তার পাশের দোকান থেকে পুরি আর সবজী দিয়ে সকালের নাস্তাটা সেরে নিন।
খ) সেভেন পয়েন্টস
চিড়িয়াখানা ও হিমালয়ান মাউন্টেইনেরিং ইনিস্টিটিউট এক সাথে দেখা যাবে। পরবর্তী গন্তব্য চা বাগান। ছবি তোলার জন্য দারুণ জায়গা ! এর একটু উপরেই পাহাড়ের গায়ে তিব্বতি এতিমদের আশ্রম। পাশেই তেনজিং রক। দড়ি বেয়ে ১১০ ফুট পাহাড়ে উঠতে হলে ১৫ টাকার টিকিট করতে হবে। এই সব দেখতে দেখতেই দুপুর।
গ) ফাইভ পয়েন্টস
প্রথমে যাদুঘর দেখা। তারপর জাপানি মন্দির। লাল কুঠি বা কাউন্সিল হাউজ দেখার পর এভা আর্ট গ্যালারি। সবশেষে ধীরধাম মন্দির।
ঘ) স্পেশাল পয়েন্টস
এবার গঙ্গামায়া পার্ক। দার্জিলিং শহর থেকে ৩৫০০ ফুট নিচে। ঝরণা-ঝুলন্ত ব্রিজ-রং করা বিশাল সব পাথর....আরো কত্তো কী আছে ভেতরে ! ১০ টাকার বিনিময়ে নেপালি পোশাক পাওয়া যায়- ছবি তোলার জন্য। সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকে এ পার্ক। পার্ক থেকে বেরিয়ে আসুন। সামনেই গুলশান কফি হাউজ। বিকালের নাস্তাটা সেরে নিন এখানে। দোকানের মালিক মোঃ ইব্রাহিম বাট। চমৎকার বাংলায় কথা বলেন এ ভদ্রলোক। ফেরার পথে রক গার্ডেন। এখানে ৪০০ ফুট উপরে রয়েছে চমৎকার ব্রিজ আর ঝরণা। এটা খো থাকে সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত।
যেতে চান ?
হানিফ, এস আর পরিবহন যায় বুড়িমারি বর্ডার পর্যন্ত। শ্যামলী পরিবহন যায় শিলিগুড়ি পর্যন্ত। অবশ্য বর্ডার পেরিয়ে গাড়ী পাল্টাতে হবে আপনাকে। সাথে নিন : গরম স্যুয়েটার / জ্যাকেট। দার্জিলিং ১২ মাসই শীত। দুরবীন, ক্যামেরা, ব্যাটারি, ফিল্ম নিয়ে নিন। তবে ছবি যাই তোলেন না কেনো, সেখানেই ডেভেলপ করে নিতে হবে। অন্যথায় বর্ডারে আপনার ক্যামেরা থেকে ফিল্মটা খুলে রেখে দেবে। ডিজিটাল ক্যামেরার মেমোরি কার্ডটা খুলে রেখে দিন স্বযতেœ। যাবার পথে ক্যামেরা বা মোবাইলের কথা পাসপোর্টে উল্লেখ করুন। তো রেডি হয়ে যান...১.....২.....৩

 

সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:১৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:০৫
বৃত্তবন্দী বলেছেন: ভুড়িমারি না হইবো বুড়িমারি
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:০৯

লেখক বলেছেন: অই হইলো। আরে ভাই, জীবনে এতোবড় লেখা একসাথে টাইপ করি নাই....

২. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:১৫
সালাহউদ্দীন মুহম্মদ সুমন বলেছেন:
ইশি রে ইত্তো সুন্দর জায়গা আমাকে রেখেই ঘুরে এলেন ?

+++++
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১৬

লেখক বলেছেন: ও কে নেক্সট টাইম...

৩. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:২১
মিলটন বলেছেন: বস কি আবার গাইডের ব্যাবসায় নামবেন? জীবনে তো কম কিছু করলেন না। আর কত?
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১৭

লেখক বলেছেন: ও তাইতো ! কোথাও ঘুরে এসে সে স্থান নিয়ে পোস্ট দেয়া মানে গাইডের ব্যবসা....?? ঝা...ন....তা....ম.....না !!!

