আমার প্রিয় পোস্ট
- মুভি রিভিউ :: অশ্রুর বাঁধ ভেঙে দেয়া ১৩ টি সিনেমা - মেহরাব শাহরিয়ার
- আরেকটা একইরকম দিন: কিছু ব্যাতিত্রুমী মুভির কালেকশন - বিডি আইডল
- দুনিয়ার সুর- সুরের দুনিয়া - কিষান
- কফিহাউজে আড্ডার অনুলিখন - স্বদেশ হাসনাইন
- চুয়ান্নের বাইশে অক্টোবরঃ কবি! - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- রসু খাঁ, তার খুনসমূহ এবং ক্রসফায়ারচিন্তা - সুমন রহমান
- কক্সবাজারঃ সমুদ্রে নামতে না চাইলেই, বৃষ্টি এসে আপনাকে ভিজিয়ে দিবে... - মুনশিয়ানা
- ব্যাপক মেটাল ক্লাসিফিকেশন আর তদ অনুযায়ী ডাউনলোড লিংক- রোজার মধ্যে মেটালগানের বস হইয়া যান সবাই-২! - উদাসী স্বপ্ন
- ছোটগল্প : আমার মৃত্যু পরবর্তী চিঠি - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ প্রসঙ্গে।। - মাশা
- নিমন্ত্রণ - লেফাফাদুরস্ত
- টেকনো আর ইলেকট্রনিকা :: খারাপ না, চলে - শূন্য আরণ্যক
- স্বাধীনতা আর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কর্পোরেট ফাজলামি : শেষ কোথায়? - ফারহান দাউদ
- অন্তর্জালে আমি কাদের কাদের পুন মার্তে চাই? - পাগলা গারদের ওয়ার্ডেন
- মুসলিমদেরকে কোরআনের মত স্মার্ট হতে হবে - একলা একজন
- ছোটগল্প : যখন একুশ শতকের আকাশে ফুটছিলো ফসফরাস ফুল, সভ্য কুকুরটি তখন নিহত হয়েছিল - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- কবিতা সংকলন - জ্বিনের বাদশা
- জোছনা, সেইরাতে তবুও পৌষ মেখেছিলো - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- গল্পঃ বাথরুমে গণতন্ত্রের পতনে শ্যাওড়াপাড়ার মানুষেরা যা করে - মোস্তাফিজ রিপন
- আজ রাতে কোথায় ঘুমাবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- দুঃস্বপ্নের যাত্রী (গল্প).......//ইমন - শফিউল আলম ইমন
- গল্পঃ দেয়ালের ওপাশে - মোস্তাফিজ রিপন
- আমার কবিতারা না হয় ঘুমিয়ে পড়ুক। - রাতিফ
- On Fakir Lalon Shah by Farhad Mazhar - সেলিম তাহের
- সংখ্যা ব্লগ : আমাদের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- বাংলা ইউনিকোড ভিত্তিক ওয়েব সাইট - ক্যামেরাম্যান
- একটা কবিতা লিখতে চাই - ফারহান দাউদ
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের বধ্যভূমি...... - ফেরারী পথিক
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- একুশের প্রথম কবিতা - লাইটহাউজ
- '৭১ এর বুড়ি : সাধারণ কিছু মানুষের গল্প - ফারহান দাউদ
- মানুষ একাকী এক মিথ - মৃদুল মাহবুব
- বিহংগের বয়কট - বিহংগ
- জনস্বার্থের পোস্ট: ব্লগে আপনার নিজের সেরা লেখা কোনটি? (সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক)
- জ্বিনের বাদশা
- খিদে,অনেক খিদে - ফারহান দাউদ
- বলে দাও তবে·····সর্ম্পকটা কী ? - ভাস্কর চৌধুরী
- আমি যেভাবে ভালোবাসি - সন্ধ্যাবাতি
- নরাধমের কালজয়ী উপন্যাসঃ সে এক অমর প্রেম কাহানী - পর্ব ১ - নরাধম
- দহন - সুলতানা শিরীন সাজি
- কেউ কি ফিরিয়ে দেবে সেই শিউলিফুল ? - রাগ ইমন
- ভালোবাসা নিলাম হয়ে গেছে/বিহংগ - বিহংগ
- একটি ফুল খুনের গল্প। প্লিজ পড়ুন, হয়তোবা আপনার দুমিনিট সময় আমার জন্য দিলেন। - বিহংগ
- নিঃসঙ্গতা তোমায় ভালবাসি - বিবর্তনবাদী
- খুঁজি সেই ছেলেবেলা - কৃষ্ণকলি
- চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়.... - আব্দুন নূর তুষার
দুঃস্বপ্নের যাত্রী (গল্প).......//ইমন
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:৪৩
১.
সকাল আনুমানিক সাতটা। মালিবাগের জোয়ার্দার লেনের সামনে চারিদিকে লোক আর লোক। অনেকগুলো রিকশা ইতিমধ্যে রাস্তায় এলোমেলো অবস্থায় জড়ো হয়ে আছে। পূর্ব পশ্চিম দুদিক থেকে টুংটাং বেল বাজিয়ে আরো কিছু রিকশা ভিড়ে এসে জটলা পাকাচ্ছে। তারই মধ্যে কতগুলো যন্ত্রযান আটকা পড়ে আছে। অনড় জ্যাম। মধ্যখানে একটা পুলিশের গাড়ি। অসহায়ের মতো সাইরেন বাজিয়ে চলেছে। মনে হচ্ছে, মাতৃহারা গোবৎস হাম্বা-হাম্বা করছে। অনতিদূরে আটকা পড়া রিক্সায় বসে যুবক এতক্ষণ এসব দেখছিল। তারপর রিক্সা থেকে নেমে সামনের দিকে হাঁটতে থাকে। অনেকে বলছে সামনের পাঁচতলা বিল্ডিং থেকে পড়ে গিয়ে কেউ মারা গেছে। কেউ কেউ অবশ্য আত্নহত্যা বলছে। কিন্তু কেউ জানে না, বলতে পারছে না সে কে। কৌতুহল আটকে রাখতে না পেরে যুবক দু'হাতে মাছি থকথকে ভিড় ঠেলে মাঝে একটুখানি ফাঁক বের করে সামনে এগিয়ে গেলো। এরপরের দৃশ্য দেখে যুবক কিছুটা হলে থমকে যায়। সাড়ে পাঁচফুটের মতো লম্বা গড়নের ক্ষিণকায় দেহের কোন এক যুবতী হাত পা ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনড় হয়ে পড়ে আছে। পরনে ঝলসে যাওয়া খয়েরী রংয়ের পাট-ভাঙা সুতোর শাড়িকে লাল মনে হলো। দেহের চারপাশে ছোপ ছোপ রক্ত। বিদেশে হলে এতক্ষণে এই জায়গা সিল করে দেয়া হতো। মৃতদেহের চারপাশে যেভাবে পড়েছিল শাদা চক দিয়ে চিহ্ন এঁকে রাখা হতো। এতক্ষণে তদন্তের কাজও হয়তো শুরু হয়ে যেতো। সাথে সাথে ছবি তুলে এ্যম্বুলেন্সে করে মৃতদেহটি সরিয়ে ফেলা হতো। কিন্তু এখানে আপাতত উৎসুক জনতার ভিড় ছাড়া তার কিছুই চোখে পড়ছে না। তৃতীয় বিশ্ব বলেই হয়তো এখানে মানুষের মৃতদেহকে মাদুর পেঁচিয়ে রিকশা না হয় ঠেলাগাড়িতে করে মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। অবশ্য মৃতদেহের ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে পুলিশের ভ্যানে করে নিয়ে যাওয়া হয়।
তারপর হঠাৎ যুবতীর চেহারার দিকে চোখ যেতেই যুবক আঁতকে উঠে। চেহারার সাথে বিবাহিতা স্ত্রীর মিল খুঁজে পেয়ে যুবকের গলা শুকিয়ে আসে। হন্তদন্ত হয়ে যুবক প্যান্টের পকেট থেকে হাতড়িয়ে মোবাইল বের করে বাসায় ফোন দেয়। হ্যালো.....
