টাকাতো আর জনসাধারন বানায় না, জনসাধারন এটা ব্যাবহার করে। কিন্তু এর পর্যাপ্ত মেইটেনেন্সের দায়িত্ব সরকারের উপর পড়ে। বর্তমানে পুরো বাংলাদেশে দুই টাকার নোটের কি অবস্থা তা আমরা সবাই জানি। এক শ্রেণীর লোক আছে যারা ছেড়া টাকা গুলো আবার জোড়া দিয়ে বাজারে ছাড়ছে।
আজকে আমি এমন একটা দুই টাকার নোট পেয়েছি যার একটি অংশ ঠিক আছে কিন্তু তার সাথে যে অংশটি নিপুন ভাবে জোড়া দেয়া হয়েছে সেটা আরেক অংশের চেয়ে তুলনামূলক নতুন এবং সেটা উল্টো করে আঠা দিয়ে লাগানো হয়েছে। যেকেউ ভালো করে দেখলেই বুঝতে পারবে। ব্যাপারটা হাস্যকর।
কিন্তু ব্যাংকের উচিত এধরনের নষ্ট নোটগুলো গ্রাহকে কাছ থেকে নিয়ে নতুন নোট গ্রাহককে বুঝিয়ে দেয়া। কিন্তু সেটা করা হয় না। এইজন্য একটা ভালো ব্যাবসা প্রচলন আছে। আমি এটা ঢাকার ব্যাংক পাড়াতেই দেখেছি। সেটা হলো পুরোনো ছেড়া নোট বদল করে নতুন নোট দেয়া। সেখানে টাকার বড় একটা অংশ অন্যের হাতে চলে যাচ্ছে। মানে আমার দশ টাকার মূল্য হয়ে যাচ্ছে আট টাকা বা নয় টাকা। আমি এও একবার শুনেছিলাম যে, ব্যাংকের কিছু অসাধু কর্মকর্তা এই ধরনের ব্যাবসার সাথে জড়িত। কারণ মানুষ যদি ব্যাংক থেকে নষ্ট টাকা বদল করতে না পারে তবে তারা বাধ্য হয়ে সেই সব টাকার বদলকারী ব্যাবসায়ীদের কাছে যাবে। আর এই সব ব্যাবসায়ীদের সেইসব ব্যাংকের বাহিরেই বসে থাকতে দেখা যায় নতুন টাকার নোট নিয়ে। অথচ আমরা ব্যাংক থেকে নতুন নোট পাই না। তবে এইসব ব্যাবসায়ীরা পায় কোথায়?
সরকারের উচিত এসব ব্যাপারে আরো সজাগ হওয়া এবং একটি টাকার নোট নির্দিষ্ট কিছুদিন ব্যাবহারের পরে সেটা বাজার থেকে উঠিয়ে তার বদলে নতুন নোট বাজারে ছাড়া।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