৪. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৩১
আনিসুজ্জামান উজ্জল বলেছেন: ছবি এতদ ছোট ক্যান? আবার কবে যাবেন জানাবেন। নাইলে খবর আছে!
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৪

লেখক বলেছেন: এই বছর আর না ! যা শীত !!

৫. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৫১
বাবুয়া বলেছেন: আমার বড় ছেলেটা দার্জিলিং কনভেন্ট স্কুলে পড়তো। তখন খুব যেতাম আমরা। ছেলেটা এখোন বেশ বড় হয়েছে। লম্বা এবং বুদ্ধিতেও। ২১ বতসর বয়সে ৬'-২" লম্বা হয়েছে। আমি ৫'-১০" লম্বা। নর্থ সাঊথ ইঊনিভারসিটিতে বি বি এ অনার্স ফাইনাল ইযার পড়ছে।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৫

লেখক বলেছেন: খুবই চমৎকার জায়গা, আমি দুইবার গিয়েছি। আবারও যাবার ইচ্ছে আছে। আপনার লম্বু ছেলের জন্য অনেক শুভ কামনা

৬. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৮
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: খবর না দিয়া একা একা গেছেন। কইষা মাইনাস।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:০৮

লেখক বলেছেন: পরেরবার এক লগে যামু বস। টুটলার বৌসহ হানিমুনে....

৭. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৯
রুধীণ বলেছেন: মেঘ কি একটু আনা হইছে বাক্সত কইরা? যাইতে গেলে টিপস গুলা কাজে লগবো। পোষ্ট আটকাই রাখলাম।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:০৭

লেখক বলেছেন: জ্যাকেটের পকেটে কইরা আনছিলাম। বাসায় আইসা দেখি ফুড়ুৎ...

৮. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:১৯
ইউনুস খান বলেছেন: আমার যাইবার মন চাইতেছে
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:২৪

লেখক বলেছেন: লন যাই, তয় প্যান্টের কোমরের মাপ ঠিক আছে তো ?? ২/১ টা মামার মাইয়ারে সাথে লওন যায় না খান সাব ??

২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৮

লেখক বলেছেন: কী ??????

১০. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৪০
ৈকলাশ বলেছেন: ফাটাফাটি লেখা আর ফটো হইছে :)
কবে গেলেন??
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:০৮

লেখক বলেছেন: গেল হপ্তায়, হঠাৎ কইরাই গেলাম...

১১. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৫
মাহবুব সুমন বলেছেন: ভাবীর কথা পোস্টে না লেখায় মাইনাস ;)

নেক্সট টাইম দেশে গেলে যাবার ইচ্ছা আছে। একটা বড় গ্রুপ হলে সেরকম হয়। একা একা ভ্রমন আর হজ্বে তীর্থে যাওয়া একই জিনিস।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:০৮

লেখক বলেছেন: আগে দেশে ফিরুন, তারপর....!!

১২. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:১৩
মুহিব বলেছেন: ইনশাল্লাহ একবার যাব। প্রিয়র লিস্টতে রাখলাম।
১৩. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:১৩
মাহবুব সুমন বলেছেন: বস, নেক্সট ইয়ার এ সময়ে যাবো ( সিউর না :( ) নাইলে ডিসেম্বর
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:২৭

লেখক বলেছেন: ওকে, আসেন। বাঁইচা থাকলে একলগে যামুনে...

১৪. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:১৬
স্বপ্নশিকারী বলেছেন: ভাই সিকিম(গ্যাংটক ) গেলে দার্জিলিং আর যাইতে ইচ্ছা করবো না।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:২৬

লেখক বলেছেন: সিকিম যাওয়ার ব্যাপারে একটু বাধা নিষেধ ছিলো বলে যেতে পারিনি...তবে শুনেছি দা------রু-----ন !!!

১৫. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:২৮
স্বপ্নশিকারী বলেছেন: কনো ব্যপারই না।
খামাখাই ভয় দেখায়। বলবেন আমরা কলকাতা থেকে আসছি।
ব্যাস।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৮

লেখক বলেছেন: পরেরবার এই ভুল আর করুম না। থ্যাংকু ।

১৬. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪১
বিবেক সত্যি বলেছেন: খাড়া রাস্তা দিয়ে জীপে নামার সময় কান স্তব্ধ হয়ে যায়...
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: উঠতে এবং নামতে যা ভয় পেয়েছিলাম, মাইরি বলছি !!!