এতটুকু দেখার পর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ৫০১ নাম্বার রুমের কয়েদী আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়। আমি রীতিমত ঘামছি। কাঁপা কাঁপা হাতে স্যাঁতস্যাঁতে হিম সর্প শীতল ফ্লোরে রাখা কলসটা নিয়ে ঢক ঢক করে সবটুকু পানি খেয়ে নিই। এ দুঃস্বপ্ন প্রতিরাতে আমাকে তাড়িয়ে বেড়ায়। এভাবে আমার প্রতিটা ভোরের শুরু হয়। তারপর দিন কেটে যায়। সন্ধ্যা আসে। আবার রাত হয়। শুধু সময়ের চোরা স্রোতে আটকে পড়া এই আমি ঝা চকচকে সূর্যের হাসি দেখিনা গত পাঁচটি বছর ধরে। ছাদের ওপারের দূর আকাশের উড়ে যাওয়া শাদা-কালো কিংবা স্থির হয়ে বসে থাকা নীল মেঘগুলো দেখিনা অনেকদিন। ক্ষ্যাপাচোখে আমি তৃষ্ণার্ত দেয়ালে নীল দেখি। নীল আসলে শূন্যতা। নীল আমার ভেতরের মানুষটি। মীরা মৃত্যুর ওপার থেকে মাঝে মাঝে চলে আসে আমার এই রুমটিতে। আধাঁরে একটা জোনাকি পোকার মতো সে মৃদু স্মৃতির আলো জ্বেলে পৃথিবীর অবসিত জীবনে খুঁজে বেড়াচ্ছে তার একটি প্রশ্নের উত্তর। কেন? কেন?? সেই কেন এর উত্তর পেতে স্মৃতির সুতো ধরে ধরে আমি সেসব দিনে চলে যায়।
২.
যশোরের এক অঁজপাড়াগায়ের নুন আনতে পানতা ফুরায় পরিবারে আমার জন্ম হয়েছিল। জন্মের পর থেকেই আমার যমজ বোন অভাবের সাথে সখ্যতা গড়ে উঠে। তারপর রিক্সাওয়ালা বাবার কষ্টার্জিত টাকায় আমি একদিন ইন্টার পাশ করে অনেক বড় হবার স্বপ্ন দেখতে শুরু করি। আমার অশিক্ষিত মায়ের মুখের রেখায় দুদন্ড হাসি ফোটানোর স্বপ্ন, দিনমজুর বাবার হাতে একমুঠো সুখ দিতে পারার স্বপ্ন। তাই যশোরের অঁজপাড়াগায়ের এই আমি স্বপ্নের শহর ঢাকায় চলে আসি। বাক্সভর্তি স্বপ্ন নিয়ে ভর্তি হয়েছিলাম ঢাকা ইউনিভার্সিটি'তে। কিন্তু ইউনিভার্সিটিতে কারো সুপারিশ না থাকায় হলে উঠার সুযোগ পাচ্ছিলাম না। এতো বড় ঢাকা শহরে কোথাও ঠাঁই নেই আমার। কোথায় যাবো আমি? কোথায়? স্কুলে হঠাৎ পড়া ভুলে যাওয়া ভীত বালকের মতো অস্থিরভাবে চারিদিকে হা-হুতাশ করছিলাম। তারপর একদিনের পরিচয়ে নেতা টাইপের একজনের বদৌলতে হলের একটি রুমে উঠি। ছোট একটা রুম, তাতে তিনটা বেড। তিনটা বেডে নয়টা ফ্লোর, মানে প্রতিটা খাট তিনতলা। আর নয়টা ফ্লোরে ডাবলিং করে থাকে আঠারো জন বৈধ ছাত্র। আবার প্রায়ই কারো না কারো অথিতি এসে থাকে। অবৈধ বহিরাগত অছাত্রের জন্য খাটের নিচের জায়গাটা পরম আশ্রয় বটে। আসার সময় মশারি আনিনি বলে প্রথম প্রথম মশার হাত থেকে বাঁচতে পায়ে মোজা হাতে দস্তানা, মাথায় কাপড় পেঁচিয়ে শুয়ে পরতাম। সকালে ক্লাসে যেতাম। ক্লাস শেষে ক্লান্ত পায়ে হেঁটে হেঁটে কোথাও কোন টিউশনি আছে কিনা খোঁজ লাগাতাম। এভাবে দিন চলে যাচ্ছিল। তারপর একদিন পূর্ব পরিচয়ের সেই নেতার অতিরিক্ত জোরাজুরিতে অনিচ্ছা থাকা স্বত্ত্বেও হল থেকে বিতাড়িত হবার ভয়ে ছাত্র সংসদের মিটিংয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিলাম। পরিচয় হয়েছিল সংসদের আরো অনেকের সাথে। পরে আরো বেশ কবার গিয়ে কবে যে ওদের নোংরা রাজনীতিতে জড়িয়ে গেলাম টেরই পায়নি। তারপর মিটিং-সেমিনার নিয়ে খুব ব্যস্ত হয়ে যায়। ধীরে ধীরে আমি ছাত্র সংসদের বড় বড় নেতাদের খুব কাছাকাছি চলে আসি। মাঝে মাঝে বড় ভাইদের হাত ধরে দু একটা এমপির সাথেও দেখা করতে যেতাম। শুধু পড়ালেখাটা আস্তে আস্তে করে দূরে সরে যাচ্ছিল। নেতাদের নির্দেশে ঢাকা শহরের বিভিন্ন অপারেশনে যাওয়া শুরু করি। এভাবে আমি দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে উঠি। ততদিনে ষ্টুডেন্ট পলিটিক্স ক্লাস ওয়ানের দু'য়ের নামতার মতো মুখস্থ হয়ে গিয়েছিল আমার।
