আগে যখন রাজনৈতিক সরকার ছিল তখন কোন জিনিস পত্রের দাম দুই এক টাকা বাড়ালেই চলত আন্দোলন, হরতাল, মিছিল, মিটিং, আরো কত কি? আর এখন? শালা, আমরা মানুষ না, কুত্তার বাচ্চা।
বন্দুকের নলের মুখে সব ঠিক। তাইনা? এত যে দ্রব্যমূল্যে উর্দ্বোগতি তাও কোন মানুষের মুখে কোন রা নেই। কেন নেই? যে চাল আমরা গতবছর খেয়েছি মাত্র ২৪ টাকা দিয়ে সেই চাল এখন কিনতে হচ্ছে ৪৩-৪৫ টাকায়। যে আটার দাম ছিল ২৮ টাকা সেটা এখন কিনতে হচ্ছে ৪৪টাকায়। হ্যাঁ জিনিস পত্রের দাম বাড়বে এটাই ঠিক, কিন্তু তার সাথে টাইমের একটা সামঞ্জস্য থাকতে হবে। দেশে এখন দুর্ভিক্ষ চলছে।
বিশ্ববাজারে সবকিছুর উর্দ্বোগতির কথা আপনারা বলবেন তো? এটা ঠিক না। এই উন্নয়নশীল দেশের মানুষের পক্ষে তো আর বিশ্বের সাথে তাল মিলালে চলবে না। মানুষের তো ইনকাম বাড়েনি। প্রয়োজনে সরকারকে ভর্তুকি দিতে হবে। দুর্নীতি করে লোপাট করা টাকা উদ্ধার করে তো সরকার ঠিকই এখন ব্যাংকে ভরে রেখেছেন। সেই টাকাগুলো ছেড়ে দিন, ভর্তুকি দিন। মানুষ বাঁচুক। একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা কিভাবে বলেন, "ভাতের পরিবর্তে আলু খান।" মাথা ব্যথা তাই মাথা কেটে ফেলতে হবে নাকি? এখন সরকার আর দাতারা যা করছে সবকিছু লোক দেখানো কালক্ষেপন ছাড়া আর অন্য কিছু না। শুধু শুধু মানুষ ঠকছে।
দেশে এখন কোন বিনিয়োগ নেই। অর্থাৎ বিনিয়োগকারীরা ভরসা পাচ্ছে না। কারণ কোন দিকে দেশ যাবে তা কেউ বলতে পারেনা। আমার একটি কথা মনে পড়ছে, (টিভিতে দেখেছিলাম) কিছুদিন আগে এক রাজনৈতিক নেতা সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, "আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে সরকার বেশ ক্লান্ত, ১৪ কোটি লোকের দেশ চালানো এত সহজ না।"
দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। আর কতদিন অপেক্ষা করবো? আর পারছি না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

