এক সরকারী সিদ্ধান্তে বলা হয়, সন্ধ্যার পর থেকে রাত এগারোটা পর্যন্ত গার্মেন্টসকে গ্যাস সরবরাহ করবে হ্রাসকৃত হারে। অর্থাৎ এই সময়ে তাদের যে পরিমান গ্যাস প্রয়োজন তারা তা পাবে না। আর গ্যাস না পেলে তাদের মেশিন গুলো হয়ে পড়বে অচল। কারণ এখন প্রত্যেকটি শিল্প কারখানাতে গ্যাস জেনারেটর ব্যাবহার করা হয়। যেহেতু সন্ধ্যায় সরকার নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে বিদ্যুত সরবরাহ করতে পারে না তাই গার্মেন্টস গুলোকে এখন নির্ভর করতে হয় গ্যাস জেনারেটরের উপরে।
বিকেএমইএ এর এক সংবাদ সম্বেলনে বলা হয়, এই সরকারী সিদ্ধান্তের ফলে ব্যাহত হবে এই শিল্পের উৎপাদন। যার লোকসান গিয়ে ঠেকবে ২০০ কোটি ডলারে। বিকেএমইএ এর সভাপতি ফজলুল হক বলেছেন, "দেশের অর্থনীতি মধ্যে যে খাত ভাল, সেটা বন্ধ করার জন্য একটা অভ্যন্তরীণ পরিকল্পিত নাশকতা চলছে বলে সন্দেহ করি।"
এই ভাবে একে একে দেশের সব শিল্পখাত কে পুঙ্গ করে দেশকে অন্যের কাছে নির্ভরশীল করে তোলার পাঁয়তারা কারা করছে আর যারা করছে তাদের সুদুরপ্রসারী কি প্ল্যান আছে জানা দরকার। জাতির অবস্থান এখন চরম ক্রান্তিকালে।
আমরা একটা সুন্দর দেশ দেখতে চাই যেখানকার মানুষগুলো খেটে খাবে, সবার ঘরে ঘরে থাকবে আনন্দ, আর হাসি।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