দু'বছর পর সংসদের জিএস নির্বাচিত হই। আমার মতো ডাষ্টবিনের মশা হঠাৎ করে এতোবড় ক্ষমতা হাতে পেয়ে কি করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। সামনে এগোতে তেরজন, পেছনে বারোজন আমাকে ওস্তাদ ওস্তাদ করতো। আমার হাতে কলমের বদলে উঠে আসে মন্ত্রীর টাকায় কিনে দেয়া অত্যাধুনিক অস্ত্র। ইউনিভার্সিটির সবাই ভয়ে আশে পাশে ভিড়তো না। এই জীবনটাকে এতোটাই উপভোগ করতে শুরু করি যে আমি আমার রিক্সাওয়ালা বাবার কথা ভুলে যায়, ভুলে যায় আমার অশিক্ষিত গ্রাম্য মায়ের কথা। মন্ত্রী-এমপি'দের পোষা কুত্তা হয়ে বেঁচে থাকার মধ্যে আনন্দ খুঁজে পায়। ঢাকা শহরের বড় বড় টেন্ডার নিজের নামে পেতে শুরু করি। ততদিনে আমার ভেতরের মূল্যবোধকে আমি শক্ত করে পলিথিনের ব্যাগে ভরে কোন একদিন নষ্ট শহরের চৈতালী বাতাসে উড়িয়ে দিয়েছি, কারো নজরে আসার আগে। এভাবে আমার দ্বিতীয় জীবনটাও চলে যাচ্ছিলো। ঢাকা শহরে গাড়ি বাড়ি যেসব কোনদিন আমার ছিল না সব হয়েছে, শুধু যে মা-বাবা আমার নিজের ছিল তাদের আপন করতে পারিনি। অসুস্থ বাবা আমাকে চিনেনি। যে মায়ের নরম শাড়ির আঁচলে লজ্জায় একদিন মুখ লুকাতাম, সে মা অস্ত্রহাতে নিজের ছেলের ছবি দেখে মুর্ছা গিয়ে পরে মরে গিয়েছিল। এই শহরে বড়লোকদের কোন চক্ষুলজ্জা নেই, আছে শুধু তাদের যারা দুমুঠো খেতেও পারে না।
৩.
তারপর একদিন তাকে দেখি, যাকে দেখামাত্রই পৃথিবীর সব, যা যেখানে ছিল, স্থির হয়ে পড়লো। থেমে গেলো সব যানবাহন- রিক্সা, মানুষ, এমনকি ট্রাফিক পুলিশের হাত। এই কংক্রিটের জঙ্গলে মানবদঙ্গলের ফাঁকে সে আমার মতো অমানবের মনে একটুখানি শান্তির স্পর্শ বুলিয়ে গেলো। তাকে দেখে আমি ক্ষণিকের জন্য ভুলে গিয়েছিলাম যে, আমি অনেক বড় একজন নেতা। যাকে দেখে ভয়ে সবাই মাথানিচু করে হাঁটে। তার চোখে চোখ রাখতেই সে মুখ ফিরিয়ে নিলো অন্যদিকে। ভয়ে নাকি লজ্জায় বুঝতে পারিনি। পরে খবর নিয়ে জানলাম সে এ্যকাউন্টিং তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। আরেকদিন দেখা হয়ে গেলে ওর নাম জানার লোভ সামলাতে পারিনি। নিচুস্বরে আমি 'মীরা' বলে ধীরে পায়ে চলে গেলো। যতদূর যায় আমি অপলক চোখে তার চলে যাওয়া দেখছিলাম। তারপর কবে যে আমি তৃতীয় জীবনে প্রবেশ করেছি বুঝে উঠতে পারিনি। তাকে একপলক দেখতে, তার সাথে একটু কথা বলতে মুখিয়ে থাকতাম। আস্তে আস্তে আমি দ্বিতীয় জীবনের উৎসাহ হারিয়ে ফেলি। মিটিং থেকে শুরু করে দলের বিভিন্ন কার্যক্রম ফাঁকি দিতে শুরু করি। অনেকদিন দূরে দাড়িয়ে থেকে তাকে দেখতাম। কাছে যাবার সাহস পেতাম না। অথচ আমাকে কত মানুষ ভয় করে। যেই আমি অনেকের কাছে ভয়ন্কর বিষ্ফোরণ, সেই আমি এই মেয়েটির কাছে দুধের বালক। এই মেয়েটির কাছে আমার কিসের ভয়। সেকি আমাকে হাত পা ভেঙ্গে দিবে, নাকি কাউকে ইশারায় বলবে 'ফেলে দে'। দূর, আমি কিসব ফালতু চিন্তা করছি।
তারপর কোন একদিন, যেদিন প্রচন্ড গরম পড়ছিল, আকাশ ছিল তাতানো, বাতাসে ভাসমান সিসাগুলো যেন গলে গলে পড়বে, সেদিন আমি তাকে কাঁপা কাঁপা গলায় ভালোলাগার কথা বলেছিলাম। এটা মুখ থেকে বের হবার পরে ঠান্ডায় আমার হাত পা অবশ হয়ে আসছিল। সে কিছু না বলে চলে যাচ্ছে, অথচ আমি তাকে আটকাতে পারছি না। এভাবে কতদিন অপেক্ষায় ছিলাম। এই বুঝি সে আসবে, কিছু বলবে, এই ভেবে বেহুশ আমি অচেনা নেশায় ডুবে ছিলাম । কিন্তু যার জন্য এতো অপেক্ষা সে আসেনা।
পরে একদিন জানতে পারি সে এক ক্লাশমেটের সাথে প্রেম করছে, ঘুরোঘুরি করছে। এটা শুনে আমার কিছু ভালো লাগে না। আমি ওকে দেখে ভালো থাকতে পারতাম না। পৃথিবীটা ওলট পালট মনে হতো। ইউনিভার্সিটিতে ওদের দুজনের টইটই করতে দেখলে আমার ভিতরে জ্বালা করতো। আমি চাইলেই হাতের ইশারায় ঐ ছেলেটাকে ফেলে দিতে পারতাম। কিন্তু কেন জানি আমার সেটা করতে ইচ্ছে হলো না।
৪.
