somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রক্ত ঝরা প্রেম- পর্ব ১

২০ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাস থেকে নামতে গিয়েই হাত থেকে মোবাইলটা ছিটকে পড়ে গেল বাসের মেঝেতে। বোধহয় মোবাইলটা গেল! খুব সখ করে কিনেছিলাম। আফসোস হচ্ছিল ঐ মুহুর্তগুলো। নীচু হয়ে মোবাইলটা তুলে তাকাতেই চোখ পড়ল সেই সিটে বসে থাকা যাত্রীর দিকে। চোখে চোখ পড়তেই ও যেন বিদ্যুতের শক পেল। চমকে উঠলো।

"আরে, তুমি?" অপর্না আমাকে বলল।
আমিও তো বলি তুমি এখানে? কোথায় যাচ্ছো?
অফিস থেকে বাসায় ফিরছি। এইতো সামনের ষ্টপেজে নামবো। তুমি কোথায় এদিকে?

আমি বললাম, হ্যাঁ আমার অফিস গুলশানে, বাসায় ফিরছি। কথাগুলো বলতে বলতে দেখি বাস ছেড়ে দিলো। আর নামা হলো না আমার। অপর্না বলল, সামনের ষ্টপেজে নেমে যেও। আমিও তো নামবো। ও জানালার দিকে চেপে বসে আমাকে জায়গা দিলো বসার। আমি বসলাম। তারপর টুকটাক কথাবার্তা। জানলাম ওর স্বামী আমেরিকা থাকে। এখনও বাচ্চা কাচ্চা হয়নি। একটা এনজিও তে কাজ করছে। দুই রুমের একটা বাসা ভাড়া করে থাকে ঢাকাতেই। সাথে একটা কাজের মেয়ে থাকে।

কিন্তু ও আমাকে একটি বারের জন্য প্রশ্ন করলা না যে বিয়ে করেছি কিনা? তবে অন্য ধরনের প্রশ্ন করে জানতে চায় বিয়ে করেছি কিনা? আমিও সেটা বুঝতে পেরে উত্তরের আশপাশ দিয়ে যাই।

বললাম, তোমার সাথে তো অনেক দিন তাও প্রায় ১১ বছর পরে দেখা। আমি ভাবিনি যে তোমার সাথে আবারও দেখা হবে এভাবে। ওর কাছ থেকে ওর মোবাইল নাম্বার নিলাম। আমার নাম্বারটাও দিলাম। তবে একটা জিনিস লক্ষ্য করছিলাম অপর্না সব কথাই একটু কি যেন আড়াল করে বলতে চাইছে। যাই হোক আমি ওটা পাত্তা দিলাম না। কেন যেন আমাকে ভয় পাচ্ছে এমন একটা ভাব ওর কথার মধ্যে।

আমি বললাম, চলো বাস থেকে নেমে কোথাও গিয়ে বসি। অপর্না বলল, না মানে, আজ না হয় থাক। বললাম, আবার কবে দেখা হবে, চলো কিছুক্ষণ গল্পসল্প করি, তবে যদি তোমার আপত্তি না থাকে।

তবে চলো আমরা চেরিশে বসতে পারি। ওর কথা মতো চেরিশেই বসলাম। ওখানে সেলস সার্ভিস। ওকে বসতে দিয়ে দুটো বার্গার আর দুটো কোক নিয়ে আসলাম কাউন্টার থেকে।

নাও, শুরু করো। অপর্না হঠাৎ চমকে উঠলো আমার কথা শুনে। আমি বললাম, কি ব্যাপার অপর্না কি ভাবছিলে তুমি?

আমার দিকে চোখ তুলে তাকালো অপর্না। আমি ওর চোখে চোখ রাখলাম।

চলবে..............
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৪১
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভাঁট ফুল

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৪৩

ভাঁট ফুল
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

ছোট কালে মায়ের সাথে, হাত ধরে
মেঠো পথে হেটে চলে যেতাম-
মইজদী পুর গ্রামে, বোনের শশুর বাড়ি
রাস্তার পাশে মাঝে মাঝে ভাঁট ফুল-
দেখে মুগ্ধ হতাম, আর বলতাম কী সুন্দর!
ইচ্ছের হলেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোরগের ডাক , বিজ্ঞানের পাঠ এবং গাধার প্রতি আমাদের অবিচার

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:৫৫


গ্রামে বেড়ে ওঠা মানেই একটা অসাধারন শৈশব। আমাদের সেই শৈশবের একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল মক্তবের মৌলভি সাহেবদের গল্প। তারা বলতেন, ভোররাতে মোরগ ডাকে কারণ সে ফেরেশতা দেখতে পায়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বঙ্গ ও বেঙ্গলীর শিকড় কী মুছে গেছে? নাকি পুণ্ড্রনগর সভ্যতার মত হারিয়ে গেছে ??

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:০৮


বঙ্গ ও বেঙ্গলীর শিকড় কী মুছে গেছে নাকি পুণ্ড্রনগর সভ্যতার মত হারিয়ে গেছে ?? সামু ব্লগের এই ক্রান্তিকালে বিষয়টি নিয়ে একটু আলোচনা/পর্যালোচনা করে কিছু সময় কাঠানো যাক... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংকটে আওয়ামী লীগের কর্মীরা কোথায় দাঁড়িয়ে?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:০০

সংকটে আওয়ামী লীগের কর্মীরা কোথায় দাঁড়িয়ে?
বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে বহুবার প্রমাণ হয়েছে যে, কোনো রাজনৈতিক দলের প্রকৃত শক্তি থাকে তার তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে। তাদের শ্রম, ত্যাগ, জেল-জুলুম সহ্য করার মানসিকতা এবং... ...বাকিটুকু পড়ুন

খাজনা

লিখেছেন রাজীব নুর, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:২৯



মন! মানুষের মন! মানুষকে তছনছ করে দেয়!
কখনো সে বাঘ, কখনো সে অজগর, কখনো সে শত্রু, কখনো সে বন্ধু!
কখনো সে ঈশ্বর, কখনো সে শয়তান, কখনো সে নিয়তি!
বিদিকিচ্ছিরি কান্ড!

লম্বা টানা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×