"নেশা কে না বলি" এ ভাবে.............
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫০
নেশা কে ঘৃণা কর, ব্যক্তিকে নয়" আমরা জানি যে নেশা বা নেশা গ্রহনকারী ব্যক্তিটি যে নেশা কারণে খারাপ, সেটা আমরা কম-বেশী অনেকই বুঝি বা জানি। কিন্তু একজন নেশা গ্রস্থ ব্যক্তি কেন নেশা করে? কেন নেশা ধরে? নেশা করার শুরুটা কিভাবে হলো তা আমার অনেকেই জানি না বা জানতেও চেষ্টা করিনা এবং কোন ধরনে ব্যাক্তি এই ধরনের নেশার সাথে যুক্ত তা আমরা ভাল ভাবে বুঝতে চাইনা বা জানতে চাই না। তাই আমরা তাদের কে স্বাভাবিক ভাবে ঘৃণা করি-তারা কেন নেশা ধরেছে। কিন্তু আপনাকে,আমাকে প্রতিনিয়ত চলকে হচ্ছে- বন্ধু-বান্ধব, সহ-কর্মীদের সাথে যারা ধুমপান করে শখের বশে। এই ধরণে ছুট-খাট সখের মাধ্যমেই নেশার শুরাটা হাতে খরি হয়।
তবে যারা আমাদের উপস্থিতে ধুপান করে তাদের কে আমি-প্রাথমিক অবস্থায় বলি যে, কেন ধুনপান কর? কি লাভ তাতে? তবে অনেকেই উত্তর দেয়-এ ভাবে যে বন্ধু-বান্ধব, সহ-কর্মীদের সাথে চলতে গেলে ধুমপান করতে হয়, নয়তো লজ্জায় পরতে হয়! তখন আপিন বলতে পারেন যে-কই আমারা তো অনেক বন্ধু-বান্ধব, সহ-কর্মীদের সাথে চলি, কই আমাদের তো এই ধারনে সমস্যা হয় না। যদি আপনি তাকে বুঝাতে পারনে যে ভাই আমি ধুমপান করিনা, তখন সে আপনাকে যোর করেব না। এই অবস্থায় আপিন আপনার সহ-পাটিদের বুঝাতে পারেন যে, ভাই ধুমপান করা ভাল লক্ষন নয়, ধুমপান ছেড়ে দেওয়াই ভাল । অন্য দিকে আমাদের দেশে ধুমপান বিরোধী আইন থাকলেও সেটা কতটুকু কার্যকর তা আমরা কম-বেশি সাবাই জানি। অতত্রব, নিজেকে বা নিজেদেরকে না বদলালে- আমি বা আপনি- মরণ বেদী ক্যান্সার কিংবা তার চাইতে মারাত্বক রোগ থেকে রেহাই পাবনা। তাই বলব নেশা কে ঘৃণা কর, নেশাকারীকে নয়। কারণ যারা নেশা ঘরে বন্দী আমাদের সমাজের মানুষ, বাবা, ভাই কিংবা সহপাটি-আমরা তাদের কে একটু বুঝিয়ে বলি এবং নেশার হাত থেকে নিজেকে-নিজেদের কে বাঁচাই।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নকীবুল বারী বলেছেন:
ছবিটা জোসসসসস
আপনাকে ধন্যবাদ।
মেহবুবা বলেছেন:
তাই তো ! ছেলেদের হাতে সিগারেট ছবি --বেশী চোখে পড়ে । পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ ।
কৌশিক_বিশ্বাস বলেছেন:
ধূমপান রোধে সকল দেশের সরকারের সদিচ্ছার অভাব আছে। সেইজন্য নো স্মোকিং সাইনবোর্ড এখানে সেখানে থাকলেও নো প্রোডাকশান আইনটা কার্যকরী করা হয়নি। কারন এর থেকে আয় হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। একদিকে মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতন হতে বলা হচ্ছে, অন্যদিকে আকর্ষনীয় বিজ্ঞাপন চলতে দেওয়া হচ্ছে সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরনের মুখোশের আড়ালে। সারা শহর জুড়েই বিড়ি সিগারেটের দোকান ভর্তি রেখে নো স্মোকিং বোর্ড লাগানো চলছে। একদিকে প্রলোভন, অন্যদিকে বারন। এ যেন কুকুরের সামনে মাংসের হাড় রেখে লোভ সংবরন করার ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে! এই ভাওতাবাজি সরকারের সদিচ্ছার অভাব ছাড়া আর কী বলা যায়!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