দলের এক এমপির কথায় কৌশলে ওদের বাসায় বিয়ের প্রস্তাব পাঠায়। মামলা ঠুকে দেয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে এমপির প্রভাব কাজে লাগিয়ে এক মাসের মাথায় তাকে বিয়ে করে মালিবাগের বাসায় নিয়ে আসি। বিয়ের পরে প্রথম কিছুদিন সে আমার সাথে কথা বলেনি। কিন্তু খুব বেশিদিন চুপ করে ও থাকেনি। তবে, সে আমার চাইতে করিম চাচার সাথেই বেশি কথা বলতো। করিম চাচা যিনি রিক্সা চালাতেন, যার মাঝে আমি আমার বাবার ছায়া দেখতে পায়। বেশ কিছুদিন আগে বিরোধীদলের এক নেতার গুলি খেয়ে নালায় পড়ে বিষ-যন্ত্রণায় নলীকাটা জবাই করা মুরগীর মতো ছটপট করছিলাম। তিনি আমাকে ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেদিন এই করিম চাচা না থাকলে আমি মরে এতোদিনে পঁচে যেতাম। মানুষটির আপন বলতে কেউ নেই, আমার মতো। তাই তাকে বাসায় নিয়ে আসি।
বাসার নিচে তিনটে গাড়ী, সাত-আটজন কাজের লোক থেকে শুরু করে সব কিছুই ছিল। শুধু সুখ নামের অধরা শ্বেত কপোতটি আমাদের ছিল না। তারপরও এই শহরের অন্যান্য সংসারের মতো আমাদের সংসার চলে যাচ্ছিলো। এক বছরের মাথায় আমাদের কোলে একটা ফুটফুটে কন্যাসন্তান আসে। আমি ওর নাম রেখেছিলাম 'সুরি'।
মাঝে মাঝে আমি মদ খেয়ে মাতাল হয়ে বাসায় ফিরতাম। এটা মীরার একদমই পছন্দ ছিল না। অনেক বাড়াবাড়ি করতো। আমি বলি, বড়লোক- মন্ত্রী সম্প্রদায় মানুষদের সাথে উঠাবসা করলে একটু আধটু খেতে হয়। মাঝে কোন একদিন সে তার পুরনো প্রেমিকের সাথে দেখা করতে গিয়েছিল। ড্রাইভারের কাছ থেকে এটা বের করতে আমার খুব একটা সময় লাগে নি। এটা নিয়ে তার সাথে আমার প্রচন্ড ঝগড়া হয়। এরপর থেকে আমি ওকে সন্দেহ করতে শুরু করি। এটা নিয়ে চরম অশান্তিতে আমার দিন কাটতো। আমি প্রতি রাতেই মাতাল হয়ে বাসায় আসতে শুরু করি।
৫.
একদিন মাতাল হয়ে বাসায় ফিরলে তার সাথে প্রচন্ড রকমের ঝগড়া হলে সে তার বাবার বাড়ি চলে যেতে চেয়েছিল। আমি অনেক ধস্তাধস্তি করে আটকালে সে দৌড়ে ব্যালকনিতে যায়। পেছন পেছন আমাকে যেতে দেখে সে লাফ দিতে গেলে আমি তাকে ধরতে যায়। কিন্তু আটকাতে পারিনি। সে ততক্ষণে পাঁচতলার উপর থেকে নিচে পড়ে যায়। আমি সহ করিম চাচাকে নিয়ে হাসপাতালে যেতে যেতে ততক্ষণে সব শেষ হয়ে যায়। মীরা ক্ষোভে, অপমানে মৃত্যু নামক দূরের সমুদ্রে চলে যায়। যেখানে গেলে কেউ আর ফিরে আসেনা। তারপর ওর বাবা বাদী হয়ে আমার নামে খুনের মামলা ঠুকে দেয়। কিন্তু উপরের নির্দেশে একমাসের মাথায় আমি জেল থেকে বের হয়ে আসি। জেল থেকে বের হয়েও আমি পাপের জেল এবং একটি দুঃস্বপ্ন থেকে বের হতে পারিনি। আমি প্রায় পাগল হয়ে যায়। নিহত বউয়ের সাথে আমিও খুন হয়ে গেছি। আমার শরীর কেটে ছিঁড়ে সেলাই করেছে পোষ্টমর্টেমের ডাক্তার আর মেথর।
তারপর একদিন একমাত্র মেয়েটাকে ওর নানুর কোলে দিয়ে আসি। নিজেকে চাঁদাবাজী, ছাত্রনেতা শান্টু খুনের সাথে জড়িত থাকাসহ অবৈধ অস্ত্র রাখার অপরাধ দেখিয়ে আত্নসমর্পণ করি। দলের সবাই এতে খুব অবাক হয় এবং আমাকে ছাড়িয়ে নিতে তৎপর হয়। কেউ কেউ বিদেশে চলে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছিল। কিন্তু আমি নিজমুখে জবানবন্দী দিয়ে কারাভোগের শাস্তি মাথা পেতে নিই।
আমার বুকের বাঁ দিকে মাঝে মাঝে খুব ব্যথা হয়। নিশুত রাতে অস্ফুট শব্দ করে জেগে উঠি ব্যথায়। অপমান অবহেলা কম জমা হয়নি। মাঝে মাঝে ভাবি, আমার বেঁচে থাকা বুঝি অসঙ্গত। মৃত্যুর হিম মাঝে মাঝে দূর থেকে, কাছ থেকে স্পর্শ করে যাচ্ছে। হাত বাড়াচ্ছে, আবার সরিয়ে নিচ্ছে। বুকের ভিতর দিনদিন বেড়ে উঠা জৈব পাথরের হাড় নিয়ে বেঁচে থাকি, ভারে মাঝে মাঝে নুইয়ে পড়ি। ব্যর্থতা বুকে, অক্ষম দেহে দুঃসময় আমাকে নিষ্ঠুর হাতে চাবুক মারছে প্রতিনিয়ত। জানো মীরা, আমার একটি নিজস্ব আকাশ আছে। সেই মরা আকাশে জ্যান্ত একটা নক্ষত্র আছে। সেটা কে জানো, সে তুমি।
ঘুমহীন আমি ডুবে যায়, ডুবতে ডুবতে নদীর অতল থেকে আবার বাঁচতে চাই। একমাত্র মেয়েটার জন্য বাঁচতে খুব ইচ্ছে করে মীরা। করিম চাচা কিছুদিন আগে একবার তাকে নিয়ে এখানে এসেছিল। সে এখন অনেক বড় হয়ে গেছে। জানো, সে তোমার মতো আমার সাথে কোন কথা বলেনি, শুধু ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়েছিল। সে তার বাবাকে ঘৃণা করে। খুব ইচ্ছে হচ্ছিল তাকে বুকে চেপে ধরে আদর করি। যে আদরে আমার চোখ বন্যায় ভেসে যাবে। তাকে বলতে ইচ্ছে করছিল, মামনি এই ইট পাথরের শহরে খুব সাবধানে বড় হয়ো। কারণ, তোমার ভিতরেই যে আমার বেঁচে থাকা।
(সম্পূর্ণ কাল্পনিক একটা গল্প। পাঠকদের কাছে অনুরোধ সবাই আমার লেখাটির সমালোচনা করবেন, ভুল বানান ধরিয়ে দেবেন। ভালো লাগাটুকু (যদি আদৌ ভালো লেগে থাকে), আর যেখানে ভালো লাগেনি সেটা জানাবেন।)
এই গল্পটি আমার খুব প্রিয় দুজন মানুষকে উৎসর্গ করতে ইচ্ছে হলো। একজন আকাশচুরি নামের অন্তরালে তারেক ভাই, অন্যজন মোস্তাফিজ রিপন ভাই। যারা আমাকে ভাবতে শেখায়। যাদের লেখার আমি একনিষ্ট পাঠক, ভক্ত।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৩৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: হ শান্ত তুমি তো ছিলাই। তয় ইমনের পরে ভাইটা বাদ দেও। কেমুন জানি বুড়োবুড়ো লাগে।![]()
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আমি আছি ভালো আপু। আপনি কেমন আছেন?
