আমার প্রিয় পোস্ট
- দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া -- ব্লগে বসে বিশ্বভ্রমণ - রাগিব
- সামহোয়ারের জন্মদিনের কিছু মাতাল ছবি - কৌশিক
- সামহোয়ারইন এর ৩য় বর্ষপূর্তির কিছু ছবি , বর্ণণাসহ - একরামুল হক শামীম
- শীঘ্রই সব ডিজিটাল টেলিফোনে ডায়াল-আপ ইন্টারনেট সুবিধা - এম কে নিপু
- চির সবুজকে বলছি । - পাগলা বাবু
- প্রাপ্তির জন্য অপ্রত্যাশিত প্রাপ্তি ! - সারিয়া তাসনিম
- সহজ নেটওয়ার্কিং ও ইন্টারনেট শেয়ারিং - ত্রিভুজ
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষণ!! বৈশাখী সংকলন ১৪১৫: অনুমতি প্রদান ও লেখার লিঙ্ক দেবার জন্য আহবান - রাশেদ
- কঙ্কালসার একটি ছবি ও কিছু প্রশ্ন । - আবুল বাহার
- সদরঘাট-১৯৬২(ফটোব্লগ) - মেহরাব শাহরিয়ার
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়েছে ৫০% - কৌশিক
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিন........ - শফিউল আলম ইমন
- চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়.... - আব্দুন নূর তুষার
- অনলাইন বিলিং @ বিটিটিবি, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও শংকা - মাহবুব সুমন
একটি বাংলাদেশ, তুমি জাগ্রত জনতা, সারা বিশ্বের বিস্ময়, তুমি আমার অহংকার

আমার ছেলেবেলা- ১
০২ রা মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:০৭
আমার ছেলেবেলায় আমি খুব আদরে মানুষ হয়েছি। আমার বাবা মা কখনও বাহিরের কারো সাথে আমার বেশী মিশতে দিতো না। যার জন্য আমার বাহিরের জগতের জন্য ছিল বিশেষ টান। আমার মন চাইতো সবার মত স্বাধীন ভাবে ঘুরে বেড়াতে।
আমার মনে আছে, যখন আমি ক্লাশ ওয়ানেও ভর্তি হয়নি তখন আমাকে পড়াতো আমাদের মহল্লাহর এক বড় ভাই (নাম মনে করতে পারছিনা)। উনি আমাকে খেলার ছলে পড়াতেন। উনি কাগজ দিয়ে খুব সুন্দর সুন্দর শোপিস তৈরী করতে পারতেন। উনি আমাকে বলেছিলেন ভালো করে পড়লে উনি আমাকে কাগজের বাড়ী বানিয়ে দিবেন। উল্লেখ্য, আমি উনার সাথে একবার তার বাড়ী গিয়েছিলাম।
আমরা থাকতাম একটা বাংলোতে। আমার বাবার ওটা অফিসিয়াল বাংলো ছিল । প্রায় ১৫/১৬ বিঘা জমি দেয়াল দিয়ে ঘেরা, মাঝখানে একটা বাংলো। সেটাতে পিয়ন, কাজের লোক, ঝাড়ুদার, দারোয়ান সবাই সবসময় থাকতো। চারদিকে দেয়াল দিয়ে ঘেরা হলেও একপাশে ছিল কাঁটাতারের বেড়া।
একদিন প্রায় সকাল ১০টার দিকে আমি সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে ঐ কাঁটাতারের বেড়া ডিঙ্গিয়ে বাহিরে বের হয়ে গিয়েছিলাম। আম্মা হয়তঃ কোন কারণে ব্যাস্ত ছিলেন। আর বাবা ছিলেন অফিসে। একদৌড়ে চলে গিয়েছিলাম আমার সেই টিচারের বাসায় সেই কাগজের বাড়ী নেয়ার জন্য। অথচ আমার কোন হুঁশ নেই যে, আমি বাড়ী ফিরবো কিভাবে? আমি তো রাস্তা চিনিনা।
পরে শুনেছি আমাকে না পেয়ে আমার মা বাবা পাগল প্রায়। ওদিকে আমার টিচারের মা আমাকে চিনতে পেরে উনি ওনাদের লোক দিয়ে আমাকে বাসায় পাঠিয়ে দিলেন। তারপর আম্মার হাতে কঠিন এক মার খেলাম।
এরকম হারিয়ে যাওয়া বা বাড়ী থেকে বের হয়ে যাওয়ার আরো কয়েকবার এধরনের ঘটনা ঘটেছে। পরে বলবো সেগুলো। এই স্মৃতিগুলো মনে পড়লে আজো মনে মনে হাসি। আজ এইবড়বেলায় এসে আমি এগুলো আমার বউ, বাচ্চাদের সাথে শেয়ার করি। আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:০৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
হুমমম... বলেছেন:
ভালু। পেলাচ দ িসি
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। সারাজীবন পেলাচ দিয়েন, চিকনমিয়ার মত মাইনাচ দিয়েন না। ওনার নাম তো মাইনাচমিয়া।
একজন বলেছেন:
ভাল লাগল।অফ টপিক,
সে দিন আপনার ছেলের ছবি দেখলাম, কার মত হয়েছে ও?
আমার কাছে অনেক ভাল লেগেছে তো তাই জিজ্ঞাসা করলাম।
লেখক বলেছেন: আমার ছেলে আমার মতই হয়েছে সবাই বলে।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
সুধারাম সাধু বলেছেন:
ছোটবেলায় পালিয়ে মা'র হাতে পিটানি খাইছিলেন বইল্যা বাইচ্যা আছেন। কিন্তু এ বেলায় পালাতে যাবেন না কিন্তু, ভাবীর হাতে (......) খাইলে এ যাত্রায় ডাইরেক্ট পরকালের ভিসা !!!!!!! বেস্ট অব লাক...
লেখক বলেছেন: আপনার ভাবীর হাতে এখনও মার খাওয়ার সৌভাগ্য/দুঃভাগ্য হয়নি। আপনার কোন অভিজ্ঞতা থাকলে শেয়ার করুন।
সুধারাম সাধু বলেছেন:
এখনো প্রেমিকাদের ভালোবাসায় হাবুডুবু খাচ্ছি, বিয়ের ভয়ে মাঝে মাঝে পালিয়ে বেড়াই....!!!!!!
লেখক বলেছেন: এরকম যৌবন নিয়ে মাঠে ঘাঠে ঘুরে না বেড়িয়ে মরহুম হোন। তাতেই মঙ্গল।
রাশেদ বলেছেন:
ভালো।
এন্থনীবাংলা বলেছেন:
হিমু হয়ে যান । দূরে কোথাও থেকে বেড়িয়ে আসুন ভাল লাগবে
লেখক বলেছেন: হিমু হওয়ার আর সময় নাই।
তবে দুরে কোথাও ঘুরতে ইচ্ছে করে। কষ্ট পাচ্ছি ব্লগের পিকনিকে যেতে না পেরে।
আপনাকে ধন্যবাদ।
আপনার কাছে কি হলুদ পাঞ্জাবী আছে?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...