১৭. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:০৯
শিবলী নোমান বলেছেন: কবে গেছিলেন? ও বুঝছি, আপনি সমকালের কার্জনরে দাওয়াত না দেয়ার কারণে আপনের নাম মেজবাহ যায়েদ লিখছিলো!
২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:২১

লেখক বলেছেন: গেল হপ্তায়...
হাহাহাহাহাহাহাহা (অট্টহাসি)

১৮. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৫
আহমেদ হেলাল ছোটন বলেছেন: দার্জিলিং নিয়ে আমার অনেক ভালো লাগা আছে।
এত ভালো লেগেছিল যে ৪ বার ঘুরে এসেছি- এখন সরকারী আদেশ ছাড়া দেশ ত্যাগ করতে পারিনা।
আপনার দেয়া পয়েন্টগুলো সবই সুন্দর- তবে দার্জিলিং থেকে একটু অফট্র্যাকে- রিশপ, জোরপুখরি, লাভা, লোলেগাঁও, আর রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিবিজরিত মংপু আর কালিম্পং ঘুরে আসবেন সময় পেলে। িদিন সাতেক সময় নিয়ে গেলে সব দেখতে পাবেন।
আপনার পোস্টে দেয়া ছবিগুলো কি আপনার তোলা?

সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ।
২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:২১

লেখক বলেছেন: আমারও ভীষণ ভালো লেগেছে শহরটা। বিশেষ করে ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের দল বেঁধে স্কুল ড্রেস পরে রাস্তার পাশ দিয়ে হেঁটে স্কুলে যাবার দৃশ্য.... গ্রেট ! মেঘ, কুয়াশা, বৃষ্টি আর রোদের অপূর্ব সমন্বয়....!!

না ডাক্তার, ছবিগুলো নেট থেকে নেয়া...

আপনাকেও ধন্যবাদ

১৯. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৩০
বিবেক সত্যি বলেছেন: আপনি ছবি তুলেন নি ? আপনার তোলা ছবির ও কিছু দিয়েন... আমার ছবিগুলো সব হারিয়ে গেছিলো.. বিরাট আফসোসের ব্যাপার.. :(
৩০ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৫৯

লেখক বলেছেন: আমিও তুলেছি ম্যালা ছবি। দেব আরেকদিন...

২০. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৫০
মুহিব বলেছেন: আবার চেক করে দেখলাম। যাওয়ার জন্য প্ল্যান করছি।
২১. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৫৩
মুহিব বলেছেন: মেসবাহ য়াযাদ, আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার এই পোস্ট পড়ার সময় আমি মেঘের রাজ্যেই ঘুরতাম। আর যখন আমি সত্যি মেঘের দেশে গেলাম তখন আপনার লেখা মাথায় ঘুরত।
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও। ভালোকথা, আপনার পোস্টে বলতে ভুলে গেছি- আপনি কি বৌসহ জাননি ??

২২. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:১৪
মুহিব বলেছেন: বৌসহই গিয়েছিলাম।
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: আমারও আবার যাইতে মঞ্চায়...

২৪. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৪
সুবিদ্ বলেছেন: আবারো যাওয়ার ইচ্ছা হচ্ছে.......
২৫. ১৩ ই মে, ২০১০ দুপুর ১:৫৭
শেরজা তপন বলেছেন: ভাল লিখেছেন-আমারতো বর্ডার পেরুতেই ২টা বেজে গিয়েছিল-দার্জিলিঙ পৌছেছিলাম রাত আটটায়!
মেষের টিপস্ টা ভাল লেগেছে। আমি অবশ্য ফিল্ম নিয়েই এসেছিলাম।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০০০২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
দেশটাকে অনেক ভালবাসি আমি। ভালবাসি বউ আর আমার ছেলে ‌‌ রোদ্দুর কে।
ঘেন্না করি রাজাকার, কুত্তা আর সাপকে। ঘোরা, আড্ডা আর...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