পড়ে ভুল বানান ধরিয়ে দিবেন কিন্তু।
ভালো থাকুন আপনি ও।
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
ঠিকাছে। অপেক্ষায় রইলাম কিন্তু।আর শান্তর মতো তুমিও ইমনের পরে ভাইটা বাদ দাও।
ভালো আছো তো??
লেখক বলেছেন: সাজিপু তোমার ভালো লেগেছে শুনে খুশি হলাম। তবে, বানান ভুল তো ধরিয়ে দিলে না।![]()
কেমন আছো তুমি??
লেখক বলেছেন: আপনাকে বিরাট একটা ধন্যবাদ।
রেডিও বাংলাদেশ বেতার বলেছেন:
রেডিও বাংলাদেশ বেতার থিকা বলছি। এইটা একটা ভাল পোস্ট। ইমন ভাইয়ের একটা ইন্টারভ্যু নিতে হইবো দেকি। লেখক বলেছেন: হ ইন্টারভ্যু কবে নিবেন কয়া ফালান। আইসা পড়তাছি।![]()
![]()
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
মাহিরাহি বলেছেন:
ভালো লাগল।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
এখনো পুরা শেষ হয় নাই......ভালোই লাগছে.....।
লেখক বলেছেন: এখনো পুরা শেষ হয় নাই???![]()
তাড়াতাড়ি পড়ে জানাও।
রায়মশাই বলেছেন:
সাদাত শাহরিয়ার বলেছেন:
ভােলা
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
গল্পটি ভাল লেগেছে। সময় পেলে আমাকে কি মেইল করা যাবে-(ইমন ভাই, উৎসর্গের তালিকা থিকা আমার নামটা বাদ দিলে 'শরমের হাত হইতে' বাঁচতাম। প্লিজ।)
লেখক বলেছেন: রিপন ভাই মেইল করব। পড়ার জন্য বিনীত ধন্যবাদ।
উৎসর্গ করে ফেলেছি সো এটা তো ফিরিয়ে নেয়া যাবে না।![]()
আসলে, আপনার লেখায় আমি নতুনত্ব পাই। আপনার লেখা আমার খুবই প্রিয়, সিরিয়াসলি বললাম।
রায়মশাই বলেছেন:
চরিত্রটাকে হয়তো অনেকেই চেনেন, আমাদের অনেকেই আশেপাশে দেখে থাকি, তবু আমরা কিছুই বলি না। যেটা আপনি করতে পেরেছেন।একদম মন ছুয়ে গেল।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। এই কারণে এই গল্পে একটা বিষয় খেয়াল করেছেন কিনা জানিনা। সেটা হলো যাকে নিয়ে গল্পটা তার কোথাও নাম নেই কিন্তু।![]()
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: তোমার মুখ থেকে এটা শুনে খুব আনন্দিত বোধ করছি। তবে, এটার অংশীদার তুমিও। কেননা তুমি আমার গুরু। তোমার লেখা থেকে আমি অনেক কিছু শিখি।![]()
তো এটা তো আলোচনা হয়ে গেলো। সমালোচনা কই? একটা বানানও ভুল ধরিয়ে দিতে পারলে না???
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
পুরো গল্পটাই মনোযোগ দিয়ে পড়লাম। পাঠকের মনোযোগ ধরে রাখাও লেখকের বড় সফলতা।সেই বিবেচনায় তুমি সফল।
লেখক বলেছেন: দোস্ত, পড়ার জন্য তোমাকে বিনীত ধন্যবাদ।
তোমাদের লেখা দেখে শিখতেছি।
আছো কেমন??
লেখক বলেছেন: খিক খিক.....![]()
লেখক বলেছেন: শান্ত ভালোই আছি। শবে বরাতের নামাজ পরে উঠলাম।
কমেন্ট নিয়ে এতো বেশি চিন্তা করিনা। যারা পছন্দ করবে তারা কমেন্ট করবে। আমার মনে হয় লেখাটা বেশি বড় হয়ে যাওয়ায় পাঠক আগ্রহ পায়নি। তবে, সময় করে পড়ে নিবে।![]()
তামিম ইরফান বলেছেন:
ইমন ভাই দূর্দান্ত একটা লেখা...........থার্ড পারসন থেকে ফার্ষ্ট পারসনে গল্পটা দারুন ভাবে টার্ন্সফর্ম করছেন.............গল্পটা পড়ে কাহিনিটা একেবারে বাস্তব মনে হচ্ছিলো.......বাস্তব জীবনে আমাদের চারপাশেই এমন অসংখ্য চরিত্রের দেখা মেলে.............আরেকটা ব্যাপার খেয়াল করলাম গল্পের প্রধান চরিত্রের কোন নাম দেয়া হয় নাই........।দারুন লেগেছে ব্যাপারটা...................।
লেখক বলেছেন: চরিত্রের নাম দেয়নি সেটা খেয়াল করতে পেরেছো তাইলে![]()
এটা একটা চমক বলতে পারো। আমার কাছে মনে হলো এভাবে হলে সুন্দর হবে।কারণ এ চরিত্র কিন্তু বাস্তবে অনেক আছে। একটা নাম দিয়ে আর কি হবে।
পড়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ তোমাকে।
আশা করি ভালোই আছো।
ত্রিভুজ বলেছেন:
ভাল লেগেছে... চমৎকার লিখেছেন।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকে বিনীত ধন্যবাদ।
কেমন আছেন?
