somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রক্ত ঝরা প্রেম- পর্ব ৩

২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পূর্বে প্রকাশের পর
........................

হ্যালো, কে বলছেন?
আমি অপর্ণা।
ও, আচ্ছা তাই বলো। কিন্তু এই মোবাইল নাম্বার কার? তোমার এই নাম্বারতো আমার মোবাইলে সেভ করা নেই। তুমি তো আমাকে এই নাম্বার দাওনি। বললাম আমি।

অপর্না কোন উত্তর না দিয়ে আমাকে বলল, আজ সন্ধ্যা ৬ টায় চেরিশের সামনে একটু আসো। সঙ্গে আমার রেখে আসা নোটবুকটা নিয়ে এসো।

আমি বললাম, আমার আসতে তো একটু দেরী হবে। তুমি বরং তোমার অফিসের এড্রেসটা দাও। আমি একফাঁকে গিয়ে পৌছিয়ে দিয়ে আসবো।

না না, তোমার কষ্ট করে আমার অফিসে আসতে হবে না। তুমি ছয়টার সময়ে চেরিশের সামনে এসো।

আচ্ছা ঠিক আছে। আমি আসবো তবে একটু দেরী হতে পারে। এই ধরো বড়োজোড় আধাঘন্টা।

ঠিক আছে রাখি বলে ফোনলাইন কেটে দিলো অপর্ণা।

সারাদিন অফিস শেষে আমি চেরিশের সামনেই নামলাম গাড়ী থেকে। দেখলাম অপর্ণা দাড়িয়ে আছে। বেশ সুন্দর লাগছে অপর্ণাকে। বেগুনী রং এর শাড়ী পড়েছে। আর ম্যাচিং করে ব্লাউজ, কানের দুল, হাতের চুড়ি। মনে হচ্ছে এই মাত্র গোসল করে এসেছে। সারাদিন অফিস করার ক্লান্তি ওর মধ্যে দেখলাম না।

কাছে গিয়ে বললাম কেমন আছো? চলো ভিতরে গিয়ে বসি।

আমরা দুজন চেরিশের ভিতরে এসে বসলাম। বললাম, সেদিন যে নোটবুকটা টেবিলে ফেলে গিয়েছিলে এই নাও সেটা।

নোটবুকটি হাতে নিয়ে অপর্ণা বলল, আমার রানিং প্রোজেক্টের বেশ কিছু ইনফরমেশন আছে এটাতে। তা বলো, তুমি কেমন আছো?

এই তো আছি মোটামুটি। তোমাকে আজ অনেক সুন্দর লাগছে। খুব ফ্রেশ লাগছে। ব্যাপার কি? কোথাও যাবে নাকি? তবে তুমি কিন্তু মোটেও বুড়িয়ে যাওনি। ফিগার ধরে রেখেছো ঠিক সেই আগের মত। এখনও কলেজ ছাত্রী বলে মনে হয়। বললাম, আমি।

ওর সেই পুরোনো বাঁকা ঠোটের হাসি আবারো দেখলাম অনেকদিন পর। ও বলল, না না, কোথায় আবার যাবো? হ্যাঁ, আর যাই হোক আমি ফিগারের ব্যাপারে বেশ সচেতন। তবে তোমার একটু মনে হয় ভুড়ি হয়েছে।

আমি হাসলাম। বললাম, বয়স তো কম হলো না। একটু আকটু ভুড়ি তো হবেই।

আরো অনেক অনেক কথায় অনেকক্ষণ সময় পার হয়ে গেল। ঘড়িতে তাকিয়ে দেখলাম প্রায় পৌনে আটটা বাজে। বললাম, অপর্ণা আজ চলো উঠি।

আরেকটু বসো। এত তাড়াতাড়ি যেয়ে কি করবে? বলল অপর্ণা।

আমি বসলাম, খেয়াল করলাম, অপর্ণা মাঝে মাঝে কথার ফাঁকে হাসতে হাসতে আমার হাত কখনও ছুঁয়ে দিচ্ছে আনমনে। আমি এখন ওর কথা শুনছি। বলছি কম।

মনে মনে ভাবলাম "যাক অবশেষে অপর্ণা তুমি লাইনে এসেছো।"

চলবে............

প্রথম পর্ব
Click This Link

দ্বিতীয় পর্ব
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:১৪
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভাঁট ফুল

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৪৩

ভাঁট ফুল
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

ছোট কালে মায়ের সাথে, হাত ধরে
মেঠো পথে হেটে চলে যেতাম-
মইজদী পুর গ্রামে, বোনের শশুর বাড়ি
রাস্তার পাশে মাঝে মাঝে ভাঁট ফুল-
দেখে মুগ্ধ হতাম, আর বলতাম কী সুন্দর!
ইচ্ছের হলেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোরগের ডাক , বিজ্ঞানের পাঠ এবং গাধার প্রতি আমাদের অবিচার

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:৫৫


গ্রামে বেড়ে ওঠা মানেই একটা অসাধারন শৈশব। আমাদের সেই শৈশবের একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল মক্তবের মৌলভি সাহেবদের গল্প। তারা বলতেন, ভোররাতে মোরগ ডাকে কারণ সে ফেরেশতা দেখতে পায়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বঙ্গ ও বেঙ্গলীর শিকড় কী মুছে গেছে? নাকি পুণ্ড্রনগর সভ্যতার মত হারিয়ে গেছে ??

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:০৮


বঙ্গ ও বেঙ্গলীর শিকড় কী মুছে গেছে নাকি পুণ্ড্রনগর সভ্যতার মত হারিয়ে গেছে ?? সামু ব্লগের এই ক্রান্তিকালে বিষয়টি নিয়ে একটু আলোচনা/পর্যালোচনা করে কিছু সময় কাঠানো যাক... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংকটে আওয়ামী লীগের কর্মীরা কোথায় দাঁড়িয়ে?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:০০

সংকটে আওয়ামী লীগের কর্মীরা কোথায় দাঁড়িয়ে?
বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে বহুবার প্রমাণ হয়েছে যে, কোনো রাজনৈতিক দলের প্রকৃত শক্তি থাকে তার তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে। তাদের শ্রম, ত্যাগ, জেল-জুলুম সহ্য করার মানসিকতা এবং... ...বাকিটুকু পড়ুন

খাজনা

লিখেছেন রাজীব নুর, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:২৯



মন! মানুষের মন! মানুষকে তছনছ করে দেয়!
কখনো সে বাঘ, কখনো সে অজগর, কখনো সে শত্রু, কখনো সে বন্ধু!
কখনো সে ঈশ্বর, কখনো সে শয়তান, কখনো সে নিয়তি!
বিদিকিচ্ছিরি কান্ড!

লম্বা টানা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×