অনেক দিন এমন একটা প্রানবন্ত আড্ডা হয়নি। সেটা সবাই স্বীকার করল ওখানে। আর এত ব্লগারের উপস্থিতিও মনে হয় হয়নি কখনও। পুরো পাবলিক লাইব্রেরীর সিড়ি ভরপুর ছিল ব্লগাদের দিয়ে। আর ইউনুস খানের এক মজার গল্প সেখানের মজাটা আরো বাড়িয়ে দেয়।
সবচেয়ে আকর্ষনীয় ব্যাপার ছিল আমাদের শামীমের অগ্রীম জন্মদিন পালন। তার জন্য কেক কাটা হলো আর কোক তো ছিলই। আর বাড়তি আকর্ষন ছিল কোহিনুরের কলিজার সিঙ্গারা। আহা!! কি সেই মজা আর কি সেই আনন্দ!!
শামীমের জন্য আনা কেকের বাক্স
এর মধ্যেই রাতমজুর আবার ফাঁস করে দেয় যে শামীমের বিয়ের সবকিছু ঠিকঠাক। এঙ্গেজমেন্টও কলপ্লিট। আর যায় কোথায় শামীম। সবাই ওকে চাপতে লাগলো কথা বের করার জন্য। কিন্তু শামীমের মিষ্টি হাসিই প্রমান করছিল ডাল মে কুছ কালা হয়। এরমাঝে কার যেন ফোন শামীমের আনন্দ আরো বাড়িয়ে দিলো একগুন। আমাদের কাছ থেকে একটু দুরে গিয়ে হাসি হাসি মুখ নিয়ে কি সেই কথার ফুলঝুড়ি। যাক যদিও তার দুই একটি কথা আমার কানে এসেছে ইথারে। সেটা আর বলে বেচারাকে কারো সামনে লজ্জায় ফেলতে চাই না।
কেক খোলার পর
কেকের বাক্স খোলা হচ্ছে
কেক হাতে সুন্দর হাসির শামীম
হিংসায় আবু সালেহ ছুরি মারতে চাইছে শামীমকে
আমাদের সাথে মোবাইলে যুক্ত হলো চট্টগ্রাম থেকে আমার প্রিয়মানুষ সাইফুর আর প্রিয়মানুষ সুদুর সৌদিআরব থেকে রুবেল শাহ। তারা ছটফট করছিল। দুরত্ব আর কাজটাই তাদের যেন বাঁধা হয়ে গিয়েছিল। অনেকক্ষন তারা আমাদের প্রায় সবার সাথেই কথা বললো।
ব্লগ বন্ধুদের এক অংশ
ব্লগ বন্ধুদের এক অংশ
কেক কাটছে শামীম
মেসবাহ য়াযাদ কেক ভাগ করছে
শামীমের কেক খাচ্ছে
শামীম সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে কারো সাথে হেসে হেসে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলছে যা আমার ক্যামেরাকে ফাঁকি দিতে পারেনি।
আমাদের আড্ডার শেষ প্রান্তে সুনীল সুমদ্র নীচে একটি একশত টাকার নোট পড়ে পেল। আমাকে বলতেই আমি সেটা তুলে দিলাম মেজবাহ য়াযাদের হাতে। তারপর সেটা পুরে ছাই হয়ে গেল বেনসন এন্ড হেজেজের প্যাকেট দিয়ে। নিমিশেই বাতাসে মিশে গেল ধোঁয়া গুলো।
ব্লগ বন্ধুদের এক অংশ
ব্লগ বন্ধুদের এক অংশ
যদিও আরো অনেক মজার মজার ঘটনা ঘটেছে সব পরে শেয়ার করবো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