ভালো থাকুন সবসময়।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
চমৎকার লিখেছো ইমন!!! মনে হচ্ছে বাস্তবে আমাদের এসব চরিত্র কত চেনা,
তোমার লেখনি শক্তি আমাকে মুগ্ধ করেছে...........বানান আমি তেমন ভুল পাই নাই।
মীরা এর বর্ণনা আরো একটু বাড়াতে পারতে...........
আরো লিখু, হাত খুলে।
ভালো থেকো।
লেখক বলেছেন: আপু পড়ে এতো সুন্দর করে কমেন্ট করার জন্য অশেষ ধন্যবাদ। আপনাদের উৎসাহ পেয়ে এতোটুকু এসেছি, আশা করি সামনে আরো যেতে পারবো।
ভালো থাকুন।
শুরুটা খুবই চমৎকার লেগেছে.........শেষটাও হৃদয়ছোঁয়া।
শুভেচ্ছা
লেখক বলেছেন: রাতিফ, পড়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।
আশা করি ভালো আছেন।
ভালো থাকুন এটাই কাম্য।
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
ইমন, তোমার পোস্টে আগে সেভাবে আসা হয়নি, গল্পটি পড়ে মনে হচ্ছে এখন থেকে নিয়মিত আসতে হবে। প্রথমেই বলে রাখি গল্পের নামকরণটি বেশ চমৎকার হয়েছে।
এটি আসলে আমাদের খুব চেনা একটি বাস্তবিক কাহিনী, সাহিত্যেও এধরনের গল্প শত শত আছে; তোমারটি ওগুলো থেকে কিছুটা ভিন্নস্বাদের মনে হচ্ছে ভাষার মজবুত গাঁথুনির জন্যে, চমৎকার চমৎকার সব উপমা প্রয়োগের জন্যে (বিশেষ করে "ততদিনে আমার ভেতরের মূল্যবোধকে আমি শক্ত করে পলিথিনের ব্যাগে ভরে কোন একদিন নষ্ট শহরের চৈতালী বাতাসে উড়িয়ে দিয়েছি, কারো নজরে আসার আগে" বাক্যটি তো অনবদ্য)।
গল্পে গতি আছে, কাহিনী তরতরিয়ে এগিয়েছে; এটি ভালো, তবে দ্বিতীয় পরিচ্ছেদের প্রথম প্যারাটির গতি একটু বেশিই হয়ে গেছে বলে মনে হয়, যেকারণে জায়গাটি ঠিক গল্প না হয়ে ধারাবর্ণনার মতো লেগেছে; আমার বোঝার ভুলও হতে পারে।
উৎসর্গটি সুচিন্তিত হয়েছে।
আর তেমন গুরুতর বানান ভুল পেলামনা।
ধন্যবাদ ইমন; ভালো থাকো, ভালো লিখো।
লেখক বলেছেন: তোমাকে এই একটা কারণে ভালো লাগে। কত সুন্দর করে গোছিয়ে গল্পের পর্যবেক্ষণটা লিখেছো। তোমার মন্তব্যটা আমার গল্পের চেয়েও চমৎকার। এটা আমিও বুঝতে পেরেছি যে, দ্বিতীয় প্যারা'টি খুব তাড়াতাড়ি শুরু হয়ে গেছে। আসলে, গল্পটা আরো এক পৃষ্টা লিখতে পারতাম, যেমন মীরাকে নিয়ে আরো কিছু লিখতে পারতাম এবং তখন আমার মনে হয় পরিপূর্ণতা বেশি পেতো। কিন্তু এখানে পাঠকরা বড় গল্প পড়তে আগ্রহ দেখায় না, আবার দু পর্ব করে দিলেও পড়তে চাইতো না। যে কারণে কিছু জায়গাতে গল্পকে টেনে নিয়েছি।
তোমার মন্তব্য পেয়ে বেশী খুশী হয়েছি।
অশেষ ধন্যবাদ। আশা করি সামনে আরো এমন সব মন্তব্য পাবো।
ভালো থেকো।
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
আসলে এটি ব্লগের সীমাবদ্ধতা- গল্প দীর্ঘ হয়ে গেলে পাঠকসংখ্যা কমে যাওয়ার আশংকা থাকে, ফলে অনিচ্ছাকৃতভাবে লেখককে সাহিত্যমানের সাথে কিছুটা আপোস করতে হয়।
লেখক বলেছেন: রিয়াজ তুমি ঠিক বলেছো।
অনেক ধন্যবাদ তোমাকে। আমার নতুন গল্প 'মাধবীলতা' আসছে। আশা করি তোমার সুন্দর মন্তব্য পাবো।
ভালো থেকো।
রাশেদ বলেছেন:
পরে পড়তেছি।
লেখক বলেছেন: হোকে...![]()
পইড়া কিন্তু কেমুন লাগছে বইলা যাবেন।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
কেমন আছো ইমনদোস্ত!
লেখক বলেছেন: ভালো। তোমার কবর কি??
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
দারুন ...... ব্লগের রেসপেক্টে অনেক বড় গল্প কিন্তু পড়তে একটুও খারাপ লাগেনি ....... গতিশীল গল্প..........।চালিয়ে যান ....... সামনে আরও নতুন গল্পের অপেক্ষায় রইলাম .......
