
সীমান্তে নিরীহ মানুষের ওপর গুলি না চালানোর ভারতীয় প্রতিশ্রুতির তিনদিনের মাথায় সিলেটের জৈন্তাপুর সীমান্তে আবারও বিএসএফ নিরীহ বাংলাদেশীদের ওপর গুলি চালিয়েছে। বাংলাদেশী নাগরিকদের ওপর বৃষ্টির মতো গুলি চালিয়ে অন্তত ৩০ জনকে আহত করেছে বিএসএফ। প্রায় আধ ঘণ্টা একতরফা গুলিবর্ষণে বেশ কিছু বেসামরিক বাংলাদেশী নাগরিক গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর একপর্যায়ে বিডিআরও পাল্টা গুলি চালায়। সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৩ ঘণ্টায় উভয়পক্ষের মধ্যে হাজার রাউন্ড গুলিবিনিময় হয়। এর আগে বিএসএফ ভারতীয় নাগরিকদের সঙ্গে নিয়ে ডিবির হাওর ও কেন্দ্রী বিল সংলগ্ন জৈন্তা রাজা বিজয় সিংহের স্মৃতিবিজড়িত মন্দির টিলা দখল করে নেয়। বিএসএফের গুলিতে ৩০ জনের বেশি বাংলাদেশী নাগরিক আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দু’জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের জৈন্তাপুর উপজেলা হাসপাতালে চিকিত্সা দেয়া হচ্ছে। সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় গুলি থামলেও জৈন্তাপুর সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ আবারও আক্রমণ করতে পারে, এই আতঙ্কে ডিবির হাওর, কেন্দ্রী বিল ও খলার বন্দ এই তিন গ্রামের সব মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছে। এছাড়া ঘিলাতৈল ও বিরাইমারা গ্রামের অধিকাংশ মানুষ আতঙ্কে গ্রাম ছেড়েছে। বর্তমানে জৈন্তাপুর সীমান্ত এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। বিএসএফ সীমান্তে সৈন্য সংখ্যা বৃদ্ধি ও বাঙ্কার খুঁড়ে ভারী অস্ত্রের মজুত বাড়াচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
পুরোনো খবর... তবুও দিচ্ছি যদি একটুও জ্বলে তোমার বুক!!
তোমার সন্তানদের চেয়েও সস্তা আমার নিরীহ সিমান্তের কৃষক ভাইয়দের জীবন, তাই না প্রধানমন্ত্রী?
যে লোকদের বদৌলতে তোমার ক্ষমতার গদী সাজানো হয়েছে তাদের প্রাণের প্রতি এতটুকুও শ্রোদ্ধাবোধ না থাকলে কেনো এখনো ঐ চেয়ারটায় বসে আছো? লজ্জা নারীর ভূষণ।
নিজের দেশের মানুষদের প্রাণ বাঁচাতে না পারলে যাও... দিয়ে আসো দেশটা... অন্তত আমার সহজ সরল দেশের মানুষগুলো বাঁচুক।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