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকে বিনীত ধন্যবাদ ।
আশা করি আমিও আপনাকে সামনে সাথে পাবো।![]()
ভালো থাকুন।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
গল্পটি ভাল লেগেছে।গল্পের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একটা গতিশীলতা আছে। তবে আমার কাছে মনে হয়েছে মাঝখানে গল্পের কেন্দ্রিয় চরিত্রের ছাত্র হিসেবে ইউনিতে ঢোকা, সিট পাওয়া, রাজনীতিতে যোগদান এই কাহিনীগুলো গল্পের দাবীর চেয়ে বেশী বিস্তারিতভাবে এসেছে। কেননা যদিও পাঠককে চরিত্রের বেইজ সম্পর্কে ধারনা দিতে তার অতীতের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া উচিত, কিন্তু এত ব্যাপকভাবে দিলে পাঠকের বিভ্রান্ত হবার সুযোগ থাকে যে গল্পের মুল গল্প আসলে কোনটা। যদিও এখানে স্পষ্ট যে স্ত্রীমৃত্যু এবং খালি চোখে দেখলে লোক হিসেবে অনেক খারাপ কাজ করা একজন মানুষ অথচ ভাল মনের, স্ত্রীর প্রতি ভীষন ভালবাসা কাতর স্বামীর পরিবর্তন, বিবেকের দংশন এখানে মুল। তবুও ওই বর্ননাগুলো আরেকটু সংক্ষিপ্ত হলে ভাল হত বলে মনে করি। আর ওইখানের ছেটে ফেলা অংশের পরিবর্তে স্বামীস্ত্রীর পারস্পরিক সম্পর্ক বিষয়ে কিছু অংশ দিয়ে এটির বেজ আরও একটু শক্ত করা যেত।
তবে এটুকু বলার অপেক্ষা রাখে না যে এটি একটি ভাল থীমের ভাল গল্প।
+
লেখক বলেছেন: সুন্দর মন্তব্য করেছো।
যদিও এখানে স্পষ্ট যে স্ত্রীমৃত্যু এবং খালি চোখে দেখলে লোক হিসেবে অনেক খারাপ কাজ করা একজন মানুষ অথচ ভাল মনের, স্ত্রীর প্রতি ভীষন ভালবাসা কাতর স্বামীর পরিবর্তন, বিবেকের দংশন এখানে মুল।
এটাই আসলে গল্পের মুল ছিল। প্রথমে ভেবেছিলাম, স্বামী তার স্ত্রীকে খুন করে তারপর কারাজীবনে এক দুঃসহ জীবনযাপন করে যেটা শেয়ার করার মতো তার কেউ থাকেনা।
তোমার কথা ঠিক আছে। আমি এটাকে দুটো পর্ব করে দিতে চেয়েছিলাম। পরে ভাবলাম বেশী বড়ো হয়ে যাবে কিংবা দুবার করে দিলে অনেকে পড়তে চাইবে না।
তার শুরুটা কিংবা রাজনীতিতে তার উত্থান কিভাবে হলো এখানে সেটা দেখাতে চেয়েছি। পরে হয়তো পাঠকের মনে প্রশ্ন থেকে যেতো।
যাইহোক, তোমার পর্যবেক্ষণগুলো মাথায় রাখবো। পরে কোনদিন নিজের জন্য হলেও এটাকে আরেকটু বিস্তারিত লিখতে চাইবো।
ধন্যবাদ।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
০৭ এ এসএসসি, এই তথ্য কিন্তু ভুয়া বলে রাখলাম গোপনে।
লেখক বলেছেন: আমার কাছে মনে হয়েছিল। তাইলে কি আগের মতো আপনি'তে ফিরা যামু???![]()
টেনশনে ফালাইলেন তো।![]()
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
এই ছোড়া, তোমার এসএসসি কবে বল আগে। তারপরে ডিসিসন দেব।
লেখক বলেছেন: ৯৯ (ভয়ে ভয়ে বললাম)।
ডিসিশন কি শুনি???
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
হাহ হা...। কোন ডিসিসন নাই। আপটু যে ডাকবে তার।আমি নিজেই ভুলে গেছি আমার বয়স কত আসলে। প্রতিবার জন্মদিনে
বয়স পেছনে গুনি। এ বছর আমার বয়স ৭১ হলে আগামীবছর ৭০
তবে আসলে চীরতরুন থাকতে কার না ভাল লাগে।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
সেটা অস্বস্তির কারন হবে আমার জন্য। তুমিই ভাল।আর খবর দিয়ে কি হবে?
কারও কাছে খবর নাই । হাহ হা।
লেখক বলেছেন: ভালো লাগল জেনে খুশী হলেম।![]()
ভালো থাকুন চান্কু ভাই।
নিলা বলেছেন:
এমনিতেই মাথা ধরে আছে, এত লম্বা পোষ্ট দেখে মাথাটা আরো একটু বেশি ব্যাথা করে উঠলো। লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
কান্দনের আইকন কেমনে দে আমিও জানি না।![]()
লেখক বলেছেন: তোমার কাছে ভালো লেগেছে জেনে প্রীত হলেম।
ভালো থেকো।
রেটিং বলেছেন:
খুব ভাল লেগেছে ইমন ভাই। পলিটিক্স আসলেই ভয়ংকর। গ্রামের ছেলেরা ই্উটিলাইজড হয় তাড়াতাড়ি, উপায় থাকে না। বেশ ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: সোহাগ ভাই পড়ার জন্য আপনাকে বিনীত ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: তুই পড়েছিস দেখে খুশি হলেম।
তুই ও ভালো থাকিস।
রুবেল শাহ বলেছেন:
শোন সময় এর জন্য মন্তব্য করা হয় না....... তাই বলে এই ভাবিস না আমি তোর লেখা পড়ি না।ভাল থাকিস
লেখক বলেছেন: হুমম...তা ভাববো কেন??
সমস্যা নেই।![]()
ভালো থাকিস দোস্ত।
লেখক বলেছেন: তাইলে আমিও ধন্যবাদটা পরে দেবো।![]()
লেখক বলেছেন: মিয়াভাই ভালা আছো নি???![]()
রাতমজুর বলেছেন:
দারুন! ১০+
লেখক বলেছেন: ১০+ ধন্যবাদ।![]()
![]()
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
ভালা আছি। তুমি কেমন?
লেখক বলেছেন: হ আছি একরকম। বেশি ভালা না আবার মন্দও না।![]()
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
অ
সা
ধা
র
ণ !
অসাধারণ হয়েছে ইমন । কোনো সমালোচনা নয় । আমি শুধু বলবো সাবাশ ! এরকম লিখতে থাকো, অনেকেরই ঈর্ষার কারণ হবে ।
এতো চমৎকার লেখনী, গল্প এতোদিন কোথায় ছিল ?
আরো একটি কথা বলি, পদ্যকে বিদায় দিয়ে গদ্যকেই বুকে জড়ানো উচিত তোমার । না না পদ্যকে একদম ঘরছাড়া করতে বলছিনা, পাশের ঘরে অন্তত তাকে রাখা যায় !
ভবিষ্যতের শক্তিমান কথা সাহিত্যিক ইমনকে অগ্রীম স্যালুট ।
লেখক বলেছেন: শিপন ভাই, আপনার মন্তব্য পেয়ে অনেক খুশি হয়েছি। আপনার কথাগুলো ভবিষ্যতে আমাকে অনেক প্রেরণা যুগাবে, কোন সন্দেহ নেই। তবে, কথা সাহিত্যিক বলে লজ্জায় ফেলবেন না। আমি লিখে আনন্দ পাই বলে লিখি। আপনাদের উৎসাহ পেয়েই এতোটুকু এসেছি।
সত্যি আপনার মন্তব্যে অনেক ভালো লাগল।
অনেক ভালো থাকুন ভাইয়া।
মনযূর মান্নান বলেছেন:
প্রিয়তে রাখলাম +++ কাল পড়ব।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তবে, পড়ার পরে যদি কিছু বলেন এই অধম খুশি হতেম।![]()
ভালো থাকুন।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
মন ভালো ভাইয়া?
লেখক বলেছেন: এখন ভালো।![]()
তুমি কেমন আছো???
রাশেদ বলেছেন:
পরে পড়বো।
অদ্ভুত আঁধার এক বলেছেন:
ভাই ভাল আছেন?
লেখক বলেছেন: হ ভাই ভালো আছি। তুমি কেমন আছো???
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
![]()
![]()
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
কেমন আছো? নতুন লেখা কৈ? ব্যস্ত নাকি, আমার মতন।
লেখক বলেছেন: আমি ভালোই। আপনি কেমন আছেন আপু??
হ্যা একটু ব্যস্ততা যাচ্ছে।
নতুন লেখা দেখি শীঘ্রই দিচ্ছি।
ভালো থাকুন।
উত্তরাধিকার বলেছেন:
ক'দিন আসা হয়নি।
আজ দেরীতে এসে আফসোস হচ্ছে।
এত্ত সুন্দর লেখাটা এত পরে পড়লাম।
চমৎকার।
সাথে বোনাস পেলাম অনেক মূল্যবান মন্তব্য।
সাধুবাদ জানালাম লেখক কে।
পাঠকের যে চাহিদা বেড়েই চলছে...
পরেরটা তাড়াতাড়ি দিয়েন কিন্তু...।
শুভেচ্ছা ।
লেখক বলেছেন: হা হা হা....কি যে বলেন। পড়েছেন দেখে প্রীত হলেম।
আপনি কেমন আছেন???
আমি ইদানীং সময় করতে পারিনা বলে আসা হয় না।![]()
পরেরটা দেখি কবে নাগাদ দিতে পারি।![]()
ভালো থাকুন।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
ইমন ভাই, পরবর্তী গল্পের অপেক্ষায় রইলাম ......... আর এই গরীবের ব্লগ বাড়ীতেও মাঝে মাঝে ধূলা দিয়েন
লেখক বলেছেন: নতুন গল্প দেওয়ার সময় পাচ্ছি না। তবে, শীঘ্রই দিচ্ছি।![]()
আপনার গল্প পড়েছি। এই অধমের কমেন্ট রেখে এসেছি
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: গল্প মাথায় আছে ঠিকই কিন্তু লেখার সময়টুকু পাচ্ছিনা রে ভাই। অনেক ব্যস্ততার মধ্যে আছি। শামীমের মতো বললে ' বাস্তবতা আমার সহজ শর্তের সময়গুলোকে ফেরী করে বেড়াচ্ছে'।![]()
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য বিনীত ধন্যবাদ।
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
নতুন লেখা চাই।
লেখক বলেছেন: নোয়া লেখা দেওয়ার সময় পাচ্ছি না দোস্ত।
রাশেদ বলেছেন:
মেলা বিজি আছি এই কয়দিন।
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
ঠেলা!
লেখক বলেছেন: ঠেলা দেখতে একটু দেরী হয়ে গেলো।![]()
কেমন আছো তুমি??
নিবেদীতা বলেছেন:
অনেক ভাল লিখেছ, ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
কেমন আছো তুমি??
নতুন লেখা দিবে না শপথ করেছো নাকি??
প্রহর, প্রত্যুষ কেমন আছে??
মাহবুব সুমন বলেছেন:
ভালো লেগেছে, ২য় বারের মতো পড়লাম।একজন মানুষের মনের মাঝে টানা পোড়নটা বেশ সুন্দরভাবে তুলে ধরতে পেরেছেন।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য বিনীত ধন্যবাদ।
আমার ব্লগে এটা আপনার প্রথম কমেন্ট বোধহয়।![]()
ভালো লাগছে জেনে প্রীত হলেম।
নিহন বলেছেন:
ভালো লাগিয়েছে ।
লেখক বলেছেন: জেনে প্রীত হলেম।
ভালো থাকুন।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
এত দারুণ একটা গল্প লিখছো ইমন.............।পড়েই গেলাম শুধু......।
অসাধারণ লিখেছো.........লিখতে থাকো.....
অনেক শুভকামনা ।
অনেক ভালো থেকো।
লেখক বলেছেন: তোমার কাছ থেকে দু নাম্বার কমেন্ট পেয়ে ভালো লাগল।![]()
তোমার ভালো লেগেছে শুনে প্রীত হলেম।
আসলে লিখতে গেলে আমাকে অনেক ঘষামাজা করা লাগে। ইদানীং সময় পাচ্ছি না। তাই নতুন গল্প দিতে পারছি না। যদিও গল্পের পরিকল্পনা, প্যাটার্ন সব মাথায় আছে।
দেখি কবে নাগাদ দিতে পারি।
তুমি ও অনেক ভালো থেকো।
লেখক বলেছেন: অবশেষে আপনার মূল্যবান মন্তব্য পেলাম।![]()
সময় করে পদধুলি দিয়ে যাবার জন্য ধন্যবাদ।
ভালো আছি ব্যস্ততার মধ্যে যতটুকু থাকা যায়।![]()
আপনার খবর কি?? কোথায় ডুব দিয়েছিলেন??
বিহংগ বলেছেন:
ইমনতো দারুন লিখে।
লেখক বলেছেন: বিহং ভাই..........কেমন আছেন???
অনেকদিন পর আপনাকে দেখলাম।
আপনার কমেন্ট পেয়ে খুব ভালো লাগল।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
গল্পের প্লট ভালো লেগেছে, কিন্তু আমি নিজের লেখায় যেরকম নবিস নবিস ভাব পাই, আপনারটাতেও তার কিছুটা পাইসি...কিছু মনে করবেন না।
লেখক বলেছেন: হা হা হা। কিছু মনে করিনি বরং আপনার স্পষ্টতা ভালো লেগেছে। আমার লেখার হাত আসলেই নবিস নবিস।![]()
![]()
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন।
রাশেদ বলেছেন:
পরে পড়বো।
লেখক বলেছেন: হা হা....নিজে এতো সুন্দর সব লেখা লিখে ফেলো, আবার বলে কি!![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। পুরনো লেখায় কমেন্ট পেতে বেশ ভালো লাগে।![]()
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...






















দারুন লাগলো ইমন ভাই।এই লেখার সময় আমিওতো তোমার সাথেই ছিলাম!